হিমালয়ের কোলে এক ছোট্ট জনপদ৷ বুড়িদাদিদের মুখে মুখে প্রচলিত এক প্রাচীন তিব্বতী লোককথা। অতল খাদের ধারে ঝুঁকে থাকা এক উপত্যকা যেখানে পা রাখা বারণ। সেইসঙ্গে কলকাতার গলির প্রান্তে একতলায় সাধারণ অতিমধ্যবিত্ত পরিবারের স্বামী-স্ত্রীর মান-অভিমান-স্ট্রাগল-ভয়, এক অবাধ্য জেদী ছেলের হার-না-মানা স্বভাব আর পাইন গাছের মতো সটান শিরদাঁড়ার এক পাহাড়ি মেয়ে, আর সেই... সেই লোকটা যার হাঁটা একটু ঝুঁকে, একটু দুলে দুলে নড়বড় করে.... এক অমোঘ অলৌকিক সূত্রে এই সমস্ত বাঁধা পড়ে যায়, আর উপন্যাস এগিয়ে যায় ভয়-রহস্য-আতঙ্ক পেরিয়ে চরম পরিণামের দিকে।
ফ্যান্টাসি বললে ফ্যান্টাসি, অলৌকিক হরর বললে তাই। জঁরের কাঠামো ধরে লেখার চেষ্টা করিনি, কারণ এ উপন্যাস গড়ে উঠেছে গল্প বলার প্রবল তাড়না থেকে।
সে গল্প, শেষ অবধি আমার-আপনার মতোই সাধারণ মানুষদের।