What do you think?


বিস্রস্ত জর্নাল
- GenresNonfiction
206 pages, Hardcover
Published February 1, 2014
About the author
Abdullah Abu Sayeed
118 books87 followersAbdullah Abu Sayeed (Bengali: আবদুল্লাহ আবু সাইয়ীদ; born 25 July 1939) is a Bangladeshi writer, television presenter, organizer and activist. He is currently the Chairman of Bishwa Sahitya Kendra, a non-profit organization that promotes the study of literature, reading habits and progressive ideas.
Early life:
Sayeed was born in 1939 in Calcutta. His father was Azimuddin Ahmed, a teacher of both English and Bengali literature.He was also a playwright. Sayeed passed SSC exam from Pabna Zilla School in 1955 and HSC exam from Profollo Chandra College in 1957. He later earned the degree of BA and MA in Bengali from the University of Dhaka in 1960 and 1961 respectively.
Career:
Sayeed was a professor of Bengali language in Dhaka College.In mid-1970s he started presenting Shaptabarna (Seven Colors), a multidimensional TV show in Bangladesh Television. In 1978, he founded the Bishwa Sahitya Kendra.
AWARDS:
Sayeed was given the 97th Ramon Magsaysay Award in Journalism, Literature, and Creative Communication Arts for "cultivating in the youth of Bangladesh a love for literature and its humanizing values through exposure to the great books of Bengal and the world".
Bangla Academy Award (2011) for his essays.
Ekushey Padak (2005)
Mahbub Ullah Trust Award (1998)
National TV award (1977)
Early life:
Sayeed was born in 1939 in Calcutta. His father was Azimuddin Ahmed, a teacher of both English and Bengali literature.He was also a playwright. Sayeed passed SSC exam from Pabna Zilla School in 1955 and HSC exam from Profollo Chandra College in 1957. He later earned the degree of BA and MA in Bengali from the University of Dhaka in 1960 and 1961 respectively.
Career:
Sayeed was a professor of Bengali language in Dhaka College.In mid-1970s he started presenting Shaptabarna (Seven Colors), a multidimensional TV show in Bangladesh Television. In 1978, he founded the Bishwa Sahitya Kendra.
AWARDS:
Sayeed was given the 97th Ramon Magsaysay Award in Journalism, Literature, and Creative Communication Arts for "cultivating in the youth of Bangladesh a love for literature and its humanizing values through exposure to the great books of Bengal and the world".
Bangla Academy Award (2011) for his essays.
Ekushey Padak (2005)
Mahbub Ullah Trust Award (1998)
National TV award (1977)
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 6 of 6 reviews
August 6, 2017
নামের অগ্রে খ্যাতধারীরা নানা সুযোগসুবিধা ভোগ করেন। তাঁদের রোজনামচাও লোকে আগ্রহ নিয়ে পাঠ করে বিমলানন্দ হন। (আমিও এই লিস্টিতে আছি) এইসব আফসোসমূলক কথাবার্তা থাকুক।
আবদুল্লাহ আবু সাঈদ একটি প্রতিষ্ঠানের নাম।বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, শিক্ষকতা কিংবা পর্দায় উপস্থাপনা যেদিকে এগিয়েছেন দুহাতে সোনা ফলিয়েছেন।
এতকিছুর মাঝেও ব্যক্তি আবদুল্লাহ আবু সাঈদের নিজস্ব এক অনুপম জগৎ আছে। সেই মোহনীয় রূপময় পরিমন্ডলের নিয়ন্তা আবদুল্লাহ আবু সাঈদ। শাদা পাতায় লেখার খচখচ শব্দে সৃষ্ট একান্ত ভুবনের কথাই ছোট ছোট বাক্যে লিপিবদ্ধ করেছেন আবু সায়ীদ। তারই নাম "বিস্রত জর্নাল"
১৮.০১.১৯৮৪ সালে এই জর্নালের যাত্রা শুরু। সমাপ্ত ১৯৯৪ সালে।কোন সে জন এই জর্নালের যাত্রী? শুধুই কী আবদুল্লাহ আবু সাঈদ? না,সরল বাক্যেভর্তি জর্নালের যাত্রায় সঙ্গী আমি নিজেও। পাঠক মাত্রই এই জর্নালের সঙ্গ নিবে। কেন, কী মধু আছে এতে???
