What do you think?


আয়না মহল
ঝিনাইদহের ছোট উপজেলা হরিণাকুণ্ডুতে এক ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে ভয়ানকভাবে খুন করে গাছের সাথে উলঙ্গ অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। লাশের চারপাশে থাকা জাদুবিদ্যার সরঞ্জাম দেখে পুলিশ বুঝতে পারে, মেয়েটাকে বলি দেওয়া হয়েছে। নৃশংস এই হত্যাকান্ডের তদন্তে নেমে ওয়াসি এবং জামসেদ সাহেব হতবুদ্ধি হয়ে যায়। তারা খুনের সাথে বিশাল মাদক সিন্ডিকেটের যোগসূত্র খুঁজে পায়। অতীতে ইরানের নিষিদ্ধ গোষ্ঠী একইভাবে কুমারী মেয়েদের বলি দিত। সিরিয়াল কিলিং আর নেশা চক্রের কেন্দ্রবিন্দু ছিল আয়না মহল, যার ঠিকানা ছিল অজানা। অতীতে নিখোঁজ মেয়েদের খুঁজতে গেলে পুলিশের সামনেই একের পর এক মেয়ে অপহরণ হতে থাকে। রেহাই পায় না থানার ওসির একমাত্র মেয়ে রেহেনুমা। ওয়াসি কী পারবে তাকে বাঁচাতে? নিরীহ মেয়েদের খুনের সিলসিলা কী থামবে এবার? খুনির সাথে প্রশাসনের কেউ জড়িত নয় তো? বিদেশি গোষ্ঠীর সাথে তার কী সম্পর্ক? আয়না মহলই বা কোথায়?
পৈশাচিক খুনের রহস্যের জট খুলতে চলেছে মার্ডার মিস্ট্রি এবং ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস “আয়না মহল” এর দুই মলাটের মাঝে।
বিঃ দ্রঃ বইটি প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য
পৈশাচিক খুনের রহস্যের জট খুলতে চলেছে মার্ডার মিস্ট্রি এবং ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস “আয়না মহল” এর দুই মলাটের মাঝে।
বিঃ দ্রঃ বইটি প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য
- GenresThriller
240 pages, Hardcover
Published February 5, 2024
About the author
Mehadi Rahman
15 books9 followersAuthor also writes under মেহেদী রহমান
লেখকের সাহিত্যকর্মঃ
তৃতীয় উপন্যাসঃ "খেল খতম" (আফসার ব্রাদার্স, ২০২৬)
দ্বিতীয় উপন্যাসঃ "আয়না মহল" (আফসার ব্রাদার্স, ২০২৫)
প্রথম উপন্যাসঃ "অন্ধকারের দেবতা" (আফসার ব্রাদার্স, ২০২৪)
প্রথম গল্পগ্রন্থঃ “রাতের শেষ প্রহর” (আফসার ব্রাদার্স, ২০২৩)
অন্যান্য প্রকাশিত গল্পসমূহঃ
"গোলকধাঁধাঁ" (নিশুতি-৪, আদী প্রকাশন, ২০২৪)
"বাগান বাড়ি" (বিবলিও-হরর, বিবলিওফাইল প্রকাশনী, ২০২৪)
"কচুরি বিল", "অদৃশ্য খুনি" (বইটই অ্যাপ)
“প্রত্যাশা” (বাবুই ঈদ সংখ্যা, ২০২৩);
"আলমারি", "নীলনকশা", "অপ্রকৃতিস্থ", “নরখাদক” (বইঘর অ্যাপ)।
শিশুতোষ গ্রন্থঃ “Play With Numbers” এবং “Learn to Count” (লাইট অফ হোপ, ২০১৯)
মোঃ মেহেদী রহমান। জন্ম- ১২ অক্টোবর, ১৯৯২, ঢাকা; গ্রামের বাড়ি- বরিশাল। বাবা- মোঃ লুৎফর রহমান এবং মা- মিসেস ছবি রহমান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট হতে স্নাতকে ১ম স্থান অধিকার এবং সেখান থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। স্নাতকে সিজিপিএ ৩.৯৯ অর্জনের কারণে স্বর্গীয়া অনিমা রানী সাহা স্বর্ণপদক, ২০১৫ পেয়েছেন। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকুরিতে যোগদানের পর যুক্তরাষ্ট্রের Tufts University র Fletcher School of Law & Diplomacy হতে “সার্টিফাইড ডিজিটাল ফিন্যান্স প্রাকটিসনার (সিডিএফপি)” ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। বিগত ছয় বছর গবেষনা করে শিক্ষা এবং ফিন্যান্সের উপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে সর্বমোট ২৯টি গবেষণা আর্টিকেল এবং ২০২৩ সালে Elivia Press থেকে Users' Experiences and Challenges with Mobile Financial Services (MFS) in Bangladesh বই প্রকাশ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত আছেন।
স্ত্রী- মনিরা আক্তার এবং পুত্র- মোঃ ফাইয়াজ রহমান।
লেখকের সাহিত্যকর্মঃ
তৃতীয় উপন্যাসঃ "খেল খতম" (আফসার ব্রাদার্স, ২০২৬)
দ্বিতীয় উপন্যাসঃ "আয়না মহল" (আফসার ব্রাদার্স, ২০২৫)
প্রথম উপন্যাসঃ "অন্ধকারের দেবতা" (আফসার ব্রাদার্স, ২০২৪)
প্রথম গল্পগ্রন্থঃ “রাতের শেষ প্রহর” (আফসার ব্রাদার্স, ২০২৩)
অন্যান্য প্রকাশিত গল্পসমূহঃ
"গোলকধাঁধাঁ" (নিশুতি-৪, আদী প্রকাশন, ২০২৪)
"বাগান বাড়ি" (বিবলিও-হরর, বিবলিওফাইল প্রকাশনী, ২০২৪)
"কচুরি বিল", "অদৃশ্য খুনি" (বইটই অ্যাপ)
“প্রত্যাশা” (বাবুই ঈদ সংখ্যা, ২০২৩);
"আলমারি", "নীলনকশা", "অপ্রকৃতিস্থ", “নরখাদক” (বইঘর অ্যাপ)।
শিশুতোষ গ্রন্থঃ “Play With Numbers” এবং “Learn to Count” (লাইট অফ হোপ, ২০১৯)
মোঃ মেহেদী রহমান। জন্ম- ১২ অক্টোবর, ১৯৯২, ঢাকা; গ্রামের বাড়ি- বরিশাল। বাবা- মোঃ লুৎফর রহমান এবং মা- মিসেস ছবি রহমান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট হতে স্নাতকে ১ম স্থান অধিকার এবং সেখান থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। স্নাতকে সিজিপিএ ৩.৯৯ অর্জনের কারণে স্বর্গীয়া অনিমা রানী সাহা স্বর্ণপদক, ২০১৫ পেয়েছেন। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকে চাকুরিতে যোগদানের পর যুক্তরাষ্ট্রের Tufts University র Fletcher School of Law & Diplomacy হতে “সার্টিফাইড ডিজিটাল ফিন্যান্স প্রাকটিসনার (সিডিএফপি)” ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। বিগত ছয় বছর গবেষনা করে শিক্ষা এবং ফিন্যান্সের উপর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক জার্নালে সর্বমোট ২৯টি গবেষণা আর্টিকেল এবং ২০২৩ সালে Elivia Press থেকে Users' Experiences and Challenges with Mobile Financial Services (MFS) in Bangladesh বই প্রকাশ করেন। বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী পরিচালক পদে প্রধান কার্যালয়ে কর্মরত আছেন।
স্ত্রী- মনিরা আক্তার এবং পুত্র- মোঃ ফাইয়াজ রহমান।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 22 of 22 reviews
July 18, 2025
প্লট দুর্দান্ত বলা যায়। কিছু ব্যাপার প্রেডিকটেবল ছিল। চরিত্রের সংখ্যা বেশি হওয়ার কারনে কিলার কে তা অনুমান করা কঠিন ছিলো। উপন্যাসের প্রতিটি পৃষ্ঠায় একটা টানটান ভাব বজায় রাখার কারনে অনেক গতিশীল লেগেছে। যেনো সিরিয়াল কিলিং এর ওপর কোন মালায়লাম থ্রিলার সিনেমা দেখার ফ্লেভার পুরো বইতেই উপস্থিত ছিল।
এবার আসি লেখা প্রসঙ্গে। লেখকের শব্দচয়ন খুবই বাজে। ভাষাশৈলীর তো কোন বালাই নেই। কথ্য ভাষা আর লেখ্য ভাষার মিশ্রন চোখে পড়ার মতো। প্রোটাগনিস্ট এবং তার প্রেমিকার রসায়ন ও কথোপকথন সস্তা বাংলা সিনেমাকেও হার মানায়। এ বিষয়গুলো ঠিক করলে পরবর্তী বইয়ের মান আরও বাড়বে।
এবার আসি লেখা প্রসঙ্গে। লেখকের শব্দচয়ন খুবই বাজে। ভাষাশৈলীর তো কোন বালাই নেই। কথ্য ভাষা আর লেখ্য ভাষার মিশ্রন চোখে পড়ার মতো। প্রোটাগনিস্ট এবং তার প্রেমিকার রসায়ন ও কথোপকথন সস্তা বাংলা সিনেমাকেও হার মানায়। এ বিষয়গুলো ঠিক করলে পরবর্তী বইয়ের মান আরও বাড়বে।
February 10, 2026
ড্রামাটিক উপাদানটা যদি একটু কম থাকত, তাহলে বইটা নিঃসন্দেহে আরও সুন্দর হতে পারত। তবুও প্লট আর মিস্ট্রি অংশটা ছিল একেবারেই দুর্দান্ত। পড়ার সময় এক মুহূর্তের জন্যও বোরিং লাগেনি—শুরু করলে একটানে শেষ না করে ওঠা কঠিন।
তবে সমস্যাটা হলো অতিরিক্ত ড্রামাটিক টোন। অনেক জায়গায় মনে হয়েছে যেন কোনো থ্রিলার মুভি দেখছি—সংলাপ, দৃশ্যপট, সবকিছুই সিনেমাটিক। কারও কাছে এটা প্লাস পয়েন্ট হতে পারে, কিন্তু আমার কাছে কিছুটা ওভারডোজ মনে হয়েছে।
সব মিলিয়ে, থ্রিলার ও মিস্ট্রি ভালোবাসলে বইটি অবশ্যই পড়ার মতো—বিশেষ করে যারা দ্রুতগতির, টানটান গল্প পছন্দ করেন।
তবে সমস্যাটা হলো অতিরিক্ত ড্রামাটিক টোন। অনেক জায়গায় মনে হয়েছে যেন কোনো থ্রিলার মুভি দেখছি—সংলাপ, দৃশ্যপট, সবকিছুই সিনেমাটিক। কারও কাছে এটা প্লাস পয়েন্ট হতে পারে, কিন্তু আমার কাছে কিছুটা ওভারডোজ মনে হয়েছে।
সব মিলিয়ে, থ্রিলার ও মিস্ট্রি ভালোবাসলে বইটি অবশ্যই পড়ার মতো—বিশেষ করে যারা দ্রুতগতির, টানটান গল্প পছন্দ করেন।
September 2, 2025
“বিকৃত রুচি । বিশ্রী । ছি !!
