Jump to ratings and reviews
Rate this book

দেওয়াল

Rate this book
১. "ছোট ঘর"
২. "ছোট মন"
৩. "খোলা জানলা"

552 pages, Hardcover

6 people are currently reading
84 people want to read

About the author

Bimal Kar

131 books35 followers
Bimal Kar (Bengali: বিমল কর) was an eminent Bengali writer and novelist. He received 1975 Sahitya Akademi Award in Bengali, by Sahitya Akademi, India's National Academy of Letters, for his novel Asamay.

বিমল কর-এর জন্ম ৩ আশ্বিন ১৩২৮। ইংরেজি ১৯২১। শৈশব কেটেছে নানা জায়গায়। জব্বলপুর, হাজারিবাগ, গোমো, ধানবাদ, আসানসোল। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক। কর্মজীবন: ১৯৪২ সালে এ. আর. পি-তে ও ১৯৪৩ সালে আসানসোলে মিউনিশান প্রোডাকশন ডিপোয়। ১৯৪৪-এ রেলওয়ের চাকরি নিয়ে কাশী। মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায় সম্পাদিত ‘পরাগ’ পত্রিকার সহ-সম্পাদক, পরে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ পত্রিকা ও ‘সত্যযুগ’-এর সাব-এডিটর। এ-সবই ১৯৪৬ থেকে ১৯৫২ সালের মধ্যে। ১৯৫৪-১৯৮২ সাপ্তাহিক ‘দেশ’ পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৮২-১৯৮৪ ‘শিলাদিত্য’ মাসিক পত্রিকার সম্পাদক। বহু পুরস্কার। আনন্দ পুরস্কার ১৯৬৭ এবং ১৯৯২। অকাদেমি পুরস্কার ১৯৭৫। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় পুরস্কার ১৯৮১। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের নরসিংহদাস পুরস্কার ১৯৮২। ‘ছোটগল্প—নতুন রীতি’ আন্দোলনের প্রবক্তা।

প্রয়াণ: ২৬ আগস্ট ২০০৩।

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
19 (51%)
4 stars
15 (40%)
3 stars
3 (8%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Momin আহমেদ .
112 reviews49 followers
October 20, 2022
সময়ের পূর্ণ ছবি একেছেন লেখক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের কোলকাতা শহর। একদিকে মানুষের দু:খ দুর্দশা অভাবের গল্প অন্যদিকে এই যুদ্ধের বাজারে কিছু মানুষের ফুলেফেপে ওঠা।
যুদ্ধের ভয়ে কোলকাতার মানুষ শহর ছেড়ে পালাচ্ছে। শহর খালি হয়ে যাচ্ছে। আবার সেই যুদ্ধের বাজারে চাকরি খুজতে গ্রামের কৃষক শহরে পারি জমাচ্ছে। যারা বাধ্য হয়ে শহর ছাড়তে পারে না তারা বোমার ভয়ে ঘরে মাথা গুজে থাকে।
মানুষের নৈতিক অবক্ষয়ের ছবি একেছেন লেখক।

আমি এর আগে এই প্রেক্ষাপটে লেখা কোনো বই পড়িনি।দেশভাগ নিয়ে তো অনেক লেখালেখি হয়েছে কিন্তু দেশভাগপূর্ব এই সময়ের কথা খুব কম।এজন্যেও এই বইটা আমার মতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।
Profile Image for Mahmudur Rahman.
Author 13 books356 followers
May 26, 2020
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার কলকাতা। তবে পুরো কলকাতা নয়, একটা ছোট্ট অংশ। নিম্নবিত্ত মানুষের যেখানে ঘর। এঁদো গলির ভিতর স্যাঁতসেঁতে ঘরে আব্রু রক্ষা করে ভদ্রলোকের সংসার। সেই সংসারের জোয়াল কাঁধে একুশ বছরের মেয়ে সুধা।

