Jump to ratings and reviews
Rate this book

জ্যোৎস্নায় বর্ষার মেঘ

Rate this book
প্রিয় কন্যা অবন্তীকে নিয়ে শান্তিনিকেতন দেখে ফিরে এসে সেদিন রাত্রে কমলাকান্ত চট্টোপাধ্যায় মারা গেলেন। এই স্কুল শিক্ষক ভদ্রলােক সংসারের জন্য কিছুই রেখে যাননি। মা ও নাবালক দুটি ভাই এবং সংসারের চাপে অবন্তীকে চাকরি নিতে হল। এই বাধ্যতার ঘেরাটোপ থেকে অবন্তী আর বেরােতে পারল না। অথচ তার বাবার স্কুলের সহকর্মী স্বর্ণেন্দুকে সে ভালবেসেছিল। বাবা চেয়েছিলেন অবন্তী ও স্বর্ণেন্দু ঘর বাঁধুক। কিন্তু মা দারিদ্র্যপীড়িত। সংসারের ছবিটা বারংবার দেখিয়ে অবন্তীকে বিয়ে করতে দিল না। স্বর্ণেন্দুও ওর জীবন থেকে হারিয়ে গেল। কখনও পেয়িংগেস্ট, কখনও সরকারি হস্টেলে থাকতে থাকতে, একটা চাকরি থেকে অন্য চাকরি করতে করতে অবন্তীর জীবন চলে গেল ‘কুড়ি কুড়ি বছরের পার’ । স্বর্ণেন্দুর সঙ্গে তার আর একবার দেখা হয়েছিল। কিন্তু কোথায় ? তারই কথা এই মর্মস্পর্শী উপন্যাসে।

128 pages, Hardcover

First published January 1, 1999

13 people are currently reading
241 people want to read

About the author

Samaresh Majumdar

338 books704 followers
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".

Some of his famous characters are:

1. Animesh & Madhabilata (Animesh Quartet)
2. Arjun - Fictional sleuth.
3. Dipaboli (Saatkahon)

সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।

মৃত্যু : ৮ মে, ২০২৩

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
68 (31%)
4 stars
83 (37%)
3 stars
52 (23%)
2 stars
8 (3%)
1 star
8 (3%)
Displaying 1 - 28 of 28 reviews
Profile Image for Salsabil Shusmi.
5 reviews1 follower
January 31, 2021
Nice one. The plot is too close to সাতকাহন. The closing was nice, really nice.
Profile Image for Srimayee Roy.
20 reviews18 followers
September 9, 2018
ওনার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি,আমি কখন ভুলবোনা।
Profile Image for Nurul Huda.
193 reviews4 followers
January 27, 2023
📘 জ্যোৎস্নায় বর্ষার মেঘ
লেখক : সমরেশ মজুমদার
আনন্দ পাবলিকেশন
প্রথম সংস্করণ জানুয়ারি ১৯৯৯
কলকাতা
_

কমলাকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে অবন্তী এবং দুই ছেলে হেমন্ত ও বসন্ত। তিনি স্কুলে ইংরেজি পড়ান। মেয়ে অবন্তী বিএ পড়ছে। ছোট সংসার যা বেতন পান তা দিয়েই সংসার চলছে। কমলাকান্ত ইংরেজি পড়ালেও বাংলা সাহিত্য তার নখদর্পনে। সেই সাথে অবন্তীও সাহিত্য এবং জীবনানন্দকে খুব ভালোবাসেন ৷ স্বর্ণেন্দুও স্কুলে পড়ায়, সে সুবাধে কমলাকান্তের বাড়িতে নিয়মিত আসা যাওয়া৷ সেখানেই অবন্তীর সাথে পরিচয় এবং প্রেম।