ডার্ক ম্যাজিক কী সত্যি ? নরবলি….অসম্ভব।
প্রতিভা কী বেঁচে আছে?
মাদকের কারখানা। শয়তানগুলো সব মিলিত, সব।
রহস্যের জটের গোঁড়া পেয়েছি !! “আয়না মহল”
শেষ করলাম ২০২৫ বইমেলায় প্রকাশিত দুর্দান্ত এক থ্রিলার ‘’আয়না মহল’’। ভায়োলেন্স,সিরিয়াল কিলিং, অকাল্টিজম,মাদকচক্রের তৎপরতা ইত্যাদি মিলে দারুণ এক উপন্যাস। এই উপন্যাসটির যদিও তেমন প্রচারণা দেখিনি,আমি লিংকন হাসান ভাইয়ের ঈদের পূর্বে একটি রিভিও দেখে বইটি নেওয়া।
কাহিনী সংক্ষেপঃ ঝিনাইদহের ছোট উপজেলা হরিণাকুণ্ডুতে এক ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর ভয়ানকভাবে খুন করে গাছের সাথে উলঙ্গ অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। লাশের চারপাশে থাকা জাদুবিদ্যার সরঞ্জাম দেখে পুলিশ বুঝতে পারে, মেয়েটাকে বলি দেওয়া হয়েছে। নৃশংস এই হত্যাকান্ডের তদন্তে নেমে ওয়াসি এবং জামসেদ সাহেব হতবুদ্ধি হয়ে যায়। তারা খুনের সাথে বিশাল মাদক সিন্ডিকেটের যোগসূত্র খুঁজে পায়। অতীতে ইরানের নিষিদ্ধ গোষ্ঠী একইভাবে কুমারী মেয়েদের বলি দিত। সিরিয়াল কিলিং আর নেশা চক্রের কেন্দ্রবিন্দু ছিল আয়না মহল, যার ঠিকানা ছিল অজানা। অতীতে নিখোঁজ মেয়েদের খুঁজতে গেলে পুলিশের সামনেই একের পর এক মেয়ে অপহরণ হতে থাকে। রেহাই পায় না থানার ওসির একমাত্র মেয়ে রেহেনুমা। ওয়াসি কী পারবে তাকে বাঁচাতে? নিরীহ মেয়েদের খুনের সিলসিলা কী থামবে এবার? খুনির সাথে প্রশাসনের কেউ জড়িত নয় তো? বিদেশি গোষ্ঠীর সাথে তার কী সম্পর্ক? আয়না মহলই বা কোথায়? পৈশাচিক খুনের রহস্যের জট খুলতে চলেছে মার্ডার মিস্ট্রি এবং ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস "আয়না মহল"।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ গল্পের শুরু এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে যেখানে ভিক্টীমের লাশ গাছের সাথে বাধা,বুক এবং পেটে ছুরির আঘাত। ঘটনাস্থলের অবস্থা দেখেই বুঝা যায় মেয়েটাকে জাদুবিদ্যা অথবা শয়তানী কোনো স্বার্থ সিদ্ধির জন্য বলি দেওয়া হয়েছে। গল্পের প্রতিটি হত্যাকাণ্ড নির্দেশ করে এক জঘন্য সিরিয়াল কিলার এইসবের সাথে জড়িত। অ্যাকশন থ্রিলারেরও স্বাদ পাবেন পাঠকগণ পুলিশ এবং আসামীদের মাঝে সংগঠিত ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে। পুলিশের মাঝে পদের কারণে পারস্পরিক মনস্তাত্ত্বিক যে দ্বন্দ্ব তা দারুনভাবেই ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। ওয়াসি-শ্রাবণী/ওয়াসি-রেহেনুমার সম্পর্ক গল্পে রোমান্সেরও স্বাদ দিবে পাঠকদের কিন্তু শ্রাবণীর ব্যাপারে আরো বিস্তারিত আলোচনা থাকলে ভালো হতো। ইরানের নাস্তিক গোষ্ঠী “আরোহা ব্রজেম”-এর সম্পৃক্ততা, ইবলিশের নামে নরবলি ইত্যাদি পার্টগুলোর মাধ্যমে লেখক উপন্যাসে অকাল্টিজমের সুন্দর মিশ্রণ ঘটিয়েছেন। সব মিলিয়ে খুব সুন্দর একটি থ্রিলার উপহার দিয়েছেন লেখক।
বইঃ আয়নামহল
লেখকঃ মোঃ মেহেদী রহমান
প্রকাশনীঃ আফসার ব্রাদার্স
ডার্ক ম্যাজিক কী সত্যি ? নরবলি….অসম্ভব।
প্রতিভা কী বেঁচে আছে?
