সকাল সাড়ে দশটার দিকে মিসেস কাদের বাসা থেকে বেরোলে হেলেনের পথ খোলে। কাদের সাহেবের কল পেয়ে ছুটে আসে। কিন্তু তার সময়ের লেজে আগুন বাঁধা। তাকে তাই ছোটার ওপর থাকতে হয়-'তাড়াতাড়ি কর, আমাকে একটু পরেই বেরুতে হবে। মিটিং আছে।' হেলেন জানে, স্যারের মিছিল-মিটিঙের বুভুক্ষামির শেষ নেই। যেদিন আসে সেদিনই শোনে তাদের হা-করে থাকার কিস্সা-কাহিনি- হয় পল্টনে, না হয় লালবাগে কিংবা সদরঘাটে। এসব মিটিঙে স্যার কী বলেন তাও হেলেন শোনে রাতে চ্যানেলে। পর্দায় যখন স্যারের মুখ ভাসে তখন নামের নিচে 'সাবেক মন্ত্রী' লেখাটাও চোখ মেলে।
বইতে মোট ১২টি ছোট গল্প আছে। ভিন্ন ধাঁচের গল্প, কোনটার সাথে কোনটার মিল নেই। লেখার ধরনটা ভিন্ন রকম। পড়ে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেনি। সময় ও বেশী লেগেছে।
প্রথম গল্প ‘দেহো যার সিদ্দানতো তার’ তেমন একটা ভালো লাগেনি। তারপর পর্যায়ক্রমে বাকী প্রত্যেকটা গল্পের একই অবস্থা। কোনটাই ভালো লাগেনি। ভালো লাগারও কথা না।
‘টালা মরিচের হইচই’ নামের গল্পটা একেবারে জঘন্য ছিল। না! শুধু এটা না। এমন আরো অনেক গল্প আছে।
কিন্তু শেষমেষ একটা গল্প আমার মনে ধরেছে। পড়ে অনেক মজা পেয়েছি। ‘তেরানের তালিকায় যখন রামেছার নাম নাই’। এই গল্পের কিছু কিছু ডায়লগ পড়ে অনেক হাসলাম। গল্পের শেষটা কষ্টদায়ক ছিল। শুধুমাত্র এই গল্পটার জন্য এক তারার বদলে দুই তারা দিলাম।