Jump to ratings and reviews
Rate this book
Rate this book

144 pages, Hardcover

Published February 1, 2025

Loading...
Loading...

About the author

Dibakor Das

17 books43 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
7 (12%)
4 stars
20 (37%)
3 stars
18 (33%)
2 stars
8 (14%)
1 star
1 (1%)
Displaying 1 - 17 of 17 reviews
Profile Image for Aishu Rehman.
1,139 reviews1,154 followers
February 11, 2025
প্রচন্ড ম্যাড়ম্যাড়ে আর অ্যামেচার লেখা। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে যে ছাইপাশের ট্রেন্ড চলছে লেখক সেরকম কিছু লিখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সত্যি বলছি ভাই পশ্চিমবঙ্গের ঐসব ছাইপাশের চেয়ে উত্তম কিছু লেখক ডেলিভার করতে পারে নাই। বরং গল্পের গাঁথুনি, আবহ আরো বেশি নিম্নমানের লেগেছে। ভৌতিক লেখার সবচেয়ে মুখ্য জিনিস ভৌতিক পরিবেশ তৈরি করা। সেটা এ বইতে আমি একদম অনুভব করতে পারিনি। তন্ত্রের যে সুক্ষ্ম বর্ণনা থাকে সেটাতেও লেখক পাশ কাটিয়ে গিয়েছেন। সম্পাদনার অভাব বিস্তর। আমি বুকলুক পাবলিশিং এর টা পড়েছি। উত্তম পুরুষে বর্ণনায় একই পৃষ্ঠায়(১৮ নং) দুইবার ভুল।

সিরিজের প্রথম বইটা কিন্ত আমার কাছে ভালো লেগেছিল। গতানুগতিক ধারা থেকে কিছুটা হলেও বেরিয়ে এসেছিলেন লাল মিয়ার মতো মুসলমান কাউকে দিয়ে তন্ত্রের নিগূঢ় তত্ত্ব ও ক্রিয়া পাঠকের সামনে উপস্থাপন করে। অমানিশি লিখতে লেখক হয়তো বড্ড তাড়াহুড়ো করে ফেলেছেন। তা না হলে এমন প্রথিতযশা লেখকের হাত থেকে এমন আনাড়ি লেখা বের হওয়ার কথা না।
Profile Image for Rehnuma.
465 reviews24 followers
Read
February 7, 2025
❛গভীর রাতে ডাকে নিশি ঐ
ভুলেও সে ডাকে সাড়া দিসনে সই!❜

রাতের বেলা নিশি ডাকে, তিনবারের বেশি না ডাকলে সে ডাকে ভুলেও জবাব দিতে নেই। এমনকি রাতে দরজায় খটখট শব্দ হলেও সেটা তিনবারের বেশি না হলে দরজা খুলতে নেই। ছোটোকালে এই গল্পগুলো পড়ে, এই বিধিনিষেধ গুলো শুনে বড়ো হয়েছি।
তবে নিশি যখন মোহনীয় সুরে ডাকে সে ডাক অবহেলা করার সাধ্যি আছে কি সাধারণ মানুষের?

শিহাব, নাফিজ আর আফরিন বন্ধু ত্রয়ী এবার কথামতো শুরু করেছে তাদের ফার্মের কাজ। নাফিজ আর আফরিনের সংসার হাসি দুষ্টুমি আর মান অভিমানে বেশ চলছে। তবে তাদের ফার্মের মাছগুলোর জানি কী হলো। রোগ দেখা দিয়েছে। কেউ কি বাণ দিলো তাদের ব্যবসায় নাকি শুধুই মাছের প্রাকৃতিক অসুখ হয়েছে?
এই সমস্যা নিয়েই একটু সুযোগ বুঝে আলাপের জন্য শিহাব খুঁজতে থাকে মনু মাস্টারকে। আগেরবার যার থেকে প্রায় দেড়শ বছর আগের লাল মিয়া নামক সিদ্ধ ফকিরের গল্প শুনেছিল সে। এবারও তার সাথে দেখা করে নিজের সমস্যা আর লাল মিয়ার জীবনের অলৌকিক ঘটনা জানার উদ্দেশ্যেই গেল মনুর কাছে।

১৪৭ বছর পিছে ফিরে তাকাই তবে।
ত্রিজল গ্রামটা বেশ সুন্দর। নামটাও বেশ। দিন হাসি খুশিতে পার করে দেয়া গাঁয়ের লোকগুলোর উপর নেমে এলো কালো ছায়া। গভীর রাতে নদীতে আলোকসজ্জায় সাজানো এক বজরা দেখা গেলো। ঠিক পাঁচ বছর আগে এমনই এক বজরা দেখা গেছিলো নদীতে। এরপর কতগুলো প্রাণ বিভৎসভাবে চলে গেল। নিশির ডাকে বাইরে সাড়া দিয়েই কঠিন এই মৃ ত্যুগুলো হয়েছিল সেবার। এরপর গাঁয়ের মাথা রাধানাথ ভট্টাচার্য মধু ওঝাকে দিয়ে যজ্ঞ করিয়ে গ্রামের বিপদ দূর করলেন। কিন্তু দেখা গেলো বিপদ পুরোপুরি বিদেয় হয়নি। একই বজরা আবার দেখা গেলো।
আবার তলপ পড়লো মধু ওঝার। ভৈরব যজ্ঞ করে সে আবার পুরো গ্রাম বন্ধ করে দিলো। এবার বুঝি নিস্তার মেলে।