সুধার পরিবারকে কেন্দ্র করে বিমল কর 'দেওয়াল' উপন্যাসে ফুটিয়ে তুলেছেন শহরের নিম্নবিত্ত নাগরিকের জীবন সংগ্রাম৷ গ্রাম ছেড়ে শহরে তারা একদিন এসেছিল স্বচ্ছলতার খোঁজে৷ আজ তাদের দিন আনতে দিন ফুরায় তবু ভদ্রস্থ থাকতে হয়। কিন্তু সুধার ভাই বাসু তা মানে না। পড়াশোনা তার হলো না৷ খানিকটা বখে গিয়ে কাজ নিলো পিআর গার্ডের৷ কিন্তু যা পয়সা আসে তা বাসুর নিজের খরচেই যায়। সংসার সুধারই টানতে হয়৷ টানতে টানতে এক সময় স্বপ্ন ভেঙে যায়।

'ছোট ঘর', 'ছোট মন', 'খোলা জানালা' এই তিন পর্বে বিভক্ত উপন্যাস 'দেওয়াল' আমাদের দেখায় জীবন সংগ্রামে নিজেকে ক্ষইয়ে দিলে এক সময় কেমন করে মানুষের মন ছোট হয়ে যায়। সংসারের টানাপোড়েন আর বেঁচে থাকার সংগ্রামে ছোট ছোট ঘরে থেকে সুধারা প্রতি মুহূর্তে হেরে যায়। বাসুরা বখে যায় কেননা তারা সুরের সন্ধান পায় না। সুধারা সুচারুর মতো মানুষদের পেলেও তাদের আঁকড়ে ধরতে পারে না।

আর সেই সময় যদি পুরো পৃথিবীটা যুদ্ধে জড়িয়ে যায়, দেশে হয় দুর্ভিক্ষ, ছোট ঘরে থাকা মানুষদের মনও ছোট হয়ে যায়। সুধার মা রত্নময়ী তখন মেয়ের কথা না ভেবে সংসারের কথা ভাবেন। মেয়ের অসুখ তার কাছে বড় হয় না, বড় হয় টাকার হিসাব।

এসবের মাঝে বিমল কর পরিচয় করিয়ে দেন অমলার মতো উপকারী বান্ধবী, সুচারুর মতো স্বপ্নবাজ যুবক, কলকাতার ব্ল্যা আউটের সাথে। খুব সাদামাটা সংসারের গল্পের মধ্যে চলে আসেন গিরিজাপতির মতো একজন নিস্তরঙ্গ মানুষ যার খেরোর খাতায় আমাদের নিয়ে গিয়ে বিমল কর দেখান জটিল রাজনৈতিক বিশ্লেষণ।

উমার শারিরীক প্রতিবন্ধকতা, সুধার অসুখ, যুদ্ধে সুচারুর হাত হারানো, কলকাতার বদলে যাওয়া, বাসুর পালিয়ে যাওয়ার গল্পের মধ্য দিয়ে বিমল কর আমাদের দেখান একটা সময়ের সমাজের রূপ। সাদামাটা সংসারের মধ্যে দাঁড়িয়ে সেখান থেকেই খুব অদ্ভুতভাবে লেখক দেখান সমস্ত দেশটাকে। এখানেই লেখকের স্বার্থকতা। সুধা আর সুচারুর সঙ্গে তিনি তার পাঠককেও দাঁড় করান 'খোলা জানালা'র সামনে। তিনি প্রমাণ করেন, কখনও খোলা আকাশও তৃপ্তি দিতে অক্ষম, তখন চার দেয়ালের মাঝেও শান্তি খুঁজে পাওয়া যায়। কখনও বৃহৎ জগতের চেয়ে ছোট ঘরই সুখের।
Profile Image for Saikat Mahmud.
44 reviews22 followers
April 8, 2014
'ছোট ঘর', 'ছোট মন', 'খোলা জানলা' এই তিনে মিলে এক ও অভিন্ন উপন্যাস 'দেওয়াল'। আমার পড়া বিমল করের প্রথম কোন বই। অসামান্য তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণে বাঙালি নিম্ন ও নিম্ন মধ্যবিত্তের অন্দরমহলে তিনি আমাদের ঘুরিয়ে নিয়ে আসেন একদম অনায়াসেই।