বহুরূপী মানুষ-মানুষীর ভেতরকার সৌন্দর্য আর কুৎসিত্বের বড়াই কিংবা লজ্জার সোজাতম স্বীকারোক্তি যেমন ভাবনার অগোছালো সংসারে গুছিয়ে নেবার তাগিদ জোগায়, তেমনটি হয়েছে ব্যক্তি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের জর্নাল পড়তে গিয়ে।
ভালোবাসা নিয়ে ভাবেন কতো সুন্দর করে।মৃত্যু জন্ম কিংবা প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির অনুযোগের সারিতে দাঁড়িয়ে ভাবতে বসেন দেশ, সমাজ আর সাহিত্যের অলিগলি নিয়ে।
কেমন যেন শূন্যতার মাঝে দাঁড়িয়ে পড়েছি "বিস্রত জর্নাল " পাঠ করতে গিয়ে।
আবদুল্লাহ আবু সাঈদ একটি প্রতিষ্ঠানের নাম।বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, শিক্ষকতা কিংবা পর্দায় উপস্থাপনা যেদিকে এগিয়েছেন দুহাতে সোনা ফলিয়েছেন।
এতকিছুর মাঝেও ব্যক্তি আবদুল্লাহ আবু সাঈদের নিজস্ব এক অনুপম জগৎ আছে। সেই মোহনীয় রূপময় পরিমন্ডলের নিয়ন্তা আবদুল্লাহ আবু সাঈদ। শাদা পাতায় লেখার খচখচ শব্দে সৃষ্ট একান্ত ভুবনের কথাই ছোট ছোট বাক্যে লিপিবদ্ধ করেছেন আবু সায়ীদ। তারই নাম "বিস্রত জর্নাল"
১৮.০১.১৯৮৪ সালে এই জর্নালের যাত্রা শুরু। সমাপ্ত ১৯৯৪ সালে।কোন সে জন এই জর্নালের যাত্রী? শুধুই কী আবদুল্লাহ আবু সাঈদ? না,সরল বাক্যেভর্তি জর্নালের যাত্রায় সঙ্গী আমি নিজেও। পাঠক মাত্রই এই জর্নালের সঙ্গ নিবে। কেন, কী মধু আছে এতে???
বহুরূপী মানুষ-মানুষীর ভেতরকার সৌন্দর্য আর কুৎসিত্বের বড়াই কিংবা লজ্জার সোজাতম স্বীকারোক্তি যেমন ভাবনার অগোছালো সংসারে গুছিয়ে নেবার তাগিদ জোগায়, তেমনটি হয়েছে ব্যক্তি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের জর্নাল পড়তে গিয়ে।
ভালোবাসা নিয়ে ভাবেন কতো সুন্দর করে।মৃত্যু জন্ম কিংবা প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির অনুযোগের সারিতে দাঁড়িয়ে ভাবতে বসেন দেশ, সমাজ আর সাহিত্যের অলিগলি নিয়ে।
কেমন যেন শূন্যতার মাঝে দাঁড়িয়ে পড়েছি "বিস্রত জর্নাল " পাঠ করতে গিয়ে।
January 9, 2025
স্যারের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। বই পড়ার দুনিয়ায় আমার প্রথম প্রধান পদক্ষেপ কেন্দ্রের স্কুল পর্যায়ের কর্মসূচির হাত ধরেই। এই বইয়ে কেন্দ্র প্রতিষ্ঠায় স্যারের নিরলস প্রচেষ্টা, উত্তরার অসাধারণ বাড়ির বর্ণনা, প্রেম, মৃত্যু, জীবন, যৌবন, বার্ধক্য নিয়ে বেশ কিছু চিন্তা ভালো লেগেছে। তবে ধর্ম, বিশ্বাস, দুর্নীতি, জীবন বিষয়ে কিছু কিছু কিছু কথার সাথে একমত হতে পারিনি।
February 21, 2017
Judge yourself!! I loved it :')
May 2, 2023
বাংলাদেশের মননশীল বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে অন্যতম আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। তিনি এমন এক বিরল ব্যক্তিত্ব যিনি সর্বমানবের অন্তরে আলোকের স্পৃহা জাগিয়ে তুলতে শ্রমসাধ্য ব্রত গ্রহণ করেছেন। ‘বিস্রস্ত জর্নাল’ গ্রন্থটি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর লেখা নয়, বরং নানান সময়ে তাঁর বিছিন্ন বিভিন্ন ভাবনা তিনি এই দুই মলাটে বন্দি করেছেন।