তিন বছর পেরিয়ে গেছে লাল এখন চোদ্দ বছরের কিশোর। গিরিনাথ তান্ত্রিক আর ফকির বাবা থেকে তার ফকিরি বিদ্যা আর তন্ত্র শিক্ষা বেশ ভালো হচ্ছে। লালের প্রাকৃতিক ক্ষমতা আছে। সে খুব দ্রুত সব শিখে ফেলছে। মায়ের আদর খেয়ে সে আবার ফিরেছে গিরিনাথের বাড়ি। নতুন শিক্ষালাভের জন্য। এবার তার জন্য যে এক নতুন অভিজ্ঞতা অপেক্ষা করছে।

নাহ্, যজ্ঞ করেও নিশির ডাক এড়ানো গেলো না। আবারো প্রাণ গেলো একজনের। আবার মধুর ডাক পড়লে সে এবার লা শের আরো ভয়ানক দশা দেখে প্রায় কান্নাকাটি করেই বললো এ তার সাধ্যের বাইরে। রাধাবাবু এবার তাই আরো বড়ো তান্ত্রিকের খোঁজ করলেন। সেই খাতিরেই তলব পড়লো গিরিনাথের। গিরি সঙ্গে নিলেন তার প্রিয় শিষ্য লালকে। হিন্দুর ঘরে মুসলিম হিসেবে লালকে খুব একটা মর্যাদা দেয়া হলো না রাধনাথের বাড়িতে। কিন্তু লালের ক্ষমতা তারা জানে না। ত্রিজল গ্রামে গিয়ে আরো দুটো প্রাণ যেতে দেখে বুদ্ধিমান লাল বুঝে গেলো এখানে কী সমস্যা। যেখানে গিরিনাথ তান্ত্রিকও প্রায় দমে গেছেন সেখানেই লাল যেন পূর্ণ শক্তিতে আবির্ভূত হলো।
কিন্তু একটা প্রেত কেন এক অমানিশির খেলা খেলছে? কী তার দুরভিসন্ধি? এর পিছে কি আছে কোনো অশুভ শক্তির হাত? লাল তার বিদ্যে বুদ্ধি দিয়ে এই সমস্যার সমাধান করবেই। তাই তাকেও জবাব দিতে হবে নিশির ডাকে। নিশি ডাকছে,
❛লাল, লাল❜
এই ডাক এড়ানোর সাধ্য কারো নেই। কিন্তু লাল তো ভিন্ন। সেও কি আটকা পড়বে?

লোভ আর প্রতিশোধস্পৃহা বড্ড ভয়ানক জিনিস। কোনটা কখন কাকে বশ করে ফেলে আর কোনটা যে ভয়ানক আকার ধারন করিয়ে দেয় কোনো ঠিক নেই।


পাঠ প্রতিক্রিয়া:

❝অমানিশি❞ দিবাকর দাসের লেখা লাল মিয়া ফকির সিরিজের দ্বিতীয় বই। প্রথম বইটা ভালো লেগেছিল। তারই ধারাবাহিকতায় দ্বিতীয় বইটি পড়া।
বইমেলা ২০২৫ এর দ্বিতীয় বই পড়া হলো এটি দিয়ে।