'দেওয়াল' লেখবার সময় লেখক বিমল কর নিতান্তই যুবক। জীবনের এতো অল্প অভিজ্ঞতাকে সম্বল করেও উপন্যাসজুড়ে এমন পরিণত এবং একই সাথে সুগভীর জীবনবোধ ও বাস্তবতাবোধের সমন্বয় সত্যিই অবিশ্বাস্য। ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫; উপন্যাসটির ব্যাপ্তিকাল এই ছয়টি বছর। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা থেকে বাদ যায় না বহুদূরের শহর কলকাতাও। উন্মুল ছয়টি বছরজুড়ে কলকাতার সঙ্কটাকীর্ণ বাঙালি সমাজের অবক্ষয় ও ভাঙনের এক বিশ্বস্ত দলিল এই 'দেওয়াল'।
Profile Image for DEHAN.
277 reviews80 followers
October 9, 2024
তিন খন্ড ইট নিয়ে একটি দেওয়াল ।
ছোট ঘর , ছোট মন , খোলা জানালা । লেখক ২ নম্বর বিশ্বযুদ্ধের সময়ে কলকাতার একটা অভিভাবকহীন পরিবারের সদস্যদের ভেতরে আস্তে আস্তে কিভাবে দেওয়াল উঠে যায় তা বর্ননা করেছেন । ফটিক দে লেনের ছোট একটা ঘরে ভট্টাচার্য ফ্যামিলি থাকে । বিধবা মা তার দুটি কন্যা আর একটি পুত্র নিয়ে ঐ ছোট ঘরটিতে থাকতে থাকতে একদিন আবিষ্কার করে তাদের সবার মন টা ছোট হয়ে গেছে । বড় মেয়ে সুধা সংসারের ঘানি টানার জন্য বিয়েথা বাদ দিয়ে বাইরে চাকুরী করে ,ছোট মেয়েটা ঘরের কাজ আর অল্পবিস্তর পড়াশোনা করে আর ছেলেটা পড়ালেখা ছেড়ে রকে বসে বসে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয় ; মাঝেমধ্যে বিড়িও ফুঁকে।
তারা একসাথে থাকলে কি হবে ! এখানে কেউ ই কারু সাথে ঠিক খাপ খেয়ে উঠতে পারে না। জানালা খুলে দিলে বাইরের বাতাস ভেতরে এলেও ভেতরের দারিদ্র জানালা দিয়ে বের হয় না । এইসব অশান্তির মধ্যে অফিসে সুধার এক ছোকরার সাথে ঘনিষ্ঠতা হয় । অভাবের সংসারেও সুধা নতুন করে মুক্তির স্বপ্ন দেখে । কিন্তু ঐ পাষন্ডটা সুধা কে ফেলে যুদ্ধে চলে গেলে সুধা রিয়ালাইজ করে পুরুষজাত বড় হারামজাদা জাত । নিজেকে ও ভাগ্য কে গালি দিয়ে আবার সুধা তার একঘেয়ে জীবনে ফিরে যায় । ছোট ভাই বাসুর প্রতিও তার ঘেন্না ধরে গেছে । এত বড় হলো তাও সংসারের জন্য কিছুই করছে না । বাড়িতে খাচ্ছে ঘুমাচ্ছে আর বাইরে গিয়ে আড্ডাবাজি , মারামারি , নারীত্যক্তপনা... ছিঃ
সুধার রিয়ালাইজেশন আরো পাকাপোক্ত হয় ।



