What do you think?


আহমেদ করিম
ক্লাব ইউথানাসিয়া
ক্লাব ইউথানাসিয়ায় আপনাকে স্বাগতম। মৃত্যুর স্বাদ নিতে চান, আবার ভয়ও পাচ্ছেন। সুখবর! আপনার জন্যই তৈরি হয়েছে আপনার মনের মতো সমাধান। বিফলে মূল্য ফেরতের অবকাশ নেই। কারণ মূল্য ফেরত দেয়ার কোনো উপায় আমাদের হাতে থাকবে না। আপনার নিশ্চিন্ত মৃত্যুর গ্যারান্টি আমরা দিচ্ছি- ব্যথাহীন, যন্ত্রণাহীন, ঝামেলাহীন উপায়ে। যোগাযোগ করুন নিম্ন লিখিত ই-মেইল অ্যাড্রেসে।’ অর্পা ওরফে পিংক অর্পা কি গিয়েছিল সেই ক্লাবে? কী ঘটেছিল তার সাথে? সত্যিই কি মৃত্যু এতো সহজ? আহমেদ করিম সাহেবের সামনে নতুন এক রহস্য! সমাধান কী?
31 pages, ebook
First published October 1, 2024
About the author
Shariful Hasan
44 books1,039 followersShariful Hasan hails from Mymensingh, Bangladesh. He has spent his childhood by the banks of Brahmaputra river. He completed his Masters in Sociology from University of Dhaka and is currently working in a renowned private organization.
Shariful's first novel was published on 2012 titled Sambhala. With two other books, this captivating fantasy trilogy has received widespread acclimation both within and beyond the borders of Bangladesh. The Sambhala Trilogy was translated in English and published from India.
Although his inception consisted of fantasy and thriller, he has later worked on a variety of other genres. These works have been received fondly by the Bangladeshi reader community. Lot of his works have also been published from different publications in West Bengal.
Award- Kali O Kalam Puroshkar 2016 for 'অদ্ভুতুড়ে বইঘর'
Shariful's first novel was published on 2012 titled Sambhala. With two other books, this captivating fantasy trilogy has received widespread acclimation both within and beyond the borders of Bangladesh. The Sambhala Trilogy was translated in English and published from India.
Although his inception consisted of fantasy and thriller, he has later worked on a variety of other genres. These works have been received fondly by the Bangladeshi reader community. Lot of his works have also been published from different publications in West Bengal.
Award- Kali O Kalam Puroshkar 2016 for 'অদ্ভুতুড়ে বইঘর'
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 5 of 5 reviews
November 4, 2025
