What do you think?


কাল নিরবধি
544 pages, Hardcover
First published February 1, 2003
About the author
Anisuzzaman
71 books13 followersAnisuzzaman was a Bangladeshi academic of Bengali literature. He was an activist who took part in the Language Movement (1952), participated in Mass Uprising (1969), and took part in the Bangladesh Liberation War (1971).
He was a member of the Planning Commission to the Government of Bangladesh during the Bangladesh liberation war and a member of the National Education Commission set up by the government after liberation. He was inducted as a National Professor by the Government of Bangladesh in 2018.
He was a member of the Planning Commission to the Government of Bangladesh during the Bangladesh liberation war and a member of the National Education Commission set up by the government after liberation. He was inducted as a National Professor by the Government of Bangladesh in 2018.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 3 of 3 reviews
April 11, 2021
প্রয়াত জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের আত্মকথার প্রথম খণ্ড হলো 'কাল নিরবধি'। পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটে জন্ম থেকে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের আগপর্যন্ত নানা ঘটনা এই খণ্ডে স্থান পেয়েছে। বিশেষত, ঢাকার সাহিত্যজগৎ ও ঢাবি নিয়ে টুকরো টুকরো অনেক ঘটনার সাক্ষী আনিসুজ্জামান।
আনিসুজ্জামানের পিতামহ শেখ আবদুর রহিম। যিনি ইসলামবিষয়ক গ্রন্থপ্রণেতা, মিহির এবং সুধাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন৷ নিজের পূর্বজদের বিস্তারিত বর্ণনা আনিসুজ্জামান দিয়েছেন৷ তাতে বাঙালি মুসলমান পরিবারগুলোর সামাজিক পরিবেশ সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়।
'৪৭ সালে বাধ্য হয়ে সপরিবারে পূর্ববঙ্গে চলে আসেন আনিসুজ্জামানরা। প্রথমে খুলনায় উঠেছিলেন। কারণ তার পিতা মনে করেছিলেন পাকিস্তান হয়তো টিকবে না। আবার ভারতে ফিরে যেতে হতে পারে। তাই দ্রুত যেন ফিরতে পারেন এজন্য কলকাতা থেকে নিকটবর্তী খুলনায় বসবাস শুরু করেন। এসএসসি (তখনকার এনট্রান্স পরীক্ষা) ফলাফল ভালো হয়নি৷ তাই ঢাকা কলেজের বদলে জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। তখনকার জগন্নাথ কলেজের একটি চিত্রময়রূপ বর্ণনা আনিসুজ্জামান দিয়েছেন।
কলেজে পড়াকালেই আওয়ামী যুবলীগের সাথে জড়িত হয়ে গিয়েছিলেন। ছিলেন যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক। এই সময়েই বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিরোধী ছিলেন। তবু শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারা ভাঙে এবং বিকাল তিনটার দিকে পুলিশ গুলি চালায়। ভাষা আন্দোলনের অনেক ঘটনা জানা যায় আনিসুজ্জামানের স্মৃতি থেকে।
বিভিন্ন সাহিত্যসভার বর্ণনা দিয়েই বইয়ের বেশির ভাগ অংশ ভর্তি। ফাঁকে ফাঁকে ঢাবির বিভিন্ন ঘটনা।
সম্প্রতি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুর পর সংসদে আনিসুজ্জামানের ছাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেছেন, '৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে প্যারলে মুক্তি নিয়ে আইয়ুবের কর্তৃক আহুত গোল টেবিল বৈঠকে যোগদানের জন্য বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিল ব্যারিস্টার মওদুদ, ড. কামাল প্রমুখ। কিন্তু বইয়ের ৪৫৩ পাতায় আনিসুজ্জামান দাবি করেছেন, বঙ্গবন্ধু যেন প্যারোলে মুক্তি না নেন তা জানাতে ব্যারিস্টার মওদুদ ও ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম আনিসুজ্জামানের বন্ধু ড. কামালকে অনুরোধ করতে বলেছিলেন!