কমলাকান্ত একদিন অবন্তীকে নিয়ে শান্তিনিকেতনে ঘুরতে যায়। এদিন রাতেই কমলাকান্ত মারা গেল৷
ততদিনে অবন্তী বিএ পাশ করেছে। পরিবারের দায়িত্ব বর্তায় তার উপর। কিছুদিনের ভেতরেই সরকারি কর্মচারী হিসেবে চাকরী হল কলকাতায়। বর্ধমান থেকে কলকাতায় রোজ যাতায়াত করা অবন্তীর জন্য কষ্টকর । যাবতীয় সঙ্গ দেয় স্বর্ণেন্দু। কলকাতায় বাসায় রাখল।

এদিকে স্বর্ণেন্দু আর অবন্তী বিয়ে করতে চাইছিল। কিন্তু অবন্তীর মা রাজি হচ্ছি না৷ বিয়ের পর টাকা দেয়া বন্ধ করে দেয় কিনা সে সন্দেহে। মা চাচ্ছিল হেমন্ত আর বসন্ত বড় হোক নিজে কামায় রোজগার করুক৷ প্রায় ১৫ বছরের মত সময় লাগবে৷ অবন্তী পরিবারের জন্য নিজের আর স্বর্ণেন্দু সম্পর্ক ভেঙ্গে দেয়।
_
এত স্যাক্রিফাইস করল ভাই এবং মার জন্য৷ বিয়েটাও করেনি৷ কিন্তু কী পেল শেষে অবন্তী?
_
অবন্তী, স্যাক্রিফাইস, স্ট্রাগল, দায়িত্ব ; মিলিয়ে জ্যোৎস্নায় বর্ষার মেঘ ☁

#bookreview2022
#সমরেশ_মজুমদার
10 reviews18 followers
July 26, 2020
যারা মনে করেন বাবা-মা যা করেন সন্তানের মঙ্গলের জন্যই করেন,তাদের অবশ্যই এই বইটা পড়া উচিত। বইটা পড়ে মনে হতে পারে- আসলেই কি নিজের মা কখনও সন্তানের এমন ক্ষতি করতে পারে? তবে খোজ নিলে এমন ঘটনা আপনার আশেপাশেই হয়ত দেখতে পাবেন। উপমহাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে শুধু ফ্যামিলির কথা ভেবে।
উপন্যাসটি একজন তরুণীর আত্মত্যাগের গল্প নিয়ে রচিত। পরিবারের জন্য নিজের জীবনটাই নষ্ট করতে হয়েছে তাকে। বাস্তবে উপমহাদেশে এরকম অহরহ দেখা যায়,শুধু মেয়ে না, অনেক ছেলেরও জীবনের মহামূল্য সময় নষ্ট হয়ে যায় বাবা-মায়ের কথা ভাবতে গিয়ে। অবন্তীর মায়ের মত মহিলারা মা হবার যোগ্য না,এইসব মহিলাকে ডাইনি বললেও কম বলা হবে না। লেখক খুবই সুন্দর একটা কাহিনীর মাধ্যমে আমাদের সমাজের অনেক কঠিন সমস্যা তুলে ধরেছেন।
লেখার বাচনভঙ্গি ভাল লাগে নি অতটা। সমরেশের অন্য উপন্যাসগুলোর মতই নাটকের সংলাপ ধরণের লেখা। শেষের দিকটা আরেকটু বড় করা উচিত ছিল। সমরেশের একটা বড় সমস্যা হল, চরিত্রগুলো কী চিন্তা করছে,সেগুলো কখনও উনি বর্ণনা করেন না সেভাবে। এজন্য গল্পগুলো শুধু সংলাপনির্ভর হয়ে যায়। একটু গুছিয়ে লিখলে,শেষের দিকটায় একটু চিন্তাভাবনাগুলোকে ভালভাবে প্রকাশ করলে,এটা একটা মাস্টারপিস উপন্যাস হতে পারত।
Profile Image for Hasanul Ferdous.
14 reviews5 followers
January 14, 2021
বর্ধমানের মেয়ে অবন্তীর সঙ্গে ছুটে চলা। ছোটবেলা থেকে অবন্তী বড় হয়েছে সাহিত্যকে আঁকড়ে ধরে। প্রথমে রবীন্দ্রনাথ, তারপর জীবনানন্দ। এসব কিছুই সে চিনেছে বাবার কাছ থেকে। বাবা এলাকার স্কুলে ইংরেজির মাস্টারি করেন, তবুও বাংলা সাহিত্যে তার অগাধ দখল। সাহিত্যকে ভালোবাসা এই মেয়েটি একদিন পড়ল অকূল পাথারে। সেই পাথারে আপনজনেরাও সঙ্গ দেয় না। একে একে জীবনে এলো অনাকাঙ্ক্ষিত মোড়। জীবনের মোড়ে হারিয়ে যেতে থাকে কত কী!