জীবনে টাকা-পয়সা দরকার আছে। কারণ বেঁচে থাকতে খরচ করতে হয়। কিন্তু তাই বলে রাশি রাশি টাকার পেছনে ছুটতে ছুটতে আমরা কখনো কখনো প্রিয়জনকে যেন ভুলে যাই। সন্তানকে সময় দেয়ার বদলে বাবা মা নিজেদের কাজ নিয়ে ব্যস্ত। ছুটছে আরো টাকার পেছনে। আর সেই সন্তান? তার মানসিক দিক ঠিকঠাক আছে কী না কয়জন বাবা মা আপাতদৃষ্টিতে খেয়াল করেন? বর্তমান প্রজন্মের মধ্যে মানসিকভাবে বিপর্যস্ততা দিন দিন বাড়ছে। তাই ডুবে যাচ্ছে চোরাবালির অতলে।
অর্পার বয়স কত আর হবে বড়জোর আঠারো বছর। এই বয়সে হাসিখুশি প্রাণচঞ্চল থাকার কথা যে মেয়েটির তার জীবন তছনছ হয়ে গেছে। বাবা মায়ের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে বাড়তে একদিন ডিভোর্স হয়ে গেল দুজনের। মায়ের বয়স খুব বেশি ছিল না বলেই হয়তো তিনি অন্য পুরুষে আবার আ*সক্ত হতে পারলেন। যেন অর্পার মায়ের বয়স দিন দিন আরো কমছে। আর বাবার কী হলো ভাবছেন? তিনি বিদেশে গিয়ে এক আফ্রিকান মহিলার সাথে থাকতে শুরু করলেন। জীবনে দিন দিন শুধু হতাশা বাড়ছে অর্পার।
এরই মাঝে মায়ের প্রেমিক দ্বারা শারীরিক নি*র্যাতনের শিকার হয়ে পুরোপুরি ওলটপালট হয়ে যায় জীবন। হতাশার অন্ধকারে তখন অর্পার পায়ের নিচে মাটি সরে গেছে। সে জড়িয়ে পড়ে শারীরিক সম্পর্কে, ড্রা*গ ও উদ্দোম জীবনযাপনে। কিন্তু তাতেও শান্তি মেলে না। পছন্দের পুরুষ রাফি অর্পার বান্ধবীর সাথে অবাধ মেলামেশায় লিপ্ত। এবং সেটা অর্পার বাসাতেই! এই জীবনের প্রতি সকল আশা ভরসা হারিয়ে ফেলেছে অর্পা মেয়েটা। তাই মৃ*ত্যুর পথ খুঁজছে। শান্তি, আরামদায়ক মৃ*ত্যু। আর সেখানেই খোঁজ পেয়েছে ক্লাব ইউথানাসিয়ার।
ইউথানাসিয়া থেকে একটা ব্যবস্থা করে ফেললো অর্পা শান্তিতে চলে যাবার কিন্তু যাবার আগে মা বাবা এবং মায়ের সেই প্রেমিকটাকে শা*স্তি দিতে চেয়েছিল সে। মায়ের জন্য শা*স্তি হবে অর্পার লা*শ। মানে অর্পা ম*রে যাবে আজীবন মা একা একা থাকবেন এটাই তার শা*স্তি। বাবা তো বিদেশে থাকেন চাইলেও তাকে কিছু করা যাবে না। বাকি রইলো মায়ের প্রেমিক আনিস। ওই বদটাকে শা*স্তি দেয়া যায় অর্পা মনে মনে ভাবে।
একদিন থা*নার পু*লিশ অফিসাররা সবাই ভয় পেয়ে যান কারণ এক কিশোরী মেয়ে র*ক্তাক্ত অবস্থায় হাতে ছু*ড়ি নিয়ে আ*ত্মসমর্পণ করতে আসে থা*নায়। লা*শ পড়ে আছে বাসায়। পু*লিশ অফিসাররা ভয় পেয়ে যান, মেয়েটির অভিভাবকের ডাক পড়ে। কিন্তু মেয়েটি নিজের কথায় অবিচল সে নাকি খু*ন করেছে একজনকে। অথচ পু*লিশ বাসায় তদন্তে গিয়ে বিছানায় যে র*ক্ত খুঁজে পায় সেগুলো মুরগির র*ক্ত! আর বাসার সামনে ড্রেনে কতগুলো কা*টা মুরগির দেহ। এই কিশোরী মেয়েটি কে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। হ্যাঁ সে হলো অর্পা। অর্পা কে সাহায্য করতে ডাক পড়ে আহমেদ করিমের। কিন্তু কোনো কূল কিনারা করতে পারেন না তিনি শুরুতে। কারণ সব প্রশ্নের উত্তর যে মেলে না। মেয়েটাকে বাঁচাতে হলে আহমেদ করিমকে বোধহয় আরও অনেক কিছু ভাবতে হবে।
🌯পাঠ প্রতিক্রিয়া 🌯
