Jump to ratings and reviews
Rate this book

তৃতীয়া #১

তৃতীয়া : মা'আতের পাত্র

Rate this book
৫০০০ বছর আগে প্রাচীন মিশরে জন্ম নেয়া এক সর্বনাশা অন্ধকার তার অশুভ ছায়া বিস্তার করেছে আধুনিক বাংলাদেশে৷ কেড়ে নিয়েছে শত শত প্রাণ৷ একদল অতি ক্ষমতাধর উম্মাদ জাগিয়ে তুলতে চাইছে হাজার হাজার বছর আগে ঘুমিয়ে পড়া প্রাচীন পিশাচকে৷ তছনছ হয়ে যাওয়া কতগুলো জীবন হারিয়ে যাচ্ছে আরো গভীর অন্ধকারে৷ একটু একটু করে প্রকাশিত হচ্ছে সুকৌশলে লুকিয়ে ফেলা প্রাচীণ ইতিহাস৷ যে ইতিহাস খুঁজে পাওয়া যাবে না কোনো গবেষণা বা ইতিহাসের বইয়ে৷ যে ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে প্রাচীণ মিশরের দ্বিতীয় সম্রাটের এক ভয়ানক ভুল৷ জড়িয়ে আছে এক নিষি/দ্ধ আদিম জাদুবিদ্যা৷ যে বিদ্যা চর্চা করার অনুমতি ছিলোনা স্বয়ং ফারাওয়ের৷ কিন্তু সেই নিষি/দ্ধ জাদু চর্চা করে কিছু মানুষ পর্দার আড়াল থেকে মেতেছে র/ক্ত আর মৃত্যুর মহোৎসবে৷ এর শেষ কোথায়, জানেনা কেউ৷ তৃতীয়া কে? মা'আতে পাত্র কী? কোথায় লুকিয়ে আছে প্রাচীণ মিশরের সর্পদেবী রেনেউতেত? আফ্রিকার মরু আর সাগর পাড়ি দিয়ে কী করে এলো সে এশিয়ার ছোট্ট এই দেশে? সহস্রাব্দের ঘুম ভেঙে সত্যিই কী জেগে উঠবে আদিম মহাসর্প?

128 pages, Hardcover

Published February 1, 2025

2 people are currently reading
15 people want to read

About the author

Ratings & Reviews

What do you think?
Rate this book

Friends & Following

Create a free account to discover what your friends think of this book!

Community Reviews

5 stars
6 (23%)
4 stars
10 (38%)
3 stars
5 (19%)
2 stars
3 (11%)
1 star
2 (7%)
Displaying 1 - 9 of 9 reviews
Profile Image for Rehnuma.
452 reviews22 followers
Read
May 12, 2025
#পাঠচক্র_রিভিউয়ার্স

❛ক্ষমতা, শক্তি বা প্রভুত্ব পেতে কে না চায়? সৃষ্টির শুরু থেকেই ক্ষমতার ল ড়াই চলছে। অলৌকিকের দুনিয়ায় নিজেকে জাহির করতে হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ ছুটে চলেছে। অতি মূল্যবান বা অলৌকিক কোনো বস্তুর সান্নিধ্যলাভ, তাকে নিজের করে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্য প্রজন্ম ধরে চলে আসছে ল ড়াই। ক্ষমতা এমন এক বস্তু যা ভালো হাতে উজ্জ্বল হয় আর খারাপ হাতে পড়লে বিপদ। ভালো আর মন্দের এই দ্বৈরথ চলছে, চলবে। শুধু এর বলি হবে মানুষ। যাদেরকে ক্ষমতাবানরা ই তর শ্রেণীর দাস হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন।❜

প্রাচীন মিশরে তথা পাঁচ হাজার বছর আগে এক ফারাও ছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল নিজের পিতার তৈরি শক্তিশালী মিশরকে আরো শক্তিশালী বানানো। পিতার নামে নয় নিজের নামকেই আরো উজ্জ্বল করতে চেয়েছিলেন তিনি। লক্ষ্যের খুব কাছে পৌঁছেও তিনি সফল হতে পারলেন না। শুধুমাত্র কোথাকার কোন ভারত উপমহাদেশের এক চোর নাকি অভিষ্ট সেই বস্তু নিয়ে পালিয়েছে। অপেক্ষা করতে হবে। কত যুগের অপেক্ষা?