মাদকের কারখানা। শয়তানগুলো সব মিলিত, সব।
রহস্যের জটের গোঁড়া পেয়েছি !! “আয়না মহল”
শেষ করলাম ২০২৫ বইমেলায় প্রকাশিত দুর্দান্ত এক থ্রিলার ‘’আয়না মহল’’। ভায়োলেন্স,সিরিয়াল কিলিং, অকাল্টিজম,মাদকচক্রের তৎপরতা ইত্যাদি মিলে দারুণ এক উপন্যাস। এই উপন্যাসটির যদিও তেমন প্রচারণা দেখিনি,আমি লিংকন হাসান ভাইয়ের ঈদের পূর্বে একটি রিভিও দেখে বইটি নেওয়া।
কাহিনী সংক্ষেপঃ ঝিনাইদহের ছোট উপজেলা হরিণাকুণ্ডুতে এক ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর ভয়ানকভাবে খুন করে গাছের সাথে উলঙ্গ অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। লাশের চারপাশে থাকা জাদুবিদ্যার সরঞ্জাম দেখে পুলিশ বুঝতে পারে, মেয়েটাকে বলি দেওয়া হয়েছে। নৃশংস এই হত্যাকান্ডের তদন্তে নেমে ওয়াসি এবং জামসেদ সাহেব হতবুদ্ধি হয়ে যায়। তারা খুনের সাথে বিশাল মাদক সিন্ডিকেটের যোগসূত্র খুঁজে পায়। অতীতে ইরানের নিষিদ্ধ গোষ্ঠী একইভাবে কুমারী মেয়েদের বলি দিত। সিরিয়াল কিলিং আর নেশা চক্রের কেন্দ্রবিন্দু ছিল আয়না মহল, যার ঠিকানা ছিল অজানা। অতীতে নিখোঁজ মেয়েদের খুঁজতে গেলে পুলিশের সামনেই একের পর এক মেয়ে অপহরণ হতে থাকে। রেহাই পায় না থানার ওসির একমাত্র মেয়ে রেহেনুমা। ওয়াসি কী পারবে তাকে বাঁচাতে? নিরীহ মেয়েদের খুনের সিলসিলা কী থামবে এবার? খুনির সাথে প্রশাসনের কেউ জড়িত নয় তো? বিদেশি গোষ্ঠীর সাথে তার কী সম্পর্ক? আয়না মহলই বা কোথায়? পৈশাচিক খুনের রহস্যের জট খুলতে চলেছে মার্ডার মিস্ট্রি এবং ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস "আয়না মহল"।
পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ গল্পের শুরু এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে যেখানে ভিক্টীমের লাশ গাছের সাথে বাধা,বুক এবং পেটে ছুরির আঘাত। ঘটনাস্থলের অবস্থা দেখেই বুঝা যায় মেয়েটাকে জাদুবিদ্যা অথবা শয়তানী কোনো স্বার্থ সিদ্ধির জন্য বলি দেওয়া হয়েছে। গল্পের প্রতিটি হত্যাকাণ্ড নির্দেশ করে এক জঘন্য সিরিয়াল কিলার এইসবের সাথে জড়িত। অ্যাকশন থ্রিলারেরও স্বাদ পাবেন পাঠকগণ পুলিশ এবং আসামীদের মাঝে সংগঠিত ঘটনাবলির মধ্য দিয়ে। পুলিশের মাঝে পদের কারণে পারস্পরিক মনস্তাত্ত্বিক যে দ্বন্দ্ব তা দারুনভাবেই ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। ওয়াসি-শ্রাবণী/ওয়াসি-রেহেনুমার সম্পর্ক গল্পে রোমান্সেরও স্বাদ দিবে পাঠকদের কিন্তু শ্রাবণীর ব্যাপারে আরো বিস্তারিত আলোচনা থাকলে ভালো হতো। ইরানের নাস্তিক গোষ্ঠী “আরোহা ব্রজেম”-এর সম্পৃক্ততা, ইবলিশের নামে নরবলি ইত্যাদি পার্টগুলোর মাধ্যমে লেখক উপন্যাসে অকাল্টিজমের সুন্দর মিশ্রণ ঘটিয়েছেন। সব মিলিয়ে খুব সুন্দর একটি থ্রিলার উপহার দিয়েছেন লেখক।
বইঃ আয়নামহল
লেখকঃ মোঃ মেহেদী রহমান
প্রকাশনীঃ আফসার ব্রাদার্স
February 11, 2026
হরিণাকুণ্ডু। ঝিনাইদহের এক ছোট্ট উপজেলা। সেখানকার থানার ওসি জামসেদুর রহমান। মেয়ের বিয়ে উপলক্ষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছিলেন। হঠাৎই একটা ফোন আসে তার কাছে। জানানো হয় যে, ঝুলানো অবস্থায় এক মেয়ের লা*শ উদ্ধার করা হয়। পাশবিক নির্যাতনের পর নৃশংসভাবে হ*ত্যা করা হয় তাকে। প্রশাসন নেড়েচেড়ে বসে। তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এএসপি ওয়াসিকে।
এএসপি ওয়াসি এবং ওসি জামসেদুর রহমান তদন্ত শুরু করে। তদন্ত করতে গিয়ে তারা বিশাল এক মাদক সিন্ডিকেটের সন্ধান পায়। আবার “আয়নামহল” নামে রহস্যময় এক শব্দ তাদের সামনে চলে আসে। এদিকে একের পর এক কিশোরী অপহরণ এবং খু*ন হচ্ছে। তাহলে কি সব একই সূত্রে গাঁথা? খুজে বের করতে হবে ওয়াসিকে। কিন্তু যেদিকেই আলোর দেখা পায় আবার অন্ধকার শুরু হয়।
বলছিলাম আফসার ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত মো: মেহেদী রহমান এর লেখা “আয়নামহল”-বইয়ের কথা। জনরার কথা যদি বলি তাহলে সিরিয়াল কি*লি*ং এর সাথে সিক্রেট সোসাইটি'র মিক্সড জনরা বলা যায়। কেমন লেগেছে বইটি? একটু কথা বলা যাক!
প্লট ছিল আগ্রহ জাগানিয়া। গল্পের শুরুটা ভালো ছিল। কিন্তু যতই ভিতরে যেতে থাকি ততই বই পড়ার আগ্রহ কমে যাচ্ছিল। তওফিক এবং নুজাইমুল নামে দুই ক্যারেক্টরকে ইন্টারোগেট করার একটা সীন আছে বইয়ে। কাকে, কে, কখন ইন্টারোগেট করছে সেটা পড়তে গিয়ে বিরক্ত হয়েছি। এখানে আলাদা আলাদা সাব-চ্যাপ্টার বা টাইমিং উল্লেখ করে দিলে পড়তে ভালো লাগতো। আরো কিছু জায়গায় কিন্তু এই সমস্যা’র সম্মুখীন হয়েছি।
সংলাপে দুর্বলতা দেখা গিয়েছে। জুনিয়র অফিসার হয়ে একজন সিনিয়র অফিসারের চোখ টেনে বের করে ফেলার মত সংলাপ আসলে গল্পের সাথে যায় না। এই বিষয়গুলো লেখক চাইলে মডিফাই করতে পারতেন।
ওয়াসি, শ্রাবণী এবং রেহনুমা। এই তিন ক্যারেক্টর এর মধ্যকার কনভারসেশন আমার কাছে অতিনাটকীয় লেগেছে। যতবারই তাদের কনভারসেশন সামনে এসেছে ততবার চেষ্টা করেছি স্কিপ করার। সংলাপগুলো আরো ভালো হতে পারতো। এসবের কারণে ওয়াসি'র ব্যাকস্টোরি যুতসই মনে হয় নি। ম্যাড়মেড়ে লেগেছে।
উপরোক্ত পয়েন্টগুলো'র জন্য বইটি আমার কাছে ওরকম ভালো লাগে নি। এভারেজ বলা যায়।
শেষেরদিকে ক্লিফহ্যাংগার রেখে দিয়েছেন লেখক। দ্বিতীয় পর্ব আসবে হয়ত। সেটার জন্য শুভকামনা রইল।
ভালো থাকবেন সবাই। বইয়ের সাথে ভালো সময় কাটুক। ধন্যবাদ।
বই : আয়নামহল
লেখক : মোঃ মেহেদী রহমান
প্রকাশনা : আফসার ব্রাদার্স
প্রচ্ছদ : আবরার আবীর
এএসপি ওয়াসি এবং ওসি জামসেদুর রহমান তদন্ত শুরু করে। তদন্ত করতে গিয়ে তারা বিশাল এক মাদক সিন্ডিকেটের সন্ধান পায়। আবার “আয়নামহল” নামে রহস্যময় এক শব্দ তাদের সামনে চলে আসে। এদিকে একের পর এক কিশোরী অপহরণ এবং খু*ন হচ্ছে। তাহলে কি সব একই সূত্রে গাঁথা? খুজে বের করতে হবে ওয়াসিকে। কিন্তু যেদিকেই আলোর দেখা পায় আবার অন্ধকার শুরু হয়।
বলছিলাম আফসার ব্রাদার্স থেকে প্রকাশিত মো: মেহেদী রহমান এর লেখা “আয়নামহল”-বইয়ের কথা। জনরার কথা যদি বলি তাহলে সিরিয়াল কি*লি*ং এর সাথে সিক্রেট সোসাইটি'র মিক্সড জনরা বলা যায়। কেমন লেগেছে বইটি? একটু কথা বলা যাক!