লাল মিয়া ফকিরের কাহিনি বর্ণিত হয়েছে তারই পরবর্তী বংশধরের জবানিতে। যে এখন আর ফকির হিসেবে পরিচিত না হয়ে মাস্টার হিসেবে জ্ঞাত। তবে পূর্বপুরুষের মতো সেই শান তার নেই। বলা যায় লালের নাম বেচে খাচ্ছেন। কিন্তু সে অসৎ নয়।
মনু মাস্টারের কাছে শিহাব এবার জানতে পারে লাল মিয়া ফকিরের জীবনের বশীকরণ নিয়ে এক চমকপ্রদ ঘটনা। যার ঘটনাকাল বর্তমান থেকে ১৪৭ বছর আগের ব্রিটিশ এম্পায়ার।
লাল তার প্রথম অদ্ভুত ভাবে সমস্যা সমাধানের তিন বছর পর মুখোমুখী হয় আরেক ঘটনার। লাল এখানে আগের থেকে অনেক পরিণত, অনেক অভিজ্ঞ। যদিও ১৪ বছরের জীবনে অভিজ্ঞতা কতটুকুই বা হয়!
লেখক বেশ ধীরেই মূল ঘটনায় এগিয়েছেন। তাড়াহুড়ো ছিল না গল্প বলায় তবে লেখকের সাবলীল বণর্নায় পড়তে পেরেছি দ্রুত।
ত্রিজল গ্রামের উদ্ভুত সমস্যায় গিরিনাথ আর লালের আসু কর্ম কেমন হতে পারে এই নিয়ে আগ্রহী ছিলাম বেশ।
ছোটোকালের শোনা নিশির ডাকের গল্পকে লেখক এখানে বেশ ভৌতিকভাবে উপস্থাপন করেছেন। বিভৎসতাও ছিল গল্পে। তবে বর্ণনায় সেই দিক বেশি একটা প্রকাশ পায়নি। হুট করেই গল্পের দৃশ্য আর সময় পরিবর্তন করে দিয়েছেন। মনে হয়েছিল নিশির ডাকের ভয়ানক দৃশ্য আরেকটু ভৌতিকভাবে ব্যাখ্যা করা যেত। সেই সাথে গভীর রাতের ভয় ভয় করা গ্রাম্য পরিবেশের সুন্দর বর্ণনা দিতে পারতেন। আমার মনে হয়েছে অতিপ্রাকৃত বইগুলোতে কাহিনিতে নিজেকেও ভয় পাইয়ে দেয়া যায় লেখকের বর্ণনা। আশপাশের প্রকৃতির ভয়ংকর রূপের কথা পড়তে গেলে যেন গল্পটার সাথে নিজেকে আরও বেশি জড়িয়ে ফেলা যায়। এখানে এই ব্যাপারটা অনুপস্থিত লেগেছে। আশপাশের প্রকৃতির বর্ণনা সেভাবে আসেনি।
সেই সময়ে উঁচু-নিচু ভেদাভেদ আর জাতপাতের ব্যাপারটা লেখক খুব সুন্দরভাবেই তুলে ধরেছেন। লেখকের আগের বই গুলোতেও একটা ব্যাপার দেখতাম লেখক দর্শন দেখান। এই বইতেও সেটার অনুপস্থিতি ছিল না। তবে মাত্রা কম ছিল। কিন্তু সেটাকে পুষিয়ে নিয়েছে অযাচিত কিছু বর্ণনা। কেউ গরীব সে রাতে অবশ্যই পোলাও খেয়ে ঘুমাবে না যা যোগাড় হবে তাই গিলে ঘুমোতে যাবে। এই সাধারণ ঘটনার বর্ণনা আর ব্যবহৃত উদাহরণ জুতের লাগেনি। তেমন জুতের লাগেনি বর্তমান সময়ের ঘটনাও। শিহাব বন্ধুর বাড়িতে থাকছে একত্রে ফার্মের জন্য কাজ করছে ঠিক আছে। বন্ধু আর বন্ধু পত্নীর কাইজ্জা হলে বন্ধু তার বন্ধুর ঘরে এসে ঘুমোবে সেও মানলাম। কিন্তু এরপর যেটা হলো মানা গেলো না। বন্ধু পত্নীও শিহাবের ঘরে এসে শিহাবকেই বের করে দিয়ে পতি নিয়ে ঘুমিয়ে গেল। তাইলে নিজের ধরে নিদ্রা যেতে দোষ আছিল কই? ঝগড়া হয়েছে দেখানোর অন্য উপায় হলেও হতো। ভালো লাগেনি এটা। যদিও এটাকে সাইড চিক গল্প হিসেবেই ধরে নেয়া যায়।
লাল মিয়ার সময়ের ঘটনার ক্লাইম্যাক্স একটা জায়গায় গিয়ে একটু আন্দাজ করতে পারলেও পরে সেটা নিয়ে আর ভাবিনি। তাই শেষ দিকের ঘটনা বেশ লেগেছে। শেষটা ভালো লেগেছে। লাল মিয়াকে আরো পরিপক্ব এবং তার অভিজ্ঞতা ঝুলিতে নতুন প্রাপ্তি বেশ ছিল। শেষের দিকটা কিছুটা বিমর্ষও ছিল।

আমার কাছে একটু বেমানান লেগেছে ভাষার ব্যবহার। গ্রামের মানুষ হিসেবে তাদের ভাষার ব্যবহার একেবারেই আঞ্চলিক হলেই ভালো হতো। কোথাও কোথাও শুদ্ধ আবার কোথাও আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহার ছিল সংলাপে সেটা একটু দৃষ্টিকটু লেগেছে।

লাল মিয়ার আরো কেরামতি দেখার অপেক্ষায় রইলাম।
তবে এখন পর্যন্ত যা দেখেছি তার বেশিরভাগ কেবল তন্ত্র মন্ত্র যজ্ঞ। একটু ফকিরি সাধনা জিন পরীর সাথে লাল মিয়ার টক্কর দেখতে চাই।

প্রচ্ছদ, প্রোডাকশন:

