মতিউর রহমান রেন্টু একজন মুক্তিযোদ্ধা। সম্ভবত তিনিই একমাত্র মুক্তিযোদ্ধা যাঁর মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারত প্রবাসী সরকারের সনদ রয়েছে। এক সনদ মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
৭১ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের দেয়া সনদে মতিউর রহমান রেন্টুকে সার্বিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা বিধান করতে বলা হয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখ, লজ্জা ও ঘৃণার বিষয় তার নিরাপত্তা বিধানের পরিবর্তে, রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে 'আমার ফাঁসি চাই' নামক বই লেখার কারণে বিনা বিচারে হত্যা করার পরিকল্পনা ও চেষ্টা করেছিলেন।
দয়াময় আল্লাহ পাকের কৃপায় দেহে চারটি বুলেট বিদ্ধ অবস্থায় পালিয়ে জীবন বাঁচানো এবং বিভীষিকাময় পলাতক জীবনের লোমহর্ষক বিশেষ বিশেষ বাস্তব কাহিনীর অবিশ্বাস্য শ্বাঁসরুদ্ধকর ঘটনাসমূহ নিয়েই মূলত রচিত হয়েছে এই 'অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী' গ্রন্থটি।
মতিয়ুর রহমান রেন্টু বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধা এবং বিতর্কিত লেখক। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয়ে লড়াই করেছেন এবং দেশের স্বাধীনতার জন্য জীবন বাজি রেখেছেন। তাঁর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে অবদান স্বীকৃত, যা প্রমাণিত হয় সরকারি নথিপত্রে তাঁর নাম অন্তর্ভুক্তি এবং ভারত সরকারের দেওয়া বিরল সনদের মাধ্যমে।
রেন্টু গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরের আব্দুল বারীর পুত্র ছিলেন। তিনি আনুমানিক ১৯৫৪ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি ১৯৮১ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার সাথে ঘনিষ্ঠ কর্মসম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন এবং তাঁর সহকারী হিসেবে কাজ করেছিলেন।
তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত ও বিতর্কিত রচনা "আমার ফাঁসি চাই", যা প্রথম ১৯৯৯ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়। এই বইয়ের মাধ্যমে তিনি তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের সমালোচনা করেন, বিশেষ করে দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে। বইটি প্রকাশের পর পরই, ২৯ জুন, ২০০০ সালে সরকার এটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে, যেহেতু এর বিষয়বস্তু উত্তেজনাপূর্ণ ও সরকারের বিরুদ্ধে ঘৃণা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করা হয়েছিল।
রেন্টুর জীবনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল তাঁর উপর সংঘটিত হত্যাচেষ্টা। ২০০০ সালের ২০ জুন, তাঁর বাড়ির সামনে, বিকেল সাড়ে ৩ টায় ৯ নম্বর বি কে দাস রোডে, তাঁকে লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করা হয়। এই হামলায় তাঁর শরীরে চারটি গুলি বিদ্ধ হয়, কিন্তু অলৌকিকভাবে তিনি প্রাণে বেঁচে যান।
এই ঘটনা তাঁর জীবনে এক মোড় ঘুরিয়ে দেয় এবং পরবর্তীতে তিনি "অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী" নামে আরেকটি বই লেখেন, যেখানে তিনি এই হত্যাচেষ্টার বিস্তারিত বর্ণনা দেন। তার জীবনের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন এই বইটিতে।
তিনি ২০০৩ সালে তাঁর স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। এক বছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে থাকার পর তিনি প্যারিসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন।
মতিয়ুর রহমান রেন্টু ৫৩ বছর বয়সে, ১০ নভেম্বর, ২০০৭ সালে প্যারিসে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে প্যারিসেই দাফন করা হয়।
