সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হলো এক শর্টফিল্ম। আর তারপরেই শুরু হলো ঝামেলাটা...
যারাই শর্টফিল্মটা দেখে তাদের ওপরেই নেমে আসে এক ভয়াবহ অভিশাপ। একে একে মৃত্যু হতে থাকে তাদের।
তদন্তে নামে পুলিশের চৌকস কর্মকর্তা এস.আই. মারুফ। এই ঘটনার শেকড় সেই দিয়াপুর গ্রামে। তদন্তে কি কেঁচো খুড়তে সাপ বেরিয়ে আসবে?
অন্যদিকে, সৃজন আর ওর বন্ধুরা তো শর্টফিল্মটা দেখে ফেলেছে। নিজেদের আশেপাশে এক অতিপ্রাকৃত সত্তার উপস্থিতি অনুভব করতে থাকে তারা। এখন ওদের কী হবে? বাধ্য হয়ে সৃজন যোগাযোগ করলো অতিপ্রাকৃত ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ নিহিলার সাথে। একটু খতিয়ে দেখেই নিহিলা বুঝে গেল যে এই রহস্য একা সমাধান করা তার পক্ষে অসম্ভব! রহস্যময়ী বিদেশিনী ফ্রাঞ্জিসকার শরনাপন্ন হলো সে।
কিন্তু ওই ভয়ংকর অপশক্তিকে কি থামানো সম্ভব? নিহিলা আর ফ্রাঞ্জিকসা কি পারবে অসম্ভবকে সম্ভব করতে?
এটা কি নিছকই মার্ডার-মিস্ট্রি? নাকি এক অভিশপ্ত পিশাচের কাহিনি?
গতানুগতিক ধারার হরর গল্প আমার কাছে বড্ড পানসে লাগে। এটাও ঐ ধারার একদম বাইরের কোন কিছু বলে মনে হয় নি প্রথম দিকে। লুৎফুল কায়সার খুব সহজ ভঙ্গিতে গল্প বলেন। এজন্য তরতর করে পড়ে ফেলা যায়, সুখপাঠ্য মনে হয়। গল্পটিতে বিদেশী কাহিনির একটা ছায়া থেকে গেছে (যদিও লেখক তা অকপটে স্বীকার করেছেন)। তবুও টুইস্ট আর প্যারালাল রহস্য সেই ছায়াকে বাড়তে দেয়নি মোটেই। যেকোনো হরর বা রহস্য প্রেমী পাঠকের জন্য রিকমেন্ড থাকবে।
রোমাঞ্চকর ও উপভোগ্য ভয়াল উপন্যাসটি শেষ হল। গল্প, লেখকের দাবিমতোই, বেশ সরল। তবে তার পরিবেশনটি দ্রুত লয়ে, বুদ্ধিদীপ্ত আকারে, বাস্তবানুগ চরিত্রদের মাধ্যমে হয়েছে। ভালো লাগল। মুদ্রণ শুদ্ধ। অলংকরণগুলো বেশ কার্যকরী। সুযোগ পেলেই পড়ে ফেলুন।
আমি তো বরাবরই হরর জনরার ফ্যান। ছোটবেলায় একটু থেকে একটু অনাকাঙ্ক্ষিত কিছু দেখলেই ভয়ে কেঁপে উঠতাম। বড়ো হওয়ার পর কি হলো কে জানে, এই অতিপ্রাকৃত, ভৌতিক উপন্যাস বা সিরিজ বা মুভি এগুলোই প্রিয় হয়ে উঠলো।
পড়ছিলাম লুৎফর কায়সার এর হরর উপন্যাসিকা শর্টফিল্ম। পড়ার সময় ভয়ের আবহটাও বজায় ছিল। অবশ্য কেনই বা থাকবে না। এই বইটি পড়েছিও আমি রাত করে। খুব ভালো লেগেছে। টুইস্ট টাও দারুণ ছিল। Justice should be served. যেহেতু অতিপ্রাকৃত বিষয়, তাই এখানে জাস্টিস টা একটু অন্যরকম ভাবে দেখানো হলো।