আহমেদ করিম সিরিজ এর আগে আমি হার্ডকপি ও ইবুক মিলিয়ে কয়েকটি বই পড়েছি। কিন্তু এই বইয়ে আহমেদ করিমকে বোধহয় ঠিকঠাক উপস্থাপন করা হলো না। আহমেদ করিম যেভাবে রহস্য উন্মোচন করেন সেভাবে ঠিক গল্প এগোলো না। আরেকটু বোধহয় অন্যরকম ভাবে উপস্থাপন করা যেত গল্পের প্রয়োজনে।
গল্প হিসেবে বেশ ভালো প্লট কিন্তু ছোট বই বলে হুট করেই ফুরিয়ে গেল যেন। আসলে এই গল্পটা পড়ে মনে হলো এটা নিয়ে আরো বড় আকারে লেখা যেত। তাহলে আরো অনেক রহস্যের উন্মোচন হতো। শুরুতে আমার কাছে গল্পটা বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে। পরিচিত একটা মুভির মতো লাগছিল। তবে শেষটায় এসে লেখক চেষ্টা করেছেন টুইস্ট দিতে। এবং আহমেদ করিমের উপস্থিতি থেকেই যার শুরু। কিন্তু অনেকগুলো প্রশ্ন থেকেই গেল। আসলে গল্পটা বেশ ইন্টারেস্টিং বলেই আগ্ৰহ ছিল আরো কিছু জানার। আরো কিছু জায়গায় পরিষ্কার ব্যাখার।
আহমেদ করিম সিরিজ নিয়ে শরীফুল ভাইকে অনুরোধ করবো আবার নতুন কিছু বড় আকারে লিখতে। আসলে এমন ছোট বই হলে ঠিক যেন মন ভরে না। শুরু হতে হতেই হুট করে ফুরিয়ে যায়। তখন আসলে বেশ আফসোস হয়।আহমেদ করিমের সাথে নতুন কোনো কে*স নিয়ে কাজ করা উচিত লেখকের। শরীফুল ভাইয়ের লেখা আমার বেশ ভালো লাগে সবসময়ই। খুব বেশি জড়তা থাকে না। সহজ সাবলীল ভাষা। এবং এইজন্যই আশা করছি আহমেদ করিমকে নিয়ে আরো ভালো কিছু পাবো আমরা পাঠকেরা।
🌯বইয়ের নাম: "ক্লাব ইউথানাসিয়া"
🌯লেখক : শরীফুল হাসান
🌯ইবুক প্রকাশনায় : বইঘর
অর্পার বয়স কত আর হবে বড়জোর আঠারো বছর। এই বয়সে হাসিখুশি প্রাণচঞ্চল থাকার কথা যে মেয়েটির তার জীবন তছনছ হয়ে গেছে। বাবা মায়ের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে বাড়তে একদিন ডিভোর্স হয়ে গেল দুজনের। মায়ের বয়স খুব বেশি ছিল না বলেই হয়তো তিনি অন্য পুরুষে আবার আ*সক্ত হতে পারলেন। যেন অর্পার মায়ের বয়স দিন দিন আরো কমছে। আর বাবার কী হলো ভাবছেন? তিনি বিদেশে গিয়ে এক আফ্রিকান মহিলার সাথে থাকতে শুরু করলেন। জীবনে দিন দিন শুধু হতাশা বাড়ছে অর্পার।
এরই মাঝে মায়ের প্রেমিক দ্বারা শারীরিক নি*র্যাতনের শিকার হয়ে পুরোপুরি ওলটপালট হয়ে যায় জীবন। হতাশার অন্ধকারে তখন অর্পার পায়ের নিচে মাটি সরে গেছে। সে জড়িয়ে পড়ে শারীরিক সম্পর্কে, ড্রা*গ ও উদ্দোম জীবনযাপনে। কিন্তু তাতেও শান্তি মেলে না। পছন্দের পুরুষ রাফি অর্পার বান্ধবীর সাথে অবাধ মেলামেশায় লিপ্ত। এবং সেটা অর্পার বাসাতেই! এই জীবনের প্রতি সকল আশা ভরসা হারিয়ে ফেলেছে অর্পা মেয়েটা। তাই মৃ*ত্যুর পথ খুঁজছে। শান্তি, আরামদায়ক মৃ*ত্যু। আর সেখানেই খোঁজ পেয়েছে ক্লাব ইউথানাসিয়ার।
ইউথানাসিয়া থেকে একটা ব্যবস্থা করে ফেললো অর্পা শান্তিতে চলে যাবার কিন্তু যাবার আগে মা বাবা এবং মায়ের সেই প্রেমিকটাকে শা*স্তি দিতে চেয়েছিল সে। মায়ের জন্য শা*স্তি হবে অর্পার লা*শ। মানে অর্পা ম*রে যাবে আজীবন মা একা একা থাকবেন এটাই তার শা*স্তি। বাবা তো বিদেশে থাকেন চাইলেও তাকে কিছু করা যাবে না। বাকি রইলো মায়ের প্রেমিক আনিস। ওই বদটাকে শা*স্তি দেয়া যায় অর্পা মনে মনে ভাবে।
