What do you think?


খালেদা
খালেদা জিয়াকে নিয়ে একটি উপন্যাস লেখা যায়। তবে তাতে রাজনীতি আসবেই। মুশকিল হলো, এ দেশে অনেকেই ব্যক্তিপূজায় অভ্যস্থ। তাঁরা চান প্রিয় নেতাকে নিয়ে একটি বন্দনাগীতি। অথচ রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের চোখে তিনি দানব, তাঁর সবটাই মন্দ। এই দুই ধারার পাঠকের মধ্যে পড়ে হিমশিম খেতে হয়। কেউ কেউ প্রশ্ন করেন- এই যে তথ্য দিলেন, এর সূত্র কী? অর্থাৎ কিছু লিখলে সঙ্গে সঙ্গে এটাও নিশ্চিত করতে হবে যে এই তথ্য নির্ভুল। এটা মনগড়া কেচ্ছা নয়। সেজন্য ব্যবহার করতে হয় সূত্র। আর সূত্র ব্যবহার করলে উপন্যাসের মেজাজ থাকে না। নিজেকে সুরক্ষা দিতে তাই রেফারেন্স-কণ্টকিত একটি রচনা লিখতে হলো। এটি খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের আখ্যান।
544 pages, Hardcover
First published January 15, 2025
About the author
মহিউদ্দিন আহমদ
99 books153 followersজন্ম ১৯৫২, ঢাকায়। পড়াশোনা গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুল, ঢাকা কলেজ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে। ১৯৭০ সালের ডাকসু নির্বাচনে মুহসীন হল ছাত্র সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। বিএলএফের সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। দৈনিক গণকণ্ঠ-এ কাজ করেছেন প্রতিবেদক ও সহকারী সম্পাদক হিসেবে। দক্ষিণ কোরিয়ার সুংকোংহে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘মাস্টার্স ইন এনজিও স্টাডিজ’ কোর্সের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও অধ্যাপক। তাঁর লেখা ও সম্পাদনায় দেশ ও বিদেশ থেকে বেরিয়েছে বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা অনেক বই।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
January 19, 2025
বইয়ের পাতা মোটা করে, ফন্ট বড় করে, ব্যাপক স্পেস দিয়ে যা হয় তাই। এটা স্রেফ বাটপারি বই। এর থেকে লেখকের বেলা অবেলা, পার্বত্য চট্টগ্রাম- এসব অনেক ভালো ছিলো। আমি তোতাপাখির মতো তথ্য তুলে ধরা ছাড়া কিছুই পেলাম না।
Read
April 30, 2025পলিটিকাল বায়োগ্রাফি।
সরাসরি খালেদা জিয়ার সাথে আলাপ করে লিখলে ভালো হতো। বিভিন্ন মিডিয়ার বয়ানে রাজনীতিবিদ খালেদা।
সরাসরি খালেদা জিয়ার সাথে আলাপ করে লিখলে ভালো হতো। বিভিন্ন মিডিয়ার বয়ানে রাজনীতিবিদ খালেদা।
January 2, 2026
i feel like i wasted my money. Maybe i had much more expectations from this book. Ik, it’s a nonfiction and it’s supposed to be full of facts. But somehow, the book is just combinations of statements from various sourse. I was really amazed by this author when i read his other works. But this one a miss for me. I think he rushed this book, didn’t put in time to think about it or write about her. Again, don’t recommend this to know about Khaleda Zia, but yes, what happened politically in those years🍀
January 16, 2025
বইটা বেশ তথ্যবহুল। তবে প্রচলিত অর্থে খালেদা জিয়ার আত্মজীবনী নয় এটা। তাঁর ও বিএনপির চলার পথে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা ও এর ফলাফলের আখ্যান এ বই। প্রচুর রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে এতে। রাজনীতির মাঠে খালেদা জিয়ার উত্থান চিত্রটা বিধৃত হয়েছে এ বইয়ে।
May 1, 2026