বইটা যখন পড়া শুরু করেছিলাম, অল্প অল্প করে এগিয়েছি। তার কারণ গল্পের গাঁথুনিতে গভীরতা পাচ্ছিলাম না। মাঝপথে এসে এর গভীরতা টের পেলাম। তারপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা যত উল্টেছি, জীবনবোধ ততই বেড়েছে। শেষ করার পর বইয়ের মলাটের দিকে আবার তাকালাম, এবারে মনে হলো এটিও সমরেশ মজুমদারের আরেকটি অনবদ্য সৃষ্টি। মাত্র ১২৮ পৃষ্ঠায় আমি এর চেয়ে ভালো উপন্যাস কমই পড়েছি।
2 reviews
December 20, 2025
I briefly learned about the character “Abonti” from "Meyera Jemon Hoy” written by Shamoresh Majumdar. The plot sounded kinda vague, plain & somewhat detached from reality.
But as I started reading “Jyotsnay Borshar Megh” every development in the story felt logical & sensible. Not a single event seemed unreasonable or tough to accept. The character construction of Abonti was remarkable. It totally made sense how she could be well educated, cultured and brave yet still struggle with something as ordinary as commuting daily from Burdhaman to Kolkata for work. I could connect so much to her father’s demise and her reaction to that. The character Shiddharto brought a much needed sense of calm and order to the narrative.
The way the characters gradually transformed as the story unfolded, only drew me more towards it. Their sorrow, anger, love all of it was well constructed and relatable.
Well written family- romantic drama. Worth your time.
Profile Image for Md Mashfequr Rahman Himel.
39 reviews
October 17, 2021
রিভিউ:আদরের বড় মেয়ে অবন্তীকে শান্তিনিকেতন থেকে ঘুরিয়ে নিয়ে এসে সে রাতেই হার্ট অ্যাটাকে মারা গেলেন স্কুল শিক্ষক কমলাকান্ত চট্টোপাধ্যায়।সদ্য এম.এ পাশ করা অবন্তী নামলেন জীবনযুদ্ধে।মা আর আদরের দুই ভাইয়ের অন্ন যোগানে পাড়ি দিলেন অচেনা বিরাট কলকাতায়।অচেনা শহর,রাতদুপুরে ডাকাতি প্রভৃতি প্রতিকূলতাকে আলিঙ্গন করে অচেনা জায়গায় মানিয়ে ফেললেন নিজেকে।সমাজের চক্ষুলজ্জায় স্বর্ণেন্দুর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন।এরপর পনের বছর পেরিয়ে গেল।অবন্তী বৃদ্ধাশ্রমে যোগ দিলেন গভর্নেন্স হিসেবে বিনাবেতনে।ঠিক করলেন জীবনের শেষ অব্দি তাদের সঙ্গ দিবেন।এরই মধ্যে দেখা হলো প্রাক্তন প্রেমিক।নাম বদল করলেও চিনতে ভুল করেনি অবন্তী।এ গল্প সংগ্রামের,এ গল্প নতুন করে জেগে উঠার,এ গল্প একমুঠো হতাশার অভিপ্রায়......
This entire review has been hidden because of spoilers.
Profile Image for Nafisa Anjum.
226 reviews13 followers
November 9, 2023
অবন্তী, স্যাক্রিফাইস, স্ট্রাগল, দায়িত্ব, স্বার্থপরতা - মিলিয়ে জ্যোৎস্নায় বর্ষার মেঘ। কঠিন বাস্তবতা আর অবন্তী-স্বর্ণেন্দুর না পাওয়া ভা���োবাসার গল্প।