প্লট ছিল আগ্রহ জাগানিয়া। গল্পের শুরুটা ভালো ছিল। কিন্তু যতই ভিতরে যেতে থাকি ততই বই পড়ার আগ্রহ কমে যাচ্ছিল। তওফিক এবং নুজাইমুল নামে দুই ক্যারেক্টরকে ইন্টারোগেট করার একটা সীন আছে বইয়ে। কাকে, কে, কখন ইন্টারোগেট করছে সেটা পড়তে গিয়ে বিরক্ত হয়েছি। এখানে আলাদা আলাদা সাব-চ্যাপ্টার বা টাইমিং উল্লেখ করে দিলে পড়তে ভালো লাগতো। আরো কিছু জায়গায় কিন্তু এই সমস্যা’র সম্মুখীন হয়েছি।
সংলাপে দুর্বলতা দেখা গিয়েছে। জুনিয়র অফিসার হয়ে একজন সিনিয়র অফিসারের চোখ টেনে বের করে ফেলার মত সংলাপ আসলে গল্পের সাথে যায় না। এই বিষয়গুলো লেখক চাইলে মডিফাই করতে পারতেন।
ওয়াসি, শ্রাবণী এবং রেহনুমা। এই তিন ক্যারেক্টর এর মধ্যকার কনভারসেশন আমার কাছে অতিনাটকীয় লেগেছে। যতবারই তাদের কনভারসেশন সামনে এসেছে ততবার চেষ্টা করেছি স্কিপ করার। সংলাপগুলো আরো ভালো হতে পারতো। এসবের কারণে ওয়াসি'র ব্যাকস্টোরি যুতসই মনে হয় নি। ম্যাড়মেড়ে লেগেছে।
উপরোক্ত পয়েন্টগুলো'র জন্য বইটি আমার কাছে ওরকম ভালো লাগে নি। এভারেজ বলা যায়।
শেষেরদিকে ক্লিফহ্যাংগার রেখে দিয়েছেন লেখক। দ্বিতীয় পর্ব আসবে হয়ত। সেটার জন্য শুভকামনা রইল।
ভালো থাকবেন সবাই। বইয়ের সাথে ভালো সময় কাটুক। ধন্যবাদ।
বই : আয়নামহল
লেখক : মোঃ মেহেদী রহমান
প্রকাশনা : আফসার ব্রাদার্স
প্রচ্ছদ : আবরার আবীর
November 4, 2025
এই লেখকের সব বই শুরু দিকে খুব ভালো থাকে কিন্তু যত ভিতরে যাওয়া হয় তত ঝুলে যায়, এই বইটাও একি অবস্থা। প্যাচায়তে প্যাচায়তে স্টার জলসা বানায় ফেলেছে, যেটার কোন দরকার ছিলো না।
March 18, 2026
>>|আয়নামহল এক গুপ্ত জায়গা। শুরুথেকেই যা অস্বস্তিকর রহস্যের আবহ তৈরি করে। নিষিদ্ধ কাজকর্মের আঁধার এবং মাদকদ্রব্য প্রক্রিয়াজাত করনের আখরা। সকল রহস্যের সমাধান এই আয়নামহলকে ঘিরেই। আয়না মহলের জট পাকানো রহস্য সমাধানের যাত্রায় আপনাকে স্বাগতম|<<
•| ঝিনাইদহ শহরের ছোট্ট উপজেলা হরিণাকুন্ডুর এক পরিত্যক্ত গোরস্থানের কাছে হঠাৎ-ই একদিন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ছাত্রীর (বিপাশা) নৃসংশ ভাবে খুন হওয়া লাশ মেহগনি গাছের ডালের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আবিষ্কার করা হয়। অকুস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সরঞ্জামাদি পর্যবেক্ষণ করে - মেয়েটিকে জাদুবিদ্যা কিংবা শয়তানি কোনো স্বার্থসিদ্ধির জন্য বলি দেওয়া হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হন স্থানীয় তদন্তকারী কর্মকর্তারা। এই হত্যাকান্ডই মূলত পুরো গল্পে টোন সেট করে দেয়।
গল্প যত এগোয়, ততই বোঝা যায় এটি শুধু একটি খুনের তদন্ত না। ধীরে ধীরে সামনে আসতে থাকে সিরিয়াল কিলিং, গুপ্ত সংগঠন 'আরোহা ব্রজেম', মাদকদ্রব্যের চোরা চালান, এমনকি কিছু অকাল্ট বা রহস্যময় উপাদান—যা গল্পটাকে একেবারে অন্য মাত্রায় নিয়ে দাঁড় করায়। “আয়নামহল” নামটাই এখানে একটা বড় সিম্বল—যেটা বাস্তব আর অজানার মাঝখানে একটা ধূসর জায়গা তৈরি করে। |•
★ পাঠ-প্রতিক্রিয়া :
-----------------
ভালো দিক :
দারুণ প্লট, আকর্ষণীয় শুরু, গতিশীল। প্রত্যেক পরিচ্ছেদেই রোমাঞ্চ আর রহস্য। Dark-Mystery-Occult mixtures, তদন্ত প্রক্রিয়া খুব দারুণ ভাবে ব্যালেন্সড। "আয়নামহল" কে খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন। অনেক চরিত্রের মাঝে Antagonist অপূর্বানুমে।
লেখকের ইমপ্রুভ করার জায়গা :
প্রোটাগনিস্টের চরিত্রায়ন বেখাপ্পা ধাচের। তার মৃত(?) প্রেমিকার বর্ণনাও অস্পষ্ট এবং ঝাপসা যা প্রোটাগনিস্ট এর ব্যাকগ্রাউন্ডকে দুর্বল করে৷ এছাড়া সবচেয়ে দুর্বল এবং রীতিমতো বিরক্তিকর ঠেকেছে গোটা উপন্যাস জুড়ে প্রোটাগনিস্ট এর সাথে রেহনুমা এবং শ্রাবণী চরিত্রের সংলাপ। অতি নাটকীয়তা অথবা ন্যাকামির কারণে বইয়ের রেটিং পড়ে গেছে।
এছেড়া মাঝবয়সী ওয়াসি (প্রোটাগনিস্ট) এবং পঞ্চাশোর্ধ জামসেদ সাহেব দুইজনেরই দৃষ্টিভঙ্গি এবং দাম্ভিকতা অভিন্ন। দুইজনের মধ্যকার বয়সের ছাপই অনুপস্থিত। এক্ষেত্রে দুইজনের বয়স আরো কমিয়ে চরিত্রায়ন করা যেত।
পরিশিষ্ট : - - - - - - - - - - -
"আয়নামহল" মো: মেহেদী রহমানের যথাক্রমে তৃতীয় বই, দ্বিতীয় উপন্যাস এবং প্রথম মার্ডার মিস্ট্রি থ্রিলার।
এই দিক বিবেচনায় লেখককে একদম নতুনই বলা চলে। নতুন হয়েও ঘটনার প্রবাহ এবং পারিপার্শ্বিক আবহের প্রাসঙ্গিক বর্ণনায় লেখকের হাত বেশ পটু। পরিচিত প্রেক্ষাপটকে একটু ব্যতিক্রম ভাবে উপস্থাপন করাতেই লেখকের যত চেষ্টা। সংলাপ গুলো আরো ইম্প্রুভ করলে নিঃসন্দেহে "আয়নামহল" দুর্দান্ত এবং উপাদেয় এক উপাখ্যান হতে পারতো। শেষ পাতায় এসে ক্লিফহ্যাঙ্গার রেখে গেছেন। দ্বিতীয় খন্ডের পরিকল্পনা যদি লেখকের মনে থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে তার জন্য শুভকামনা।
>>| ব্যক্তিগত মতামত : - - - - - - - - - -
"উপন্যাসটা কি উপভোগ্য ছিলো?" - "হ্যাঁ, সাসপেন্স কে সংলাপের বিপরীতে বসালে অবশ্যই উপভোগ্য।"
"আমি কি পরবর্তীতে লেখকের আর কোনো বই পড়বো?" - "অবশ্যই পড়বো।"
◾বই : আয়নামহল
◾লেখক : মো: মেহেদী রহমান
◾জনরা : মার্ডার মিস্ট্রি X ডার্ক থ্রিলার
◾প্রকাশনী : আফসার ব্রাদার্স
◾প্রচ্ছদ : আবরার আবীর
◾পৃষ্ঠা : ২৪০
◾মুদ্রিত মূল্য : ৪৫০৳
◾পার্সোনাল রেটিং : ৩.৭/৫
•| ঝিনাইদহ শহরের ছোট্ট উপজেলা হরিণাকুন্ডুর এক পরিত্যক্ত গোরস্থানের কাছে হঠাৎ-ই একদিন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া এক ছাত্রীর (বিপাশা) নৃসংশ ভাবে খুন হওয়া লাশ মেহগনি গাছের ডালের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় আবিষ্কার করা হয়। অকুস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা সরঞ্জামাদি পর্যবেক্ষণ করে - মেয়েটিকে জাদুবিদ্যা কিংবা শয়তানি কোনো স্বার্থসিদ্ধির জন্য বলি দেওয়া হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হন স্থানীয় তদন্তকারী কর্মকর্তারা। এই হত্যাকান্ডই মূলত পুরো গল্পে টোন সেট করে দেয়।
