Typed from a manuscript in the possession of Amar Singh, this simple yet insightful book describes the family fortunes of at least two upper-class Bengali families during the last half of the nineteenth and the first few decades of the twentieth century. It traces the lives of three generations of women from the time they were children through adulthood, and the choices they made or that were made for them by the male members of their families. This work is a major scholarly contribution to studies in women's and gender history, South Asian history, British imperial history, and historiography.
খুবই কদাচিৎ কোন বইকে আমি পাঁচে পাঁচ রেটিং দিয়ে উঠতে পারি। কিন্তু এই বই আমার হাত থেকে ৫/৫ রেটিং ছিনিয়ে নিল। উনবিংশ শতকের প্রথম বা বিংশ শতকের শেষ। এই সময়ে বাংলার প্রচলিত ইতিহাস একটা অদ্ভুত যুগ সন্ধিক্ষণের সন্ধান দেয়। স্বদেশী জাগরণের ধারার এবং সে পথের পথিক উজ্জ্বল তারকামন্ডলীর চোখ ধাঁধানো আলোয় চাপা পড়ে যায় সেই সময়ের আরেকদল মানুষ যারা চলনে বলনে আচরণে সাহেব হতে চেয়েছিলেন। বাংলা ইঙ্গ-বঙ্গ সমাজের লোক বলে কিঞ্চিত হ্যাটাই দিয়েছে, তাদের মনে রাখেনি তেমন। কিন্তু বাংলার নারী স্বাধীনতার ইতিহাস খুব সম্ভবত এঁদের ছাড়া সম্পুর্ণ হয় না। এঁদের অনেকেই দীর্ঘসময় ইংল্যন্ডে বসবাস করেছেন, অনেকেই শিশুসন্তানদের পরিবারের থেকে ছিনিয়ে নিয়ে ইংল্যন্ডে পাঠিয়ে দিতেন পড়াশোনা করার জন্য ( উদাহরণ অরবিন্দ ), আবার অনেকে সেখানেই বাড়ি কিনে স্থায়ী ভাবে স্ত্রী পুত্র কন্যাদের পাঠিয়ে দিতেন। মনে রাখতে হবে তখনকার সময়ে এই পুরুষেরা উচ্চশিক্ষিত হলেও বেশিরভাগ স্ত্রীরাই তত শিক্ষিত নন, আর অন্তত প্রথম দিকে বাইরের দুনিয়ায় ততটা স্বচ্ছন্দও না। কেমন করে তারা মানিয়ে নিতেন? এই দেশ বিদেশের টানা পোড়েন কেমন ছায়া ফেলত তাঁদের জীবনে? তারই ছোট ছোট কিছু ছবি পাওয়া যায় এই বইতে। লেখিকা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সভাপতি উমেশ চন্দ্র ব্যানার্জীর কন্যা। লিখেছেন তাদের পরিবারের ( বাবার দিকের এবং স্বামীর দিকের ) এবং বিশেষত ইংল্যান্ড বাসের স্মৃতিকথা। মায়ের কথা লিখেছেন বিশেষ যত্ন করে। খুব সহজ ভাবে, আমিত্বকে একটুও প্রকট না করে, কিছুটা গসিপি টোনে লেখা একটি অনবদ্য বই।