What do you think?


তিন গোয়েন্দা #46
প্রজাপতির খামার
Adapted from "Five Go to Billycock Hill" (Famous Five, #16).
Paperback
About the author
Rakib Hassan
563 books401 followersরকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন।
থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা।
রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা।
রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
November 22, 2017
Pretty good one, it was released during the golden age for Tin Goyenda so indeed a good read. This one is based on or inspired from the Famous five go to Billy cock hill which I think is not as good as this one.
March 27, 2024
এটা ঠিক রিভিউ না। বার বার একি গল্প পড়ি আর কোন গল্পের কি কাহিনী ভুলে যাই। তাই এভাবে শর্টে লিখে রাখলাম।
তিন গোয়েন্দা, জিনা, রাফিয়ান। ছুটিতে জিনার বাড়িতে এলো তিগো। এরপর সবাই মিলে জনির বাড়ি, বাটারফ্লাই হিলে যাবে ঠিক করলো।
বাটারফ্লাই হিল, ফার্ম হাউজ, প্রজাতির খামার।
তিন গোয়েন্দার বন্ধু জনি, জনির কুকুর ডবি।
জনির ভাই ল্যারি (বয়স ৫), ল্যারির ভেড়া টোগো যাকে ছাড়া ল্যারি এক মুহূর্ত থাকতে পারেনা।
মিস্টার ডাউসন, প্রজাপতির খামারের এক মালিক, জাল দিয়ে প্রজাপতি ধরে। ডাউসনের বন্ধু ডরি। দুজন মিলে খামার সামলায়।
ডাইনীর মত দেখতে মিসেস ডেনভার তার সন্দেহজনক ছেলে টেড ডেনভার।
জনির ভাই জ্যাক। এয়ারফিল্ডে জব করে।
এরোপ্লেন বা এয়ারফিল্ড নিয়ে আসল কাহিনী।
ঝড়ের রাতে বাটারফ্লাই হিল থেকে চুরি যাওয়া দুইটি প্লেন যা উড়িয়ে নিয়ে গেছে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট জ্যাক ম্যানর আর রিড বেকার।
ফেক ডরি। নিজেকে ডাউসনের বন্ধু মথ শিকারি বলে দাবী করলো।আসলে সে ডরি না। কালো চশমা পরে।
রাতের বেলা টেডের সাথে দুই রহস্যময় লোকের কথা কাটাকাটি। তাদের কে ঘুসি মারা। টেড কিছু একটা লুকিয়ে রেখেছিল তাদের হয়ে কিন্তু তারা টাকা দিচ্ছেনা টেডকে। এদের সব কান্ড গোলাঘরে বসে দেখে ফেলা কিশোর মুসা জনি। টেড প্রজাপতির ঘরের কাচ ভেংগে ফেলে সেই শব্দে ডাউসন আর ডরির কাছে ধরা খেয়ে বলে চোর ধরতে আসছে। এরপর তার টর্চের আলো পরে গোয়েন্দাদের উপরে। রাফি এসে বাঁচায় ওদেরকে।
টেড চারজন লোককে খামারে লুকিয়ে থাকতে দিত৷ তারা মিসেস ডেনভারের ঘরে থাকত। মিসেস ডেনভার তাদের রান্না করে খাওয়াত। তারা পাহাড়ের ওদিকের কোনো কিছুর দিকে নজর রাখত।