বইটার প্রচ্ছদ ভালো লেগেছে। উপকথার প্রোডাকশন বরাবরই ভালো।

❛বাঁশি শুনে আর কাজ নাই
সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি
কিন্তু নিশির ডাক শুনে কাজ থাকলেও বেরোস না রে ভাই!❜
Profile Image for Pranto Podder Niloy.
20 reviews
March 4, 2025
একটু cliché টাইপের ছিলো এন্ডিং এর দিকে। বাট লেখা সবমিলায় ভালো ছিল। এবারের এন্ডিং rushed লাগেনি। উপভোগ্য।
Profile Image for Noyon.
59 reviews8 followers
April 14, 2026
মোটামুটি লাগলো ভৌতিক যে আবহ সেটা লেখনীর মধ্যে তুলে ধরতে পারেনি। ভয়ের যে আবহ সেটা করতে পারলে জমে যেতো।
Profile Image for Mesratul Jannat.
37 reviews2 followers
March 27, 2025
#বই_রিভিউ_২০২৫
#অমানিশি
লেখক:
প্রকাশনী: উপকথা
মুদ্রিত মূল্য: ৩৩৫
পৃষ্ঠা: ১৪৪
জনরা: অতিপ্রাকৃত

#ফ্ল্যাপ:
ত্রিজল নামটা শুনতে যতো সুন্দর, যে আতঙ্ক ত্রিজলের মাটিতে এসে উপস্থিত হয়েছে সেই অন্ধকার তারচেয়েও ঘন। একের পর এক মানুষ মারা পড়তে লাগলো ত্রিজলে। ঠিক পাঁচ বছর আগের মতো।

পাঁচ বছর আগে যে মধু ওঝা গ্রামকে বিপদমুক্ত করেছিল, সে ব্যর্থ হলো এবার। রীতিমতো কেঁদেকেটে বিদায় নিলো সে। ডাক পড়লো গিরিনাথ তান্ত্রিকের, গুরুর সাথে সহকারী হিসেবে ত্রিজলের মাটিতে পা রাখলো লাল মিয়া ফকির।

চৌদ্দ বছরের বালক লাল সহজেই বুঝে গেলো পরিস্থিতি। এই প্রেত যেনতেন কোন শক্তি নয়। শুধু শিকারের জন্যই শিকার করছে না সে, শিকারের মৃতদেহ ছিন্নভিন্ন করে ফেলছে কী এক প্রবল আক্রোশে। শীঘ্রই সমাধান প্রয়োজন।

কিন্তু যেখানে গুরুই কোনো থই পাচ্ছেন না, সেখানে লাল কী করবে?


#পাঠ_প্রতিক্রিয়া:
মাত্র পড়ে শেষ করলাম দিবাকর দাসের লাল মিয়া ফকির সিরিজের দ্বিতীয় পার্ট। বইটা কালতন্ত্রের মতোই সমান উচ্চতায় থাকবে কিংবা তার চেয়েও উচ্চতায়।
এই বইটা পড়তে নিলে সময় যেনো সময়ের আগেই দৌড়ায়। কাহিনী প্লট অসাধারণের চেয়েও অসাধারণ।

কালতন্ত্রতে ছোট্ট একটা বালকের চমকে যাওয়া বুদ্ধিমত্তা দক্ষতার ঝলক দেখানো হয়েছিলো। অমানিশিতে কিশোর লালের সেই দক্ষতাকে আরো পাকাপোক্ত করা হয়েছে।
ত্রিজল নামের গ্রামটায় হঠাৎ করেই কোত্থেকে যেনো সুজ্জিত আলোয় মোড়ানো বজরার আবির্ভাব হয়।
সেই সাথে জনমনে আসে অজানা আশঙ্কা, মৃত্যু ভয়। তারপর?
তারপর হতে থাকে সেই আশঙ্কা আর ভয়ের জয়। বিভৎস ভাবে একটার পর একটা লাশ পাওয়া যায়।ডেকে আনা হয় মধু ওঝাকে। করা হয় ভৈরব যজ্ঞ। কিন্তু তাতেও কি ফল হয়? পরের দিন ই আবার নুতন একটা লাশ পাওয়া যায় ত্রিজলের ধারের নদীর তীরে।
কোনো এক অশরীরি যে রাতে ডেকে নিয়ে যায়। যে ডাকলে সারা না নিয়ে আর উপায় থাকে না। তারপর--- পরিণতি হয় বীভৎস মৃত্যু।
এর পরেই ঘটনায় আসে সেই কিশোর লাল, আর তার গুরুদেব গিরিনাথ। জীবন ঝক্কি নিয়েই তারা নামে সেই অজানা অশরীরির বিরুদ্ধে। কিন্তু ফলাফল হয় শূণ্য। এরপর ই কিশোর লাল এর বুদ্ধিমত্তার আরেকবার প্রমাণ পাওয়া যায়।