মিশরীয় মিথলজি বিদ্যায় আর প্রত্নতত্ত্ব বিষয়ে হাশিম আব্বাস একজন যুগান্তকারী লোক। তার সুনাম ছড়িয়েছে আপন দেশ মিশর সহ বাইরেও। কিন্তু থাকে না চাঁদে কলঙ্ক? তেমনি তারও এক কালো দাগ আছে। সেটা তার পাঁচ হাজার বছর আগের এক ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতি অবসেশন। তিনি নিজের পুরো জীবন যেই সত্যের পিছে ব্যয় করেছেন সেটা কেউ বিশ্বাস করে না, হেসে উড়িয়ে দেয় কিংবা বলে পাগ লাটে। কিন্তু তিনি জানেন এটা সত্য। প্রমাণ পেয়েছেন তিনি তার বাংলাদেশী ছাত্র ইকবালের কথায়। কিন্তু এমন অদ্ভুত এক ঘটনা সে দেশের মানুষ বেমালুম ভুলে গেল! এর পিছে আছে অভাবনীয় ভয়ানক এক শক্তি। কিন্তু তিনি একা কী করবেন?
২০০৯ সালের এক দুপুরে বাংলার আকাশ আচমকাই কালো আঁধারে ঢেকে গেল। কিন্তু কেন, কী - কেউ জানে না। ভাইরাল যুগ শুরুর বহু বছর আগে বলে ঘটনাটা তেমন সাড়া ফেলল না। বা ফেলতে দেয়া হলো না!
২০১৫ সালে ছয় বছর বয়সী নিরার চোখের সামনে নৃশংসভাবে খু ন হয়ে গেল তার পিতা-মাতা। কিন্তু ঘটনার তেমন কিছুই সে মনে করতে পারেনা, কে ছিল বা কজন ছিল। এরপরেই কেমন অদ্ভুত আচরণ করতে থাকে সে।
তদন্ত কর্মকর্তা অমিত এমন অদ্ভুত কেস আগে দেখেননি। ঘটনা যত আগায় ততই প্যাঁচ লাগে। এই যেমন নিরার ঘটনার সাথে মিলে যাচ্ছে গত কয়েক বছরে একইভাবে ঘটা অনেকগুলো হ ত্যাকান্ড। তবে কি শহরে নতুন কোনো ক্রমিক খু নির আগমন?
কিন্তু ঘটনাগুলো একটা নির্দিষ্ট বছরের নির্দিষ্ট তারিখকে ঘিরেই কেন হচ্ছে? জবাব নেই, থাকলেও সেই জবাবের মুখোমুখি হতে হলে কোন বিপদ ধেয়ে আসবে অজানা।
কা কিংবা বা এরা কারা বা কী জিনিস? প্রতীক্ষিত সময় বলতে কী বোঝানো হলো? বাংলার মাটিতে মিশরের সেই হাশিম কী করছে আর তার পিছেই বা কে ছায়ার মতো অনুসরণ করছে?
জবাব হয়তো সামনে...


পাঠ প্রতিক্রিয়া:

❝তৃতীয়া - মা'আতের পাত্র❞ লেখক তামজীদ রহমানের লেখা তৃতীয়া ডুওলজির প্রথম বই।
মিথলজি আর আরবান ফ্যান্টাসির সাথে কিছুটা অতিপ্রাকৃত ঘটনার মিশেল আছে।
মিথলজির উপন্যাস ভাবলেই মনে হয় ইয়া বড়ো বই হবে। ইতিহাস আর ইতিহাস মিলে মাথা উল্টে যাবে। তবে এই বইটা মাথা উল্টে দেবার মতো আকৃতির না। সিরিজের সূচনা হিসেবে ১২৮ পৃষ্ঠার বই বেশ ছোটই।
দুই তিনটা সময়কালে এগিয়েছে গল্প। যার একদম প্রারম্ভ ছিল হাজার হাজার বছর আগের অতীত। যেখানে থেকে ঘটনার সূত্রপাত।
লেখক বেশ ধোঁয়াশার সৃষ্টি করেছেন। একের পর এক রহস্য এসেছে তবে উত্তর মেলেনি বেশি একটা। ঘটনা এখন তার ডালপালা মেলছে। সমাপ্তি অবশ্যই পরের বইতে হবে আশা করি।
আমার কাছে ভালোই লেগেছে বইটা। রহস্য, মিথ আর ফ্যান্টাসির স্বাদে লেখা উপন্যাসে লেখক আগ্রহ তৈরি করতে পেরেছেন। প্রাচীন মিশর, মিথ, হাজার বছর পরের ভালো-মন্দ শক্তির ল ড়াই আর কিছু নিরীহ বলি মিলে ভালোই এগিয়েছে প্রথম অংশ। দেখা যাক পরের অংশ কী হয়!

