Jump to ratings and reviews
Rate this book

রুদ্র-প্রিয়ম #৬

মৃত্যু যখন দুবার আসে

Rate this book
এককালে এই বাংলার বুকে ঘুরে বেড়াত রোম্থারা। কী করত তারা? রাজা লক্ষ্মণ সেন কি সত্যিই কাপুরুষ ছিলেন? কারা ছিল লক্ষ্মণ সেনের বাংলার রোম্থা? কেন তাদের বুকে লোহার শলাকা পুড়িয়ে চিরকালের জন্য দাগিয়ে দেওয়া হত ‘রোম্থা?’ আজকের মালদা শহরে কেন একের পর একজন মানুষ নিরুদ্দেশ হয়ে চলেছে? কিছু মানুষ যেন পালটে যাচ্ছে রাতারাতি! কীভাবে? মৃত্যু তো প্রত্যেকের জীবনে একবারই আসে? কিন্তু কখন তার পুনরাগমন ঘটে?

বিজ্ঞান ইতিহাস ও রোমাঞ্চের মিশেলে রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের নতুন উপন্যাস ‘মৃত্যু যখন দু’বার আসে’, যেখানে সমান্তরালে আঁকা হয়েছে প্রাচীন বাংলার এক বিলুপ্ত প্রথা ও সমসাময়িক অদ্ভুত এক সিরিয়াল কিলিং এর অপরাধ!

200 pages, Hardcover

Published November 1, 2024

3 people are currently reading
27 people want to read

About the author

Debarati Mukhopadhyay

52 books351 followers
Debarati Mukhopadhyay is presently one of the most popular and celebrated authors of Bengali Literature and a TED Speaker having millions of readers worldwide.

A young Government Officer by profession and awarded with several accolades like Indian Express Devi Award 2022, Tagore Samman, 2022, Literary Star of Bengal etc, she has written 25+ bestselling novels in West Bengal from leading publishing houses. Global publishers like Harper Collins, Rupa Publication have published her English works worldwide.

A no. of novels are already made up into movies starting Nusrat Jahan, Mithun Chakraborty, Dev etc by big production houses like SVF, Eskay etc. Her stories are immensely popular in Sunday Suspense, Storytel etc.

Her Novel ‘Dasgupta Travels’, has been shortlisted for ‘Sahitya Akademi Yuva Pursakar, 2021’.

Her Novel ‘Shikhandi’ created a history when it was acquired for film by SVF within 24 hours of it’s publication. Beside this, she contributes in Bengal’s prominent literary magazines and journals regularly.

She has been selected as Country's only Bengali Literature Faculty for the esteemed Himalayan Writing Retreat.

An excellent orator, Debarati motivates people through her way of positive thinking, voluntarily guides aspirants for Government job preparation in leisure.

She’s a regular speaker in eminent institutions like Ramakrishna Mission and other educational seminars and often considered as youth icon of Bengal. She’s extremely popular in Bengal and having more than 5,00,000+ followers in Social media.

For more details, please visit: www.authordebarati.com

Her famous novels: Narach, Dakatraja, Shikhandi, Aghore Ghumiye Shib, Narak Sanket, Ishwar Jakhan Bandi, Diotima, Dashgupta Travels, Hariye Jaoa Khunira, Babu O Barbanita etc.

Significant Awards: Indian Express Devi Award, 2022, Tagore Samman, Most Inspirational Lady 2022, Sera Kathak Samman etc.

