রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
তিন গোয়েন্দার ছোট্ট একটা গল্প। এটাকে গোয়েন্দা'র চেয়ে এডভেঞ্চার গল্প বেশি মনে হয়েছে। তিন গোয়েন্দার যেসব গল্পে জিনা থাকে সেগুলো যেন একটু বেশিই জমে যায়। ছুটিতে জিনার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল তিন গোয়েন্দা। কিন্তু জিনার বাবা যাছেন এডিনবার্গে একটা সম্মেলনে যোগ দিতে। জিনার মা ও যাবেন তাদের সাথে। তাই ঠিক হলো তারা চারজনও এবারের ছুটিটা এডিনবার্গে কাটাবে। কিন্তু মা-বাবার সাথে থাকতে পারবে না তারা। তাই বাধ্য হয়েই তাদের উঠতে হল একটা হলিডে ক্যাম্পে।সেখানে তাদের মতো আরও অনেকে এসেছে ছুটি কাটানোর জন্য। সবাই বেশ হাসিখুশি, তাই তাদের সাথে বন্ধুত্ব হতে খুব বেশি সময় লাগল না। কিন্তু একটা চেলে ছিল যে খুব চুপচাপ থাকত এবং অন্যদের সাথে খারাপ ব্যবহার করত। একদিন রাতে হঠাৎ রবিনের ঘুম ভেঙ্গে গেল বাইরে কারও পায়ের শব্দে। কিশোর পাশা পিছু নিল তার। জানতে পারল একজন স্পাই পিছু নিয়েছে একজন বিখ্যাত বিজ্ঞানীর। সবাই মিলে সিদ্ধান্ত নিল পরদিন জিনার বাবাকে জানাবে পুরো বিষয়টা। সিধান্ত হবার পর যে যার মতো ঘুমুতে গেল, কিন্তু সে রাতে ঘুম তো তাদের কপালে ছিল না...