মাস যায় , বছর যায় , উইকেন্ড যায়...
একদিন সুধার এই বিরক্তিকর জীবনে দুইটা ইম্পর্ট্যান্ট ঘটনা ঘটে ।
এক - তার প্রেমিক যুদ্ধ থেকে পঙ্গু হয়ে আবার তার কাছে ফিরে আসে ।
দুই - তার ইডিয়ট ভাইটা কাউকে কিছু না জানিয়ে যুদ্ধে চলে যায় ।
সুধা রিয়ালাইজ করে পুরুষ জাতি শুধু হারামজাদাই নয় টাউট ও বটে !
Profile Image for Ranendu  Das.
156 reviews63 followers
January 26, 2015
বইটি খুবই ভাল। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পটভূমিকায় কলকাতার এক নিম্নবিত্ত পরিবার ও তাদের ক্ষয়িষ্ণু জীবনের গল্প। বেঁচে থাকার গল্প, আশা-আকাঙ্খার গল্প, আশা-ভঙ্গের গল্প।
লেখক তার নৈর্ব্যাক্তিক লেখনীতে ভাঙ্গা সময়ের এক আশ্চর্য গল্প লিখেছেন। বইটি প্রচার-আলো তেমন পায়নি (বোধকরি লেখক স্বয়ং প্রচার বিমুখ বলে) কিন্তু নিঃসন্দেহে বইটি তারিফ যোগ্য।
বইটি পড়ে, শেষ করে, এক গভীর শ্বাস উৎক্ষিপ্ত হল অন্তর হতে, যেন সময়-যানে করে এক বিগত সময়কে খুব ঘনিষ্ট ভাবে অবলোকন করে এলাম। উত্তর কলকাতার অযুত-নিযুত গলিপথ ধরে জীবনের যে সুপ্ত ফল্গুধারা বয়ে চলেছে (হয়ত আজও চলেছে) তার এক নিরাবরন ধারা-বিবরনী এ বই। মনে হয় শতছিন্ন তবুও নিরন্তর এই জীবন ধার�� বুঝি আমারই; আমিই নায়ক, আমিই পাঠক।

Profile Image for Arijit Saha.
77 reviews1 follower
November 26, 2022
There are some novels that tend to linger with you, grow on you as you think about it later you finish reading, this is exactly that. Really amazingly realistic characters. Gives you a picture of Calcutta at the time of WW2. But mainly it's about a family and their survival through that unholy time. It's a slow read, the pace of the novel varies, just like life it tends to flow towards an uncertain destination. Truly a modern classic.
Profile Image for Tanjina Tamanna.
99 reviews20 followers
May 18, 2017
উপন্যাসটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কলকাতার এক নিম্নবিত্ত পরিবার ও তাদের জীবনের গল্প,কঠিন বাস্তবতার মুখে কখনো আশায় ভেঙ্গে পড়া আবার আশায় বুক বাঁধার আখ্যান।
বইটি শেষ করার পর মনে হয় খুব চেনা এই কাহিনী,এসব চরিত্র ।আপাতদৃষ্টিতে খুব মহিরূহ কোন চরিত্রের পরিচয় করাননি লেখক।কিন্তু খুব সাধারণই আসলে খুব কাছে আসে,আপন হয়।অসাধারণ দূরে দূরে থেকে অধরা থাকে বলেই তার প্রতি টান বেশি ।কিন্তু খুব আপন হয়ে উঠার অসাধারণত্ব তা চলে যাওয়ার পর বোঝা যায় তা হারানোর দীর্ঘশ্বাসে।বইটি শেষ করার পর ঠিক সেই দীর্ঘশ্বাসই যেন মনের গহীণ থেকে আসে নিজের অজান্তেই।পড়বার সময় মনে হয় এরা তো সাধারণ চরিত্র,সাধারণ কাহিনী,কিন্তু শেষ হবার পর যেন আপনকিছুর বিচ্ছেদের সুর বাজে। অজস্র অলিগলিতে আজীবন যেন এরা আছে,থাকবে।কবিগুরূ বলেছেন "বহে নিরন্তর আনন্দধারা",কিন্তু বাস্তবজীবনে কখনো দুঃখধারাও নিরন্তর বহে।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.