Jump to ratings and reviews
Rate this book

দিন দুপুরে

Rate this book

133 pages

1 person is currently reading
63 people want to read

About the author

Leela Majumdar

111 books108 followers
Leela Majumdar (Bengali: লীলা মজুমদার Lila Mojumdar) was a Bengali writer. Her first story, Lakkhi chhele, was published in Sandesh in 1922. It was also illustrated by her. The children's magazine in Bengali was founded by her uncle, Upendrakishore Ray Chaudhuri in 1913 and was later edited by her cousin Sukumar Ray for sometime after the death of Upendrakishore in 1915. Together with her nephew Satyajit Ray and her cousin Nalini Das, she edited and wrote for Sandesh throughout her active writing life. Until 1994 she played an active role in the publication of the magazine.

Creative efforts :
An incomplete bibliography lists 125 books including a collection of short stories, five books under joint authorship, 9 translated books and 19 edited books.
Her first published book was Boddi Nather Bari (1939) but her second compilation Din Dupure (1948) brought her considerable fame From the 1950s, her incomparable children's classics followed. Although humour was her forte, she also wrote detective stories, ghost stories and fantasies.

Her autobiographical sketch 'Pakdandi' provides an insight into her childhood days in Shillong and also her early years at Santiniketan and with All India Radio.
Apart from her glittering array of children's literature, she wrote a cookbook, novels for adults (Sreemoti, Cheena Lanthan), and a biography of Rabindranath Tagore. She lectured on Abanindranath Tagore and translated his writings on art into English. She translated Jonathan Swift's Gulliver's Travels and Ernest Hemingway's The Old Man and the Sea into Bengali.
Satyajit Ray had thought of filming Podi Pishir Bormi Baksho. Arundhati Devi made it into a film in 1972. Chhaya Devi played the role of the young hero, Khoka's famed aunt Podipishi.

Awards :
Holde Pakhir Palok won the state award for children's literature, Bak Badh Pala the Sangeet Natak Akademi Award, Aar Konokhane Rabindra Puraskar. She had also won the Suresh Smriti Puraskar, Vidyasagar Puraskar, Bhubaneswari Medal for lifetime achievement, and Ananda Puraskar.
She has been awarded the Deshikottama by Visva Bharati, and honorary D.Litt. by Burdwan, North Bengal and Calcutta Universities.

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
16 (31%)
4 stars
25 (49%)
3 stars
6 (11%)
2 stars
4 (7%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 7 of 7 reviews
Profile Image for Farzana Raisa.
533 reviews238 followers
September 4, 2020
স্কুলে যেতে আর কাঁহাতক ভালো লাগে? ঘোতন ত্যক্ত বিরক্ত। সেই একঘেয়ে ঘুম থেকে উঠো রে, নাস্তা করো রে, মাস্টারমশাই অপেক্ষা করছেন পড়তে বসো রে, স্কুলে যাও রে, এসে আবার গাদাগাদা হোমটাস্ক করো রে... ভাই রে ভাই! এই চক্করে পড়ে যে কতো অবুঝ মানবশিশুর জীবন তামাতামা হয়ে যাচ্ছে! সে দু:খটা বোধকরি প্রতিটা শিশুই জানে। কিন্তু কী আশ্চর্য বড় হয়ে বাপ-মা কিম্বা মাসি-পিসি হয়ে গেলে সেই দুক্ষুটুক্ষু সব বেমালুম ভুলে যায়!! আর মাস্টারমশাই হতে পারলে তো আর কথাই নেই! এ হেন দু:খের মাঝে থেকে ঘোতন খুব অদ্ভুত এক অফার পায়। এরপর কী করে ঘোতন! সেই কথাই লেখা আছে 'ঘোতন কোথায়?' গল্পে।
গল্প শেষে আমার গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল। বাপরে বাপ!

এরপর আবার এই যে পরের গল্পটা। 'সর্বনেশে মাদুলি'। বজ্জাত গুপেটার কারণে কী বিপদেই না পড়েছিল ক্লাসের ছেলের দল। সে এক মহা গল্প 😂😂

এরপর আছে 'টাকা চুরির খেলা' 😂 স্কুলের বোর্ডিঙে ভ্যাবুল জুনিয়র পেয়ে পান্ডা সিনিয়রের যে কী দাদাগিরি! কী তা বলব। এরপর সেই দুষ্টু সিনিয়রকে আচ্ছাসে শিক্ষা দেয় গণশা। অত্যাচারী সেই সিনিয়রের হাতে নাকাল হওয়া এক জুনিয়রের জবানীতে উঠে এসেছে গল্পটি।

আর 'হুঁশিয়ার' নিয়ে কী আর বলব। হুঁ হুঁ বাবা! যেখানেই যাও, যা-ই করো না কেন হুঁশিয়ার থাকতে ভুলো না যেন। কেমন?

