Jump to ratings and reviews
Rate this book

সাংস্কৃতিক পুঁজি ও নতুন বাংলাদেশ

Rate this book
বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক পুঁজিকে জুতমতো লগ্নি করতে পারলেই কেবল মুনাফাটা রাষ্ট্রদেহে অনুবাদ করা সম্ভব হবে। এজন্য দরকার প্রথমত, জনগোষ্ঠীর প্রভাবশালী অংশে যে বিরোধমূলকতার সংস্কৃতি জেঁকে বসে আছে, তা নিরসনের জন্য কাজ করা। দ্বিতীয়ত, এ অংশে ‘ইসলামফোব’ যেসব উপাদান ক্রিয়াশীল, সেগুলোকে পদ্ধতিগতভাবে শনাক্ত করে দূরীভূত করা। তৃতীয়ত, ‘ইসলামি’ ভাবাদর্শকে ‘জাতীয়’ ইস্যুগুলোতে লিপ্ত করা, এবং ‘ইসলাম’ চর্চাকারীদের মধ্যে বদ্ধমূল ‘সেক্যুলারফোবিয়া’ দূর করার জন্য কাজ করা। চতুর্থত, মুসলমানি ও ইসলামি ভাবাবহে জীবনযাপন করা বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর বিশ্বাস ও সংস্কৃতি যেন মূলধারার আবহে কোনোরূপ অপরায়ণের শিকার না হয়, সে বিষয়ে নিত্য সচেতন থাকা। পঞ্চমত, ধর্ম ও ভাষার দিক থেকে ‘সংখ্যালঘু’ বলে গণ্য মানুষজন যাতে ‘সংখ্যাগুরু’ মানুষজনের অপরায়ণের শিকার না হয়ে রাষ্ট্রীয় তৎপরতায় একাত্মতা বোধ করতে পারে, সেজন্য বিরামহীন সজাগ থাকা। ষষ্ঠত, যেসব জাতিগোষ্ঠী সাংস্কৃতিক বিবেচনায় খুবই আলাদা, তারা যেন ‘নিজত্ব’ রক্ষা করে রাষ্ট্রের অংশীদার হতে পারে, সেদিকে কড়া মনোযোগ নিবদ্ধ রাখা।

160 pages, Hardcover

First published February 10, 2025

7 people want to read

About the author

Mohammad Azam

16 books12 followers

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
0 (0%)
4 stars
1 (33%)
3 stars
2 (66%)
2 stars
0 (0%)
1 star
0 (0%)
Displaying 1 - 2 of 2 reviews
Profile Image for Zahidul Islam Sobuz.
94 reviews3 followers
April 8, 2025
সাংস্কৃতিক পুঁজি ও নতুন বাংলাদেশ পড়লাম হালকা মনোযোগে। বা অত মনোযোগের প্রয়োজনই পড়েনি। যেহেতু লেখার ভঙিতে আজমীয় ভঙ্গি ছিল না।
শুরুতে প্রাককথন অংশটা না পড়ার কারণে অনেক লেখাই বিরক্তির উদ্রেক করছিল। মনে হচ্ছিল ডক্টর আজমের রাজনৈতিক সচেতনতা আবছা। কিংবা গা বাঁচানো টাইপ। সাহস সাহস নেই নেই ভাব।

তিনি এই বইটা শুরু করছেন মূলত ২০২৪ সালে আওয়ামী সরকার পতনের লেঞ্জা ধরে। তো শুরুর জায়গাগুলোতে তিনি খুব একটা বোল্ড না। আবার ২০০৮’এর নির্বাচনকে একটা গণতান্ত্রিক প্রসেসে ফেলে আওয়ামী লীগকে পাঁচ বছরের জন্য ক্ষমা করতে চাইলেন। নানান পলিটিক্যাল কারেক্টনেস ধরে ধরে এগুলেন।

কিন্তু শেষমেশ যতই বইয়ের ভেতর দিক যেতে থাকলাম আর বুঝলাম যে না তিনিই সত্যিই সমস্যাগুলোও ধরতে পারছেন আবার এগুলোর সমাধানেও কথা বলছেন। ভেরি গুড সাইন। আবার মনে হচ্ছিল বহুল চর্চিতই তো সব! নতুন কী!

আবার অনেক জায়গাতেই তিনি ধরতে পারছিলেন না সঠিক পালস। অ্যাকাডেমিক অ্যাপ্রোচ কেবল।

এই বইয়ের সবচেয়ে সুন্দর শেষের দুই সংযোজন। ওখানে অধ্যাপক আজমকে পাওয়া যায়। ভেতরে আড্ডাছলে মানুষ কত কী বলে মনে হচ্ছিল।

সবমিলিয়ে তবু ভালোই আর কি।

বইটা নিয়ে আধুনিক দুনিয়ার যে বড় খটকা বানান সেটা পদে পদে খেতে হবে। অনেক বানানই আছে প্যারালাল না। একেক জায়গায় একেকরকম। আবার অনেক বানান দেখে মনে হচ্ছে মোহাম্মদ আজম এসব ঠিক করতে চান না। সো বাচ্চারা সাবধান!
Displaying 1 - 2 of 2 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.