রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
তিন গোয়েন্দা সিরিজের সব চেয়ে প্রিয় বই আমার এইটা। every time I read the book I just feel that I am a member of their expedition too. কুমালো ডেংগু পার্ভি পোনেপে
আপনাকে একটা দ্বীপে গিয়ে একাকী এক মাস কাটাতে হবে। প্রয়োজনীয় সব রসদপত্র সাথে দিয়ে দেয়া হলো। এখন আপনাকে বলা হলো যে আপনি সাথে করে একটাই বই নিতে পারবেন এবং সেটি হবে হবে তিন গোয়েন্দার। আপনি কোন বইটা নিবেন? কমেন্টে লিখে ফেলুন!
আপনি লিখতে লিখতে আমি কোন বইটা নিতাম সেটা জানিয়ে দিচ্ছি।
আমি নিতাম অথৈ সাগর বইটা।
এই বইটা মানুষকে অনেক কিছু শেখায়। মানুষকে চ্যালেঞ্জ নিতে শেখায়, বিপদে ধৈর্য্য ধারণ করতে শেখায়, অধ্যবসায় শেখায়, পরিশ্রম করার মানসিকতা শেখায়। হাল ছেড়ে না দেয়ার মানসিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত পাওয়া যায় এই বইতেই। বারবার বিপদ আসবেই, কিন্তু চেষ্টা করতে হবে একদম শেষ পর্যন্ত, বিপদকে মোকাবিলা করতে হবে। আর বিপদে ভেঙে পড়া যাবে না, চেষ্টা করতে হবে, মাথা খাটাতে হবে। ঠিকই একটা না একটা উপায় বের হয়ে আসবেই।
আরেকটা চমৎকার বিষয় রয়েছে এই বইতে, সেটা হলো বন্ধুত্বের এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বন্ধুত্বের সংজ্ঞাটা নতুন করে জানতে পারবেন এই বইতেই! এতো কিছুর সমাহার এই চমৎকার বইটাকে শুধুমাত্র একটি "রহস্যগল্প", "থ্রিলার" কিংবা "এডভেঞ্চারের বই" বললে ভুল হবে, এটি যেন একটি "ভালো বই" এর চমৎকার উদাহরণ।
কষ্টের অথৈ সাগরে কূল খুঁজে না পেলে সঙ্গী করে নিন "অথৈ সাগর"-কে!
সান ফ্রান্সিসকো থেকে হনলুলু, সেখান থেকে মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পাশ দিয়ে বিকিনি এটল। বিকিনি থেকে পোনাপ, মাইক্রোনেশিয়া। বর্তমানে নাম পাল্টেছে, ফাওনিপেই (Pohnpei). এর পর কাল্পনিক দ্বীপ পার্ল লেগুন। জাপানিরা মাইক্রোনেশির নিয়ন্ত্রন হারায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে। আর মূল বইটা লেখা হয় তার মাত্র কয়েক বছর পর ১৯৫২ সালে, সেখানে সমস্যা নেই। কিন্তু বাংলায় এডাপশন হয় ১৯৯০ সালে, একটা এঞ্জিন নৌকার টিকে থাকার জন্য চুয়াল্লিশ বছর অনেক বেশি সময়। বোটটা জাপানিদের সেটা রকিব হাসান উল্লেখ না করলে পারতেন। ১০ ভলিউমের ২৪৩ পাতায় শ্বেতাঙ্গদের রোগ ছড়ানোর চমকপ্রদ তথ্য আছে।
A good start to an adventurous case. Just love this type of cases❤. Musa's fight with Octopus part was lit. So was the parts of sending Zambu to jail and Kishor changing logbook readings. Hope to witness a thrilling finish in part 2.
This entire review has been hidden because of spoilers.