সত্যি ঘটনা অবলম্বনে তৈরি করা হলো এক শর্টফিল্ম। আর তারপরেই শুরু হলো ভয়ানক মৃত্যুর তান্ডব। যারাই শর্টফিল্ম দেখে তাদের ওপরেই নেমে আসে এক ভয়াবহ অভিশাপ। একে এক মৃত্যু হতে থাকে তাদের। সৃজন আর ওর বন্ধুরা শর্টফিল্ম দেখার পরেই এক অতিপ্রাকৃত সত্তার উপস্থিতি অনুভব করতে থাকে। বাধ্য হয়ে সৃজন যোগাযোগ করলো নিহিলার সাথে। যিনি অতিপ্রাকৃত বিষয়ের বিশেষজ্ঞ আর কি! নিহিলা কি পারবে তাদের সাহায্য করতে? ঐ ভয়ানক অপশক্তিকে কি থামানো সম্ভব? জানতে হলে পড়ে ফেলতে হবে বইটা।
লুৎফুল কায়সার ভাই আমার খুব পছন্দের একজন মানুষ। তার লেখার ধারাটাও আমার ভীষণ ভালো লাগে। তিনি জটিল করেন না কোনোকিছু। সরল একটা ব্যাপার তার লেখাই ফুটেই থাকে। যা আমার কাছে অনেক সুন্দর লাগে। এই বইটাও তার ব্যতিক্রম না। সমস্যাটা হচ্ছে, সেই পুরনো রেওয়াজের হরর গল্প। এই জিনিস মুভিতে বইয়ে এতো বেশি পেয়েছি যে এখন আর বিশেষ ভালো লাগে না।
সবমিলিয়ে, এভারেজ! একবার পড়ার জন্য ঠিক আছে। মনে দাগ কাটার মতো বা মাথায় থাকার মতো বিশেষ কিছু না। পড়তে পারেন।
This book is a perfect modern horror thriller. In today’s Bangla literature, when we talk or read about horror, we usually go back to the past. There are hardly any good horror stories set in modern times. Maybe because with all the technology around us, it’s hard to write something that actually feels scary. But this book feels real and fresh, it made me believe that horror is still a modern genre!
Lutful Kaiser, the man, the myth. I’ve been saying for years that he knows this genre better than anyone else. More than being a writer, he’s a great reader, maybe that’s why he writes less. But I really wish he’d write more. Quality matters, of course, but he has both the talent and the potential.
Honestly, I didn’t read it earlier because I didn’t like the cover (I still don’t). But once I started reading, I was hooked.
The story is about a university fest where students are making short films, something very common in universities these days. One of the short films is about a mob killing of a mentally ill man who was accused of being a serial killer. But after making that film, strange and terrifying things start happening to them in real life.
The part about the two teachers’ deaths didn’t feel very realistic to me, but the overall atmosphere was so genuine. The fear felt modern and believable.
It’s rare to find a modern horror thriller this good. I really enjoyed reading it.