৫ আগস্ট ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর খালেদা জিয়াকে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। আপসকামী নেত্রী হিসেবে তাঁর পরিচিতি, রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো, দলের ভেতরের গতিপ্রকৃতি এসব নিয়ে কথা উঠতেই উনার সম্পর্কে আরও গভীরভাবে জানার আগ্রহ জন্মায়। তখন খোঁজ নিয়ে মহিউদ্দিন আহমদের এই বইটার কথা জানতে পারি, যেটা বের হয়েছে রিসেন্টলি, ২০২৫-এ, অনন্যা প্রকাশনী থেকে। পাঁচ শতাধিক পৃষ্ঠার বই।
রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান ও নিউক্লিয়াস নিয়ে তাঁর লেখা পড়ে বেশ মুগ্ধ হয়েছিলাম। আওয়ামী লীগ, জাসদ, জামায়াত নিয়ে তাঁর কাজগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। তাই এই বইয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল স্বাভাবিকভাবেই বেশি। কিন্তু পড়তে গিয়ে হতাশ হতে হলো।
পুতুল থেকে বেগম খালেদা জিয়া, এই পরিক্রমা মসৃণ ছিল না। তবে তাতে চমক ছিল। দিনাজপুরের এক সাধারণ স্কুলছাত্রী, যে কিনা একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং তারপর কারাগারে বছরের পর বছর থাকতে হবে এই উত্থান-পতনের গল্পটা সত্যিই রোমাঞ্চকর হওয়ার কথা। কিন্তু বইটা সেই রোমাঞ্চ দিতে পারেনি।
বইয়ের ভেতরে যা আছে তা হলো বিভিন্ন সময়ের পত্রিকার রিপোর্ট আর বিবৃতির কোলাজ। লেখক নিজেই বলেছেন, সূত্র না দিলে পাঠক বিশ্বাস করবেন না, আর সূত্র দিতে গেলে গদ্যের প্রাণ মরে যায়। এই টেনশনটা বইয়ের পুরো শরীরে টের পাওয়া যায়। রেফারেন্সের ভিড়ে খালেদা জিয়া মানুষটা কোথাও হারিয়ে যান। তাঁর ভেতরের দ্বন্দ্ব, নিজের সিদ্ধান্তের পেছনের ভাবনা, রাজনৈতিক চাপের মুখে কী অনুভব করতেন এসব কিছুই নেই।
আমাদের এই বঙ্গদেশে নেতারা মেমোয়ার লিখে যান না, এটা একটা বড় দুর্ভাগ্য। ওঁদের দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তা, অভিজ্ঞতার ভাষ্য মৃত্যুর সাথে সাথে হারিয়ে যায়। অথচ পৃথিবীর অন্যত্র রাজনীতিবিদদের আত্মজীবনী একটি স্বাভাবিক ঘটনা।
খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও সেই একই শূন্যতা। বইটার শুরুতে তাঁর বাবার সাথে একটা দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের অংশ আছে, যেখানে খালেদার শৈশব, বিয়ে, পরিবারের কথা উঠে এসেছে।
১৯৬১ সালে জিয়াউর রহমানের সাথে বিয়ে হয়েছিল দিনাজপুরে, জিয়া তখন ডিএফআই এর অফিসার। সেই মুহূর্তগুলো বইয়ের সবচেয়ে জীবন্ত অংশ। কিন্তু এরপর থেকে বইটা ক্রমশ একটা রাজনৈতিক ক্রনিকেলে পরিণত হয়।
বইটা তথ্যবহুল, এটা অস্বীকারের উপায় নেই। বিএনপির উত্থান, খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে আসা, সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের লড়াই, দুই নেত্রীর দ্বন্দ্ব, ক্ষমতার হাতবদল এই পুরো সময়কালটা বোঝার জন্য বইটা কাজে লাগে। রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে এর মূল্য আছে।
কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয় খালেদা জিয়াকে মানুষ হিসেবে চেনার জন্য এই বই পড়বেন কিনা?
উত্তর হবে না।
বইটা মূলত বিভিন্ন মিডিয়ার বয়ানে গড়া একজন রাজনীতিবিদের প্রতিচ্ছবি, সরাসরি খালেদার নিজের কণ্ঠস্বর এখানে নেই। লেখক যদি তাঁর সাথে সরাসরি বসে কথা বলতেন, অথবা তাঁর কাছের মানুষদের আরও গভীরভাবে ইন্টারভিউ করতেন, বইটা অন্য মাত্রা পেত। মনে হয় যেন কাজটা তাড়াহুড়ো করে হয়েছে, যে পরিমাণ ভাবনা আর শ্রম দিলে বইটা সত্যিকারের বায়োগ্রাফি হতে পারত, সেটা দেওয়া হয়নি।