একদিন থা*নার পু*লিশ অফিসাররা সবাই ভয় পেয়ে যান কারণ এক কিশোরী মেয়ে র*ক্তাক্ত অবস্থায় হাতে ছু*ড়ি নিয়ে আ*ত্মসমর্পণ করতে আসে থা*নায়। লা*শ পড়ে আছে বাসায়। পু*লিশ অফিসাররা ভয় পেয়ে যান, মেয়েটির অভিভাবকের ডাক পড়ে। কিন্তু মেয়েটি নিজের কথায় অবিচল সে নাকি খু*ন করেছে একজনকে। অথচ পু*লিশ বাসায় তদন্তে গিয়ে বিছানায় যে র*ক্ত খুঁজে পায় সেগুলো মুরগির র*ক্ত! আর বাসার সামনে ড্রেনে কতগুলো কা*টা মুরগির দেহ। এই কিশোরী মেয়েটি কে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। হ্যাঁ সে হলো অর্পা। অর্পা কে সাহায্য করতে ডাক পড়ে আহমেদ করিমের। কিন্তু কোনো কূল কিনারা করতে পারেন না তিনি শুরুতে। কারণ সব প্রশ্নের উত্তর যে মেলে না। মেয়েটাকে বাঁচাতে হলে আহমেদ করিমকে বোধহয় আরও অনেক কিছু ভাবতে হবে।
🌯পাঠ প্রতিক্রিয়া 🌯
আহমেদ করিম সিরিজ এর আগে আমি হার্ডকপি ও ইবুক মিলিয়ে কয়েকটি বই পড়েছি। কিন্তু এই বইয়ে আহমেদ করিমকে বোধহয় ঠিকঠাক উপস্থাপন করা হলো না। আহমেদ করিম যেভাবে রহস্য উন্মোচন করেন সেভাবে ঠিক গল্প এগোলো না। আরেকটু বোধহয় অন্যরকম ভাবে উপস্থাপন করা যেত গল্পের প্রয়োজনে।
গল্প হিসেবে বেশ ভালো প্লট কিন্তু ছোট বই বলে হুট করেই ফুরিয়ে গেল যেন। আসলে এই গল্পটা পড়ে মনে হলো এটা নিয়ে আরো বড় আকারে লেখা যেত। তাহলে আরো অনেক রহস্যের উন্মোচন হতো। শুরুতে আমার কাছে গল্পটা বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে। পরিচিত একটা মুভির মতো লাগছিল। তবে শেষটায় এসে লেখক চেষ্টা করেছেন টুইস্ট দিতে। এবং আহমেদ করিমের উপস্থিতি থেকেই যার শুরু। কিন্তু অনেকগুলো প্রশ্ন থেকেই গেল। আসলে গল্পটা বেশ ইন্টারেস্টিং বলেই আগ্ৰহ ছিল আরো কিছু জানার। আরো কিছু জায়গায় পরিষ্কার ব্যাখার।
আহমেদ করিম সিরিজ নিয়ে শরীফুল ভাইকে অনুরোধ করবো আবার নতুন কিছু বড় আকারে লিখতে। আসলে এমন ছোট বই হলে ঠিক যেন মন ভরে না। শুরু হতে হতেই হুট করে ফুরিয়ে যায়। তখন আসলে বেশ আফসোস হয়।আহমেদ করিমের সাথে নতুন কোনো কে*স নিয়ে কাজ করা উচিত লেখকের। শরীফুল ভাইয়ের লেখা আমার বেশ ভালো লাগে সবসময়ই। খুব বেশি জড়তা থাকে না। সহজ সাবলীল ভাষা। এবং এইজন্যই আশা করছি আহমেদ করিমকে নিয়ে আরো ভালো কিছু পাবো আমরা পাঠকেরা।
🌯বইয়ের নাম: "ক্লাব ইউথানাসিয়া"
🌯লেখক : শরীফুল হাসান
🌯ইবুক প্রকাশনায় : বইঘর
Read
April 9, 2025❛মানুষ ম রণশীল। তবে মৃ ত্যু যেন হয় ব্যথাহীন, কষ্টহীন এই আশা সকলের। রুহ যখন বেরিয়ে যায় তখন কেমন কষ্ট হয়? কষ্ট কি কোনোভাবে লাঘবের উপায় আছে?❜
আমরা একটা সুন্দর স্বাভাবিক জীবনের আশায় ছুটতে থাকি। একটু সুখ নামক সোনার হরিণকে ধরতে আমাদের কত আয়োজন!