'মহালয়ার উপহার' গল্পটা এক চোরকে নিয়ে। চোর ব্যাটার ভারি দুক্ষু। যা-ই চুরি করে আনে প্রথমে মা, এরপর বউ সব ভালো ভালো জিনিস রেখে দেয়। ও বেচারা কি আর করে? আবার আসছে মহালয়া। একটা কিছু তো উপহার দেয়া উচিত। কী করা যায়? কী করা যায়?

সুন্দর সুন্দর অনেকগুলো গল্প ❤️ সেই সঙ্গে ফ্রি ফ্রি আছে লীলা মজুমদারের হাতে আঁকা ছবি।
Profile Image for Zihad Saem.
124 reviews6 followers
September 30, 2025
লীলা মজুমদার যে আমার প্রিয় লেখকদের একজন তা নিয়ে আজ আর কোনো দ্বিধাই নেই।এই এতোখানি বয়সে এসেও আমি যে ছোটদের লেখার প্রতি নিজের মুগ্ধতার কমাতে পারলাম না। তার পেছনে রায় বাড়ির এই মেয়েটির অবদান নেহাৎ কম নয়। মাখা সন্দেশ যেমন রেখে রেখে ধীরে ধীরে স্বাদ নিয়ে নিয়ে খেতে হয়, লীলা মজুমদারের লেখাও তেমন। একদম মাখা সন্দেশ। জিভে দিলে নেই হয়ে যায়। কিন্তু এর আবেশ থেকে যায় অনেক অনেক সময়। 'দিন দুপুরে' এর গল্প এবং এর ভিতরের আঁকা ছবিগুলো আমি ভীষণ উপভোগ করেছি। নেহাৎই লীলা মজুমদারের নাম দেখেই বইটা নিয়েছিলাম।তখন বইটা সম্পর্কে তেমন কোনো ধারণাই ছিলো না। কিন্তু আশাতীত উপভোগ করলাম। বদ্যিনাথের বড়ি, ভূতের ছানা,দিনে-দুপুরে, সর্বনেশে মাদুলি, গুপের গুপ্তধন ইত্যাদি ইত্যাদি গল্প গোগ্রাসে গিলেছি। লীলা মজুমদারের বৈঠকী ঘরানার ভাষা আমায় ভীষণ ভীষণ মুগ্ধ করে।কেবল মনে হয় ইশ্, ছেলেবেলায় কেন বইগুলোর সন্ধান পেলাম না। দিন-দুপুরে পড়তে গিয়ে মনে হলো আমার বয়স কমে গেছে দশ কি বারো বছর।
Profile Image for Omar Faruk.
263 reviews17 followers
June 18, 2021
আপনার বয়স যা'ই হোক না কেন এই বইয়ের প্রতিটা গল্প আপনার ভালো লাগবে এটার শতভাগ নিশ্চয়তা দেয়া যায়। লীলা মজুমদারের বই যারা পড়েন তাদের কাছে উনার লিখা নিয়ে নতুন করে হয়তো কিছু বলার নেই। যারা পড়েননি তারা হয়তো বাংলা কিশোর সাহিত্যের অনেক বড়বেকটা দিক এখনো আবিষ্কার করতে পারেননি। আর যারা প্রথম উনার লিখা পড়তে চান তাদের জন্য এই বইটা পারফেক্ট।
Profile Image for Quazi.
36 reviews1 follower
September 24, 2020
Old love!
How many times?
Nah, you will laugh.
212 reviews4 followers
September 20, 2021
সেই ছোটবেলায় পড়েছিলাম, কুড়ি কি পঁচিশ বছর আগে। মনের মাঝে এই গল্পগুলো হঠাৎ হঠাৎ মনের মাঝে জেগে ওঠে। এতদিন পরে হাতে পেয়ে পড়বার সাধ হলো।