তাঁর জীবন ও কর্ম বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়। তার লেখা বিভিন্ন দেশে প্রচারিত হয়েছে এবং বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতি ও ইতিহাস নিয়ে আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। তিনি একজন জটিল ও বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন, যিনি মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে বিতর্কিত লেখক পর্যন্ত নানা ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।
“কিন্তু রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ প্রধানমন্ত্রীর পদে বসে গুলি করে নাগরিককে হত্যা করার চেষ্টাকারীর শাস্তি হবে সাধারণ নাগরিকের শাস্তির চাইতে অনেক কঠিন এবং অনেক বেশি। কারণ নাগরিক শুধু সংবিধান ও আইন মানতে বাধ্য থাকে। কিন্তু প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী কেবল সংবিধান ও আইন মানতেই বাধ্য নন, তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার শপথও মানতে বাধ্য।”
▪️▪️▪️
মুক্তিযোদ্ধা রেন্টুর প্রথম বই 'আমার ফাঁসি চাই' প্রকাশের পর তাঁর উপর যে পরিকল্পিত হত্যা চেষ্টা চালানো হয়, তা নিয়েই দ্বিতীয় এই বইটি। বিষাদসিন্ধুর ঢংয়ে লেখা বলে কিছুটা বিরক্তির সৃষ্টি করে এবং তাঁর বড় সমস্যা হলো এক কথা বারবার লিখেন। যদিও তাঁর এইসব ভুল ভুলের চোখে তেমন দেখলাম না, কারণ শুরুতেই তিনি নিজেকে লেখক না বলে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন।
যা হোক, বিষয়বস্তুতে ফিরে যাই। মোটাদাগে ঘটনাটা সত্যি বলেই মনে হয়েছে। কিছু কিছু বিষয় অতিরঞ্জিত হতে পারে; কিন্ত আবার মনে হচ্ছিল মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে ক্ষত, অস্ত্র এসবের বর্ণনা সত্য হওয়াও সম্ভব। তবে বইয়ে লেখক যার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তা মিথ্যামিশ্রিত বলে মনে হয়নি। মনে না হবার কারণ–আইনানুযায়ী প্রতিবাদ জানানোর বদলে বইটি নিষিদ্ধ করেই ব্যক্তি বুঝিয়ে দিয়েছেন, বইটা কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
মুক্তিযোদ্ধা রেন্টু তার দুইটি বইয়ের মাধ্যমে যে সতর্কবার্তা দেশবাসীকে দিতে চেয়েছিলেন, আফসোস! আমরা দেরিই করে ফেলেছি বুঝতে।
"There’s no doubt that Sheikh Hasina has been a living demon her entire life. For understanding the character of a liar, murderer, and tyrant, there could be no better book than this.
Hasina’s blood is likely a mix of murder, lies, and arrogance.
Bir Mukti Joddha Motiur Rahman Rentu was a great Freedom Fighter and a legend of Bangladesh. He exposed the crimes and the real character of Sheikh Hasina. Sheikh Hasina was a psychopathic killer and a witch who loved nothing but money and enjoyed murdering innocent people who resisted her rule of the Awami League. She is a two-faced liar, and if anyone wants to know about Bangladesh's real history, I would suggest they read this masterpiece.
This is the book that was published after Motiur Rahman Rentu's first publication, "Amar Fashi Chai" (আমার ফাঁসি চাই), after which Sheikh Hasina gathered paid killers to murder him. This book also details how Rentu fought for his survival against Hasina’s paid killers and Indian RAW agents. Bir Mukti Joddha Motiur Rahman Rentu was so brave that he wrote the book during Hasina's rule, after which the witch sent killers to hunt him down and kill him. It's 2024, and now this book is republished again as Sheikh Hasina banned it during her tyrant rule in Bangladesh."
বইটার কতটুকু সত্য কতটুকু মিথ্যা জানি না। তবে বইটা অসম্ভব থ্রিলিং। এক পর্যায়ে লেখক খেলনার যন্ত্রপাতি দিয়ে একটা দেশীয় অস্ত্র তৈরি করেন। ঐ অংশটুকু অবিশ্বাস্য লেগেছে। তিনি যেমনটা বলেছেন আদৌ তেমন কিছু বানানো সম্ভব বলে মনে হয় না। তবে যাইহোক, সত্য মিথ্যা আল্লাহ ভালো জানেন।
এইটা যদি সালমান খান এর করা ম্যাসি একশন মুভি হইতো তবুও বিশ্বাস করা কঠিন হইতো, কিন্তু এইটা উনার লাইফে ঘটে যাওয়া একটা অংশ!