পুলিশ টেড কে জিজ্ঞাসাবাদ করায় সে জানালো চার জনের মধ্যে দুজন বিদেশী পাইলট যারা ঝড়ের রাতে প্লেন চালিয়ে চুরি করতে গিয়ে সাগরে পরে মারা গেছে, প্লেন দুইটাও নষ্ট হয়ে গেলো। বাকি দুজন পালিয়েছে। তারা প্লেন চুরির আগে জ্যাক আর রিড কে বন্দী করে কোথায় রেখেছে কেউ জানেনা। গোয়েন্দারা তাদেরকে খুজবে ভাবলো।
এর মধ্যে হঠাৎ ল্যারি হারিয়ে গেলো৷ তাকে পাওয়া গেলো গুহায়। টোগো দড়ি ছাড়া গুহায় ঢুকেছে তাই ল্যারিও তাকে না নিয়ে যাবেনা।
তাকে জোর করে ফার্মে নিয়ে যাওয়া হলো।
একটু পরে টোগো একাই ফিরে এলো। কিন্তু তার পিঠে কেউ একজন জে,এম, আর.বি লিখে দিয়েছে। জনির ধারনা এর মানে জ্যাক ম্যানর আর রিড বেকার।
সবাই মিলে গুহায় গিয়ে টোগো কে ছেড়ে দিলো। টোগোর পিছনে তাকে অনুসরণ করতে পাঠানো হলো রাফিকে। রাফির পিছনে গেলো গোয়েন্দারা। পেয়ে গেলো জ্যাক আর রিড কে।
এ কেমন গল্প! হুট করেই শেষ। মিসেস ডেনভারের কথা কিছু বললো না, ডাউসন আর ডরি এর কথাও কিছু বললো না, চোরেরা কারা এবং তারা কেনো প্লেন চুরি করলো তাও জানালো না, বাকি দুই চোর ধরাও পরলো না। ২ তারা দিতে চাচ্ছিলাম। তিন গোয়েন্দা দেখে ৩ দিলাম।
তিন গোয়েন্দা, জিনা, রাফিয়ান। ছুটিতে জিনার বাড়িতে এলো তিগো। এরপর সবাই মিলে জনির বাড়ি, বাটারফ্লাই হিলে যাবে ঠিক করলো।
বাটারফ্লাই হিল, ফার্ম হাউজ, প্রজাতির খামার।
তিন গোয়েন্দার বন্ধু জনি, জনির কুকুর ডবি।
জনির ভাই ল্যারি (বয়স ৫), ল্যারির ভেড়া টোগো যাকে ছাড়া ল্যারি এক মুহূর্ত থাকতে পারেনা।
মিস্টার ডাউসন, প্রজাপতির খামারের এক মালিক, জাল দিয়ে প্রজাপতি ধরে। ডাউসনের বন্ধু ডরি। দুজন মিলে খামার সামলায়।
ডাইনীর মত দেখতে মিসেস ডেনভার তার সন্দেহজনক ছেলে টেড ডেনভার।
জনির ভাই জ্যাক। এয়ারফিল্ডে জব করে।
এরোপ্লেন বা এয়ারফিল্ড নিয়ে আসল কাহিনী।
ঝড়ের রাতে বাটারফ্লাই হিল থেকে চুরি যাওয়া দুইটি প্লেন যা উড়িয়ে নিয়ে গেছে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট জ্যাক ম্যানর আর রিড বেকার।
ফেক ডরি। নিজেকে ডাউসনের বন্ধু মথ শিকারি বলে দাবী করলো।আসলে সে ডরি না। কালো চশমা পরে।
রাতের বেলা টেডের সাথে দুই রহস্যময় লোকের কথা কাটাকাটি। তাদের কে ঘুসি মারা। টেড কিছু একটা লুকিয়ে রেখেছিল তাদের হয়ে কিন্তু তারা টাকা দিচ্ছেনা টেডকে। এদের সব কান্ড গোলাঘরে বসে দেখে ফেলা কিশোর মুসা জনি। টেড প্রজাপতির ঘরের কাচ ভেংগে ফেলে সেই শব্দে ডাউসন আর ডরির কাছে ধরা খেয়ে বলে চোর ধরতে আসছে। এরপর তার টর্চের আলো পরে গোয়েন্দাদের উপরে। রাফি এসে বাঁচায় ওদেরকে।
টেড চারজন লোককে খামারে লুকিয়ে থাকতে দিত৷ তারা মিসেস ডেনভারের ঘরে থাকত। মিসেস ডেনভার তাদের রান্না করে খাওয়াত। তারা পাহাড়ের ওদিকের কোনো কিছুর দিকে নজর রাখত।