যারা মনে করেন বাবা-মা যা করেন সন্তানের মঙ্গলের জন্যই করেন, তারা কখনই সন্তানের খারাপ চান না তাদের অবশ্যই এই বইটা পড়া উচিত। পরিবারের জন্য নিজের জীবনটাই নষ্ট করতে হয়েছে অবন্তীকে। বাস্তবে উপমহাদেশে এরকম অহরহ দেখা যায়, শুধু মেয়ে না, অনেক ছেলেরও জীবনের মহামূল্য সময় নষ্ট হয়ে যায় বাবা-মায়ের কথা ভাবতে গিয়ে।
Profile Image for Partha Goswami.
137 reviews2 followers
December 25, 2023
উপন্যাসটি অবন্তী নামে একজন তরুণীর লড়াই আর আত্মত্যাগের গল্প। অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারেই যে মা, ভাই-দাদার মতো আপনজনেরাই স্বার্থের কারণে বাড়ির ছেলেমেয়েদের বেড়ে উঠতে দেয় না; অথবা তাদের ভালো কিছু করতে দেয় না সেটা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। পরিবারের জন্য নিজের জীবনটাই বলতে গেলে নষ্ট করতে হয়েছে তাকে। জীবনের মোড়ে হারিয়ে যেতে থাকে কত কী! তাকে কেউ বোঝেনি বা বোঝার চেষ্টা করেনি, সর্বত্রই তাকে স্বার্থান্বেষী সংকীর্ণমনা লোকেদের সম্মুখীন হতে হয়েছে।
11 reviews
July 30, 2021




🌺রেটিং :৪.৫/৫

🌺রিভিউ: অবন্তি নামের এক আত্মবিশ্বাসী,পরিশ্রমী,
নিস্বার্থ নারীর চরিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন এই উপন্যাসটিতে।অবন্তি ইউনিভার্সিটিতে পড়াকালীন সময়ে স্বর্ণেন্দু নামে এক যুবকের সাথে প্রনয়
তৈরি হয়।বিষয়টি অবন্তির বাবাকে জানালে অবন্তির বাবা বলেন গ্রেজুয়েশন কমপ্লিট করার পর অবন্তির পছন্দের পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দিবেন।হঠাৎ তার বাবা মারা যায়,সংসারের চালানোর দায়িত্ব চলে আসে অবন্তির ওপর।কলকাতায় চাকরি ঠিক হয় অবন্তির।কলকাতা শহরে আসা-যাওয়া এবং শহরটিকে পুরোপুরি চিনতে সাহায্য করে স্বর্ণেন্দু।
বর্ধমান থেকে কলকাতা আসা যাওয়া কষ্টের হলেও অবন্তি তার মা এবং তার ছোটো দুই ভাই এর দিকে তাকিয়ে সব সহ্য করে নেয়।একদিন অবন্তির মা অবন্তিকে কাছে ডেকে তাকে কথা দিতে বললো যে তার দুই ভাইয়ের ইনকাম করার এবেলিটি যতদিন তৈরি না হয় ততদিন যাতে অবন্তি বিয়ে না করে।অবন্তির মাসিক বেতনের যে অংশ সে তার মাকে দেয়,বিয়ের পর স্বাভাবিক নিয়মে তা কমে যাবে এবং
এতে সংসার চালাতে কষ্ট হয়ে যাবে।

অবন্তিকে কী রাখে তার মায়ের কথা?
আর স্বর্ণেন্দুরই বা কি হয়?
জানতে হলে পড়তে হবে উপন্যাসটি😁।

