Jump to ratings and reviews
Rate this book

শৈলচূড়ায় চাঁদের হাসি

Rate this book
'শৈলচূড়ায় চাঁদের হাসি' - একটি হৃদয়স্পর্শী প্রেমকাহিনি।
নিকিতার প্রথম প্রেম ছিল বসন্তের প্রথম কুঁড়ির মতো - কচি, কোমল আর অপরূপ সৌরভে ভরা। সেই নবীন অনুভূতি তার হৃদয়ে জাগিয়েছিল এক অপার্থিব শিহরণ, যেন কোকিলের প্রথম কুহুতান বা ভোরের আলোর প্রথম স্পর্শ। কিন্তু জীবনের নিষ্ঠুর বাস্তবতা সেই কোমল অনুভূতিকে নির্মমভাবে ছিন্নভিন্ন করে দিল। ক্ষতবিক্ষত হৃদয় নিয়ে নিকিতা পালিয়ে গেল, যেভাবে একটি আহত পাখি তার ভাঙা বাসা ছেড়ে উড়ে যায় অজানার উদ্দেশ্যে।
প্রথম ভালোবাসা কি সত্যিই মুছে ফেলা যায় জীবনের পাতা থেকে? নাকি তা থেকে যায় হৃদয়ের অতল গভীরে, যেমন সমুদ্রের গর্ভে লুকিয়ে থাকে অমূল্য মুক্তা? সেই অনুভূতি কি মিশে যায় না রক্তের প্রতিটি কণায়, যেমন গোলাপের সুবাস মিশে যায় বাতাসে?
সময়ের অমোঘ প্রবাহে নিকিতা ফিরে এল। এবার একজন আত্মবিশ্বাসী, তেজস্বী নারী হিসেবে। তার চোখে এখন দৃঢ় সংকল্পের আগুন, ঠোঁটে অদম্য সাহসের হাসি। সে এখন শুধু নিজেকেই ভালোবাসে, যেন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ পর্বতশৃঙ্গ।
'শৈলচূড়ায় চাঁদের হাসি' এমন একটি উপন্যাস, যেখানে রয়েছে গভীর প্রেমের উষ্ণতা, দেশপ্রেমের উদাত্ত আহ্বান এবং নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার অদম্য আকাঙ্ক্ষা। এই উপন্যাসের প্রতিটি পাতায় ছড়িয়ে আছে গভীর আবেগের স্পন্দন, যা পাঠককে ভাবিয়ে তুলবে প্রেমের নিগূঢ় অর্থ ও ভাগ্যের অমোঘ লিখন নিয়ে।

304 pages, Hardcover

Published December 2, 2024

1 person is currently reading
18 people want to read

About the author

Elma Behrouz

6 books25 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
1 (11%)
3 stars
0 (0%)
2 stars
3 (33%)
1 star
5 (55%)
Displaying 1 - 4 of 4 reviews
Profile Image for Mueed Mahtab.
356 reviews
January 18, 2025
আজর্জ অরওয়েলের '১৯৮৪' এর মতো কঠিন বই পড়ার পর আসলে 'শৈলচূড়ায় চাঁদের হাসি'র মতো একটা সহজ শব্দের উপন্যাস পড়াই আমার জরুরি ছিলো। এর আগের বইটা এতটাই কঠিন ছিলো যে আমার প্রায় ৭ দিন লেগেছে ৩০০ পৃষ্ঠার বইটা শেষ করতে। কারণ আমার বই পড়তে পড়তে দৃশ্যপট কল্পনা করার অভ্যাস। সেক্ষেত্রে এই বইটা ছিলো সেরকমই একটা বই যা কল্পনা করতে সহজ।