বইটা শুরু করার আগে দু’টো বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি- এটি একটি উপন্যাসিকা/নভেলা। অর্থাৎ, কমপ্লিকেটেড ডিটেইলিং, দীর্ঘ মনোলগ, চরিত্রদের ব্যাকস্টোরি, কাহিনীর শেষভাগে পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা প্রভৃতি বৈশিষ্ট্য নভেলায় অতটা থাকেনা। বইটির জনরা হরর হলেও এখানে ফিয়ার ফ্যাক্টর ছিল অপেক্ষাকৃত কম, টুইস্টের আধিক্য ছিল বেশি। তবে এটি আমার মতামত, কোন সমালোচনা নয়।
ফ্ল্যাপ থেকে পাওয়া সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরি হল এক শর্টফিল্ম। কিন্তু তাতে ধারণ করা হল এমনকিছু, যা গায়ে কাঁটা দেবার মতই বীভৎস। তারপর থেকেই ঘটতে লাগল অদ্ভুত ঘটনাবলী। যারা ওই শর্টফিল্ম দেখে তারা সবাই তাদের চারপাশে অতিপ্রাকৃত কোন সত্ত্বার উপস্থিতি অনুভব করে। ভার্সিটি ছাত্র সৃজন আর তার বন্ধুরা বুঝতে পারে, না বুঝেই ভয়াল কোন ছকে আটকা পড়েছে তারা। মরিয়া হয়ে সৃজন শরণাপন্ন হয় নিহিলা নামের এক সুপারন্যাচারাল এক্সপার্টের। অতিপ্রাকৃত সত্ত্বার সামনাসামনি হতে গিয়ে নিহিলার উপলদ্ধি হয়, এই সত্ত্বার সাথে একা লড়বার ক্ষমতা নেই ওর। পর্দায় আবির্ভূত হয় রহস্যময়ী এক বিদেশিনী, ফ্রাঞ্জিসকা। কিন্তু ওই সত্ত্বা আসলে কে? কী চায় সে? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, কীভাবে তাকে থামানো যাবে?
পাঠপ্রতিক্রিয়া শর্টফিল্ম বইটিকে একবাক্যে বিবৃত করতে হলে বলব; মেদহীন, উত্তেজনাকর এবং টুইস্টসমৃদ্ধ একটি রোলার কোস্টার রাইড। যে রাইডে আপনার ঠিক পাশের সিটেই বসে থাকবে বীভৎস এক পিশাচ, যে প্রতি মুহুর্তে পাঠককে চোখরাঙানি দিতে চেষ্টার ত্রুটি করবেনা। ১৪৩ পৃষ্ঠার নভেলা হলেও বইটিতে ঘটনার ঘনঘটা অনেক, আর এটিই বইটির অন্যতম শক্তিশালী দিক। কাহিনীর প্রথমদিকে পাঠককে দ্রুত অনেক চরিত্রের সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। এবং চরিত্রগুলোর তেমন কোন ব্যাকস্টোরি না থাকায় পুরো ব্যাপারটা হযবরল হতে পারত। এখানেই স্বনামধন্য অনুবাদক ও লেখক লুৎফুল কায়সার সাহেব দেখিয়েছেন মুন্সিয়ানা। সাহিত্য এবং সিনেমায় প্রায়ই একটা কথা শোনা যায়, Show, don’t tell. এটাই লেখক সাহেব করে দেখিয়েছেন বেশ দক্ষতার সাথে। ব্যাকস্টোরি, মনোলগ বা ডিটেইলিং ছাড়াও প্রতিটা চরিত্রই সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে তাদের কৃতকর্মের মাধ্যমে। কারন, একজন মানুষের চিন্তা প্রতিফলিত হয় তার কাজে, কথায় না।
বইটির সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হল এর টুইস্টের ধরণ। সাধারণত, লেখকেরা গল্পকে রসালো করে তোলার জন্য পাঠকদের মিসডিরেকশন দেন, পাঠকের মনে ভুল কনসেপ্টের বীজ বপন করেন, তারপর ক্লাইম্যাক্সে যেয়ে সেগুলো একে একে খোলাসা করেন। এখানেও লেখক তাইই করেছেন, কিন্তু আরও ইউনিক উপায়ে। কাহিনীর শুরুতে তিনি মেইন ভিলেনের কার্যকলাপ সরাসরিই দেখিয়েছেন, কিন্তু এই সরাসরি দেখানোটাই ছিল মিসডিরেকশন। যে মুহুর্তে মনে হচ্ছিল টুইস্টগুলো প্রেডিক্টেবল হয়ে যাচ্ছে, সে মুহুর্তেই লেখক চেলেছেন একের পর এক তুরুপের তাস। তাতে গল্প হয়েছে আরও জমজমাট। স্পেশালি, এন্ডিং টুইস্ট ছিল অস���ধারণ, বাস্তবিকই মাইন্ডব্লোয়িং। উল্লেখ্য, এন্ডিংয়ে একসাথে কতগুলো টুইস্ট দেওয়া যায়, সেটা পাঠকদের জন্য সারপ্রাইজ হিসেবে তোলা রইল।