For more details, visit official website: http://www.authordebarati.com

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
11 (36%)
4 stars
10 (33%)
3 stars
5 (16%)
2 stars
3 (10%)
1 star
1 (3%)
Displaying 1 - 8 of 8 reviews
Profile Image for Shreyashi Bhattacharjee Dutta.
82 reviews6 followers
April 6, 2025
বেড়াতে বেরিয়ে বা ছুটি কাটানোর কিছু মুহুর্তের জন্য বই খুঁজছেন, যেটা ছোট আকারের হবে, সাথে ক্যারি করতে সুবিধে হবে আবার ভালো কাহিনীও হবে? মোট কথা, কম সময়ে জমজমাট একটি থ্রিলার যেটা টুক করে পড়ে শেষ করা যায়। এটা সেরকম উপন্যাস।

এই গল্পে দেখা যাচ্ছে যে রুদ্রানী এবার পুলিশে চাকরি পেয়ে সপরিবারে মালদায় থাকে। তার দত্তককন্যা অজেয়া হোস্টেল থেকে ছুটি পেয়ে তাদের সাথেই আছে। এই সময়ে শহরে ঘটে যায় বেশ কিছু নিরুদ্দেশ হওয়ার ঘটনা। রুদ্রর প্রতিবেশী একটি মেয়েও নিরুদ্দেশ। তদন্তে নেমে রুদ্র একে একে ক্লু পেতে থাকে, সবকিছুর সাথে একটি common link হয়ে জড়িয়ে যায় একটি জিমের নাম।

অন্যদিকে রাজা লক্ষণ সেনের আমলের এক কবিরাজের কথা চলতে থাকে সমান্তরাল ভাবে। তখন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বন্দীদের রোমথা বানিয়ে তাদের ফুটন্ত তেলে ভেজে সেই তেল থেকে তৈরি করা হত আশ্চর্য কার্যকরী ওষুধ। পৈশাচিক এই প্রক্রিয়া কীভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে আমাদের আজকের যুগের এই গল্পে, সেটাই দেখার।

কাহিনীর শেষটা খুব হৃদয়বিদারক। তবে আজকের যুগে এসে এই উপন্যাসের উপসংহার কিন্তু খুবই প্রাসঙ্গিক। নিজেকে অন্যদের চোখে আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য করে তুলতে আমরা অনেকেই উতলা হয়ে ভালমন্দ বিবেচনা না করেই ভুল পদক্ষেপ নিয়ে ফেলি। সর্বপ্রথম যেটা দরকার সেটা হচ্ছে নিজেকে নিজের মতো গ্রহণ করা।

খুব বেশি চরিত্রের আনাগোনা নেই, ছোট্ট আকারের, quick read করার জন্য একটি খুব ভাল থ্রিলার।
Profile Image for Bubun Saha.
199 reviews6 followers
November 30, 2025
মৃত্যু যখন দুবার আসে 
দেবারতি মুখোপাধ্যায় 
দীপ প্রকাশন 
মম: ২৭৫/-



রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের রুদ্র আইপিএস এর ভূমিকায় মালদা জেলায় পোস্টেড্। এই গল্পে ব্যাকস্টোরি নেই। সরাসরি মূল গল্পে আসা যায়।


মালদা শহরের একদিকে বাংলাদেশ, অন্যদিকে ঝাড়খন্ড.. তাই চোরাচালান নিয়মিত চলতে থাকে। এর মধ্যেই সম্প্রতি ৩ জন ব্যক্তি নিখোঁজ হয়। এক সকালে নিখোঁজ হয় মঞ্জিমা, রুদ্রর প্রতিবেশী প্রফেসর এর একমাত্র মেয়ে। 


তদন্তের ভিতরে গিয়ে রুদ্র খোঁজ পায় এর সাথে জড়িত আছে প্রাচীন আয়ুরভেদ শাস্ত্র আর তার আচার। প্রফেসরের থেকে জানতে পারে প্রাচীন রোমাথা প্রথা। এর সাথেই রয়েছে বর্তমান লাইফস্টাইল, নিজেকে আরো আকর্ষণীয়, অন্যের কাছে নিজেকে অনবদ্য, অপরূপ করে তোলার তীব্র আকাঙ্খা। তার ফাঁদে নিজেরাই পা ফেলে কিছু লোক, তার মধ্যে রয়েছে রুদ্রর কন্যাসম অজেয়া।


