Adapted from "The Mystery of Wreckers' Rock" (The Three Investigators, #42).
চেয়ারের সঙ্গে শক্ত করে বাঁধা রয়েছে কিশোর। হাত-গা টেনে-টুনে ছোটানোর চেষ্টা করলো সে। মরিয়া হয়ে তাকালো ঘরের এদিক-ওদিক। কিছু নেই যার সাহায্যে মুক্তি পাওয়া যায়। হতাশায় ছেয়ে গেল মন। অদ্ভুত সব কাণ্ড ঘটছে ব্রেকারস রক-এ। চুরি যাচ্ছে খাবার, জামা-কাপড়। দেখা দিচ্ছে পুরনো সব ভূতেরা। অন্ধকার রাতে রক্ত হিম করা চিৎকার করছে ভূয়ঙ্কর মায়া নেকড়ে। তদন্ত করতে গিয়েই বিপদে পড়েছে তিন গোয়েন্দা, মুক্তি মিলবে কিনা সন্দেহ।
রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
ক্লাসিক তিন গোয়েন্দা। পুরনো ভূত, বোট, দ্বীপ, উৎসব, জটিল রহস্য, অ্যাডভেঞ্চার সব মিলিয়ে বেশ জমজমাট। বহুবছর আগে স্কুল জীবনের ডিসেম্বরের শেষের ছুটিতে লেপের নীচে শুয়ে শুয়ে তিন গোয়েন্দা পড়ার সোনালি স্মৃতি গুলোতে ভেসে বেড়ালাম। কিছু কিছু জায়গায় একটু বেশি তাড়াহুড়ো না হয়ে গেলে পাঁচ তারা পেত।