শুরু থেকে বইটা যে পরিমাণ কৌতুহলে সামনে এগোচ্ছিলো শেষে এসে যখন ঘোলা জল পরিষ্কার হলো তখন যেনো সরিষাতেই ভুত কথাটা একদম ই মিলে গেলো।
দারুণ একটা বই। পাঠক না পড়লে বুঝবেনই না। ১৪৭ বছর আগের লাল মিয়া ফকিরের অদ্ভুত সব ক্রিয়া কর্ম ১৪৭ বছর পর মনু মিয়া যেভাবে পাঠক অন্তর আকৃষ্ট করা ভাষায় বর্নণা করেছেন তাতে সব বয়সী পাঠকেরাই তুষ্ট হবেন।

পড়েন পড়েন। বইটা মজা আছে। ধোঁয়া উঠা গরম ভাতের সাথে পোড়া মরিচ দিয়ে বেগুন, ডাল আলু ভর্তার মতো মজা।
Profile Image for Mahmud Hasan.
40 reviews
October 13, 2025
Boita prothome porte giye godbadha mone hocchilo...
kintu jotoi samne agacchilam golpo totoi monojog akre dhortesilo...
lal mia series er duita golpo e pathok akorshon koray 100% karjokori...
3rd part ashar news shune ekdinei ager dui boi pore fela...
Best wishes for the 3rd book of lal mia series...
6 reviews
April 16, 2025
কালতন্ত্র পড়ার পর, অমানিশি নিয়ে যতটা প্রত্যাশা ছিল তা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে বইটা। মোটামুটি ভাল লেগেছে আমার গল্পটা। আশা করি লেখক সিরিজটা কন্টিনিউ করবেন।
Profile Image for Tanvir Hossain.
29 reviews2 followers
April 2, 2026
-আমার জন্ম,বেড়ে উঠা,থাকা সবাই গ্রামে।আমাদের গ্রাম অনুন্নত বলা চলে না।কিন্তু আশেপাশের গ্রাম থেকে আমাদের গ্রামটা বিশেষ করে আমাদের এলাকাটা এটুকু ছিমছাম বা নিরব,মানুষ কম ঘর বাড়িও।আমাদের বাড়ির সামনে রাস্তা আর রাস্তার পরেই নদী আর বাড়ির পিছন জঙ্গল তরপরে চক।আমাদের নদীর পাড়ে আগে মরা পুড়ানো হত,আমাদের প্রতিবেশি একটা বড়িই হিন্দু, ওই বাড়ির কেউ মরলে এখনো পুড়ানো হয়।গ্রামে সবসময়ই কিছু কিছু বিষয়ে বিশেষ সর্তকবাণী দেওয়া হয়,যেমন: বর্ষা কালে দুপুরে একা নদীতে বা পুকুরে গোসল করতে না যাওয়া তাহলে সিকলে টেনে নিয়ে যায়,পাটের মৌসুমে একা একা চকে না যাওয়া তাহলে গলা কাটায় ধরে, ভর দুপুরে বা মাগরিবের পরে কেউ তিনবার অথবা তার বেশি ডাকলে সারা দেওয়া একবার বা দুইবার ডাকলে সারা না দেওয়া(যাকে শুদ্ধ বাংলায় বলে নিশির ডাক) ইত্যাদি ইত্যাদি।বর্ষার শুরু মাত্র বেশ ভালোই বৃষ্টি হচ্ছিল সে বছরটায়।গ্রামে বর্ষার সময় পানি বাড়লেই চাই দিয়ে,জাল দিয়ে,ট্যাডা দিয়ে মাছ ধরার একটা ধুম পরে(অবশ্য এখন আর ওই সময় নেই এখন সারাবছরই পানি নষ্ট থাকে যার জন্য মাছও নেই)।ওই বছর নিশির ডাকের বিষয়টি গ্রামে বেশ মাথাচাড়া দিয়ে উঠে।মূলত গ্রামের একজন আরেকজনের ডাকে মাছ ধরতে গিয়ে জ্বীনের হাতে উত্তম-মাদ্ধম খেয়ে আসার পরে বিষয়টা ছড়ায়।এমনিতেও আশেপাশে দুই-চার গ্রামে আমাদের গ্রামটা এই অতিভৌতিক বিষয়ে বিশেষ দূর্নাম আছে।তর কয়েকদিন পর সন্ধ্যার পরে খুব ঝুম বৃষ্টি হচ্ছিল, একতালে বৃষ্টি পরছিলো।আমি জানালার পাশে বসে বসে বাইরে তাকিয়ে বৃষ্টির শব্দ শুনছিলাম।হঠাৎ নদীর পর হতে কে যেনো আমার নাম ধরে দুইবার ডাক দিলো তানভীর তানভীর বলে,আমি সাথে সাথে ওই দিকে তাকালাম শুধু খুটখুটে অন্ধকার বিদ্যুৎ ও নেই।মনে মনে ভাবতে লাগলাম এই সন্ধ্যাবেলা বৃষ্টির মধ্যে নদীর পড়ে জঙ্গলের মধ্যে আবার কে?দুই পাঁচ মিনিট তাকিয়ে থাকলাম কিন্তু কিছুই বুজতে পারলাম না।তারপরের দিন,রাতে হালকা হালকা বৃষ্টি হচ্ছিলো,খেয়ে-দেয়ে কম্বলটা নিয়ে শুয়ে মাত্র চোখ বন্ধ করেছি হঠাৎ বইরে থেকে কে-যেনো আমার নাম ধরে দুইবার ডেকে উঠলো আমি সাথে সাথে চোখ মেলে কান খাড়া করে রাখলাম আবার ডাক দেয় কি না দেখার জন্য ,প্রায় অনেকক্ষণ অপেক্ষা করার পরও আর কোন সারা শব্দ পেলাম না বাইরে থেকে।মনে মনে নিজেকে ধন্যবাদ দিলাম কালকে ও আজকে ডাকে সারা না দেওয়ার জন্য বাইরে না যাওয়ার জন্য।
হঠাৎ প্রায় ১০ বছর আগের ঘটনা স্মৃতির পাতায় চাঙ্গা হয়ে উঠলো একটা বই পড়ার পর।