"আমার ফাঁসি চাই" মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টুর লেখা একটি বই, যা তার জীবনের এক বিস্ময়কর অধ্যায় তুলে ধরে। এক সময় শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন তিনি, বিশেষত ১৯৮২ সালে হাসিনার দেশে ফেরার পর থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত। কিন্তু পরবর্তীতে, দলীয় রাজনীতি থেকে অবাঞ্ছিত হয়ে ওঠার পর, তিনি এই বইটি লেখেন, যেখানে তিনি শেখ হাসিনার শাসনামলে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনা ও অভিযোগ তুলে ধরেন। বইটি প্রকাশের পর তিনি ক্ষমতাসীন সরকারের তীব্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়েন।
যাইহোক এই বই লিখার পর মুক্তিযোদ্ধা রেন্টুর জীবনে যে ঘোর অমানিশা নেমে আসে তারই আত্মলিখনী, "অন্তরালের হত্যাকারী প্রধানমন্ত্রী", বইটা। লেখক শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে "আমার ফাঁসি চাই" প্রকাশ করেছিলেন। যার ফলে উনাকে হত্যা করতে নেমে আসে ছাত্রলীগ যুবলীগ ডিবি এনসবি সহ সব ফোর্স।
এত্ত থ্রিলিং এই কাহিনী। ২০শে জুন বাসার নিচেই আক্রমনের শিকার হন। ৪টা গুলি খেয়ে পালায় যান। চারদিকে পুলিশ লীগের পোলাপান খুজতেসে। এরই মাঝে ৪টা গুলি খাওয়া অবস্থায় ওদিন বিকেলে সেগুন বাগিচায় রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনের সংবাদ সম্মেলন করেন! পালিয়ে থাকেন নিজের বাপের কবরের ভিতর কয়েকদিন! থাকেন পতিতা পল্লীতে, সুন্দরবনের গহীনে। নিজের গায়ের বুলেট বের করেন নিজেই।
গল্পটা এতটাই অবিশ্বাস্য ইয়েট সাহসী পড়লে আঁতকে উঠতে হয়। এত অবিশ্বাস্য একটা ঘটনা যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী একজন নাগরিক হত্যায় এতসব বাহিনী লেলিয়ে দিয়েছে তবুও এই বইয়ের কোনো প্রচার নেই প্রসার নেই। কেউ জানেইনা! যেন সবাই বেমালুম চেপে গিয়েছে।
বইটির ভাষারীতি বিষাদসিন্ধুর মতো হওয়ায় কিছুটা একঘেয়েমি লাগতে পারে, এবং একই কথার পুনরাবৃত্তিও চোখে পড়ে। তবে লেখক শুরুতেই নিজেকে লেখক হিসেবে দাবি না করে ক্ষমা চেয়ে নেওয়ায় এই ত্রুটিগুলো সহনীয় মনে হয়।
মোদ্দা কথা, ঘটনাটি সত্য বলেই প্রতীয়মান হয়। কিছু বিষয় অতিরঞ্জিত মনে হলেও, একজন মুক্তিযোদ্ধার জখম ও অস্ত্রের বর্ণনার বাস্তব ভিত্তি থাকা সম্ভব। বইটিতে লেখকের অভিযোগ মিথ্যা মনে হয়নি, কারণ বইটির আইনানুগ প্রতিবাদ না করে বরং নিষিদ্ধ করাই প্রমাণ করে এটি কতটা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
মুক্তিযোদ্ধা রেন্টু তাঁর দুটি বইয়ের মাধ্যমে দেশবাসীকে যে সতর্কবার্তা দিতে চেয়েছিলেন, তা অনুধাবন করতে আমরা হয়তো অনেক দেরি করে ফেলেছি।