গল্প যত এগোয়, ততই বোঝা যায় এটি শুধু একটি খুনের তদন্ত না। ধীরে ধীরে সামনে আসতে থাকে সিরিয়াল কিলিং, গুপ্ত সংগঠন 'আরোহা ব্রজেম', মাদকদ্রব্যের চোরা চালান, এমনকি কিছু অকাল্ট বা রহস্যময় উপাদান—যা গল্পটাকে একেবারে অন্য মাত্রায় নিয়ে দাঁড় করায়। “আয়নামহল” নামটাই এখানে একটা বড় সিম্বল—যেটা বাস্তব আর অজানার মাঝখানে একটা ধূসর জায়গা তৈরি করে। |•
★ পাঠ-প্রতিক্রিয়া :
-----------------
ভালো দিক :
দারুণ প্লট, আকর্ষণীয় শুরু, গতিশীল। প্রত্যেক পরিচ্ছেদেই রোমাঞ্চ আর রহস্য। Dark-Mystery-Occult mixtures, তদন্ত প্রক্রিয়া খুব দারুণ ভাবে ব্যালেন্সড। "আয়নামহল" কে খুব সুন্দর ভাবে উপস্থাপন। অনেক চরিত্রের মাঝে Antagonist অপূর্বানুমে।
লেখকের ইমপ্রুভ করার জায়গা :
প্রোটাগনিস্টের চরিত্রায়ন বেখাপ্পা ধাচের। তার মৃত(?) প্রেমিকার বর্ণনাও অস্পষ্ট এবং ঝাপসা যা প্রোটাগনিস্ট এর ব্যাকগ্রাউন্ডকে দুর্বল করে৷ এছাড়া সবচেয়ে দুর্বল এবং রীতিমতো বিরক্তিকর ঠেকেছে গোটা উপন্যাস জুড়ে প্রোটাগনিস্ট এর সাথে রেহনুমা এবং শ্রাবণী চরিত্রের সংলাপ। অতি নাটকীয়তা অথবা ন্যাকামির কারণে বইয়ের রেটিং পড়ে গেছে।
এছেড়া মাঝবয়সী ওয়াসি (প্রোটাগনিস্ট) এবং পঞ্চাশোর্ধ জামসেদ সাহেব দুইজনেরই দৃষ্টিভঙ্গি এবং দাম্ভিকতা অভিন্ন। দুইজনের মধ্যকার বয়সের ছাপই অনুপস্থিত। এক্ষেত্রে দুইজনের বয়স আরো কমিয়ে চরিত্রায়ন করা যেত।
পরিশিষ্ট : - - - - - - - - - - -
"আয়নামহল" মো: মেহেদী রহমানের যথাক্রমে তৃতীয় বই, দ্বিতীয় উপন্যাস এবং প্রথম মার্ডার মিস্ট্রি থ্রিলার।
এই দিক বিবেচনায় লেখককে একদম নতুনই বলা চলে। নতুন হয়েও ঘটনার প্রবাহ এবং পারিপার্শ্বিক আবহের প্রাসঙ্গিক বর্ণনায় লেখকের হাত বেশ পটু। পরিচিত প্রেক্ষাপটকে একটু ব্যতিক্রম ভাবে উপস্থাপন করাতেই লেখকের যত চেষ্টা। সংলাপ গুলো আরো ইম্প্রুভ করলে নিঃসন্দেহে "আয়নামহল" দুর্দান্ত এবং উপাদেয় এক উপাখ্যান হতে পারতো। শেষ পাতায় এসে ক্লিফহ্যাঙ্গার রেখে গেছেন। দ্বিতীয় খন্ডের পরিকল্পনা যদি লেখকের মনে থেকে থাকে, সেক্ষেত্রে তার জন্য শুভকামনা।
>>| ব্যক্তিগত মতামত : - - - - - - - - - -
"উপন্যাসটা কি উপভোগ্য ছিলো?" - "হ্যাঁ, সাসপেন্স কে সংলাপের বিপরীতে বসালে অবশ্যই উপভোগ্য।"
"আমি কি পরবর্তীতে লেখকের আর কোনো বই পড়বো?" - "অবশ্যই পড়বো।"
◾বই : আয়নামহল
◾লেখক : মো: মেহেদী রহমান
◾জনরা : মার্ডার মিস্ট্রি X ডার্ক থ্রিলার
◾প্রকাশনী : আফসার ব্রাদার্স
◾প্রচ্ছদ : আবরার আবীর
◾পৃষ্ঠা : ২৪০
◾মুদ্রিত মূল্য : ৪৫০৳
◾পার্সোনাল রেটিং : ৩.৭/৫
March 29, 2025
বইটি লেখা হয়েছে সিরিয়াল কিলিংকে উপজীব্য করে। থ্রিলার বই হিসেবে যথেস্ট টানটান পেসিং রেখেই বইটা লেখা হয়েছে। তবে বইটার সব থেকে পজিটিভ দিক হচ্ছে গল্পের প্রোটাগনিস্ট ওয়াসি। দারুন ভাবে ক্যারেক্টারটা ফুটে উঠেছে, একটা হিরোইজম ভাব দেয়া হয়েছে ক্যারেক্টারটার মাঝে। শ্রাবণীকে নিয়ে ওয়াসির কল্পনার দিকটা বেশ যত্ন সহ লেখা হয়েছে। ওসি সাহেবের ক্যারেক্টারটাও বেশ উপভোগ্য।
থ্রিলার মিস্ট্রি বইয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পাঠকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ধরে রাখা যা লেখক পেরেছেন। লেখকের লেখনীও যথেস্ট সাবলীল, অহেতুক কোনো বর্ণনা রাখা হয়নি।
সবমিলিয়ে বইটা বেশ উপভোগ্য। তবে বইটা শেষ হয়েও যেনো শেষ হলোনা। বোঝা যাচ্ছে লেখক এটার দ্বিতীয় পার্ট নিয়ে আসবে। লেখকের জন্য অনেক শুভকামনা।
থ্রিলার মিস্ট্রি বইয়ের একটা গুরুত্বপূর্ণ দিক হল পাঠকে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ধরে রাখা যা লেখক পেরেছেন। লেখকের লেখনীও যথেস্ট সাবলীল, অহেতুক কোনো বর্ণনা রাখা হয়নি।
সবমিলিয়ে বইটা বেশ উপভোগ্য। তবে বইটা শেষ হয়েও যেনো শেষ হলোনা। বোঝা যাচ্ছে লেখক এটার দ্বিতীয় পার্ট নিয়ে আসবে। লেখকের জন্য অনেক শুভকামনা।
April 19, 2025
র*ক্তমাখা ছু*রিটা লোকটা তার কপালের উপর তুলে ধরে। ফোঁটা ফোঁটা তাজা র*ক্তে তার কপাল ভিজে যায়। অসীম পৈশাচিক সুখে সে উন্মাদের মতো খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে। কি নৃ*শংস তাই? বইটা পড়ে এমন অনেক রকমের নৃ*শংসতার সাক্ষী হবে আপনিও। "আয়না মহল " বইটা জুড়েই নানা রকম নৃ*শংসতা ফুটে উঠেছে পড়তে গিয়ে গায়ে কাটা দিবে। থ্রিলার প্রেমিদের কাছে চরম উপভোগ্য একটি বই হয়ে উঠবে বইটি। বইয়ের প্রতিটি পাতায় বিভিন্ন রকম চমক পাঠকদের চমকের জগতে নিয়ে যাবে। নৃ*শংসতার জগতে হারিয়ে যাওয়ার জন্য "আয়না মহল " বেশ উপযোগী একটি বই।
ঝিনাইদহের ছোট উপজেলা হরিণাকুণ্ডুতে এক ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে ভয়ান*কভাবে খু*ন করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়। লা*শের চারপাশে থাকা জাদুবিদ্যার সরঞ্জাম দেখে পুলিশ বুঝতে পারে, মেয়েটাকে বলি দেওয়া হয়েছে। নৃ*শংস এই হ*ত্যাকান্ডের তদন্তে নেমে ওয়াসি এবং জামসেদ সাহেব হতবুদ্ধি হয়ে যায়। তারা খু*নের সাথে বিশাল মাদক সিন্ডিকেটের যোগসূত্র খুঁজে পায়। অতীতে ইরানের নিষিদ্ধ গোষ্ঠী একইভাবে কুমারী মেয়েদের বলি দিত। সিরিয়াল কিলিং আর নেশা চক্রের কেন্দ্রবিন্দু ছিল আয়না মহল, যার ঠিকানা ছিল অজানা। অতীতে নিখোঁজ মেয়েদের খুঁজতে গেলে পুলিশের সামনেই একের পর এক মেয়ে অপহরণ হতে থাকে। রেহাই পায় না থানার ওসির একমাত্র মেয়ে রেহেনুমা। ওয়াসি কী পারবে তাকে বাঁচাতে? নিরীহ মেয়েদের খু*নের সিলসিলা কী থামবে এবার? খুনির সাথে প্রশাসনের কেউ জড়িত নয় তো? বিদেশি গোষ্ঠীর সাথে তার কী সম্পর্ক? আয়না মহলই বা কোথায়?