"অমানিশি" দিবাকর দাস দাদার লেখা লাল মিয়া ফকির সিরিজের দ্বিতীয় বই।বইয়ের প্লটটা ছিলো খুবই ইন্টারেস্টিং তা হলো নিশি বা নিশির ডাক।লেখকের লিখনশৈলী আর পুরো বইয়ে একটা রহস্য রহস্য ভাব থাকার জন্য একটানাই বইটা পড়ে গেছি।এছাড়া বইয়ের মূল গল্পটাও বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছিলো পড়ার সময়।সিরিজের দুইটা বই পড়ার পর যে জিনিসটা বেশি ভালো লাগেছে তা হলো লাল মিয়া ফকিরের উপস্থিত বুদ্ধি, দুইটা বইয়েই উনার বিদ্যা থেকে উনার উপস্থিত বুদ্ধি বেশি রক্ষা করেছে উনাকে।এই বইয়ের সমাপ্তি টা আগের বইয়ের মতো রাশ মনে হয়নি ধীরেসুস্থেই বইটা শেষ হয়েছে।বইয়ের শেষে দুইটা টুইস্ট ছিলো প্রথমটা ধারণা করতে পারলেও পরের টা ধারণা করতে পারিনি,মনে মনে ভাবসিলাম আরো কিছু বাকি আছে কিন্তু সমাপ্তিটা যে এমন হবে তা ভাবতে পারিনি। বইটা ভৌতিক হলেও ভৌতিক বা ভয়ের পরিবেশটাই অনুপস্থিত ছিলো বইটায় যা একটা অভিযোগ হিসেবে থাকবে।সব মিলিয়ে বইটা উপভোগ্য ছিলো।
লাল মিয়া ফকির সিরিজটা যে কারনে আমার বেশি আগ্রহ কেড়েছিলো তাহলো এর মূল চরিত্র।আগে তন্ত্র-মন্ত্র সাধু-তান্ত্রিক নিয়ে পড়া হলেও ফকির বা ফকিরি বিদ্যা নিয়ে পড়া হয়নি।সিরিজের দুইটা বইয়েই তন্ত্র-মন্ত্র ছিলো আশা করি সিরিজের পরবর্তী বইয়ে ফকিরি বিদ্যার প্রয়োগ দেখতে পারবো।

বই:অমানিশি
লেখক: দিবাকর দাস
জনরা:ভৌতিক

লেখায় ভুল হলে ক্ষমা করবেন।পুরোটাই আমার নিজস্ব মতামত।
হ্যাপি রিডিং🤝
Profile Image for Quazi Sanjid.
72 reviews1 follower
January 27, 2026
বই: অমানিশি ( লাল মিয়া ফকির সিরিজ ২)
লেখক:দিবাকর দাস
প্রকাশনী: উপকথা
পৃষ্ঠা: ১৪৪
মুদ্রিত মূল্য: ৩৩৫ টাকা
রেটিং: ৩.৫/৫ 🌟🌟🌟🌗

ফ্ল্যাপঃ
ত্রিজল নামটা শুনতে যতো সুন্দর, যে আতঙ্ক ত্রিজলের মাটিতে এসে উপস্থিত হয়েছে সেই অন্ধকার তারচেয়েও ঘন। একের পর এক মানুষ মারা পড়তে লাগলো ত্রিজলে। ঠিক পাঁচ বছর আগের মতো।
পাঁচ বছর আগে যে মধু ওঝা গ্রামকে বিপদমুক্ত করেছিলো, সে ব্যর্থ হলো এবার। রীতিমতো কেঁদেকেটে বিদায় নিলো সে। ডাক পড়লো গিরিনাথ তান্ত্রিকের, গুরুর সাথে সহকারী হিসেবে ত্রিজলের মাটিতে পা রাখলো লাল মিয়া ফকির।
চৌদ্দ বছরের বালক লাল সহজেই বুঝে গেলো পরিস্থিতি। এই প্রেত যেনতেন কোন শক্তি নয়। শুধু শিকারের জন্যই শিকার করছে না সে, শিকারের মৃতদেহ ছিন্নভিন্ন করে ফেলছে কি এক প্রবল আক্রোশে। শীঘ্রই সমাধান প্রয়োজন।
কিন্তু যেখানে গুরুই কোন থই পাচ্ছেন না, সেখানে লাল কি করবে?

