What do you think?
Rate this book


92 pages, Hardcover
First published January 1, 1897
“যজ্ঞের কয়েকদিন কি আনন্দ করিয়া যে সকলে নিমন্ত্রণ খাইলো তাহা কি বলিব! যত চাহিয়াছে ততই খাইতে পাইয়াছে। ব্রাহ্মণরা ভোজনে সন্তুষ্ট হয়ে বলিলেন ‘মহারাজের জয় হোক’। ছেলেদের পেট ভরিয়া গেল, তবু তারা বলিল ‘আরো খাইবো।’– আমি তো আরো খাইবো মনে হয় স্পষ্ট শুনতে পেরেই হেসে উঠেছি।
“যুদ্ধ করিবার আর লোক না পাইয়া- শেষে সে একদিন বালীর সাথে যুদ্ধ করতে গেল। বালী তখন সমুদ্রের ধারে চোখ বুজিয়া সন্ধ্যা করিতেছিল। রাবণ মনে করিল, ‘এই বেলা উহাকে জড়াইয়া ধরিয়া জব্দ করি; চোখ বুজিয়া আছে, দেখিতে পাইবে না।’ এই বলিয়া সে পিছনদিক হইতে গিয়া তাহাকে জড়াইয়া ধরিল; কিন্তু প্রাণপণে টানাটানি করিয়াও তাহাকে নাড়িতে পারিল না। ততক্ষণে বালী সন্ধ্যা সারিয়া, রাবণ মহাশয়কে পাখিটির মত খপ্ করিয়া বগলে পুরিয়া বসিয়াছে। বালী পূর্ব, পশ্চিম, উত্তর, দক্ষিণ এই চারি সমুদ্রের ধারে বসিয়া চারিবার সন্ধ্যা করিত। সবে তখন তাহার একবার সন্ধ্যা শেষ হইয়াছিল; সুতরাং সে রাবণ করে বগলে করিয়াই আরো তিনবার সন্ধ্যা করিল। এদিকে সেই বগলের চাপে, গরমে, ঘামে আর গন্ধে বেচারা চ্যাপ্টা হইয়া, সিদ্ধ হইয়া, দম আটকাইয়া, পেট ঢাক হইয়া নাকালের এক শেষ।”