আদ্যপানতো থ্রিলার। Unputdownable, একবার নিয়ে বসলে শেষ করেই ছাড়বেন। অযথা প্রাচীন রেফারেন্স, টীকা দিয়ে গল্পের গতি কমায়নি। 


গল্পের শেষে রুদ্রর অসমাপ্ত থাকা একটা অধ্যায়ও শেষ হয়। হালকা, সহজ সরল ভাবে পড়া যায়.... রুদ্র-প্রিয়ম এর এই সিরিজ চলতে থাকুক।
1 review1 follower
November 16, 2024
'রোমথা' এবং কিছু অনুভূতি
সুমেধা চট্টোপাধ্যায়

কিছু কিছু বই এমন হয় পড়ার পর মন আকুল হয় তার পাঠ-অনুভূতি লেখার জন্য। গত পরশু থেকে শুরু করে আজ শেষ করলাম দেবারতি মুখোপাধ্যায়ের লেখা রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের নতুন বই 'মৃত্যু যখন দুবার আসে'। এটি পড়ার পর থেকে এমনই অনুভূতি হচ্ছে। তাই রিভিউ নয়, এই বই পড়ে মনের অনুভূতিটুকুই লিখলাম।স্কুলের এক বন্ধু তিতির দেবারতির একনিষ্ঠ পাঠক। সে আমাকে বার বার বলেছিল একটা রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের বই পরে দেখতে। আগের গুলো পড়া নেই। তাই এই নতুন বই দিয়েই শুরু করলাম।

বেশ কিছু গুরু-গম্ভীর বই পড়ার পর মাঝে মাঝেই আমার ইচ্ছা হয় গোয়েন্দা বা অ্যাডভেঞ্চার গোত্রের কোনও বই পড়তে। তাই এবার হাতে তুলে নিয়েছিলাম সদ্য প্রকাশিত এই বইটি। আরও একটি কারণ ছিল এই বইটির প্রতি আগ্রহের পিছনে। তা হল মালদা আমার খুব প্রিয় জায়গা। আমার পিসির বাড়ি। গৌড়, আদিনা, লুকোচুরি দরওয়াজা সব অনেক ছোটবেলায় দেখা। তাই সেগুলো একটা উপন্যাসে আবার মানসচক্ষে দেখতে পাব ভেবেই রোমাঞ্চিত হয়েছিলাম।

রুদ্র অর্থাৎ রুদ্রাণী এখানে মালদা সদরে একজন এএসপি। খুব ব্যস্ত তাঁর জীবন। দত্তক নেওয়া কন্যা এবং স্বামী প্রিয়মের সঙ্গেও তাঁর ভালো করে বসে কথা বলার সুযোগ হয় না। তাও সে চেষ্টা করে। কাজের মারাত্মক চাপের মধ্যে থেকেও সে বার বার ফিরে আসে কাছের মানুষগুলোর কাছে। চেষ্টা করে তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতে। দেবারতি নিজে মাল্টি-টাস্কিং এবং অত্যন্ত দায়িত্বশীল মনোভাবের হওয়ার কারণে রুদ্রাণীর চরিত্রের এই দিকটি খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলেছে লেখায়।

