নগেন পাকড়াশি নবীনকে গাদা গাদা টাকা দিচ্ছে, বাঁধা জমি,বাড়ি ছাড়িয়ে দিচ্ছে। বিনিময়ে তাকে নগেন পাকড়াশির ছেলে পল্টুর হয়ে জেল খাটতে হবে। গরিব নবীন তার জেল পরবর্তী সুখের কথা চিন্তা করে রাজি হয়ে গেল।
নগেন পাকড়াশি বলেছিল,নবীনের জেল হবে মেরে কেটে সাত/আট বছর। কিন্তু নবীন জেলে এসে শুনছে,পল্টু্ ফাঁসির আসামি,কিছুদিন পর তার ফাঁসির আদেশ আসবে। সব শুনে নবীনের অবস্থা লেজেবেগুনে,সে মনে মনে নগেন পাকড়াশিকে গালি দিচ্ছে, তাকে ঠকিয়েছে বলে।
নবীনের চাইতে ও বেশি মেজাজ খারাপ জেলের বড় বাবুর,কারণ তার জেলে আসামি বদলে গেছে। কে জানি পল্টুর জায়গায়,নবীনকে রেখে গেছে। একথা বাইরে জানজানি হলে বড়বাবুর চাকরি যাবে। তাই সিদ্ধান্ত হলো নবীনকে ছেড়ে দেয়া হবে।
গভীর রাতে পুলিশরা নবীনকে একটা জঙ্গলে ছেড়ে দিল।সারা রাত দৌড় ঝাপ করে,নবীন একটা ভাঙা মন্দিরে ঘুমিয়ে গেল। সকালে উঠে দেখল এটা একটা নতুন জায়গা। কিন্তু নতুন জায়গায় সে খাবে কি,পরবে কি! হাতে একটা ফুটো পয়সা ও নেই! তাই গেল পকেট মারতে,কিন্তু সেখানে পড়ে গেল ধরা!
এরপর থেকে নবীনের একে একে ঘটতে থাকল হরেক রকম বিপদ.....
আমার কথা: এই প্রথম আনন্দমেলা পূজাবার্ষিকী থেকে অদ্ভুতুরে সিরিজের গল্প পড়লাম, প্রকাশের সাল ১৪১৮। অন্য সময় পড়তাম বই থেকে, এবার পূজাবার্ষিকী থেকে, মজায় আলাদা। এই সিরিজ এত্তো প্রিয় আমার তার কারণ একটা,মুখুজ্জে বাবুর লেখা। আহা,কি দারুণ।