আনিসুজ্জামান একজন চমৎকার ব্যক্তিত্ব। আইয়ুবের আমলে একইসাথে ক্ষমতার সাথে এবং ক্ষমতার বলয়ের বাইরের মানুষদের সাথে সুসম্পর্ক রাখার অস্বাভাবিক গুণ আনিসুজ্জামানের ছিল।
৫শ পাতার বইয়ে এমন কোনো ঘটনা নেই যাতে পাঠকের মনে হতে পারে আনিসুজ্জামানের আত্মকথা না পড়লে সুখপাঠ্য কোনো বই মিস হলো। গদ্যে গতিময়তার কারণে তরতরিয়ে পড়া চলে। কিন্তু একজন জাতীয় অধ্যাপক এমন অনুল্লেখযোগ্য ঘটনা ও কথাবার্তায় ভর্তি একটি আত্মকথা লিখতে পারেন তা না পড়লে বিশ্বাস হতো না।
আনিসুজ্জামানের পিতামহ শেখ আবদুর রহিম। যিনি ইসলামবিষয়ক গ্রন্থপ্রণেতা, মিহির এবং সুধাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন৷ নিজের পূর্বজদের বিস্তারিত বর্ণনা আনিসুজ্জামান দিয়েছেন৷ তাতে বাঙালি মুসলমান পরিবারগুলোর সামাজিক পরিবেশ সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যায়।
'৪৭ সালে বাধ্য হয়ে সপরিবারে পূর্ববঙ্গে চলে আসেন আনিসুজ্জামানরা। প্রথমে খুলনায় উঠেছিলেন। কারণ তার পিতা মনে করেছিলেন পাকিস্তান হয়তো টিকবে না। আবার ভারতে ফিরে যেতে হতে পারে। তাই দ্রুত যেন ফিরতে পারেন এজন্য কলকাতা থেকে নিকটবর্তী খুলনায় বসবাস শুরু করেন। এসএসসি (তখনকার এনট্রান্স পরীক্ষা) ফলাফল ভালো হয়নি৷ তাই ঢাকা কলেজের বদলে জগন্নাথ কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। তখনকার জগন্নাথ কলেজের একটি চিত্রময়রূপ বর্ণনা আনিসুজ্জামান দিয়েছেন।
কলেজে পড়াকালেই আওয়ামী যুবলীগের সাথে জড়িত হয়ে গিয়েছিলেন। ছিলেন যুবলীগের দপ্তর সম্পাদক। এই সময়েই বায়ান্নোর ভাষা আন্দোলন হয়। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিরোধী ছিলেন। তবু শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারা ভাঙে এবং বিকাল তিনটার দিকে পুলিশ গুলি চালায়। ভাষা আন্দোলনের অনেক ঘটনা জানা যায় আনিসুজ্জামানের স্মৃতি থেকে।
বিভিন্ন সাহিত্যসভার বর্ণনা দিয়েই বইয়ের বেশির ভাগ অংশ ভর্তি। ফাঁকে ফাঁকে ঢাবির বিভিন্ন ঘটনা।
সম্প্রতি ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুর পর সংসদে আনিসুজ্জামানের ছাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দাবি করেছেন, '৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে প্যারলে মুক্তি নিয়ে আইয়ুবের কর্তৃক আহুত গোল টেবিল বৈঠকে যোগদানের জন্য বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দিয়েছিল ব্যারিস্টার মওদুদ, ড. কামাল প্রমুখ। কিন্তু বইয়ের ৪৫৩ পাতায় আনিসুজ্জামান দাবি করেছেন, বঙ্গবন্ধু যেন প্যারোলে মুক্তি না নেন তা জানাতে ব্যারিস্টার মওদুদ ও ব্যারিস্টার আমীরুল ইসলাম আনিসুজ্জামানের বন্ধু ড. কামালকে অনুরোধ করতে বলেছিলেন!
আনিসুজ্জামান একজন চমৎকার ব্যক্তিত্ব। আইয়ুবের আমলে একইসাথে ক্ষমতার সাথে এবং ক্ষমতার বলয়ের বাইরের মানুষদের সাথে সুসম্পর্ক রাখার অস্বাভাবিক গুণ আনিসুজ্জামানের ছিল।
৫শ পাতার বইয়ে এমন কোনো ঘটনা নেই যাতে পাঠকের মনে হতে পারে আনিসুজ্জামানের আত্মকথা না পড়লে সুখপাঠ্য কোনো বই মিস হলো। গদ্যে গতিময়তার কারণে তরতরিয়ে পড়া চলে। কিন্তু একজন জাতীয় অধ্যাপক এমন অনুল্লেখযোগ্য ঘটনা ও কথাবার্তায় ভর্তি একটি আত্মকথা লিখতে পারেন তা না পড়লে বিশ্বাস হতো না।
June 14, 2023
লম্বা সময় নিয়ে শেষ করলাম বইটা। রাস্তায় রাস্তায় বাস জার্নিতে বা ক্লাসের ফাকে ফাকে বা যখন কাছে পড়ার জন্য ফিজিক্যাল বই থাকতো না তখনই এই বইটা পড়তাম।
যদিও বইটা আনিসুজ্জামানের আত্মজীবনী বলা হয় আমার কাছে এরচেয়েও বেশি কিছু মনে হয়েছে। ৪৭এর দেশভাগের ও আগে থেকে ৭১এর ২৫শে মার্চ পর্যন্ত বিস্তৃত সময়কাল কভার করা হয়েছে এই বই এ। লেখক নিজের জীবনকাহিনী ছাড়িয়ে ঐতিহাসিক সকল ঘটনাই বর্ণনা করেছেন ধারাবাহিক ভাবে। বারবার পাওয়া যায় বিভিন্ন সুপরিচিত বড় বড় মানুষের নাম। ব্যাক্তিগত জীবনের বাইরে দেশের রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের বিস্তৃত বিবরণ পাওয়া যায়।
যদিও বইটা আনিসুজ্জামানের আত্মজীবনী বলা হয় আমার কাছে এরচেয়েও বেশি কিছু মনে হয়েছে। ৪৭এর দেশভাগের ও আগে থেকে ৭১এর ২৫শে মার্চ পর্যন্ত বিস্তৃত সময়কাল কভার করা হয়েছে এই বই এ। লেখক নিজের জীবনকাহিনী ছাড়িয়ে ঐতিহাসিক সকল ঘটনাই বর্ণনা করেছেন ধারাবাহিক ভাবে। বারবার পাওয়া যায় বিভিন্ন সুপরিচিত বড় বড় মানুষের নাম। ব্যাক্তিগত জীবনের বাইরে দেশের রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক ইতিহাসের বিস্তৃত বিবরণ পাওয়া যায়।
April 26, 2024
এইসব বই পড়া মানে নিজেকে একধাপ আপগ্রেড করা!
Displaying 1 - 3 of 3 reviews