পাঠপ্রতিক্রিয়াঃ

•লেখক কে আমি চিনি "মহাকাল" এর মাধ্যমে। নিঃসন্দেহে এটা উনার একটি অন্যতম কাজ বলা যায়।
এখন আসি অমানিশি বইটি নিয়ে।
অমানিশি' মানে অমাবস্যার রাত বা ঘোর অন্ধকার রাত্রি।
বইয়ের যে ঘটনা আমরা দেখতে পাই তা অধিকাংশ নিশিরাতেই ঘটে থাকে। এরই প্রেক্ষিতে বইয়ের নাম যথার্থই বলা চলে।

•এইবার বইয়ের কাহিনীর দিকে একটু তাকানো যাক,
লাল মিয়া ফকির সিরিজের প্রথম বই "কালতন্ত্র" পড়ে যতটা ভালো লেগেছিলো বা আত্নতৃপ্তি পেয়েছিলাম তা এই বইটা থেকেও আশা করেছিলাম। কিন্তু অমানিশি আমাকে অনেকটাই হতাশ করেছে। সিরিজের প্রথম বইটার মতো কাহিনী একদম পারফেক্টলি এগিয়ে যেতে পারেনি। বইয়ের অনেক জায়গায় তারাহুরো করার ছাপ স্পষ্ট দেখা মিলে।

• প্রথম বইটির মাঝে লাল মিয়া ফকির কে যতটা ক্ষমতাসম্পন্ন দেখানো হয়েছিলো বা লাল মিয়া ফকিরের আত্নপ্রকাশ ঘটানো হয়েছিলো সে তুলনায় অমানিশিতে লাল মিয়াকে অনেকটাই সাধারণ লেগেছে আমার কাছে।
তন্ত্রমন্ত্রে, ফকিরি শাস্ত্র এই দুটির প্রয়োগই বইটির মাঝে দেখা মিলে। কিন্তু কেন যেন আমার কাছে সেগুলো একদম পরিপূর্ণ মনে হয়নি। হয়তো বই মেলাকে কেন্দ্র করে লিখা ছিলো বলে লেখক অনেক কিছুই বাদ দিয়ে গিয়েছেন সময়ের অভাবে। (সিরিজের তৃতীয় বইটি আশা করি কালন্ত্রকে ছাড়িয়ে যাবে)

•এইবার বইয়ের চরিত্রগুলো নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক,

~কদর ফকিরঃ সিরিজের প্রথম বইয়ের মাঝে যতটা প্রভাব প্রতিপত্তি লক্ষ্য করা যায় অমানিশিতে কদর ফকির কে ততটাই নিরুত্তাপ হিসেবে দেখা যায়।
এই বইয়ের মাঝে লাল মিয়া ফকির কেই একটু বেশি হাইলাইট করা হয়েছে তো স্বাভাবিক ভাবেই কদর ফকির কে একটু আড়াল করা হয়েছে এটা মেনে নেয়া যায়।

~গিরিনাথ তান্ত্রিকঃ বেশ গুরুগম্ভীর একজন মানুষ। তান্ত্রিক হিসেবে বেশ ভালোভাবেই দেখানো হয়েছে গিরিনাথ কে।

~ভোলাঃ ত্রিজল গ্রামেরই একজন বাসিন্দা। যার ছিলো লালের প্রতি অনেকটাই আস্থা। যখন গ্রামের সবাই লাল মিয়া ফকির এবং গিরিনাথ তান্ত্রিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলো তখনো ভোলা লাল মিয়া ফকিরের প্রতি আস্থা হারাতে পারেনি। শেষের দিকে ভোলার নিজে এবং গ্রামের মানুষকে বাঁচানোর আকুতি স্পষ্ট লক্ষ্য করা যায়।
ভোলা চরিত্রকে আমার অনেকটাই ভালো লেগেছে। থাকে না? যে অনেক কম অংশগ্রহন করার পরেও মাঝে মধ্যে ২/১ টা চরিত্রকে মনে ধরে ভোলা তেমনি একটা চরিত্র।

~লাল মিয়া ফকিরঃ এই সিরিজের প্রধান চরিত্র লাল মিয়া। বেশ সহজ সরল নিঃঅহংকার এক বালক।
বেশ সাধারণ হলেও ফকিরি শিক্ষার বাইরেও লালের রয়েছে জন্মগত ভাবে এক অলৌকিক ক্ষমতা যেটা লাল কিংবা লালের গুরু গিরিনাথ তান্ত্রিকও বুঝতে পারেন।

•এছাড়া ওভারঅল বইটা এতটাইও খারাপ লাগেনি। এর কারণ হচ্ছে লেখকের ঝরঝরা লেখনি।
আশা করি লেখক আমাদের সেরা উপহার হিসেবে লাল মিয়া ফকির সিরিজের তৃতীয় বইটি উপহার দিবেন।

ভুল-ক্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
🖋️কাজী এহতেসাম উদ্দিন সিদ্দিকী (সানজিদ)
Profile Image for Mueed Mahtab.
397 reviews
October 11, 2025
I started this book about 240 days ago but couldn’t continue reading. I liked the first book of this series a little, so I was waiting for the next one. Now the third book is coming next week, and I still hadn’t read the second one. So I started reading it again and finished it in one sitting on a rainy day and night.