৩.৫/৫ রিয়েল লাইফ থ্রিলার! বাস্তব জীবনও যে এতোটা থ্রিলিং এন্ড চ্যালেন্জিং হতে পারে! বাসায় বেশ কয়েকমাস যাবত বইটা পড়ে আছে। পড়ার সময় আর মুড একসাথে হয়ে উঠছিলো না, অবশেষে ৬ মাস শেল্ফে রেখে পড়ার হুকুম হলো পড়ার। বইয়ের ঘটনা বিবরণ কতটুকু সত্যি সে প্রশ্নের উত্তর বোধহয় এখন আর পাওয়া সম্ভব নয়। কিছুটা তো অতিরঞ্জিত হবেই। তবে খুনি হাসিনার পাষবিকতায় ২৬ সালে এসে কোনোরূপ দ্বিধা থাকার তো প্রশ্নই উঠে না। নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে দেশের মানুষ কিংবা নিজের পিএস, কারোর প্রতিই যে তার মানবিকতার বালাই নেই তা তো চোখের সামনেই দেখতে পেয়েছি। সুতরাং, "আমার ফাঁসি চাই" বইটা লিখার পর লেখককে জীবিত থাকার বিন্দুমাত্র কোনো সুযোগ যে সে দিবে না, এবং লেখককে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলতে যেকোনো পাষবিক আচরণ করতে সে যে পরোয়া করবে না তা চরম সত্য। আমি অবাক হয়েছি লেখকের কৌশল, বুদ্ধি এবং সাহসিকতা দেখে। কিছু কিছু জায়গায় প্রশ্ন জেগেছে, খটকা লেগেছে বটে। যেমন, খেলনা দিয়ে দেশীয় অস্ত্র তৈরি কিংবা সম্পূর্ণ ঘটনা প্রবাহেই কেমন একটা কাকতালীয় ভাবও ছিলো কিছু জায়গায়। কিন্তু কে জানে, সত্যকে টিকিয়ে রাখতে সৃষ্টিকর্তা বাস্তব জীবনেই হয়তো উপন্যাসের কাকতালীয় ঘটনা ঘটিয়েছেন। ভাষার ব্যবহারও কিছুটা বিরক্ত লেগেছে। চলিত ভাষা হলেই বেশি ভালো হতো। একই কথার পুনরাবৃত্তিও ছিলো প্রচুর। তবে সেসবের জন্য লেখক শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন।
রক্ষক যখন ভক্ষক তখন নিজের জীবন বাঁচাতে এক মুক্তিযোদ্ধার রিয়েল লাইফ থ্রিলার এই বই।
অতি অখাদ্য, অতি অতিরঞ্জিত একটি বই। এই জনরার বই সাধু ভাষায় কে লেখে ভাই? মনে হয়েছে বিষাদ সিন্ধু পার্ট ৩ পড়ছি। আবার সাধু ভাষার মধ্যেই বিভিন্ন ইংরেজি শব্দ ব্যাবহার করেছে যত্রতত্র। গুরুচন্ডালীর উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এবার আসি ঘটনা প্রবাহে। গায়ে ৪ টি গুলি নিয়ে লেখক নাকি ৫-৭ দিন পালিয়ে বেড়ায়, কোনো রকম সেলাই বা ব্যান্ডেজ ছাড়াই। নিজের গুলি নিজেই বার করেন বড়ো সাইজের পেরেক আগুনে উত্তপ্ত করে তা দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে। এ যুগে এসে কে বিশ্বাস করবে এসব? (বিঃদ্রঃআমি আওয়ামী লীগ পন্থী নই)
"আমার ফাঁসি চাই " বইটি ২০০০ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত হওয়ার পর লেখক মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টুর হাসিনার অবৈধ বাহিনী থেকে বেঁচে থাকার লড়াই নিয়ে এই বইটি।
আমার ফাঁসি চাই বইটির লেখনি সুন্দর ছিল। কিন্তু এই বইতে একি জিনিস অনেকবার লেখা ছিল যা বিরক্তিকর।