ইতিহাস, বিজ্ঞান ও রোমাঞ্চের সঠিক অনুপাতের মিশ্রণে ঘটনার জাল ছড়াতে থাকে। মালদা শহরে একের পর এক ব্যক্তি, পুরুষ-নারী নির্বিশেষে উধাও হতে থাকে। কারওর মধ্যে হতে থাকে নানা পরিবর্তন। ঘটনার অভিঘাত এমনই যে তা ঢুকে পড়ে খোদ এএসপি'র অন্দরমহলে। বর্তমানের ঘটনা প্রবাহের সঙ্গে সমান্তরালে দেবারতি লিখেছেন সেন রাজবংশের আমলের এক গায়ে কাঁটা দেওয়া প্রথার কথা -- 'রোমথা'। প্রাচীন আয়ুর্বেদ-শাস্ত্রে রোমথাদের অবদান অপরিসীম। তাদের জীবনে মৃত্যু কিভাবে দুবার আসে? জানার জন্য পাঠকের মনে তৈরি হয় এক অদ্ভুত উঠকণ্ঠা।
একদিকে রুদ্রাণী রহস্যের জট ছাড়াতে থাকে ধীরে ধীরে, অন্যদিকে দেবারতির কলমে আমরা পড়তে থাকি সেন বংশের আমলে বাংলার রাজধানী গৌড়ের প্রায় আটশো বছর আগের ইতিহাসের নানা অজানা কাহিনী। দুটি যুগকে সমান্তরালে এত সুন্দর করে তুলে ধরেছে দেবারতি এবং এত সাবলীল ভাবে অল্টারনেট চ্যাপ্টারে দুটো পাশাপাশি লিখেছে যে পাঠককে তা একদম খেই হারাতে দেয় না, বরং মেরুদণ্ড সোজা করে বসে উত্তেজনায় টানটান করে রাখে। প্রাচীন বাংলার এক বিলুপ্ত প্রথার সঙ্গে আস্তে আস্তে মিলে যায় এযুগের এক সিরিয়াল কিলিং-এর আখ্যান। অপরাধীরা যেমন যুগে যুগে ফিরে আসে তেমনই বিলুপ্ত প্রথাও যেন অপরাধীদের হাত ধরে আবার নিজরূপ ধারণ করে।
দেবারতির লেখনী নিয়ে বেশি কিছু বলা আমার মতো একজন সামান্য পাঠকের কাছে ধৃষ্টতা। ওর লেখা আমি যতটা না ভালোবাসি, মানুষ হিসেবে ওকে admire করি অনেক বেশি। ওর প্রত্যেকটি বইএর মতো এটিতেও অসম্ভব পড়াশুনো এবং অধ্যাবসায়ের ছাপ স্পষ্ট। অতিরিক্ত তথ্যের ভারে কখনও ভারাক্রান্ত লাগে নি, আবার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে বজায় রাখতে নানা ঘটনা এবং ফ্যাক্টের উল্লেখ যথাযথ মাত্রায় হয়েছে। পারফেক্ট ব্যালেন্স। আমার বন্ধুর কথা একদম যথাযথ ছিল।
আমার এই বইটি ভালো লাগার আর একটি ব্যক্তিগত কারণও আছে। সেটি হল আগে থেকে না জানলেও পড়তে গিয়ে দেখি একটি বেশ প্রাধান্যযুক্ত চরিত্রের নাম সুমেধা। প্রত্যেকবার নামটি এসেছে যখন বেশ মজা লেগেছে।
প্রত্যেকটি ঘটনা বিশেষ করে ঐতিহাসিক অধ্যায়গুলি যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম, আর চোখের সামনে ফুটে উঠছিল আদিনা, লুকোচুরি ইত্যাদি। বিশেষ করে বইটির শেষের দিকে এক পূর্ণিমার রাতে আদিনাতে রুদ্রাণী এবং তাঁর কন্যা অজেয়ার অন্তরঙ্গ কথোপকথনের একটি দৃশ্যের বর্ণনা করা আছে, আমার এই অধ্যায়ে দেবারতির লেখনী এক অন্য মাত্রা পেয়েছে বলে মনে হয়েছে।
পাতার মান এবং বইটির উপস্থাপনা, বাইন্ডিং খুব ভালো। দু-একটি ব্যতীত মূদ্রণ-প্রমাদ আমার চোখে পড়ে নি।
সবশেষে দেবারতিকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ এইরকম একটি অজানা এবং রোমহর্��ক ঐতিহাসিক প্রথার কথা এক প্রাসঙ্গিক হত্যাকাণ্ডের মোড়কে এমন মুন্সিয়ানার সঙ্গে আমাদের কাছে পরিবেশন করার জন্য। তোমার কলম দীর্ঘজীবী হোক।