পৈশাচিক খু*নের রহস্যের জট খুলতে চলেছে মা*র্ডার মিস্ট্রি এবং ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস “আয়না মহল”।
“আয়না মহল” বইটি চমৎকার একটি ক্রাইম থ্রিলার। এক কথায় বলা যায়,পারফেক্ট ক্রাইম-মিস্ট্রি থ্রিলার। বইটি পড়ার সময় আমি প্রতি পদে পদে চমকে গিয়েছি। প্রতি পৃষ্ঠাতেই যেন থ্রিল আর নতুন নতুন চমক। বিভিন্ন রকমের চরিত্র রয়েছে বইটিতে, প্রতেকটা চরিত্রকে লেখক বেশ শক্ত ভাবে বণর্ণা করেছেন। সব চরিত্রের অবস্থান একদম পারফেক্ট ছিলো কোনো বারিবারি নাই। একের পর এক চরিত্রের আবির্ভাবে গল্পটা অনেক বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠেছিলো। থ্রিলের পাশাপাশি রোমান্টিক কিছু বিষয় ছিল যা বেশ ভালো লেগেছে। ওয়াসি আহমেদের অতিতের পার্টটা ততটা খোলসা ছিলো না, যার কারো তেমন জমেনি, কিন্ত রেহনুমা এবং ওয়াসির নীরব প্রেম বেশ ভালো লেগেছে। বইটাতে কিছু কিছু শব্দ ছিলো যা পড়তে অসস্তি লেগেছে তা ছাড়া বাদ বাকি সব কিছু ভালো ছিলো। শেষের দিকের টুইস্ট টা ছিলে চমৎকার। একদম কারেন্টে শর্ট খাওয়ার মতো লেগেছিলো শেষ অংশ টুকু। শেষ হইয়াও যেন হইলো না শেষ, মনে হলো গল্পের মাঝেও গল্প থেকে গিয়েছে, সেই গল্পের রেশ ধরে লেখক চমকের পর চমক দিয়ে গিয়েছে। অনেক গুলো প্রশ্ন রেখেই লেখক গল্পের ইতি টেনেছেন। শ্রাবনী আসলে কি মা*রা গিয়েছে? নাকি বেঁচে আছে!বেঁচে থাকলে সে এখন কোথায়? আর ওসি সাহেবকে আঘাত করা মেয়েটি বা কে? কালপ্রিটরা কিভাবে ওয়াসির অতীত সম্পর্কে অবগত? এতো এতো প্রশ্ন রেখেই চমৎকার একটি বই শেষ করলাম। লেখক শেষের প্রশ্ন গুলো হয়তো পাঠকদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন । পাঠকরা যার যার মন মতো তৃপ্তি সহকারে গল্পের ইতি ভেবে নিবে।
বই: আয়না মহল
লেখক: মো: মেহেদী রহমান
জনরা: ক্রাইম থ্রিলার
প্রচ্ছদ: আবরার আবীর
প্রকাশনী: আফসার ব্রাদার্স
পৃষ্ঠা: ২৪০
মুদ্রিত মূল্য : ৪৫০৳
রেটিং : ৪/৫
ঝিনাইদহের ছোট উপজেলা হরিণাকুণ্ডুতে এক ভার্সিটি পড়ুয়া শিক্ষার্থীকে ভয়ান*কভাবে খু*ন করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখা হয়। লা*শের চারপাশে থাকা জাদুবিদ্যার সরঞ্জাম দেখে পুলিশ বুঝতে পারে, মেয়েটাকে বলি দেওয়া হয়েছে। নৃ*শংস এই হ*ত্যাকান্ডের তদন্তে নেমে ওয়াসি এবং জামসেদ সাহেব হতবুদ্ধি হয়ে যায়। তারা খু*নের সাথে বিশাল মাদক সিন্ডিকেটের যোগসূত্র খুঁজে পায়। অতীতে ইরানের নিষিদ্ধ গোষ্ঠী একইভাবে কুমারী মেয়েদের বলি দিত। সিরিয়াল কিলিং আর নেশা চক্রের কেন্দ্রবিন্দু ছিল আয়না মহল, যার ঠিকানা ছিল অজানা। অতীতে নিখোঁজ মেয়েদের খুঁজতে গেলে পুলিশের সামনেই একের পর এক মেয়ে অপহরণ হতে থাকে। রেহাই পায় না থানার ওসির একমাত্র মেয়ে রেহেনুমা। ওয়াসি কী পারবে তাকে বাঁচাতে? নিরীহ মেয়েদের খু*নের সিলসিলা কী থামবে এবার? খুনির সাথে প্রশাসনের কেউ জড়িত নয় তো? বিদেশি গোষ্ঠীর সাথে তার কী সম্পর্ক? আয়না মহলই বা কোথায়?
পৈশাচিক খু*নের রহস্যের জট খুলতে চলেছে মা*র্ডার মিস্ট্রি এবং ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস “আয়না মহল”।
“আয়না মহল” বইটি চমৎকার একটি ক্রাইম থ্রিলার। এক কথায় বলা যায়,পারফেক্ট ক্রাইম-মিস্ট্রি থ্রিলার। বইটি পড়ার সময় আমি প্রতি পদে পদে চমকে গিয়েছি। প্রতি পৃষ্ঠাতেই যেন থ্রিল আর নতুন নতুন চমক। বিভিন্ন রকমের চরিত্র রয়েছে বইটিতে, প্রতেকটা চরিত্রকে লেখক বেশ শক্ত ভাবে বণর্ণা করেছেন। সব চরিত্রের অবস্থান একদম পারফেক্ট ছিলো কোনো বারিবারি নাই। একের পর এক চরিত্রের আবির্ভাবে গল্পটা অনেক বেশি উপভোগ্য হয়ে উঠেছিলো। থ্রিলের পাশাপাশি রোমান্টিক কিছু বিষয় ছিল যা বেশ ভালো লেগেছে। ওয়াসি আহমেদের অতিতের পার্টটা ততটা খোলসা ছিলো না, যার কারো তেমন জমেনি, কিন্ত রেহনুমা এবং ওয়াসির নীরব প্রেম বেশ ভালো লেগেছে। বইটাতে কিছু কিছু শব্দ ছিলো যা পড়তে অসস্তি লেগেছে তা ছাড়া বাদ বাকি সব কিছু ভালো ছিলো। শেষের দিকের টুইস্ট টা ছিলে চমৎকার। একদম কারেন্টে শর্ট খাওয়ার মতো লেগেছিলো শেষ অংশ টুকু। শেষ হইয়াও যেন হইলো না শেষ, মনে হলো গল্পের মাঝেও গল্প থেকে গিয়েছে, সেই গল্পের রেশ ধরে লেখক চমকের পর চমক দিয়ে গিয়েছে। অনেক গুলো প্রশ্ন রেখেই লেখক গল্পের ইতি টেনেছেন। শ্রাবনী আসলে কি মা*রা গিয়েছে? নাকি বেঁচে আছে!বেঁচে থাকলে সে এখন কোথায়? আর ওসি সাহেবকে আঘাত করা মেয়েটি বা কে? কালপ্রিটরা কিভাবে ওয়াসির অতীত সম্পর্কে অবগত? এতো এতো প্রশ্ন রেখেই চমৎকার একটি বই শেষ করলাম। লেখক শেষের প্রশ্ন গুলো হয়তো পাঠকদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন । পাঠকরা যার যার মন মতো তৃপ্তি সহকারে গল্পের ইতি ভেবে নিবে।
বই: আয়না মহল
লেখক: মো: মেহেদী রহমান
জনরা: ক্রাইম থ্রিলার
প্রচ্ছদ: আবরার আবীর
প্রকাশনী: আফসার ব্রাদার্স
পৃষ্ঠা: ২৪০
মুদ্রিত মূল্য : ৪৫০৳
রেটিং : ৪/৫
October 6, 2025
টানটান উত্তেজনা অনুভব করেছি বইটি পড়ার সময়। অনেক দিন পর চমৎকার একটি থ্রিলার বই পড়েছি। থ্রিলে ভরপুর ছিল।
কয়েকদিন যাবৎ অন্য জনরার বেশ কিছু বই পড়া হলেও থ্রিলার বই পড়া হয় নি। বইটি কয়েকদিন আগে সংগ্রহ করলেও পড়া হয় নি। আজকে হাতে নিলাম বইটির নাম দেখে। বইয়ের নামের মধ্যেই রহস্য রহস্য একটি ভাব আছে। তাই বইটি হাতে নিয়ে পড়া শুরু করে দিলাম। শুধু করার পর আমি আটকে গেলাম লেখকের লেখনীতে।
বইটিতে অনেক গুলো চরিত্র থাকার কারণে অনুমান করা একটু কঠিন ছিল যে কে আসল খু'নি! তবে শেষ টা আনএক্সপেক্টেড ছিল। অনেক গুলো প্রশ্ন রয়ে গেছে। ওয়াসি চরিত্রটা বেশ ভালো লেগেছে। রেহনুমার কার্যকলাপ গুলো এরকম হবে সেটা অনুমান করা তেমন একটা কঠিন ছিল না। ওয়াসির পারসোনালিটি দেখে যে কেউ ফিদা হয়ে যাবে। তবে শ্রাবণীর সম্পর্কে সেটা একেবারে ব্যতিক্রম ছিল। শেষে অনেক গুলো প্রশ্ন রয়ে গেছে। তাতে বোঝা যাচ্ছে যে এইটার দ্বিতীয় পার্ট আসবে খুব সম্ভবত। আমি তো দ্বিতীয় পার্টের অপেক্ষায় আছি। প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানার জন্য।