🌺পাঠ প্রতিক্রিয়া: কাহিনীটি অত্যন্ত
বাস্তবসম্মত ছিলো।আমাদের আশেপাশে অবন্তির মতো এমন
অনেক নারী আছে যারা নিঃস্বার্থ হয়ে পরিবারের জন্য অনেক কিছু করছে।লেখক বেশ চমৎকার করে এক নারীর সংগ্রামী জীবন ফুটুয়ে তুলেছেন।এই বইটি নিয়ে আমার মোট পাঁচটি উপন্যাস পড়া হলো লেখক সমরেশ মজুমদারের।আমি অনেক বই পড়ি,কিন্তু সমরেশ মজুমদারের লেখায় যেভাবে ডুব দিয়ে থাকতে পারি অন্য কোনো লেখকের বই সেভাবে পারি না।
সব মিলিয়ে আমার কাছে উপন্যাসটি
দারুন লেগেছে❤️

Profile Image for Zakia Rafa.
12 reviews6 followers
August 31, 2020
আমার পড়া সমরেশের সেরা বই।ছোট হলেও সুন্দর স্টোরিলাইন। খুবই ভালো ছিল।
Profile Image for Ashfaqur Rahman.
12 reviews1 follower
December 4, 2020
সমরেশ মজুসদারের অন্যতম কালজয়ী বই। কঠিন বাস্তবতার কারনে অবন্তী আর স্বর্ণেন্দুর না পাওয়া ভালোবাসার গল্প!
13 reviews
June 26, 2022
সমরেশ মজুমদার আমার খুবই প্রিয় একজন লেখক। এই বইটি ছোট হলেও অসাধারণ একটি বই, সব বাবা মা এবং সন্তানদের একবার অন্তত এই বই টি পড়া উচিৎ❤️😌
Profile Image for Asma ul Husna.
14 reviews1 follower
February 3, 2023
এই বইটা আমার খুব প্রিয়। ঠিক জানি না কেন! কিন্তু যতবার পড়ি আমার খুব কষ্ট হয় নায়ক নায়িকার জন্য। সমরেশের অসংখ্য বই পড়েছি আমি, এই বইটা তারমধ্যে সবসময়ই স্পেশাল হয়ে থাকবে।
4 reviews1 follower
April 18, 2023
অসাধারণ। অবন্তী চরিত্রটার জন্য খারাপ লেগেছিল। বইটি ছোট হওয়ায় অন্তরে একটা অতৃপ্তি রয়ে গেল
Profile Image for AR Dipu.
37 reviews1 follower
March 14, 2025
কি চমৎকার একটা উপন্যাস।
2 reviews
January 8, 2019
এক কথায় অসাধারন একটা বই, অবন্তি আর স্বর্ণেন্দুর মধ্য ভালোবাসা জন্মেছিল তাদের যৌবনের প্রথম প্রহরে। তারপেরই অবন্তির জীবনে নেমে আসে ভীষন এক ঝড়। নিষ্ঠুর বাস্তবতায় শেষ হয়ে যায় তার স্বপ্ন। নতুন করে বাঁচতে শিখে অবন্তি। পরিবারের দিকে তাকিয়ে দূরে সরিয়ে দেয় স্বর্ণেন্দুকে। তারপর কুড়ি কুড়ি বছরের পর তাদের আবার দেখা হয়। এ দেখা বিদায়ের। এ দেখা তাদের শেষ দেখা।
Profile Image for Symon Chowdhury.
16 reviews1 follower
December 23, 2018
আমার পড়া সেরা দশটি উপন্যাসের একটি এটি| পরিবার যার উপর নির্ভর করে আছে তাদের পড়া উচিত|
1 review2 followers
Currently reading
November 29, 2018
masterpiece
This entire review has been hidden because of spoilers.
Displaying 1 - 28 of 28 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.