সাইলেন্ট কিলার’ একটি রহস্য উপন্যাস। এ উপন্যাসে মৃত্যু এসেছে নিঃশব্দে, আর নিশ্চুপ ঘাতক ধীরে ধীরে তার জাল বিস্তার করে মানুষকে পৌঁছে দিয়েছে মৃত্যুর দোর গোড়ায়। রক্তপাত নয়, এ মৃত্যু এসেছে ভয়ংকর নেশার হাত ধরে। নারকোটিক্স বা ড্রাগস স্কুল স্টুডেন্ট থেকে প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মধ্যে কীভাবে ছড়িয়ে দিচ্ছে একটি চক্র, সেটাই দেখানো হয়েছে উপন্যাসের পাতায়। কে সেই চক্রের কেন্দ্রবিন্দুতে বসে আছে? সে কি কোনো ক্রিমিনাল? নাকি মধ্যবিত্ত ছাপোষা বাঙালি চেহারার আড়ালেই লুকিয়ে আছে সেই অপরাধী? একটার পর একটা খুন ঘটে চলেছে সরকারি হাইস্কুলকে কেন্দ্র করে কলকাতার রাস্তায়। ডিসিপি লগ্নজিতা ভট্টাচার্য কি পারবে এই চক্রকে ধরতে? খুনির নাগাল কি আদৌ পাবে? নাকি প্রকাশ্য দিবালোকে ফুলের মতো নিষ্পাপ শিশুরা আস্তে আস্তে এই ভয়ংকর নেশার কবলে পড়বে? এসব প্রশ্নের উত্তর দেবে অফিসার লগ্নজিতা ভট্টাচার্যের রহস্য উপন্যাস- ‘সাইলেন্ট কিলার।
জন্ম নবদ্বীপের কাছে সমুদ্রগড়। কৃষ্ণনগর কলেজ থেকে বাংলায় স্নাতক। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর। তারপর চাইল্ড ডেভলপমেন্ট ডিপার্টমেন্টে চাকরি পান। স্কুল ম্যাগাজিনে লেখা প্রকাশিত হলেও লেখালিখির সূচনা ২০১৬ সালের শেষের দিকে। ফেসবুকে নিজস্ব পেজ 'Arpita Sarkar'-এ নিয়মিত লেখালিখি করেন। এই পেজের অনুসরণকারীর সংখ্যা চার লক্ষের অধিক। প্রথম বই প্রকাশিত হয় ২০১৭ সালের বইমেলায়। প্রতিটা বইই পাঠকের মনে জায়গা করে নিয়েছে। সামাজিক, প্রেম এবং রহস্য তিনটি ধারায় লেখিকা সমান সাবলীল। ছোটগল্প সংকলন ও উপন্যাস সমানভাবে পাঠক মহলে সমাদৃত। প্রথম শ্রেণীর শারদীয়া সংখ্যায় স্থান পায় লেখিকার লেখা। লেখিকার গল্প নিয়ে হয়েছে বেশ কিছু শর্ট মুভি। তিনটে গল্প নির্বাচিত হয়েছে ফিচারের জন্য। ভারত সরকারের (পূর্বাঞ্চলীয় শাখা) সংস্কৃতি মন্ত্রক কর্তৃক পুরস্কার প্রাপ্ত- ২০২১ সালের সাহিত্য সম্মান পান। জোশটকের মঞ্চ থেকে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে পরিচিত মুখ লেখিকা অর্পিতা সরকার।
সদ্য পড়ে শেষ করলাম লেখিকা অর্পিতা সরকারের "অফিসার লগ্নজিতা" সিরিজের আর একটি নতুন রহস্য উপন্যাস সিরিয়াল কিলিং।
গল্পের বিষয়বস্তু - কলকাতা শহরের বুকে পুলিশের নাকের ডগায় বসে একটি চক্র আসতে আসতে তাদের নেশার কারবার ছড়িয়ে দিচ্ছে শুধু কি তাই মধ্যবিত্ত ঘরের মেয়েদের পয়সার লোভ দেখিয়ে কিভাবে অসৎ কাজ কর্মে জড়িয়ে দেওয়া ও সচ্ছল জীবনের স্বপ্নকে হাতিয়ার করে নেশার জগতে টেনে নামানো ও তাদের মাধ্যমেই একটা গোটা সিস্টেম পরিচালনা করা, এই চক্রের মূল উদ্দেশ্যই হলো শহরের নানান সরকারি বেসরকারি স্কুলের বাচ্চাদের নেশার কালো জগতে টেনে নামানো যাতে আসতে আসতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার আগে পর্যন্ত এরা মাদক দ্রব্যের কনজ্যুমার হয়েই থাকে।। এদিকে সামান্য একটি ছোট ঘটনার জন্যে শহরের একটি সরকারি স্কুল ও সেই এলাকায় পরপর তিনটি খুন হয়ে যায় । কারা এই খুনের পেছনে ? কে এই চক্রের মূল পান্ডা? সেকি কোনো ক্রিমিনাল নাকি আর পাঁচটা সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষের আড়ালে থাকা ঠান্ডা মাথার খুনি ?