Profile Image for Anisha Sharma.
28 reviews12 followers
December 24, 2025
কিছু বই পড়া শেষ করার পর মনে হয় ভিতরে একটা গভীর নীরবতা জমে থাকে। মৃত্যু যখন দুবার আসে পড়ে আমারও ঠিক সেইরকম অনুভূতি হয়েছে। এটি রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের আমার তৃতীয় বই, এবং বলতে পারি এই সিরিজের প্রতিটি গল্প আগেরটার চেয়ে আরও পরিণত ও গভীর হয়ে ওঠে।

লেখিকার বই হাতে নিলে সবসময় এক অদ্ভুত টান অনুভব করি। তাঁর লেখায় শুধু রহস্য নয়, জীবনের বাস্তবতা ও অনুভূতির সত্যতাও থাকে। এই বইতেও তাই পেয়েছি। মালদাকে ঘিরে গড়ে ওঠা গল্পে তিনি ইতিহাস, বিজ্ঞান, আবেগ এবং রোমাঞ্চকে এমনভাবে মিশিয়ে দিয়েছেন যে এক মুহূর্তের জন্যও বই নামাতে ইচ্ছে হয় না।

মালদা জায়গাটির সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত টান তেমন নেই, কিন্তু পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমি নিজেই গৌড়ের ধ্বংসাবশেষে হাঁটছি, আদিনার পথে দাঁড়িয়ে বাতাসে সেই পুরনো ইতিহাসের গন্ধ পাচ্ছি। লেখিকার বর্ণনাশৈলী এমনই জীবন্ত যে পাঠক অনায়াসে গল্পের ভেতরে প্রবেশ করতে পারে।

রুদ্রাণী এই সিরিজের প্রাণ। আগের বইগুলোয় তাঁর দৃঢ়তা ও বুদ্ধিমত্তা দেখেছি, কিন্তু এই বইয়ে যেন আরও এক নতুন রুদ্রাণীকে পেলাম। এখানে তাঁর ক্লান্তি, দায়িত্ববোধ, মায়া এবং অন্তর্দ্বন্দ্ব আরও বাস্তবভাবে ফুটে উঠেছে। ওর ব্যক্তিগত জীবন, দত্তক কন্যা অজেয়া এবং স্বামী প্রিয়মের সঙ্গে সম্পর্কের মুহূর্তগুলো গল্পকে আরও মানবিক করে তুলেছে।

গল্প যত এগোয় ততই রহস্য ঘনীভূত হয়। একের পর এক নিখোঁজ মানুষ এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে সেন রাজবংশের সময়কার এক প্রাচীন প্রথা ‘রোমথা’। ইতিহাসের সঙ্গে সমকালীন অপরাধবৃত্তিকে লেখিকা যেভাবে যুক্ত করেছেন তা সত্যিই অসাধারণ। তাঁর গবেষণা, তথ্যের ব্যবহার এবং কল্পনাশক্তির ভারসাম্য সব কিছুই প্রশংসার যোগ্য।

দুটি সময়রেখায় গল্পের গঠন বিশেষভাবে মন ছুঁয়েছে। অতীত ও বর্তমানের অধ্যায়গুলো এমন নিখুঁতভাবে পাশাপাশি এগিয়েছে যে পাঠক কোথাও বিভ্রান্ত হন না, বরং গল্পের টান আরও তীব্র হয়। রাতে পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল আমি যেন রুদ্রাণীর সঙ্গেই আছি, সেই রহস্যের জালে বন্দি।

সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে শেষের দিকে আদিনার সেই দৃশ্য, পূর্ণিমার আলোয় রুদ্রাণী ও অজেয়ার নিঃশব্দ কথোপকথন। দেবারতির কলমে এই মুহূর্তটি শুধু একটি দৃশ্য নয়, বরং মা ও কন্যার সম্পর্কের এক অন্তর্লীন কবিতা।

