এক রুপকথাকে তাড়া করে চলে কবীর শাহ। বাজপাখি সম্বোধনে যাকে সকলে চিনে। ইতিহাসে হারিয়ে যাওয়া কবি ইফ্রাতের বর্ণনার পার্শুমাসের সুন্দরী লায়লার হৃদয়টিকে গভীর সমুদ্রে সন্ধান করে চলেছে। নিয়ন্ত্রিত এ পুরুষটির জীবনে হঠাৎ তার আশেপাশের দৃঢ় দেয়ালে ফাঁটল ধরিয়ে শত্রুর কিশোরী কন্যা তোশার আগমন ঘটে। মেয়েটা স্বপ্ন দেখে অদ্ভুতভাবে কিংবা স্বপ্নে বাঁচে।যেখানে বয়সের পার্থক্য বিশ বছর সেখানে কেমন অদ্ভূত অনুভূতি তৈরী হয়ে গেলো। সমুদ্র,একটি রুপকথা,ভালোবাসা, ঘৃণা,ভয়,ষড়যন্ত্র,ধোঁকা সবকিছুর ঝড়কে অতিক্রম করে এক সূর্য উঁকি দিবে।তোশার ভাষ্যমতে সেটিই " মিঠা মিঠা রোদ "
ফ্যান্টাসি ফিকশন হিসেবে মোটামুটি ভালোই। একবার পড়ে ফেলা যায়। লেখিকার লিখনশৈলীতে এক ধরনের সম্ভাবনার আভাস দেখতে পাচ্ছি৷ বোধ করি, আগামীতে আরও ভালো কাজ দেখাবেন।
বইতে তথ্যগত ভুল না পেলেও ব্যাকরণ ও বানানে বেশ ভুল পেয়েছি। এছাড়া লেখিকার অত্যাধিক তাড়াহুড়োর স্বভাব। এটা কমিয়ে আনা দরকার৷ লাফিয়ে লাফিয়ে এ ঘটনা থেকে ওই ঘটনায় চলে যাওয়াটা প্রচুর বিরক্তির কারণ। ফ্যান্টাসি জনরার বইগুলোর ঘটনাপ্রবাহ গঠন করতে হয় ধীর সুস্থে। আমার অনুরোধ থাকবে, এটা যেন তিনি সামনে না করেন। তাহলে তিন তারার জায়গায় চার তারা পাবার যোগ্য হবে উপন্যাস।
চরিত্র গঠনে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে যাতে সব চরিত্র মোটামুটি একটা গুরুত্ব পেয়েই মাঠ ছাড়ে। এগুলো খেয়াল রাখলে সামনে ভালো উন্নতি করতে পারবেন বলে আশাবাদী।