রকিব হাসান বাংলাদেশের একজন গোয়েন্দা কাহিনী লেখক। তিনি সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তিন গোয়েন্দা নামক গোয়েন্দা কাহিনীর স্রষ্টা। তিনি মূলত মূল নামে লেখালেখি করলেও জাফর চৌধুরী ছদ্মনামেও সেবা প্রকাশনীর রোমহর্ষক সিরিজ লিখে থাকেন। থ্রিলার এবং গোয়েন্দা গল্প লেখার পূর্বে তিনি অন্যান্য কাজে যুক্ত ছিলেন। তিনি রহস্যপত্রিকার একজন সহকারী সম্পাদক ছিলেন।রকিব হাসান শুধুমাত্র তিন গোয়েন্দারই ১৬০টি বই লিখেছেন। এছাড়া কমপক্ষে ৩০টি বই অনুবাদ করেছেন। তিনি টারজান সিরিজ এবং পুরো আরব্য রজনী অনুবাদ করেছেন। তাঁর প্রথম অনুবাদ গ্রন্থ ড্রাকুলা। রকিব হাসান লিখেছেন নাটকও। তিনি "হিমঘরে হানিমুন" নামে একটি নাটক রচনা করেন, যা টিভিতে সম্প্রচারিত হয়।
বই এর নামঃ ড্রাগস লেখকঃ রকিব হাসান প্রথম প্রকাশঃ 1981 বইয়ের মূল চরিত্রের নাম সোহেল রিজভী। তিনি পেশায় একজন সাংবাদিক। একটি সংবাদপত্রের সিনিয়র রিপোর্টার। সোহেল ঢাকা থেকে কক্সবাজার এসেছেন শুধুমাত্র তার বন্ধু তারিকের ডাকে। মজার বিসয় হল যেদিন সোহেল কক্সবাযার আসলেন সেদিনই মারা গেলো বন্ধু তারিক। কেও বা কারা তারিকের গলায় ছুড়ি চালিয়ে দিয়েছে। সোহেল তখন ঢাকা ফিরে জেতে পারতেন। শুধুমাত্র তারিকের আত্মার শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি খুনিদের খুজে বের করবেন। তদন্তে নাম্লেন সোহেল। একে একে দেখা হল কয়েকটি বিশেষ চরিত্রের সাথে। এর ভেতর সার্জেন্ট হেমায়েত উল্লাহ্, ইন্সপেক্টর আশেক আলী, বিখ্যাত এবং নামজাদা বেবসাহি জলিল শিকদার, তার স্ত্রী রুমা শিকদার, সবশেষে জলিলের মেয়ে নায়লা। এই গল্পে এর পরে আরও দুটি খুনের খবর পাওয়া যায়।একটি পুরুষ এবং একটি মেয়ে। প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণা করা হয় মেয়েটি তারিকের প্রেমিকা। পুরুষ মানুষটি রুমা শিকদারের অবৈধ প্রেমিক হওয়াতে, খুনি রুমা হবার সম্ভাবনা বেশী। গল্পটির নায়িকা কিংবা ভিলেন যাই বলি না কেন তিনি হলেন "নায়লা", যা মূল চরিত্র সোহেল রিজভী এর প্রেমিকা থাকেন। তবে গল্পটা অনেক জটিল করে পাঠকের আগ্রহ বাড়াবার চেষ্টা করেছেন। 144 পৃষ্ঠার এই বইয়ে রোমাঞ্চোপন্যাস হিসেবে ভালোই উপভোগ করেছি। তবে কিছু কিছু ব্যাপারে একঘেয়েমি লেগেছে। তবে তা অতিমাত্রার ছিল না। মূল কথা ভালোই উপভোগ করেছি বইটা। রেটিং দেয়াটা আমার কাছে সবসময়ই খুবই কঠিন একটি কাজ। তারপরও যদি বলিঃ ৭.৫/১০