অর্পা ওরফে পিংক অর্পার জীবনটা সাজানো গোছানো নয়। ব্রোকেন ফ্যামিলির সন্তান সে। ডিভোর্সের পর বাবা বিয়ে করেছে এক পরদেশীকে। আর মা আছে নানা পুরুষ নিয়ে। এরমধ্যে একা সে। তাও মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু বাঁধ সাধলো মায়ের প্রেমিক। একদিন তাকে নেশাগ্রস্থ করে ধ র্ষণ করলো। জীবনটা একদম তছনছ হয়ে গেল অর্পার। নেশা, সেগস আর উদ্যাম জীবনে নিজেকে ভাসিয়ে দিলো সে। উশৃঙ্খল এই জীবন তার বেঁচে থাকার ইচ্ছেকে একেবারে শুন্য করে দিলো। পরিবারের ভাঙন, অবহেলা, শারীরিক নিপীড়ন, ভালোবাসার মানুষকে অন্যের হতে দেখা সব মিলিয়ে জীবনটা বিষিয়ে ওঠে তার।
এরপরেই সে খোঁজ পায় এক ক্লাবের। নাম, ❛ক্লাব ইউথানাসিয়া❜। এখানে নাকি কষ্টহীন জীবনাবসান দেয়া হয়। এখানেই অর্পার গন্তব্য।
কিন্তু জীবনের শেষ দিকে যাওয়ার আগে একটা প্রতিশোধ সে নিতে চায়। ওই মানুষরূপী পিশাচকে নিজ হাতে শেষ করতে চায়। করেও ফেলে। কিন্তু এরপর?
হ ত্যা হয়েছে, র ক্তে ভেসে গেছে কিন্তু লা শ কোথায়?
এখানেই আগমন আহমেদ করিমের। অদ্ভুতদর্শন এই কেসের কূলকিনারা করতে হবে। এরজন্য সন্ধান করতে হবে রহস্যময় সেই ক্লাবের। কিন্তু কোথায় কামাল আতাতুর্ক রোডের সেই ক্লাবটি?
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
❝ক্লাব ইউথানাসিয়া❞ শরীফুল হাসানের আহমেদ করিম সিরিজের ছোটগল্প।
একদমই স্বল্প পরিসরে লেখা গল্পটার স্বাদ নিতে নিতেই যেন শেষ হয়ে গেল। শুরুটা বেশ এঙ্গেজিং ছিল। এরপর টুইস্ট এবং করিম সাহেবের আগমন মিলে বেশ ছিল। কিন্তু এরপরেই যেন খেই হারিয়ে গেল।
আহমেদ করিমকে খুবই কম সময় দেয়া হয়েছে। তার চিরায়ত ধরনে চিন্তা করে সমাধান বের করা কিংবা নিজস্ব ভঙ্গি কিছুই ছিল না। একটু রহস্য করেই সমাপ্তি টানা হলো কিন্তু তৃপ্তি হলো না।
❛জীবন ঠুনকো নয়। এই জীবনকে সার্থক করার জন্য আমাদের সব সময় আশাবাদী থাকতে হবে। জীবন সায়াহ্নে যেন আফসোস না থাকে। কিন্তু জীবনের শুরু থেকেই যদি হয় আশাভঙ্গের মেলা, আফসোসের ভিড় - তখন সে জীবনকে বয়ে চলা যায় কি?❜
আমরা একটা সুন্দর স্বাভাবিক জীবনের আশায় ছুটতে থাকি। একটু সুখ নামক সোনার হরিণকে ধরতে আমাদের কত আয়োজন!