ঘটনার আধিক্য এবং টুইস্টের মাঝেও লেখক একটা সুন্দর জিনিস যোগ করতে ভোলেননি। সেটা হল মানুষ নামক প্রানির জটিল মনস্তত্ব। খুব কাছ থেকে চেনা মানুষেরও এমন সব ডার্ক সিক্রেট থাকতে পারে যা নাড়িয়ে দিতে পারে আমাদের অন্তরাত্না, তুলতে পারে প্রশ্ন যে, “এতদিন কী একে আমরা সত্যিই চিনতাম?”। মানুষ নামধারী প্রানি যে কখনো সখনো পিশাচের চেয়েও নিকৃষ্ট হতে পারে, সেই আদিম, অপ্রিয়, বিষাক্ত সত্যকে লেখক জীবন্ত করেছেন তাঁর সাহিত্যে।
রিভিউয়ের শুরুতে বলেছি, বইটিতে ভয়ের এলিমেন্ট একটু কম। তবে, এটা অনেক পাঠকের জন্যই গ্রিন সিগন্যাল। মাত্রাতিরিক্ত ভায়োলেন্স হয়ত কোন কোন পাঠকের মনে অযাচিত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। যারা হরর থ্রিলার পছন্দ করেন তাদের জন্য বেশ সুখপাঠ্য হবে বইটি।
বিঃদ্রঃ শেষে সিক্যুয়েলের স্পষ্ট আভাস আছে। পার্সোনাল রেটিং ৩.৯/৫
মানুষের আদিমতম আতঙ্কের নাম ভয়। ভয় মানব মনের এমন এক দিক যেটা বয়ে চলছে মানুষের ডিএনএ তে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। বাংলা সাহিত্যে একসময় ভৌতিক জনরার স্বর্ণযুগ ছিলো। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য সেই স্বর্ণযুগ আর নেই। এখন হরর বলতে আমাদের আছে অনুবাদ। দেশে বেশ ভালো অনুবাদক তৈরি হলেও মৌলিক ভৌতিক জনরা তার জৌলুশ হারিয়েছে।
তবে আমার এই আক্ষেপ ঘুচেছে শর্টফিল্ম পড়ার পর! এটা শুধুমাত্র একটা হরর উপন্যাসিকা না। ইতিহাস নিয়েও বেশ ডিটেইল কাজ করেছেন Lutful Kaiser ভাই। এবং আমি পাঠক হিসেবে শর্টফিল্ম পড়ার পর পাশ্চাত্য হরর উপন্যাসের ফিল পেয়েছি। অতিপ্রাকৃত সত্তার বর্ণনা কিংবা ভৌতিক সিন গুলোর বর্ণনা ছিলো টপনচ। তাছাড়া লেখক শুধু যে ভৌতিক দিকে নজর দিয়েছেন তা কিন্তু নয়! একদিকে পাঠক যেমন উপন্যাস জুড়ে একটা ভৌতিক আবহের মধ্যে থাকবে একই সাথে পাঠক পাবে সাসপেন্স এর এক রোলার কোস্টার রাইড! পাতায় পাতায় অন্যরকম থ্রিল!
এবং একদম শেষ লুৎফুল কায়সার ভাইয়ের সিগনেচার, "টুইস্ট"! যা পাঠক হয়তো আন্দাজ করলেও শেষে যেভাবে সেটা উন্মোচিত হয় তাতে পাঠকের চোয়াল ঝুলে যেতে বাধ্য! ভৌতিক জনরার এই যুগে শর্টফিল্ম একটা মাইলফলক হয়ে থাকবে নিঃসন্দেহে, কারণ এই উপন্যাসিকা শুধু আমাদের ভূতের ভয় দেখায় না বরং সমাজের অন্ধকার দিকটাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়।
সবচেয়ে দারুণ বিষয়টা হলো আমরা সবে মাত্র শর্টফিল্ম এর ভৌতিক জগতের লুপে ঢুকলাম! The Journey Has Just Began!