বইটির প্রোডাকশন মান খুব ভালো। পাতার গুণমান, ছাপা, মলাট সবই যত্নে তৈরি। সামান্য কিছু মুদ্রণভুল চোখে পড়লেও তা গল্পের প্রবাহকে একটুও ব্যাহত করে না।

এই সিরিজের তিনটি বই পড়ে এখন আমার কাছে রুদ্র ও প্রিয়ম আর কেবল কাল্পনিক চরিত্র নয়, তারা যেন চেনা মানুষ। প্রতিটি নতুন বইতে তাদের সম্পর্ক ও মানসিকতার নতুন দিক আবিষ্কার করি। মৃত্যু যখন দুবার আসে সেই আবিষ্কারের যাত্রাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

সবশেষে দেবারতিকে ধন্যবাদ দিতে হয়, একটি প্রায় বিস্মৃত ঐতিহাসিক প্রথার সঙ্গে আধুনিক সমাজের অন্ধকার দিককে এমন দক্ষতায় যুক্ত করে আমাদের সামনে উপস্থাপন করার জন্য। তাঁর লেখায় যেমন তীক্ষ্ণ বুদ্ধি আছে, তেমনই আছে মানবিক উষ্ণতা।

এই বই শেষ করার পর আমার মনে একটাই কথা এসেছে, রুদ্রাণী হয়তো আবার ফিরে আসবে, আর আমি নিশ্চয়ই সেই যাত্রায় তার সঙ্গী হব।
Profile Image for Subhajit Dey.
1 review
November 18, 2024
প্রিয় লেখিকা,

প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই, দীর্ঘ তেইশটি মাসের অপেক্ষার পর রুদ্র-প্রিয়মকে আবার নিয়ে আসার জন্য, এবং অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা রইলো 'মৃত্যু যখন দুবার আসে' উপন্যাসের জন্য।

হ্যাঁ, আগের পাঁচটি রুদ্র-প্রিয়ম সিরিজের উপন্যাসের নিরিখে এটি আয়তনে একটু ছোটো, কিন্তু তাতে কোনো আক্ষেপ নেই, কেননা শেষে রুদ্র অজেয়াকে বলছেন যেমনটা, "রোগা হওয়ার থেকে মনটা সুন্দর হওয়া দরকার", ঠিক তেমনভাবেই আয়তন বড়-ছোটো যেমনই হোক রুদ্র-প্রিয়মের ফিরে আসাটা জরুরী আমাদের কাছে। এছাড়াও রুদ্র যে পেশায় জড়িত আছেন, সেখানে সব সময় কেস যে সুদীর্ঘকাল চলবে এমনটাও নয়, কিছু প্রশ্ন থেকে যাবে যেটা হয়তো পরে পাওয়া যাবে, যেমনটা এখানেও আছে, যা বেশ চমকপ্রদরূপে উপস্থাপন করা হয়েছে।

প্রাচীন মালদা, সেখানে চলা প্রাচীন ঔষধ তৈরির প্রথা যা 'রোমথা' নামে পরিচিত, তা বহু প্রশ্ন তুলে দিয়ে যাচ্ছে, তা আমরা আগামী দিনে রুদ্র-প্রিয়মের থেকে উত্তর পাওয়ার আশায় আছি। রুদ্র-প্রিয়ম সব সময়েই কিছু সামাজিক বার্তা দেন, এখানেও যেমনটা জাত-ধর্ম-বর্ণ এসব ভুলে মানুষ হয়ে ওঠার কথা বলা হয়েছে, আবার সামাজিক ব্যাধি রূপে রোগা হওয়ার নেশা যা অনেককে ভাবাবে, এই আশা রাখি।

ভাল থাকবেন ম্যাম, আবদার করে বলি আগামী বছর তাড়াতাড়ি রুদ্র-প্রিয়মকে আনবেন আবার, অপেক্ষায় থাকলাম, সাথে অপেক্ষায় রইলাম 'নারাচ 2'-এর জন্য।

