Adapted from "The Mystery of the Screaming Clock" (Alfred Hitchcock and The Three Investigators #9).
চেঁচিয়ে উঠলে। ঘড়িটা। অবাক হয়ে তাড়াতাড়ি সুইচ অফ করে দিল, কিশোর পাশা। ছুটে এলো রবিন আর মুসা। খুঁজে খুঁজে বের করে ফেললো ওরা, আজব এক ঘড়ির ঘর। মেঝেতে, দেয়ালে, তাকে সবখানে ঘড়ি। ছোট খড়ি, বড় ঘড়ি, বাবা ঘড়ি, দাদা ঘড়ি, সব রকমের ঘড়ি, সব আকারের। সবগুলোই চেঁচায়। কোনোটা বিকট স্বরে, কোনোটা তারস্বরে, কোনোটা মিহি স্বরে, কোনোটা নাকি স্বরে... আজব ওই ঘড়িগুলোই যে মহাবিপদে ফেলে দেবে, তদন্ত শুরু করার আগে ভাবতেই পারেনি ওরা।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
কাকাতুয়া রহস্যের পর জনপ্রিয়তম বই। কাহিনি পুরো ভুলে গিয়েছি, শুধু মনে আছে ঘড়ি নিয়ে কাহিনি, এটা অবশ্য মনে রাখার দরকার নেই, নামেই বলে দেয়। এন্থনি শোঁপা যে আগেও এসেছিল সেটা প্রথমবার পড়ার সময় মনে ছিল না। নইলে নাম মনে থাকত, পরে ফেসবুকে দেখেছি সবাই শোঁঁপাকে চিনে।
টান টান উত্তেজনার থ্রিলার। তার উপর আছেন অ্যান্থনি শোঁপা, এ যেন সোনায় সোহাগা। শেষে চীফ ইয়ান ফ্লেচারের সাথে শোঁপার মুখোমুখি হওয়াটা দারুণ। আহ! কি সুন্দর!!