রানের বন্যায় মাঠ ভাসিয়ে, সেঞ্চুরির পর সেঞ্চুরির মালা গেঁথে ক্রমশ হয়ে উঠেছেন ক্রিকেটেরই সমার্থক। এই বই শুধু সেই রান আর সেঞ্চুরির গল্পই নয়, মানুষ টেন্ডুলকারও দেখা দিয়েছেন অন্তরঙ্গ আলোকে। ক্রিকেট ইতিহাসের আয়নায় উঁকি দিয়ে গেছেন ডন ব্র্যাডম্যান, ভিভ রিচার্ডস, সুনীল গাভাস্কার ও ব্রায়ান লারার মতো অনেক রথী-মহারথীও। এঁদের অনেকের সঙ্গে লেখকের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বইটিতে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।
উৎপল শুভ্রের জন্ম ২৫ পৌষ ১৩৭৩, নেত্রকোনায় মামাবাড়িতে। পুরকৌশলে স্নাতক ক্রীড়া-সাংবাদিকতায় এসেছিলেন নিছকই শখে। সেই শখই পেশা হয়ে গেছে দুই যুগেরও বেশি। শুধু একটা জিনিস একদমই বদলায়নি। শুরুর সেই মুগ্ধতার চোখেই এখনো আবিষ্ট খেলার নেশায়। সাহিত্যের নিবিষ্ট পাঠক, লেখাতেও তার ছাপ খুঁজে পান পাঠকেরা। এক শ ছুঁইছুঁই টেস্ট ম্যাচ ছাড়াও কাভার করেছেন ক্রিকেট ও ফুটবল বিশ্বকাপ এবং অলিম্পিক গেমসের মতো বড় আসর। অসংখ্য লেখা প্রকাশিত হয়েছে বিদেশের নামী পত্রিকা ও ওয়েবসাইটে। প্রথম আলোর ক্রীড়া সম্পাদক পদে কাজ করছেন দীর্ঘদিন। ১৯৯৮ সাল থেকে ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ বলে পরিচিত উইজডেন ক্রিকেটার্স অ্যালম্যানাক-এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি।
গৌরবময় জীবন। ক্রিকেট ঈশ্বর শচীন ক্রিকেট জগতে রুপকথা।বার'টা অংশে ভাগ করা এই বই শচীনের ছোটবেলা থেকে ২৪ বছরের খেলোয়াড়ি জীবনের বৃত্তান্ত। কখনো শচীন কিংবা তার গুরু ভিভ। আসলে লারা,গাভাস্কার,চ্যাপেল কে নেই এই বইয়ে। শচীনের খেলোয়াড়ি জীবনের পরিসংখ্যানসহ বিস্তারিত আলাপ এই বই। শেষ করি মজার একটা অংশ দিয়ে- গাভাস্কারের তখন টেস্ট ক্রিকেটে ভারতীয়দের মাঝে হায়েস্ট শতক। তো সুনীল গাভাস্কার বললো যে ভারতীয় তার এই রেকর্ড ভাঙবে তাকে তিনি গলা টিপে মেরে ফেলবেন। শচীন এর উত্তরে জানালো সে এই রেকর্ড ভাঙবে তবে গাভাস্কার তাকে গলা টিপে মারতে পারবে না। আর রেকর্ড ভাঙার পর গাভাস্কারের কথা ছিলো ৩৫ তো হলো। এবার ৫০ পূরণ করো।