আমার একটাই দাবি, লুৎফুল কায়সার ভাই আপনি মৌলিক লিখা চালাইয়া যান পাঠক হিসেবে আপনার মৌলিক পড়াটা একটা ট্রিট! আমাদের বঞ্চিত কইরেন না! সবশেষে ধন্যবাদ বেনজিনকে এত দারুণ একটা উপন্যাস আমাদের সামনে নিয়ে আসার জন্য!
পড়ে ফেললাম বর্তমান সময়ে বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা অনুবাদক লুৎফুল কায়সার ভাইয়ের মৌলিক রচনা "শর্টফিল্ম"। অনেকদিন পর একটা হরর পড়লাম যেটা সত্যি সত্যি উপভোগ্য লেগেছে। বইটা হাতে নেওয়ার পর থেকেই টানা পড়ে গেছি, বিশেষ করে ৭০ পেজের পর থেকে যেন বুলেট ট্রেনের গতিতে ছুটেছে কাহিনী। কোনো অযথা বাড়তি বর্ণনা নেই, বই জুড়ে শুধু টানটান উত্তেজনা। লেখক এখানে চরিত্রগুলোকে ব্যাকস্টোরি দিয়ে ভারী করেননি, তাদের নিজস্ব কাজ দিয়েই পাঠকদের চিনিয়েছেন। সৃজনের ভয়, নিহিলার সাহস, ফ্রাঞ্জিসকার রহস্য সবই ফুটে উঠেছে স্বাভাবিকভাবে। হররের ভয়ের উপাদান এখানে চিৎকার করে আসে না, বরং ধীরে ধীরে গ্রাস করে নেবে পাঠককে। এখানে ভয়ের লেভেলটা হার্ডকোর না, বরং থ্রিলার-মিক্সড। মার্ডার মিস্ট্রির সাথে হররের প্রলেপ বা হররের সাথে মার্ডার মিস্ট্রির মিশ্রন, যেটাই বলি না কেন, দুটোই রাইট। বইয়ের শেষের টুইস্টটা আমি আগেই আন্দাজ করেছিলাম এবং পড়ে দেখলাম সেটাই সঠিক। শেষে স্যিকুয়েলের ইঙ্গিত আছে। নিহিলা, সৃজন আর অফিসার মারুফকে নিয়ে আলাদা একটা সিরিজ দাঁড় করাতে পারেন লেখক। এই চরিত্রদের পরবর্তী কাহিনীর অপেক্ষায় রইলাম।
বেনজিন প্রকাশনীর প্রোডাকশন বেশ ভালো,পেইজ কোয়ালিটি চমৎকার তবে মাঝে মাঝে কিছু আকার ইকারের সমস্যা চোখে পরেছে। ভিতরে অনেকগুলো চিত্র আছে, কিছু কিছু এ আই জেনারেটেড মনে হলো। গল্পে বর্ণিত কিছু কিছু মন্ত্র যেমনঃ "ইন্দিকা আওয়ালা, উরফাত বেথুস গাসকাস, ইথাকাস আওবাস হিয়াতা" এগুলা কি সত্যিই কোনো প্রাচীন মন্ত্র না লেখকের কল্পনাপ্রসুত তা জানতে ইচ্ছা করছে। সব মিলিয়ে ছোট পরিসরে দারুণ লেগেছে বইটি।
৪/৫ ⭐️ প্রথম দিকে অন্যান্য সব হরর গল্পের মতো লাগলেও ধীরে ধীরে কাহিনি অনেক ডেভেলপ করতে থাকে। অনেক গুলো ক্যারেক্টার আর সব গুলাই গুরুত্বপূর্ণ! ভালো লেগেছে খুব ।