অফিসার লগ্নজিতা ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশ হয়েও কেন নিজে থেকেই এই কেস হাতে তুলে নিলেন ?
পাঠ প্রতিক্রিয়া - মাদক এমন একটি সাবস্ টেন্স যার পাল্লায় একবার কেউ পরলে তার থেকে নিস্তার পাওয়া খুবই কঠিন এবং কষ্টসাধ্য । মানুষের শরীর ও মনের সবটুকু সুষে নিয়ে তাকে এমন একটি মানসিক পর্যায় নিয়ে যায় সেখান থেকে ফিরে আশা প্রায় অসাধ্য ,লেখিকার এমন একটি বিষয় নির্বাচন করেছেন তার জন্যে অবশ্যই সাধুবাদ দিতেই হয় । রহস্য উপন্যাসের মোড়কে লেখিকা খুব সুন্দর ভাবে মানুষের মনের আদিম প্রবৃত্তি গুলোর সাথে মানসিক বিকৃতির ও একটি সুস্পষ্ট ছবি তুলি ধরেছেন।। তবে সমগ্র উপন্যাসটি পড়ে কোথাও একটু আশাহত হলাম সত্যি বলতে , রহস্য উপন্যাস হিসেবে যদি বিচার করি তাহলে অবাক হওয়ার অনুভূতি গোটা গল্পে খুবই কম সত্যি বলতে , পাঠক হিসেবে কোথাও গিয়ে মনে হলো খুব একটা ইম্প্যাক্টফুল নয়। "এটাই হওয়ার ছিল" গোছের একটা অনুভূতি গোটা গল্প জুড়ে অনুভব করলাম। এই সিরিজের আগের বই পড়ে লগ্নজিতার প্রতি যে মুগ্ধতা জন্মেছিল এই বইতে এসে একটু হলেও তার তীব্রতা ধাক্কা খেয়েছে , ডিসিপি হিসেবে তার তদন্তের পদ্ধতি আর পাঁচটা সাধারণ পুলিশের মত লেগেছে । গল্পের গতিময়তা যথেষ্ট ভালো , ক্লিপ - হাঙ্গার গুলো যথেষ্ট ভালো , টানা পড়ে যেতে ভালই লেগেছে।। কিন্তু শেষে গিয়ে ডিসিপি হিসেবে অপরাধীকে চিহ্নিতকরণ প্রক্রিয়া ভালো লাগে নি , অপরাধীর শেষ *পরিণতি* তাও আবার এতগুলো পুলিশের সামনে এরকম ভাবে হবে , এটা একটু মেনে নিতে কষ্টই হয়।। মোটের ওপর ভালো লেগেছে ,খুব একটা রোমাঞ্চকর তা বলা যাবে না ।।
today I completed this book in the morning. IT is a good thriller book.. here is a police officer named Lagnajita unleashing the drug racket... drug racket solely targets the young adults and children.. and also contains some funny incidents between Lagnajita and her colleagues and her would be husband....How Lagnajita solved this case and who is the real culprit...?? if you want to know please go through the book...