মাহবুব মোর্শেদের জন্ম ১৯৭৭ সালে ২৯ জানুয়ারী রংপুরে। গল্পকার, ঔপন্যাসিক। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন প্রত্নতত্ত্ব নিয়ে। পেশা সাংবাদিকতা। শৈশব-কৈশর কেটেছে উত্তরের রংপুর, দিনাজপুর, পঞ্চগড়, গাইবান্ধা ও দক্ষিণ-পশ্চিমের কুষ্টিয়ায়। ২০০৬ সালে তার গল্পগ্রন্থ ‘ব্যক্তিগত বসন্তদিন’ প্রকাশিত হয়েছে কাগজ প্রকাশনী থেকে। ২০১০ সালে ভাষাচিত্র থেকে প্রকাশিত হয়েছে উপন্যাস ‘ফেস বাই ফেস’।
পরিচিত ঘটনাবলী মাহবুব মোর্শেদের গল্পে আসে নতুন আবিষ্কার, চমক আর বুননে সজ্জিত হয়ে। স্বতঃস্ফূর্ত ভাষা বুনে দেয় রহস্যময় সংযোগ। তার স্টোরিটেলিং সব সময়ই আকর্ষক, স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত। গদ্য সরল, কিন্তু দ্ব্যর্থকতায় ভরপুর—ইশারা আর পরিহাসে ঠাসা। তার কবিতা লিপ্সা, আকাঙ্ক্ষা, তাড়না ও প্রেমের আরেক উন্মীলন। গল্প-উপন্যাস রচনা ছাড়াও তিনি এক সময় বিচিত্র বিষয়ে লিখতেন ব্লগে। এখন ফেসবুকে লেখেন নানা বিষয়ে ছোট ছোট কথা।
প্রচলিত সংস্কার মাথায় রেখে মাহবুব মোর্শেদের গল্প পড়া অর্থহীন। যৌনতা নিয়ে এতো খোলাখুলি ও কৌতুকপূর্ণভাবে লেখেন খুব কম লেখকই। সমস্যা হচ্ছে, "ব্যক্তিগত বসন্তদিন" ও "সন্দেহ" পড়ার পর "দেহ" পুনরাবৃত্তিপরায়ণ ও কিছুটা বর্ণহীন মনে হচ্ছে; একই বিষয়ে একইভাবে লিখতে গেলে যা হয় আর কি! এ বিষয়ে লেখকের উপন্যাসে(যেমন - বুনো ওল) যে ভারসাম্য থাকে গল্পে তা অনেকাংশে অনুপস্থিত। পড়তে পড়তে পাঠকের মনে হতে পারে, মানুষের শরীরের নিচের অংশটাই শুধু সত্য- সেখানে "মন" নামক কোনো পদার্থ অনুপস্থিত।