আরেকটা ব্যাপার, লেখক ভূমিকায় গল্পের ধারনা দিয়েছেন। তবে বললেন বইয়ের উৎসর্গ, কৃতজ্ঞতা স্বীকার বা ভূমিকা নাকি কেউ তেমন পড়ে না। এটা নিয়ে বড় লেখকদের তুলনাও টানলেন। আমার জন্য ব্যাপারটা একটু অবাকই লাগলো।নামই সাধারণত বইয়ের শুরু থেকে শেষ পুরোটাই পড়ি। নাহয় মনে হয় পুরো বইটা পড়া হলো না। অনেকেই যে পড়েনা এটা বরং আমার জন্য অদ্ভুত বিষয় ঠেকলো।

চরিত্র:

নিরা বেশ ছোট। তাকে এখানে লেখক তৈরি করছেন বিধায় যেটুক স্পেস দেয়া হয়েছে ঠিক লেগেছে।
অফিসার অমিতকে ভালো লেগেছে। পুলিশি প্রক্রিয়া যেটুক ছিল তাতে তার চরিত্র ভালোই ফুটেছে।
রেজাকে ঠিকই লেগেছে।
হাশিম আব্বাস চরিত্রটা আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। তবে আক্ষেপ তৈরি হয়েছে।
ইকবালের ভূমিকা সামনে আসবে আশা করি।
জুলকারকে বেশ ভালো সাজিয়েছেন লেখক। তার চরিত্রে রহস্য, ব্যক্তিত্ব আর সামনের দায়িত্বের ভার বেশ আসবে বোঝা যাচ্ছে।

প্রচ্ছদ, প্রোডাকশন:

বই দুটোর প্রচ্ছদ শুরুতে একটু ভয় জাগানিয়া লাগলেও পড়ার পরে প্রচ্ছদের রঙের সামঞ্জস্য আর অর্থটা ধরতে পারছি।

সম্পাদনা বা প্রুফ রিডিং যাই হোক মনোযোগী হওয়া দরকার ছিল। ফ্ল্যাপে লেখা অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। আমার কাছে যে কপি সেটাই এমন নাকি সবগুলো জানিনা। মেলার সময় তাড়াহুড়োর লক্ষণ। মুদ্রণ প্রমাদ ছিল বেশ কিছু। হাশিম আব্বাসকে একটা অধ্যায় পুরো হাসিম হিসেবে লেখা হয়েছে।
আরেকটা ভুল দেখেছি সেটা ভুল না পরের পর্বে আছে জানিনা। ঘটনা ঘটেছিল ২০০৯ সালে। উপন্যাসে সেটাই উল্লেখ আছে। তবে ফ্ল্যাপে লেখা ২০১৮ সাল। সেটা ২০১৫ এরপর তিনবছর পর যে ঘটনা সামনে ঘটবে সেটা উদ্দেশ্য করে দেয়া নাকি জানা নেই।

❛প্রাচীন বাণী সত্য হওয়ার পথে। জেগে উঠেছে গোপন শক্তি। সামনের পথ কঠিন। তবে যা সামনে আসছে প্রযুক্তির এই যুগ কি সেটা বিশ্বাস করবে?❜


Profile Image for Rafia Rahman.
418 reviews222 followers
May 1, 2025
❝মৃত্যুর পরে আখ্ পরিণত হয়, ম্যুত; অর্থাৎ মৃত্যুতে। কিন্তু কা এবং বা পৃথিবীতেই থেকে যায়। মৃত মানুষের সমাধির আশপাশে থেকে পাহারা দেয় মৃত মানুষটির পুনর্জন্ম হওয়া পর্যন্ত।❞

