বইটিতে স্থান পেয়েছে অধিরাজ সিরিজের ২টি বড়ো উপন্যাসিকা।
শেষ প্রহরের নাচ:- আজও নাকি সে নাচে! রাতের শেষ প্রহরে
তার পায়ের ঘুঙুরের আওয়াজ শোনা যায়... কেউ কেউ দাবি করে সে মৃত্যুর দুনিয়া থেকে ফিরে এসেছে... কেন? একের পর এক মৃত্যু... স্বীকারোক্তি ৮০ বছরের এক বৃদ্ধার, তিনি নাকি গোপালের আদেশ পালন করছেন... ভূত, ভগবান না মানুষ? এই মরণনাচের পেছনের আসল রহস্য কি ভেদ করতে পারবে অধিরাজ?
`আজি হতে শতবর্ষ আগে:
"আজি হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসি আমার কাহিনিখানি, কৌতূহলভরে- আজি হতে শতবর্ষ পরে...!"
রাত্রির অন্ধকার আর প্রাকৃতিক দুর্যোগ গ্রাস করে ফেলেছে শহরের আলোর শেষবিন্দুটুকুও। শহরে দরজায়-দরজায় কুড়ুল হাতে কড়া নাড়ছে এক ভয়ানক সিরিয়াল কিলার... জেগে উঠেছে 'রাত্রিদানব'... একশো বছর পর আবার। একটার পর একটা মৃত্যু, আর মৃতদেহের পাশে লেখা কিছু নম্বর। অধিরাজ কি পারবে আটকাতে মৃত্যুদানব-কে?
সায়ন্তনীর গড়িয়ায় বাস। প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বাংলা সাহিত্যে স্নাতক ও কলকাতা ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তর। ছোটবেলা থেকেই লেখালেখির শখ। কবিতা ও গদ্য দুইই চর্চার বস্তু।ক্লাস সেভেনে প্রথম প্রকাশ সংবাদ প্রতিদিনের শনিবাসরীয় পাতায়'চশমা' ছোট গল্প। তারপর প্রতিদিন, বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, আর ছোটদের পত্রিকা সাহানা আর বাংলা দেশের পত্রিকা ভোরের কাগজে লাগাতার লিখে যাওয়া।
📌 " আমি যে তোমার , শুধু যে তোমার " - ভুল ভুলাইয়া সিনেমার চিরাচরিত গানের মতই রাতের বেলায় ঘুঙুরের ছম ছম শব্দে ভরে ওঠে রেশম সম্রাজ্ঞী অদিতি চক্রবর্তীর বাড়ির একটা বিশেষ ঘর । সেই ঘর ছিল এক সময়ের নৃত্য শিল্পী অদিতি দেবীর বৌমার । কিন্তু এত বছর পরেই বা কি করে শোনা যাচ্ছে সেই শব্দ ? কে নাচে ঐ পরিত্যক্ত ঘরে ? কেনই বা ৮০ বছরের বৃদ্ধা অদিতি দেবী বলে চলেছেন যে তিনি গোপালের আদেশ পালন করেছেন ? কেন ঘটে চলেছে একের পর এক মৃত্যু ? কিসের রহস্য জড়িত আছে এই নাচের সঙ্গে ?
📌 একশো বছর পর কি করে আবার ফিরে এল শহরের ত্রাস " রাত্রি দানব " ? একটার পর একটা মৃত্যু আর তাদের পাশে লেখা কিছু নম্বর । কিসের ইঙ্গিত এই নম্বর গুলো ? সিনেমার শুটিংয়ের বাড়ি দেখতে গিয়ে কেনই বা মৃত্যু ঘটে অলোকের? কার বা কাদের হাত আছে এর পিছনে ? অধিরাজ ব্যানার্জী কি পারবে এর সত্যতা উৎঘাটন করতে ?
এই সব প্রশ্নের উত্তর পাওয়ার জন্য পড়ে ফেলতে হবে শেষ প্রহরের নাচ বইটি । তবে বইটিতে আছে দুটি আলাদা গল্প - শেষ প্রহরের নাচ এবং আজি হতে শতবর্ষ আগে । দুটো গল্পই অধিরাজ সিরিজের থ্রিলার গল্প ।
📌 সায়ন্তনী পূততুন্ড দিদির চুপি চুপি আসছে পড়ার পর ওনার সব লেখা পড়ার একটা তীব্র ইচ্ছা জেগেছিল। তারপর থেকেই এক এক করে কেনা শুরু । বাকি অধিরাজ সিরিজের মতোই এটাও বেশ টানটান উত্তেজনায় ভরপুর একটা থ্রিলার । দুটো গল্পই একে অপরের থেকে বেশ আলাদা এবং দুটোই ভালো । শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত না পরে থামা সম্ভব নয় ।
📌 যেই সব মানুষ থ্রিলার পড়তে ভালবাসেন তারা কিনে পড়ে ফেলুন । খুব বেশি ভাবার দরকার নেই । অধিরাজ প্রেমীদের জন্য আরেকটি জেম 💎। এখানেও চিরাচরিত রূপে ধরা দেবেন অফিসার ব্যানার্জী এবং তার প্রিয় সঙ্গী অর্ণব সরকার। এনাদের বেশ কিছু মজাদার দৃশ্য মন কেড়ে নিতে বাধ্য করবে ।
লেখক - লেখিকার লেখা কে রেটিং দেওয়ার যোগ্যতা আমার নেই । আমি পাঠক হিসেবে নিজের মতামত জানালাম । যারা পড়নি এখনও তারা সবাই অবশ্যই পড়ে জানিও কেমন লেগেছে । থ্রিলার প্রেমীদের অনুরোধ রইল পড়ার জন্য ।