ইতি
শুভজিৎ দে
রবীন্দ্রনগর, মেটিয়াবুরুজ, কলকাতা।
2 reviews
November 19, 2024
১৭ তারিখ বইটি হাতে পেয়েছি । আজ সকালে পড়া শেষ করলাম। "মৃত্যু যখন দুবার আসে" রুদ্র প্রিয়ম সিরিজের এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস বলে আমার মনে হয়েছে । এখানে যে সামাজিক বার্তা আপনি দিয়েছেন তার জন্য আপনাকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই । আমি রুদ্র–প্রিয়ম এর বড় ভক্ত সেতো আপনাকে আগেও জানিয়েছি , এখন থেকে IPS রুদ্রাণীর ও ফ্যান হয়ে গেলাম । তবে প্রিয়মকে আরো এক্টিভ ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় দেখার ইচ্ছা টা মনের মধ্যে রইলো কিন্তু। অন্যান্য বারের মতো এবারেও আপনার উপন্যাস আমাকে সমৃদ্ধ করেছে , রোমোথা সমন্ধে জানতে পারলাম ,যা আগে আমি জানতামই না।এমনকি "রোমোথা" এই শব্দটা ও আমার কাছে নতুন । ধন্যবাদ জানাই এত ভালো একটা উপন্যাস আমাদের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য এবং সেটি সাইন্ড কপি। ভালো থাকবেন ,সুস্থ থাকবেন আর এভাবেই আমাদের সমৃদ্ধ করবেন আপনার শক্তিশালী , মনোগ্রাহী লেখনী দিয়ে ।
ধন্যবাদ
শ্রুতি মণ্ডল
1 review
Read
November 27, 2024
রুদ্র প্রিয়ম এর আরো একটি series আসবে শুনেই wait করে ছিলাম। তার আরো একটা কারণ এই গল্পের প্রধান কেন্দ্রবিন্দু আয়ুর্বেদ শাস্ত্র নিয়ে আর সেই সময়ের বৈদ্য সমাজের কিছু অজানা তথ্য নিয়ে। সত্যি বলতে আমাদের পরিবারও যেহেতু বৈদ্য আর আমাদের বাবা দের মুখেই শোনা তাদের পূর্ব পুরুষের আয়ুর্বেদ চর্চা নিয়ে, তাই কৌতূহল টা স্বভাবতোই অনেক বেশি ছিল। আর Debarati Mukhopadhyay মানেই নতুন কিছু অজানা কিছুর সন্ধান। সত্যি এমন কিছু জানলাম যা শুনে শিহরিত হয়ে গেছি। ভাবতেও ভয় পেয়ে যাচ্ছি এখনো। এইভাবেও চিকিৎসা হতো??

বকুনি (আপনি বলেছিলেন )দেবার ধৃষ্টতা আমার নেই। আমি শুধু অনুযোগ জানালাম গল্পটি আরো একটু বড়ো হলে মনটা বেশি ভরতো। যদিও আপনি লিখেছেন এটা আপনি ছোটই রেখেছেন তবু আরো একটু বড়ো হলে বেশ হতো। 🙏🏻 এরপরের series টা কিন্তু বড়ো লিখতেই হবে এটা আপনার এই পাঠকের আবদার বলতে পারেন ❤

Note : autograph পাবার আশায় তাড়াতাড়ি pre book করেছিলাম, সেটা পেয়েছি। অনেক ধন্যবাদ ❤🙏���
1 review
November 17, 2024
Today I read'MRITYU JAKHAN DUBAR ASE 'story. lt is really a compact and fantastic tale.I have completed this story within 3 hours
.
NO BOOKMARK CARD IS REQUIRED FOR THIS STORY

Thank you ma'm for giving us such a wonderful story.
It is my humble request to you that we want to see Rudrani ma'm will be our next Superintendent of Police in Bankura district.

Thank you once again

Sachindeb Laha
Simlapal,Bankura
7908799396
Displaying 1 - 8 of 8 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.