বাররুমে মিল্ট র্যাভেনকে দেখে চমকে উঠল আনা। ঘৃণায় নীল হয়ে উঠল মুখ। ওর স্বামীর খুনির সাথে হুবহু মিল লোকটার। ছোট্ট একটা পাহাড়ি শহরের রোডহাউসের মালিক আনার বাবা অ্যান্টন সেনার্ক। একসময় ডাকাত দলের সদস্য ছিল। টেক্সাসে একটা ব্যাংকলুটের সব টাকা মেরে দিয়ে এই পাহাড়ি শহরে এখন গুছিয়ে বসেছে। কিন্তু দলনেতা শ্যালট বিশ্বাসঘাতক সদস্যকে খুঁজে বের করে দলবল নিয়ে হাজির হয়েছে। প্রথমে অস্বীকার গেলেও পরে টাকাটা ফিরিয়ে দিতে রাজি হলো সেনার্ক। শ্যালটকে নিয়ে গেল করোনা ক্লেইমে। উদ্দেশ্য, যেভাবে হোক খুন করবে তাকে। ওদিকে মিল্টের ভাই কুলিন তার লালসা মেটাতে হামলে পড়তে চাইছে আনার ওপর। কী করবে আনা? মিল্টের কাছে সাহায্য চাইবে? কিন্তু লোকটাকে যে সে ঘৃণা করে!
মাসুদ আনোয়ারের জন্ম ১ জানুয়ারি, ১৯৫৯ সালে (সন্দ্বীপ, চট্টগ্রাম)। বর্তমানে সাংবাদিকতার ও বার্তা বিভাগের অন্যান্য কাজের পাশাপাশি আমাদের জন্য লিখে যাচ্ছেন ওয়েস্টার্ন বই। সেবা প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত তার বই এর সংখ্যা ১৫ ছাড়িয়ে গেছে বেশ আগে।
বেশ অনেকদিন পর ওয়েস্টার্ন পড়লাম, আমি সম্ভবত এই জনরাটার উপর ব্যক্তিগতভাবে একটু বায়াসড।😷 মাসুদ আনোয়ার বেশ ভালো লিখেন, আগেও উনার বই পড়া হয়েছে এই বইটাও দারুণ। আর প্রকাশনীকেও ধন্যবাদ এই জনরা নিয়ে এই সময়ে এসেও এত সুন্দর কাজ করার জন্য। আশা করি আরও অনেক বই পাব।