বইয়ের ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, “বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কাজে অংশ নিতে গিয়ে দায়িত্বের কষ্ট, শ্রম আর উত্তেজনার নিচে আমার গত চৌদ্দ বছরের চৈতন্য-জগত পুরোপুরি প্রোথিত হয়ে গিয়েছিল। কাজের ভারী সীসা দিয়ে আকণ্ঠ ঠাসা সেই জানালা-গরাদহীন দিনগুলোয় স্বপ্ন, অনুভূতি, অবসর বা লেখালেখির কোনো অবকাশ থাকার কথা না এবং তা ছিলও না। তবু মাঝেমধ্যে, অপ্রত্যাশিত অবসরের যে দুয়েক চিলতে মুহূর্ত জীবনের করিডোরে পলকের জন্য দেখা দিয়ে মিলিয়ে যেত, সেই সময়-টুকরোগুলোকে ছোট ছোট যেসব মৌহূর্তিক লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা আমার পক্ষে সে সময় সম্ভব ছিল, তা এগুলোই।”
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ শিল্পের চেতনায় আলোকিত করেছেন সহস্রজনকে, তাঁর অন্তর্মানসের সুনিবিড় ছবি ফুটে উঠেছে বর্তমান গ্রন্থে। অন্তর্গত দহন ও সত্যানুসন্ধানের আকুতি শিল্পীচিত্তে যেভাবে প্রতিফলিত হয় তার আন্তরিক উদ্ভাসন স্মরণীয় করে তুলবে ‘বিস্রস্ত জর্নাল’ গ্রন্থের পাঠ।
বইয়ের ভূমিকায় তিনি লিখেছেন, “বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কাজে অংশ নিতে গিয়ে দায়িত্বের কষ্ট, শ্রম আর উত্তেজনার নিচে আমার গত চৌদ্দ বছরের চৈতন্য-জগত পুরোপুরি প্রোথিত হয়ে গিয়েছিল। কাজের ভারী সীসা দিয়ে আকণ্ঠ ঠাসা সেই জানালা-গরাদহীন দিনগুলোয় স্বপ্ন, অনুভূতি, অবসর বা লেখালেখির কোনো অবকাশ থাকার কথা না এবং তা ছিলও না। তবু মাঝেমধ্যে, অপ্রত্যাশিত অবসরের যে দুয়েক চিলতে মুহূর্ত জীবনের করিডোরে পলকের জন্য দেখা দিয়ে মিলিয়ে যেত, সেই সময়-টুকরোগুলোকে ছোট ছোট যেসব মৌহূর্তিক লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করা আমার পক্ষে সে সময় সম্ভব ছিল, তা এগুলোই।”
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ শিল্পের চেতনায় আলোকিত করেছেন সহস্রজনকে, তাঁর অন্তর্মানসের সুনিবিড় ছবি ফুটে উঠেছে বর্তমান গ্রন্থে। অন্তর্গত দহন ও সত্যানুসন্ধানের আকুতি শিল্পীচিত্তে যেভাবে প্রতিফলিত হয় তার আন্তরিক উদ্ভাসন স্মরণীয় করে তুলবে ‘বিস্রস্ত জর্নাল’ গ্রন্থের পাঠ।
December 18, 2019
আমি যেটা পড়েছি, সেটা বেশ আগের 'জর্নাল'। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ২০১৯ এর ডিসেম্বরে প্রকাশিত গ্রন্থ তালিকায় দেখলাম প্রকাশিতব্য বইয়ে 'বিস্রস্ত জর্নাল'ও আছে। অর্থাৎ আরো জর্নাল লেখা হয়েছে।
সুখপাঠ্য গদ্য ও আদর্শিক চিন্তাধারার সাথে আরো থাকতে ইচ্ছে করছে।
সুখপাঠ্য গদ্য ও আদর্শিক চিন্তাধারার সাথে আরো থাকতে ইচ্ছে করছে।
Displaying 1 - 6 of 6 reviews