This book will be interesting for Taranath Tantrik readers. But still, Taranath is Taranath! the myth, the man and no one can beat his storytelling. Even then, this series is better than most Tantrik-type books in the Bengali book world. It’s actually a good book, you just need to read it without too many expectations.

The main story is about a little boy named Lal Mia, who was raised by his guru, Girinath. It’s quite unique to see a Hindu guru raising a Muslim fakir. But the ending felt too fast, it should have been more detailed. Still, I’d rate it 3.5 out of 5. It’s a good read overall.
Profile Image for Faria Zebin.
36 reviews1 follower
December 23, 2025
শুরুতে ভালোই লাগছিলো, শেষে গিয়ে খানিকটা "Cliche" লাগলো। পশ্চিম বাংলার তন্ত্র মন্ত্র নিয়ে লেখা হরর বেশ কিছু পড়া হয়েছে বৈ কী, আশা করেছিলাম ভিন্নতা থাকবে, যেহেতু লাল মিয়া ফকির সিরিজের প্রথম বইটা ভালো লেগেছিলো। কিন্তু এই বইটা হতাশ করেছে। শেষে গিয়ে মনে হয়েছে ওই "থোড় বড়ি খাড়া, খাড়া বড়ি থোড়"। অনেকটাই পশ্চিমবঙ্গের হরর ধাঁচের, নতুন বোতলে পুরনো মদ আরকী।

তবে লেখকের লেখনশৈলী ভালো, মানতেই হবে। কিন্তু বই আরেকটু বড় পরিসরে করে অতীতের পাশাপাশি বর্তমানের কাহিনি, সমস্যা সমাধান এগুলো অন্তর্ভুক্ত করলে বোধহয় বেশি উপভোগ্য হতো
Profile Image for Arka Chakraborty.
156 reviews2 followers
June 27, 2025
এই বইটি পড়ে হতাশ হলাম। তুলনামূলক ভাবে এই সিরিজের প্রথম বই 'কালতন্ত্র' বেশ ভালো। লেয়ার্ড গল্প। যদিও শেষে গিয়ে তাড়াহুড়ো করা হয়েছে। 'অমানিশি' অনেকটাই গতানুগতিক ধারার একটি গল্প। কেমন যেন একটু দায়সারা গোছের লেখা। আশা করছি আগামী দিনে লেখক মহাশয় আরও ভালো কিছু উপহার দেবেন।
Profile Image for Rezwan Khan.
37 reviews
October 1, 2025
সিরিজের প্রথম বইটা বেশ ভালো ছিল।
এবারের টায় তাড়াহুড়োর ছাপ স্পষ্ট।
বইয়ে বানানজনিত ভুলত্রুটিও চোখে পড়েছে অনেক জায়গায়।
সব মিলিয়ে খারাপ না লাগলেও প্রত্যাশা পূরণ করতে সক্ষম হয়নি।
পরবর্তী কিস্তির অপেক্ষায় রইলাম।
⭕রেটিংঃ ৩.৫/৫
Profile Image for Sazid Shahriar.
59 reviews1 follower
March 6, 2025
একটু তাড়াহুড়া করেই শেষ করা হয়েছে!
Profile Image for Ahmed Aziz.
402 reviews69 followers
December 31, 2025
কাহিনি টেনে লম্বা করার কারণে ধরা খেয়ে গেল। আর শেষমেশ সবকিছু ব্যাখ্যা করে মানবিক গল্পে মিলিয়ে দেওয়ার ব্যাপারটা ভালো লাগেনি।
Profile Image for Maria Sultana Mim.
14 reviews
March 9, 2025
কালকে রাত ১২:৪৪ মিনিটে পড়ে শেষ করেছি। তারপর কাথা মুড়ো দিয়ে ঘুমিয়েছি ভয়ে।। আর নিজেকে বার বার বুঝিয়েছি কেউ ডাক দিকে ৩ বার না হলে সাড়া দিব না।। ভয় ই পেয়েছি। তবে দিবাকর ভাইয়ের কাছে একটু কথা, লাল মিয়া ফকির সিরিজের বইগুলো এত ছোট হয় কেন? পড়ার পর মনে হয় আরেকটু বড়ো হলে ভালো হত।😐
Displaying 1 - 17 of 17 reviews