কয়েকদিন যাবৎ অন্য জনরার বেশ কিছু বই পড়া হলেও থ্রিলার বই পড়া হয় নি। বইটি কয়েকদিন আগে সংগ্রহ করলেও পড়া হয় নি। আজকে হাতে নিলাম বইটির নাম দেখে। বইয়ের নামের মধ্যেই রহস্য রহস্য একটি ভাব আছে। তাই বইটি হাতে নিয়ে পড়া শুরু করে দিলাম। শুধু করার পর আমি আটকে গেলাম লেখকের লেখনীতে।
বইটিতে অনেক গুলো চরিত্র থাকার কারণে অনুমান করা একটু কঠিন ছিল যে কে আসল খু'নি! তবে শেষ টা আনএক্সপেক্টেড ছিল। অনেক গুলো প্রশ্ন রয়ে গেছে। ওয়াসি চরিত্রটা বেশ ভালো লেগেছে। রেহনুমার কার্যকলাপ গুলো এরকম হবে সেটা অনুমান করা তেমন একটা কঠিন ছিল না। ওয়াসির পারসোনালিটি দেখে যে কেউ ফিদা হয়ে যাবে। তবে শ্রাবণীর সম্পর্কে সেটা একেবারে ব্যতিক্রম ছিল। শেষে অনেক গুলো প্রশ্ন রয়ে গেছে। তাতে বোঝা যাচ্ছে যে এইটার দ্বিতীয় পার্ট আসবে খুব সম্ভবত। আমি তো দ্বিতীয় পার্টের অপেক্ষায় আছি। প্রশ্ন গুলোর উত্তর জানার জন্য।
February 28, 2026
মাদক- সিরিয়াল কিলিং- তন্ত্রসাধনা সবকিছুর মিশেলে এক অসামান্য থ্রিলার বই 'আয়নামহল'
বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে কোনভাবেই বুঝার উপায় নেই শেষে কি হতে চলছে আর খুনি কে? এমন থ্রিলার বই আমি আগে কখনোই পড়িনি। যারা রহস্যে ভরপুর আর টান টান উত্তেজনার থ্রিলার বই পড়তে চান, তাদের কাছে "আয়নামহল" অসাধারণ লাগবে।
বইয়ের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পড়ে কোনভাবেই বুঝার উপায় নেই শেষে কি হতে চলছে আর খুনি কে? এমন থ্রিলার বই আমি আগে কখনোই পড়িনি। যারা রহস্যে ভরপুর আর টান টান উত্তেজনার থ্রিলার বই পড়তে চান, তাদের কাছে "আয়নামহল" অসাধারণ লাগবে।
January 16, 2026
চমৎকার বই।
December 31, 2025
দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল বিশেষ করে খুলনা বিভাগের জেলাগুলোর মধ্যে সীমাবদ্ধ থেকে লেখক যেভাবে গল্পটা গুছিয়েছেন সেটা ভালো লেগেছে। তারপর আসে এর কাহিনী। সিরিয়াল কিলিং, ড্রাগ আর শয়তানের পূজা মিলে তৈরি জগৎ ভালোই রহস্যের জন্ম দিয়েছে। এবং বরাবরের মতো দুইজন সৎ পুলিশ অফিসার মিলে সেই রহস্য সমাধান করা উপভোগ্য ছিল। সব ঘটনার সূত্র ধরে সুন্দর সমাধান করার পর শেষে যে টুইস্টটা ছিল সেটার জন্য লেখক প্রসংশা প্রাপ্য।
বইয়ের একটা দিক খারাপ লেগেছে। সেটা হলো এর রোমান্টিক সংলাপের ধরণ। সেখানে অনেকটা ফেসবুকিও ধারার ছোয়া ছিল। এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও সংলাপের ক্ষেত্রে লেখক আরেকটু ভালো বাক্য চয়ন করতে পারতেন। এরজন্য একে ৩.৫⭐ দিতে চেয়েছিলাম। তবে বছরের শেষ বই হিসেবে এই ক্রাইম থ্রিলার ৪ ⭐ পাবে আমার কাছে।
বইয়ের একটা দিক খারাপ লেগেছে। সেটা হলো এর রোমান্টিক সংলাপের ধরণ। সেখানে অনেকটা ফেসবুকিও ধারার ছোয়া ছিল। এবং অন্যান্য ক্ষেত্রেও সংলাপের ক্ষেত্রে লেখক আরেকটু ভালো বাক্য চয়ন করতে পারতেন। এরজন্য একে ৩.৫⭐ দিতে চেয়েছিলাম। তবে বছরের শেষ বই হিসেবে এই ক্রাইম থ্রিলার ৪ ⭐ পাবে আমার কাছে।
February 13, 2025
মার্ডার মিস্ট্রি হিসেবে বইটা সত্যিই দুর্দান্ত। বইটা পড়তে এক মুহূর্ত একঘেয়েমি লাগেনি। এক বসায় শেষ করার মতো বই।
বইটা পড়ার সময় একদিকে মাথায় ঘুরপাক করছিল খুনি কে? অন্যদিকে ওয়াসির অতীততের কাহিনিটাও বেশ টানছিল।
উপন্যাস পড়ে নায়কের প্রেমে পড়ে গিয়েছি। খুব ভালো লেগেছে।
বইটা পড়ার সময় একদিকে মাথায় ঘুরপাক করছিল খুনি কে? অন্যদিকে ওয়াসির অতীততের কাহিনিটাও বেশ টানছিল।
উপন্যাস পড়ে নায়কের প্রেমে পড়ে গিয়েছি। খুব ভালো লেগেছে।
February 22, 2025
প্লট কোনদিকে যাবে এইটা প্রেডিক্টেবল ছিল। স্পেশালি রেহনুমা এর ব্যাপারটা।
তবে কে খুনি সেইটা পুরো গল্পে সুন্দরভাবে লুকোনো বলা যায় ।
কিছু সংলাপ সিনেমা এর মতো ছিল। আমার কাছে ভালো লেগেছে। অনেকের কাছে না ও লাগতে পারে ।
এন্ডিং টা ভালো, আশা করি দ্বিতীয় খণ্ড আসবে যদি লেখকের ইচ্ছে থাকে।
তবে কে খুনি সেইটা পুরো গল্পে সুন্দরভাবে লুকোনো বলা যায় ।
কিছু সংলাপ সিনেমা এর মতো ছিল। আমার কাছে ভালো লেগেছে। অনেকের কাছে না ও লাগতে পারে ।
এন্ডিং টা ভালো, আশা করি দ্বিতীয় খণ্ড আসবে যদি লেখকের ইচ্ছে থাকে।
February 25, 2025
"কবরস্থান গেইটের সামনের একটা গাছে মেয়েটাকে খুন করে উলঙ্গ অবস্থায় ঝুলিয়ে রাখছে। গাছের চারপাশে মোমবাতি, আগরবাতিসহ বিভিন্ন হাবিজাবি জিনিস পড়ে আছে। দেখে মনে হয় মেয়েটাকে বলি দেওয়া হয়েছে।..........."
বাকিটা আর লিখার সাহস পেলাম না সোশ্যাল মিডিয়াতে। এটা কি ক্রাইম নাকি বীভৎসতার চরমাংশ। একজন অপরাধী অপরাধ করার সময় নিশ্চয়ই তার মনের মধ্যে ভয় কাজ করে। শক্ত মনের মানুষ হলেও মনের উপর নিয়ন্ত্রণ হয়তো করা সবসময় সম্ভব হয় না। কিন্তু এ যেন নিখুঁতভাবে করে যাওয়া কোনো এক গর্হিত খারাপ কাজ, যার হদিস করতে গিয়ে পুলিশও গোলকধাঁধায় আটকে যায়।
পাঠ প্রতিক্রিয়া: “আয়না মহল” বইটিকে এক কথায় বলা যায়, পারফেক্ট ক্রাইম-মিস্ট্রি থ্রিলার। এছাড়াও রোমান্টিক কিছু বিষয় ছিল যা বেশ ভালো লেগেছে আমার। উপন্যাসের নায়ক ওয়াসি, উফফ... এত দারুণ একটা ক্যারেক্টার আমিই ওর উপর ক্রাশ খেয়েছি। ইভেন এখনো যেন চোখের সামনে প্রতিচ্ছবি ভাসছে। সবকিছু যেন মুগ্ধতা ছড়িয়েছে। অনেকদিন পর তৃপ্তি নিয়ে কোনো থ্রিলার উপন্যাস শেষ করলাম। কে যে ভিলেন এটা Guess করতে করতে মাথাটা ৪৪০ ভোল্টের শক খেয়ে গিয়েছিল। তবে লেখক যে কাজটি করে সফল হয়েছেন, তা হচ্ছে পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখতে।
নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া : কিছু Objectionable শব্দের ব্যবহার আমার একদম ভালো লাগেনি। উপন্যাসটাতে ১৮+ শব্দের ব্যবহার না করলেও সুন্দর হতো তাহলে সবার পড়ার উপযোগি হতো।
শেষ হয়েও যেন হলো না শেষ, মনে হলো গল্পের মাঝেও গল্প থেকে গিয়েছে, সেই গল্পের রেশ ধরে লেখক চমকের পর চমক দিয়ে গিয়েছেন। আচ্ছা এটার কি ২য় পার্ট আসবে?