রাজনীতির ময়দানে বিএনপি ও খালেদা জিয়ার পথচলার ঘটনাপ্রবাহ জানতে চাইলে বইটা পড়া যায়। কিন্তু "খালেদা" নামটা যে প্রতিশ্রুতি দেয় একজন মানুষের ভেতর থেকে দেখা জীবন সেটা এই বই দিতে পারেনি। এটা মহিউদ্দিন আহমদের মানের লেখকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত ছিল না।
রহস্য মানব সিরাজুল আলম খান ও নিউক্লিয়াস নিয়ে তাঁর লেখা পড়ে বেশ মুগ্ধ হয়েছিলাম। আওয়ামী লীগ, জাসদ, জামায়াত নিয়ে তাঁর কাজগুলো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ দলিল। তাই এই বইয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল স্বাভাবিকভাবেই বেশি। কিন্তু পড়তে গিয়ে হতাশ হতে হলো।
পুতুল থেকে বেগম খালেদা জিয়া, এই পরিক্রমা মসৃণ ছিল না। তবে তাতে চমক ছিল। দিনাজপুরের এক সাধারণ স্কুলছাত্রী, যে কিনা একদিন দেশের প্রধানমন্ত্রী হবেন এবং তারপর কারাগারে বছরের পর বছর থাকতে হবে এই উত্থান-পতনের গল্পটা সত্যিই রোমাঞ্চকর হওয়ার কথা। কিন্তু বইটা সেই রোমাঞ্চ দিতে পারেনি।
বইয়ের ভেতরে যা আছে তা হলো বিভিন্ন সময়ের পত্রিকার রিপোর্ট আর বিবৃতির কোলাজ। লেখক নিজেই বলেছেন, সূত্র না দিলে পাঠক বিশ্বাস করবেন না, আর সূত্র দিতে গেলে গদ্যের প্রাণ মরে যায়। এই টেনশনটা বইয়ের পুরো শরীরে টের পাওয়া যায়। রেফারেন্সের ভিড়ে খালেদা জিয়া মানুষটা কোথাও হারিয়ে যান। তাঁর ভেতরের দ্বন্দ্ব, নিজের সিদ্ধান্তের পেছনের ভাবনা, রাজনৈতিক চাপের মুখে কী অনুভব করতেন এসব কিছুই নেই।
আমাদের এই বঙ্গদেশে নেতারা মেমোয়ার লিখে যান না, এটা একটা বড় দুর্ভাগ্য। ওঁদের দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তা, অভিজ্ঞতার ভাষ্য মৃত্যুর সাথে সাথে হারিয়ে যায়। অথচ পৃথিবীর অন্যত্র রাজনীতিবিদদের আত্মজীবনী একটি স্বাভাবিক ঘটনা।
খালেদা জিয়ার ক্ষেত্রেও সেই একই শূন্যতা। বইটার শুরুতে তাঁর বাবার সাথে একটা দীর্ঘ সাক্ষাৎকারের অংশ আছে, যেখানে খালেদার শৈশব, বিয়ে, পরিবারের কথা উঠে এসেছে।
১৯৬১ সালে জিয়াউর রহমানের সাথে বিয়ে হয়েছিল দিনাজপুরে, জিয়া তখন ডিএফআই এর অফিসার। সেই মুহূর্তগুলো বইয়ের সবচেয়ে জীবন্ত অংশ। কিন্তু এরপর থেকে বইটা ক্রমশ একটা রাজনৈতিক ক্রনিকেলে পরিণত হয়।
বইটা তথ্যবহুল, এটা অস্বীকারের উপায় নেই। বিএনপির উত্থান, খালেদা জিয়ার রাজনীতিতে আসা, সামরিক শাসন থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের লড়াই, দুই নেত্রীর দ্বন্দ্ব, ক্ষমতার হাতবদল এই পুরো সময়কালটা বোঝার জন্য বইটা কাজে লাগে। রাজনৈতিক ইতিহাসের একটা রেফারেন্স গ্রন্থ হিসেবে এর মূল্য আছে।
কিন্তু যদি প্রশ্ন করা হয় খালেদা জিয়াকে মানুষ হিসেবে চেনার জন্য এই বই পড়বেন কিনা?
উত্তর হবে না।
বইটা মূলত বিভিন্ন মিডিয়ার বয়ানে গড়া একজন রাজনীতিবিদের প্রতিচ্ছবি, সরাসরি খালেদার নিজের কণ্ঠস্বর এখানে নেই। লেখক যদি তাঁর সাথে সরাসরি বসে কথা বলতেন, অথবা তাঁর কাছের মানুষদের আরও গভীরভাবে ইন্টারভিউ করতেন, বইটা অন্য মাত্রা পেত। মনে হয় যেন কাজটা তাড়াহুড়ো করে হয়েছে, যে পরিমাণ ভাবনা আর শ্রম দিলে বইটা সত্যিকারের বায়োগ্রাফি হতে পারত, সেটা দেওয়া হয়নি।
রাজনীতির ময়দানে বিএনপি ও খালেদা জিয়ার পথচলার ঘটনাপ্রবাহ জানতে চাইলে বইটা পড়া যায়। কিন্তু "খালেদা" নামটা যে প্রতিশ্রুতি দেয় একজন মানুষের ভেতর থেকে দেখা জীবন সেটা এই বই দিতে পারেনি। এটা মহিউদ্দিন আহমদের মানের লেখকের কাছ থেকে প্রত্যাশিত ছিল না।
August 20, 2026
টাকা দিয়ে সংবাদপত্রের প্রতিবেদন পড়লাম,ফন্ট বদলিয়ে ৫০০ টাকার বইয়ের মুদ্রিত মূল্য ১০০ করলো
Displaying 1 - 6 of 6 reviews