কয়েকটা গল্প সেই ছোট্টবেলায় পড়েছি, সেগুলো পড়তে গিয়ে অদ্ভুত এক শিহরণ জাগলো। আমি কতটা বুড়িয়ে গেছি, কিন্তু সেই গল্পগুলো এখনও শ্বাশত হয়ে আছে, হাজারো শৈশবকে আনন্দে ভরিয়ে দিয়ে যাচ্ছে। সেই গল্পগুলো নিয়ে কিছু অনুভূতি
এই বেলা লিখে রাখি।

বদ্যিনাথের বড়ি - বদ্যিনাথের বড়ি খেয়ে মানুষ হয়ে যায় বানর। লেজ দুলিয়ে প্রাচীরের ওপর বসে থাকে। ছোটবেলায় পড়ে গা ছমছমিয়ে উঠেছিল! আজও ওঠে।

লাল নীল মাছ - পুকুরের মধ্যখানে লাল নীল মাছটা ডিম পেড়েছে। কোথায় সে ডিম তা কেও জানে না। প্রথম যখন পড়েছিলাম তখন আমি কল্পনা করতাম ইশ্‌, আমিও যদি মাছের মতন পুকুরে থাকতে পারতাম। পানির তলের সেই রহস্যময় জগত আমার কল্পনায় হাজারো রঙের মেলা সাজিয়ে বসতো।

গুপের গুপ্তধন - গুপ্তধন না আর কিছু! হা হা হা হা! এই গল্প পড়ে হাসি থামিয়ে রাখা দায়। একটা গা ছমছমে ভাব দিয়ে শুরু করে এমন হাস্যকর একটা সমাপ্তি দেয়া বুঝি লীলা মজুমদারের পক্ষেই শুধু সম্ভব। এটারও লাইনে লাইনে শৈশবের স্মৃতি পেয়েছি।

ভুতের ছানা - ভুতের ছানার পা দুটো কি উল্টোবাগে নাকি! ইশ্‌ সেটা কেন দেখা হলো না? কতদিন এটা নিয়ে ভেবে ভেবে অলস বিকেল পার করেছি সেই ছোট্টবেলায়। এখনও সেই আবেশ রয়ে গেছে। আরো একবার এই গল্প পড়ে আবারো যেন সেই সময়টাতেই ফিরে গেলাম।

ধন্য লীলা মজুমদার! ধন্য এই দিন দূপুরের অদ্ভুত সব গল্পগুলো!
Profile Image for Shibnath Das.
90 reviews
August 24, 2023
89%
জীবনে পড়া আমার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বই এটি। মূলতঃ স্কুলের মাঝারি ক্লাসের ছাত্রদের জন্য লেখা এই।বইয়ের গল্পগুলি। প্রথম দিকের কিছু গল্প পড়ে বুঝতে একটু বেগ পেতে হয়েছে।
এই বইয়ে আমার সবচেয়ে প্রিয় গল্প "ঘোতন কোথায়"। ছাত্র রাজনীতির এবং নকশাল আন্দোলনেরএকটি গভীর চিত্র উঠে এসেছে। "কুড়ি বছর পরে উত্তর মেরুর কথা শুনবো, এখন আমি ইস্কুলে বরং যাই, মাথায় আমি লাল রুমাল কিছুতেই বাঁধতে পারবো না।" দালালরা দায়িত্বহীন, অগোছালো, শ্রদ্ধাহীন ছেলেদেরই টার্গেট করে থাকে, কিন্তু যারা ভালো বংশের ছেলে, যাদের মা-বাপ ত্রুটিহীন, যারা কৃষ্টি-বৈশিষ্ট্য অতীত রেখেছে, তারা যতোই নিশ্চিন্তে হাত-পা ছুঁড়ে জীবন কাটাক, ওসব বাজে খপ্পরে তারা পড়বে না।
এর পরেই আমার প্রিয় - হুঁশিয়ার।
এরপর নতুন ছেলে নটবর, মহালয়ার উপহার, গণশার চিঠি। এই গল্পগুলি এতোই ভালো যে পড়ে মনে হয় জীবনের এক প্রাপ্তি বটে! নতুন ছেলে নটবর সুকুমার রায়ের পাগলা দাশুর তুলনায় কোন অংশেও কম নয়। বরং পাগলা দাশুর চাইতে সে আরো বেশি সাংঘাতিক চরিত্র।
ইচ্ছে হচ্ছে, ইস্কুলে পড়া ছোট ছোট ভাই বোনকে এই বইটি কিনে উপহার দিই।।
Profile Image for Jeenat Mehareen.
1 review33 followers
April 3, 2020
Read it when I was not even in school, still gave me the sheer joy after all these years
Displaying 1 - 7 of 7 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.