বই নিয়ে মূল কথা:
বইটাতে অনেক জায়গায় "ধরে নিই এরকম হয়" ভাবতে হয়েছে কয়েকবার। যেমন সেনাক্যাম্পের ঘটনাগুলো। অত সহজ না। সেনাবাহিনীর মতো বাহিনী আমার বন্ধুবান্ধব না, তাদের সাথে এত সোজা সাপটা আচরণ আসলে হয় না। সেনাক্যাম্পের দৃশ্যগুলাও বাস্তবে এরকম হয় না। তাও "ধরে নিই এরকম হয়" ভেবে বইটা এগোতে থাকলে খারাপ লাগে না। তখন ভাবছিলাম বিদেশী বইগুলা পড়ার সময় তো আর সে দেশে গিয়ে দেখিনা ওইখানের কি অবস্থা (হাস্যকর যুক্তি কিন্ত এ ছাড়া বইটা এগোনো কঠিন হতো)। তারপর আসে মূল চরিত্রে সমস্যা, আসলে অনেক আগে এরকম হতো যে একটা বইয়ে একজন সবকিছু করছে সেটাই ভালো লাগে যে সে'ই নায়ক সে'ই সবকিছু করবে কিন্ত বাস্তবে এমন হয়না। বইয়ে দেখা যাচ্ছে মূল নায়কই বড় বড় সিন্ধান্ত নিচ্ছে, প্ল্যান করছে, অর্ডার দিচ্ছে। কিন্ত এখন বড় বড় লেখকদের বইয়ে দেখা যায় মূল নায়কের আশেপাশেও দুই-চারজন থাকে। আর কাজগুলো ভাগাভাগি করে নেয়। যাই হোক "ধরে নিলাম এখানে সে'ই সবকিছু করে"। এসব ছোটখাট অনেক কিছু "ধরে নিয়ে" বইটা এগোতে হয়েছে। তাছাড়া মনে হয় অব্যক্ত শব্দটা খুব বেশি ব্যবহার করা হয়েছে পুরো বইয়ে। এতবার একটাই শব্দ ব্যবহার করাটা ভালো লাগেনি। আর তাছাড়াও কানাডা গিয়ে নায়িকার মধ্যে যে অহংকারী ভাবটা আসে সেটাও অবাস্তব। বাস্তবে এমন হয়না। কিন্ত "ধরে নিলাম এরকম হয়েছে" কিন্ত এখানে একটা মিসলিডও হচ্ছে। মনে হচ্ছে যে দেশের বাইরে যাওয়াটাই সফলতা বা এরকম কিছু। অহংকারী ভাবটা একটু বেশিই হয়েগেছে। "ধরে নিলাম মানসিক চাপের কারণে একটু অহংকারী হয়ে গেছে সে"। আর তাছাড়াও নায়িকার একটু বেশি বেপরোয়া ভাব চোখে লেগেছে খুব আসলে সবকিছু যদি " ধরে নিয়েই " এগোতে হয় তাহলে তো দুনিয়ার সব বই-ই ভালো লাগতো। আর একজন মানুষ কতই বা ধরে নিয়ে নিয়ে এগোতে পারে তাইনা। এগুলোই একটু বেশি সমস্যা ছিলো আমার যতটুকু মনে আছে। আমার নিজের কাছে ভাল্লাগেনাই যেটুকু।

ভালো দিক:
কিছু কিছু লাইন কিংবা কনভারসেশন ছিলো কাব্যিক, যা আসলেই ভালো ছিলো। আবার এই যুগের লেখকদের মধ্যে "মোবাইল" এভোয়েড করার একটা অভ্যাস আছে। লেখিকা সেটা করেনি। "মোবাইল" ফোন আপনি জীবন থেকে বাদ দিতে পারবেন না। বর্তমান অনেক লেখকই মোবাইল জিনিসটা এরকমভাবে এভোয়েড করে যায় জিনিসটা যেন এখনো দেশে আসেনি।সেক্ষেত্রে মোবাইল, ফেসবুক,মেসেঞ্জার,ইন্টারনেটের ব্যবহার এই বইয়ের একটা ভালো দিক। বইয়ের শব্দচয়ন ভালো ছিলো। তাছাড়াও আরেকটা ভালো দিক হচ্ছে "পুরো বইয়ে একটা খারাপ লোক নেই" সত্য। প্রথমে নায়কের বাবাকে ভালো লাগেনি পরে দেখলাম না, সে ভালো। প্রথমে ইকরামুলকে ভালো লাগেনি। না সে ও ভালো। এইদিকটা আমার ভালো লেগেছে।আর কিছু মনে আসছে না। অভার অল খারাপ না বইটা। যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন বইটা কি একবারে অবাস্তব? তাহলে আমার মনে হয় "না"।
বইটা অবাস্তব না। "শর্মী" চরিত্রটা রিয়াল। "ইকরামুল" চরিত্রটা রিয়াল। নায়ক-নায়িকা নিয়ে তো একটু বাড়াবাড়ি হবেই তাহলে আবার উপন্যাস হয় কি করে?