অর্পা ওরফে পিংক অর্পার জীবনটা সাজানো গোছানো নয়। ব্রোকেন ফ্যামিলির সন্তান সে। ডিভোর্সের পর বাবা বিয়ে করেছে এক পরদেশীকে। আর মা আছে নানা পুরুষ নিয়ে। এরমধ্যে একা সে। তাও মানিয়ে নিয়েছিল। কিন্তু বাঁধ সাধলো মায়ের প্রেমিক। একদিন তাকে নেশাগ্রস্থ করে ধ র্ষণ করলো। জীবনটা একদম তছনছ হয়ে গেল অর্পার। নেশা, সেগস আর উদ্যাম জীবনে নিজেকে ভাসিয়ে দিলো সে। উশৃঙ্খল এই জীবন তার বেঁচে থাকার ইচ্ছেকে একেবারে শুন্য করে দিলো। পরিবারের ভাঙন, অবহেলা, শারীরিক নিপীড়ন, ভালোবাসার মানুষকে অন্যের হতে দেখা সব মিলিয়ে জীবনটা বিষিয়ে ওঠে তার।
এরপরেই সে খোঁজ পায় এক ক্লাবের। নাম, ❛ক্লাব ইউথানাসিয়া❜। এখানে নাকি কষ্টহীন জীবনাবসান দেয়া হয়। এখানেই অর্পার গন্তব্য।
কিন্তু জীবনের শেষ দিকে যাওয়ার আগে একটা প্রতিশোধ সে নিতে চায়। ওই মানুষরূপী পিশাচকে নিজ হাতে শেষ করতে চায়। করেও ফেলে। কিন্তু এরপর?
হ ত্যা হয়েছে, র ক্তে ভেসে গেছে কিন্তু লা শ কোথায়?
এখানেই আগমন আহমেদ করিমের। অদ্ভুতদর্শন এই কেসের কূলকিনারা করতে হবে। এরজন্য সন্ধান করতে হবে রহস্যময় সেই ক্লাবের। কিন্তু কোথায় কামাল আতাতুর্ক রোডের সেই ক্লাবটি?
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
❝ক্লাব ইউথানাসিয়া❞ শরীফুল হাসানের আহমেদ করিম সিরিজের ছোটগল্প।
একদমই স্বল্প পরিসরে লেখা গল্পটার স্বাদ নিতে নিতেই যেন শেষ হয়ে গেল। শুরুটা বেশ এঙ্গেজিং ছিল। এরপর টুইস্ট এবং করিম সাহেবের আগমন মিলে বেশ ছিল। কিন্তু এরপরেই যেন খেই হারিয়ে গেল।
আহমেদ করিমকে খুবই কম সময় দেয়া হয়েছে। তার চিরায়ত ধরনে চিন্তা করে সমাধান বের করা কিংবা নিজস্ব ভঙ্গি কিছুই ছিল না। একটু রহস্য করেই সমাপ্তি টানা হলো কিন্তু তৃপ্তি হলো না।
❛জীবন ঠুনকো নয়। এই জীবনকে সার্থক করার জন্য আমাদের সব সময় আশাবাদী থাকতে হবে। জীবন সায়াহ্নে যেন আফসোস না থাকে। কিন্তু জীবনের শুরু থেকেই যদি হয় আশাভঙ্গের মেলা, আফসোসের ভিড় - তখন সে জীবনকে বয়ে চলা যায় কি?❜
August 28, 2026
ক্লাব ইউথানাসিয়া! যেখানে মানুষ টাকার বিনিময়ে কিনে নেয় আরামদায়ক মৃত্যু।
আহমেদ করিমের নেই তেমন তৎপরতা কেস সলভ করার। শুধু রয়েছে কালো এক রহস্যের অন্ধকার।
আহমেদ করিমের নেই তেমন তৎপরতা কেস সলভ করার। শুধু রয়েছে কালো এক রহস্যের অন্ধকার।
November 27, 2024
কাহিনী চলনসই।
June 20, 2026
কনসেপ্ট ভালো। কিন্তু ঠিক জমলো না।
এই কনসেপ্টে পূর্ণ উপন্যাস বা উপন্যাসিকা হওয়া দরকার ছিল।
এই কনসেপ্টে পূর্ণ উপন্যাস বা উপন্যাসিকা হওয়া দরকার ছিল।
Displaying 1 - 5 of 5 reviews