মিশরের বিখ্যাত আর্কিওলজিস্ট ড. হাশিম আব্বাস বহু বছর ধরে গবেষণা করছেন মিশরের অজানা সব রহস্য নিয়ে। কিন্তু নিজের কাজের প্রতি অতিমাত্রায় আসক্ত হওয়ার দরুন সম্পর্ক প্রায়ই ছিন্ন হয়ে গেছে পরিবারের সাথে। নিজের ফিল্ডের মানুষরাও তাঁকে বদমেজাজি পাগলাটে বুড়ো ভাবে। সত্য-মিথ্যার মারপ্যাঁচে যখন নিজের কাজ নিয়েই যখন সন্দেহ তৈরি হয় তখন একান্ত অনুগত বাংলাদেশী ছাত্র ইকবাল জানায় বাংলাদেশে অদ্ভুত কিছু হয়েছে। তাহলে ভবিষ্যৎবাণী মিথ্যে ছিল না! মা'আতের পাত্রের খোঁজে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। বুঝতেও পারেন না ছায়ার মতো কেউ পিছে ধাওয়া করে চলেছে...

বাংলাদেশে বেশ কিছু সময় ধরে সিরিয়াল কিলিং হচ্ছে। মা-বাবাকে মেরে ফেলে বাচ্চাদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে! কিন্তু কোন প্যাটার্ন ধরে কিলার শিকারী সিলেক্ট করছে বুঝতে পারছে না সিনিয়র সাব-ইন্সপেক্টর অমিত কুমার সাহা। অদ্ভুত একটা তথ্য জানতে পারেন। ভিক্টিমদের সন্তানদের জন্ম তারিখ ও সাল একই! পাঁচ হাজার বছর আগে মিশরের ভবিষ্যৎবা��ী কী ছিল? কালো ছায়ার মতো মানুষটা কে? আদোও কি মানুষ?

তৃতীয়া সিরিজের বই দুইটা অর্থাৎ ডুয়োলজি। বই শুরু করার আগে মাঝেমধ্যে ভূমিকা ও উৎসর্গ পড়ি। এইবারও তাই হয়েছে। সিরিজ শুরু করার আগে ভূমিকা অংশটা পড়ে নেওয়া ভালো তবে না পড়লেও ক্ষতি হবে না। মিথ, ফ্যান্টাসি, থ্রিলার, হররের কম্বাইন্ড প্যাকেজ তৃতীয়া ডুয়োলজি। বইয়ের কাহিনী কয়েকটা টাইমলাইনে দেখানো হয়েছে। মিশরের অতীতের কিছু ঘটনা দিয়ে শুরু তারপর ধীরে ধীরে কয়েকটা টাইমলাইন দেখিয়ে বর্তমানের খুনের কেসগুলোতে এসেছে। সিরিজের যেহেতু প্রথম বই পুরো রহস্য খোলাসা করা হয়নি। বেশ কিছু চরিত্র ও তাদের ব্যাকস্টোরি দেখানো হয়েছে। তবে আসল রহস্য "অতীত ভবিষ্যৎবাণী" নিয়ে তেমন কিছুই বলা হয়নি।

বইয়ের বড় একটা অংশ বলতে গেলে পাঠককে চরিত্রগুলোর সাথে পরিচয় করিয়েছে। কাহিনী তুলনামূলক কম মনে হয়েছে। জুলকার চরিত্রটা বেশি ইন্টারেস্টিং। তানিয়া চরিত্রটা আমার কেন জানি প্রথম থেকেই সন্দেহজনক মনে হচ্ছে। উড়ে এসে জুড়ে বসার মতো অবস্থা। পুলিশিং ইনভেস্টিগেশন অংশ খুবই কম হয়ে গেছে। "নেসেসারি ইভিল" দিয়ে বইয়ের সমাপ্তি টানা হয়েছে। এতো এতো প্রশ্নের উত্তর জানাতেই দ্বিতীয় বইটা ধরতে হবে।