বাকিটা আর লিখার সাহস পেলাম না সোশ্যাল মিডিয়াতে। এটা কি ক্রাইম নাকি বীভৎসতার চরমাংশ। একজন অপরাধী অপরাধ করার সময় নিশ্চয়ই তার মনের মধ্যে ভয় কাজ করে। শক্ত মনের মানুষ হলেও মনের উপর নিয়ন্ত্রণ হয়তো করা সবসময় সম্ভব হয় না। কিন্তু এ যেন নিখুঁতভাবে করে যাওয়া কোনো এক গর্হিত খারাপ কাজ, যার হদিস করতে গিয়ে পুলিশও গোলকধাঁধায় আটকে যায়।
পাঠ প্রতিক্রিয়া: “আয়না মহল” বইটিকে এক কথায় বলা যায়, পারফেক্ট ক্রাইম-মিস্ট্রি থ্রিলার। এছাড়াও রোমান্টিক কিছু বিষয় ছিল যা বেশ ভালো লেগেছে আমার। উপন্যাসের নায়ক ওয়াসি, উফফ... এত দারুণ একটা ক্যারেক্টার আমিই ওর উপর ক্রাশ খেয়েছি। ইভেন এখনো যেন চোখের সামনে প্রতিচ্ছবি ভাসছে। সবকিছু যেন মুগ্ধতা ছড়িয়েছে। অনেকদিন পর তৃপ্তি নিয়ে কোনো থ্রিলার উপন্যাস শেষ করলাম। কে যে ভিলেন এটা Guess করতে করতে মাথাটা ৪৪০ ভোল্টের শক খেয়ে গিয়েছিল। তবে লেখক যে কাজটি করে সফল হয়েছেন, তা হচ্ছে পাঠকের আগ্রহ ধরে রাখতে।
নেগেটিভ প্রতিক্রিয়া : কিছু Objectionable শব্দের ব্যবহার আমার একদম ভালো লাগেনি। উপন্যাসটাতে ১৮+ শব্দের ব্যবহার না করলেও সুন্দর হতো তাহলে সবার পড়ার উপযোগি হতো।
শেষ হয়েও যেন হলো না শেষ, মনে হলো গল্পের মাঝেও গল্প থেকে গিয়েছে, সেই গল্পের রেশ ধরে লেখক চমকের পর চমক দিয়ে গিয়েছেন। আচ্ছা এটার কি ২য় পার্ট আসবে?
April 10, 2025
"আয়নামহল" নামটা শুনতেই রহস্যময় লাগে। এই বইটা এক কথায় ক্রাইম থ্রিলার উপন্যাস। অসাধারন লেখা একটি বই। আমি তো এই লেখকের নাম দিয়েছি সাইলেন্ট রাইটার। এত সুন্দর লেখনী তুলে ধরেছে এই বইটিতে।শুরু থেকেই একের পর এক মার্ডার কেস এত জটিলতর পর্যায় যাচ্ছিলো যে আমি পাঠক হিসেবে কল্পনা করতে ছিলাম এটা কিভাবে সম্ভব। কখনো মাদক ব্যবসায়ি জড়িত ,কখনো বা প্রশাসন,কখনো বা আইস কিলার, কখনো মনে হচ্ছিল এর পেছনে শয়তান পূজারি হাত আছে।যতই পড়ি ততই যেন সবকিছু রহস্য লাগতেছিলো।প্রতিটি মার্ডার কেসের রহস্যের জট ওয়াসি নামক এএসপি পুলিশ অফিসার ঠান্ডা মাথায় খুলতে লাগল। ওসি জামসেদ সাহেবরও বড় ভুমিকা আছে। শেষ দিকে অবশ্য শ্রাবণী নামক ওয়াসির প্রেমিকা কি আদ্য বেঁচে আছে কিনা সেটার রহস্য যেনো থেকেই গেলো। শ্রাবণী যদি বেঁচে থাকে তাহলে সে কোথায়??? তবে কি শ্রাবণীর হাত ছিলো এই মার্ডারের পেছনে??
May 18, 2026
বইটা শেষ করার পর গুডরিডসে এসে রেটিং দেখে i firmly believe that বাঙালি পাঠকদের বই পড়া শেখাতে হবে। এবং গুডরিডস একাউন্ট ওপেন করার সময় পাঠক হিসেবে সেই ব্যাক্তি কেমন তার পরীক্ষা নেয়া উচিত। পরীক্ষায় পাস না করলে একাউন্ট করতে দেয়া যাবে না।
প্লটের আগামাথা নাই। জটিল, দুরন্ত প্লট বানানোর উচ্চাশায় লেখক অযথা প্যাচায়া গেছে কিন্তু বইয়ের শেষে সঠিক উত্তর দিতে ব্যর্থ হইছেন। বইয়ের নাম আয়না মহল, কিন্তু আয়না মহলের যে বর্ণনা বইতে দিছেন তাতে কেনো আয়না মহল বানানো হইছে তার ব্যাখ্যা নাই। ডায়ালগগুলো জাস্ট সস্তা কমার্শিয়াল বাংলা সিনেমার লিখিত ভার্শন। অথচ এই বইটা তুমুল প্রশংসিত (ভূমিকাতে লেখকের লেখা অনুযায়ী) লেখকের তৃতীয় বই।
একটা বইয়ের কিছু না কিছু ভালো অথবা খারাপ থাকবেই। কিন্তু এইটা সেসব রেয়ার বইয়ের একটা যার কোনো ভালো দিক নাই। Not a single good thing.
প্লটের আগামাথা নাই। জটিল, দুরন্ত প্লট বানানোর উচ্চাশায় লেখক অযথা প্যাচায়া গেছে কিন্তু বইয়ের শেষে সঠিক উত্তর দিতে ব্যর্থ হইছেন। বইয়ের নাম আয়না মহল, কিন্তু আয়না মহলের যে বর্ণনা বইতে দিছেন তাতে কেনো আয়না মহল বানানো হইছে তার ব্যাখ্যা নাই। ডায়ালগগুলো জাস্ট সস্তা কমার্শিয়াল বাংলা সিনেমার লিখিত ভার্শন। অথচ এই বইটা তুমুল প্রশংসিত (ভূমিকাতে লেখকের লেখা অনুযায়ী) লেখকের তৃতীয় বই।
একটা বইয়ের কিছু না কিছু ভালো অথবা খারাপ থাকবেই। কিন্তু এইটা সেসব রেয়ার বইয়ের একটা যার কোনো ভালো দিক নাই। Not a single good thing.
March 28, 2025
মার্ডার মিস্ট্রি ও থ্রিলারে ভরা বইটি আমার অত্যন্ত ভালো লেগেছে। চব্বিশটি অধ্যায় এত সুন্দরভাবে সাজানো যে, প্রতিটি ঘটনা নতুন নতুন ভাবনার উদ্রেক করেছে। এককথায় বললে বইটি সত্যিই মন ছুঁয়ে গেছে।
লেখকের লেখনশৈলীর সহজতা ও আকর্ষণীয় প্লট বইটি পড়তে আরো আনন্দদায়ক করেছে।
বইটির শেষে মনের মধ্যে শুধু একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, ওয়াসি কী তার শ্রাবণীকে খুঁজে পাবে? অপেক্ষায় রইলাম বইয়ের আগামী পর্বের জন্য।
লেখকের অসাধারণ বই এবং ভবিষ্যতে তার আরও সুন্দর রচনার জন্য শুভকামনা।
লেখকের লেখনশৈলীর সহজতা ও আকর্ষণীয় প্লট বইটি পড়তে আরো আনন্দদায়ক করেছে।
বইটির শেষে মনের মধ্যে শুধু একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছিল, ওয়াসি কী তার শ্রাবণীকে খুঁজে পাবে? অপেক্ষায় রইলাম বইয়ের আগামী পর্বের জন্য।
লেখকের অসাধারণ বই এবং ভবিষ্যতে তার আরও সুন্দর রচনার জন্য শুভকামনা।
August 2, 2025
বইটা অনেক ভালো লেগেছে। অনেকদিন এমন জম্পেশ থ্রিলার বই পড়িনি। বইটা শেষ না করা পর্যন্ত সারাক্ষণ বইয়ের পরের কাহিনি কী হবে সেটা নিয়ে মাথায় চিন্তা ঘুরপাক খেয়েছে। মার্ডার মিস্ট্রি লাভারদের জন্য বেস্ট অপশন।
বইয়ের প্রচ্ছদটাও বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। বইটা যতই পড়েছি ততই ভালো লেগেছে। আয়না মহল ২ এর অপেক্ষায় রইলাম।
বইয়ের প্রচ্ছদটাও বেশ আকর্ষণীয় মনে হয়েছে। বইটা যতই পড়েছি ততই ভালো লেগেছে। আয়না মহল ২ এর অপেক্ষায় রইলাম।
March 26, 2026
এই ধরণের টান টান উত্তেজনাকর থ্রিলার বই বহুদিন পর পড়া হল। বইটি পড়তে গিয়ে এক বসাতে শেষ না করে উঠা রীতিমত অসম্ভব।
আমার কাছে দারূন লেগেছে।
আমার কাছে দারূন লেগেছে।
May 22, 2026
চমৎকার প্লট। ইন্টারেস্টিং শুরু এবং শেষটা ছিল দুর্দান্ত। এক সেকেন্ডের জন্য বোরিং লাগে নি। প্রতিটি অধ্যায় রহস্য রোমাঞ্চে ঠাসা।
থ্রিলার ও মিস্ট্রি মার্ডার বই হিসেবে আমার কাছে ১০/১০ দিব।
থ্রিলার ও মিস্ট্রি মার্ডার বই হিসেবে আমার কাছে ১০/১০ দিব।
June 25, 2026
wayy too much characters, but the last twist was good.
Displaying 1 - 22 of 22 reviews



