পুলিশ টেড কে জিজ্ঞাসাবাদ করায় সে জানালো চার জনের মধ্যে দুজন বিদেশী পাইলট যারা ঝড়ের রাতে প্লেন চালিয়ে চুরি করতে গিয়ে সাগরে পরে মারা গেছে, প্লেন দুইটাও নষ্ট হয়ে গেলো। বাকি দুজন পালিয়েছে। তারা প্লেন চুরির আগে জ্যাক আর রিড কে বন্দী করে কোথায় রেখেছে কেউ জানেনা। গোয়েন্দারা তাদেরকে খুজবে ভাবলো।
এর মধ্যে হঠাৎ ল্যারি হারিয়ে গেলো৷ তাকে পাওয়া গেলো গুহায়। টোগো দড়ি ছাড়া গুহায় ঢুকেছে তাই ল্যারিও তাকে না নিয়ে যাবেনা।
তাকে জোর করে ফার্মে নিয়ে যাওয়া হলো।
একটু পরে টোগো একাই ফিরে এলো। কিন্তু তার পিঠে কেউ একজন জে,এম, আর.বি লিখে দিয়েছে। জনির ধারনা এর মানে জ্যাক ম্যানর আর রিড বেকার।
সবাই মিলে গুহায় গিয়ে টোগো কে ছেড়ে দিলো। টোগোর পিছনে তাকে অনুসরণ করতে পাঠানো হলো রাফিকে। রাফির পিছনে গেলো গোয়েন্দারা। পেয়ে গেলো জ্যাক আর রিড কে।
এ কেমন গল্প! হুট করেই শেষ। মিসেস ডেনভারের কথা কিছু বললো না, ডাউসন আর ডরি এর কথাও কিছু বললো না, চোরেরা কারা এবং তারা কেনো প্লেন চুরি করলো তাও জানালো না, বাকি দুই চোর ধরাও পরলো না। ২ তারা দিতে চাচ্ছিলাম। তিন গোয়েন্দা দেখে ৩ দিলাম।
This entire review has been hidden because of spoilers.
June 10, 2022
This was one of my favourites. I have read it so many times ❤
April 14, 2025
This was one of my favourites. I have read it so many times ❤
July 15, 2025
একটা প্রজাপতির খামার, এলোমেলো গুহা আর এক রহস্য।
তিন গোয়েন্দার এবারের সঙ্গী জিনা ও রাফিয়ান। সাথে আছে তাদের আরেক বন্ধু জনি, তার ভাই ল্যারি ও ল্যারির প্রিয় ভেড়ার বাচ্চা টোগো।
তিন গোয়েন্দার এবারের সঙ্গী জিনা ও রাফিয়ান। সাথে আছে তাদের আরেক বন্ধু জনি, তার ভাই ল্যারি ও ল্যারির প্রিয় ভেড়ার বাচ্চা টোগো।
December 9, 2015
এবার পড়ার সময় ভাল লাগাটা কিঞ্চিৎ কম অনুভব করলাম বিধায় দুই তারা কমিয়ে দিলাম।
বুদ্ধিমত্তা : ০.২৫/২
অ্যাডভেঞ্চার : ১/২
গল্পগাঁথুনি : ১/১
(বাকিটুকু পক্ষপাতিত্ব)
কিন্তু গুহার উদ্ভট শব্দ শুনে কিশোরের নিচের ঠোঁট চিমটি কেটে ও কেন কোনো রহস্যের উদ্ঘাটন করল না তা এখনো ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। 🥺
বুদ্ধিমত্তা : ০.২৫/২
অ্যাডভেঞ্চার : ১/২
গল্পগাঁথুনি : ১/১
(বাকিটুকু পক্ষপাতিত্ব)
কিন্তু গুহার উদ্ভট শব্দ শুনে কিশোরের নিচের ঠোঁট চিমটি কেটে ও কেন কোনো রহস্যের উদ্ঘাটন করল না তা এখনো ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। 🥺
October 24, 2018
'প্রজাপতির খামার ' - তিন গোয়েন্দার স্বর্ণালী যুগের বই।
Displaying 1 - 7 of 7 reviews