আবারো খারাপ দিক:
লিখতে লিখতে মনে পড়লো বইয়ে একটা ছোট লাভ স্টোরি আছে এভারেস্ট জয়ী দম্পতীর লাভ স্টোরি।
এই পার্টটার গিয়ে মেজাজ চরমে উঠেছে আমার।
"টোটাল নন্সেন্স" বলেই দেই কি কাহিনী করসে:

প্রথমে এদের বিয়ে হয়, মেয়ের উড়াউড়ির শখ, সে জামাই ছেড়ে চলে যায়। ছাড়াছাড়ি হয়। আবার উড়তে উড়তে ওই ছেলের সাথেই দেখা হয়, তারপর প্রেম হয়। আবার বিয়ে হয়।
ভাইরে ভাই। এতো সোজা বিয়েশাদি-ভাগাভাগি?
এই পার্টটা টোটালি কোনো সেন্স ক্রিয়েট করে না আমার মতে।

অভার অল ৫ এ কত দিব বইটাকে আমি?
২.৫ কিংবা ৩।

বিদায়, হ্যাপি রিডিং।
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Nowrin Hasan  Nila.
10 reviews1 follower
April 4, 2025
ইলমা বেহরোজ এর কোনো বই'ই আমি পড়ি না। অন্যদের এসব গল্প ভালো লাগে কীভাবে আর তাদের রিডিং টেস্ট কেমন আই ডোন্নো। কিন্তু আমার ভাল্লাগে নি পার্সোনালি। ওনি রিসেন্টলি বই লিখা শুরু করেছেন দেখেই গল্প এতো সিনেমাটিক এবং থৃলারের মাত্রা খুব কমই আছে বলা যায়। গল্পে নিকিতা সাইফ আর রাইয়্যান চরিত্র দুটিকে খুব বেশি ক্রিঞ্জ মনে হয়েছে। আমার ফ্রেন্ড আমাকে সাজেস্ট করেছিলো এই বইটা একজনকে উপহার হিসেবে দেওয়ার জন্য। আমার এই গল্প আগে পড়া হয়ে গেলে হয়তো আমি কোনোকালেই তাকে এইটা উপহার হিসেবে দিতাম না। তাকে এমন একটা বই উপহার দিয়ে আমি ভীষণভাবে লজ্জিত কারণ আমি তাকে একটা ভালো বই দিতে পারিনি । পরে বুঝলাম যে, আমার ফ্রেন্ডের সাথে আমার রিডিং টেস্টের কোনো মিল নেই। কারণ এগুলো আমার রিডিং টেস্টের সাথে একদমই ম্যাচ খায় না বা বলা যায় দ্যাটস নট মাই কাপ অব টি। *নিকিতার সব আবেগ তার ডায়েরিতে ফুটে উঠেছে। গল্পের এই শব্দযুগলের ("রাইয়্যান,রাইয়্যান") বারবার ব্যবহার বিরক্ত লেগেছে একপ্রকার বলতে গেলে। আবার রাইয়্যান নিকিতার সেই ডায়রিগুলো পেয়েছিলো, পড়েছিলো, কেঁদেওছিলো। একটু বেশি ক্রিঞ্জি না? আর গল্পের "শর্মি" চরিত্রের প্রতি আমার একগ্রাস ঘৃণা। গল্পে উল্লিখিত এভারেস্ট বিজয়ী দম্পতির কথায় যদি আসি তাহলে, প্রথমে তাদের বিয়ে হয় কিন্তু মেয়ের বিয়েতে অনিচ্ছা থাকায় সে তার হাসবেন্ডকে ছেড়ে চলে যায়। আবার কোন এক জায়গায় তাদের দুজনের সাথে দুজনের দেখা হলে সেখান থেকে তাদের প্রেম হয় এবং পুনরায় বিয়েও! বিষয়টা কেমন অস্বাভাবিক না? Cuz no man will marry a woman a second time if she leaves him in the first place.
আই'ম নট কিন অন ইট। এজ ফার এজ আই ক্যান সি দ্যায়ার ইজ নাথিং গুড টু লার্ন ফ্রম দ্যিজ বুক। এই বই পড়তে গিয়ে আমার মনে হয়েছে, "It’s a backbreaker."

*বইয়ের যে দিকগুলি পজিটিভ মনে হয়েছে সেগুলো হলো "সন্তানের প্রতি বাবার ভালোবাসা" ; "দেশ রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা" আর "জীবনে কোনো কঠিন ধাক্কা খাওয়ার পর সেটা থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা।"

In my opinion, it is better not to waste money by buying such a book. "Read good books & enlighten yourself with the light of good books."
I personally didn’t like the book very much, so what rating should I give it?
This entire review has been hidden because of spoilers.
4 reviews
May 16, 2025
লেখনী ভালোনা। পড়তে পড়তে বারবার বিরক্ত চলে আসছিলো। সম্ভবত অনেক এক্সপেকটেশন এর কারনেই এমন হয়েছে।
Displaying 1 - 4 of 4 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.