অল্পকিছু বানান ভুল আছে। বইয়ে সুন্দর একটা ইলাস্ট্রেশন আছে। "Don't judge a book by its cover" অতিপ্রচলিত একটা বাক্য হলেও বই নেওয়ার সময় কখনো কখনো ভুলে যাই। এইবারও তাই হয়েছে। সিরিজ শেষ না করে আপাতত কিছু বলবো না। দেখা যাক ইতি কেমন হয়। ওভারঅল বইয়ের প্রোডাকশন ভালোই হয়েছে।

বই: তৃতীয়া : মা'আতের পাত্র (তৃতীয়া ডুয়োলজি #১)
লেখক: তামজীদ রহমান
জনরা: মিথলজিক্যাল থ্রিলার
প্রচ্ছদ: পরাগ ওয়াহিদ
প্রকাশনী: নয়া উদ্যোগ
প্রথম প্রকাশ: বইমেলা ২০২৫
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ১২৮
মুদ্রিত মূল্য: ৩২০/-

Profile Image for Raiyan Hassan.
4 reviews
May 23, 2025
📚 তৃতীয়া ডুয়োলজি — এক শ্বাসরুদ্ধকর থ্রিলার অভিযান
বাংলাদেশি লেখকের কলমে রচিত “তৃতীয়া ডুয়োলজি” নিঃসন্দেহে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য কল্পবিজ্ঞান ও থ্রিলার সাহিত্যকর্ম। এই ডুয়োলজির দুই খণ্ড একত্রে গড়ে তুলেছে এমন এক সাহিত্যিক ভুবন, যেখানে ইজিপ্টীয় মিথোলজি ও আধুনিক বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট এক আশ্চর্যরকম সামঞ্জস্যে মিলেমিশে গেছে। এটি কেবল একটি কাহিনি নয় — বরং এক নিঃশ্বাস-আটকে রাখা পাঠ-অভিজ্ঞতা।

📖 গল্পের নির্মাণ ও গতি:
প্রথম খণ্ডে গল্পের পটভূমি সুচিন্তিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে। চরিত্রগুলোর পরিচিতি, তাদের মানসিক জটিলতা, এবং প্লটের সূক্ষ্ম সূচনা — সবই এক ধৈর্যশীল ছন্দে এগিয়েছে।

দ্বিতীয় খণ্ডে কাহিনির গতি হঠাৎ করেই নাটকীয়ভাবে বাড়ে। একের পর এক টানটান মিশন, অপ্রত্যাশিত প্লট টুইস্ট আর শ্বাসরুদ্ধকর মুহূর্তে ঠাসা — প্রতিটি অধ্যায় যেন পাঠককে বইটি হাতছাড়া করতে না দিয়ে পরবর্তী পৃষ্ঠার দিকে টেনে নেয়।

🎯 গল্পের বিশেষত্ব:
🔄 Four Act Structure:
গল্পটি রচিত হয়েছে Four Act structure-এর ভিত্তিতে, যা কাহিনির গভীরতা ও নাটকীয়তা বহুগুণে বাড়িয়ে তুলেছে। এখানে কোনো ‘plot armor’ নেই — অর্থাৎ চরিত্রগুলোর ভাগ্য একেবারেই অনিশ্চিত। কে কখন মারা যাবে, সেটা আগাম বোঝার উপায় নেই। এই অনিশ্চয়তা গল্পে উত্তেজনা ও উদ্বেগ দুটোই অনবদ্যভাবে ধরে রাখে।

🌍 ইজিপ্টীয় মিথোলজি ও বাংলাদেশি প্রেক্ষাপট:
বাংলাদেশি লেখক যেভাবে প্রাচীন ইজিপ্টীয় পুরাণকে আধুনিক বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বাস্তবতার সঙ্গে গাঁথতে পেরেছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসাযোগ্য। বিষয়বস্তুর মৌলিকতা ও কল্পনার বিস্তার পাঠককে মোহিত করে রাখে।

📚 পাঠ অভিজ্ঞতা:
লেখার ভাষা সহজ, সাবলীল ও বর্ণনামূলক। দৃশ্যপট বর্ণনায় লেখকের মুন্সিয়ানা স্পষ্ট — চরিত্র ও ঘটনাপ্রবাহ যেন চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগতভাবে বলতে গেলে, বইটির টান এতটাই ছিল যে ডুয়োলজির দুই খণ্ড একটানা দেড় দিনে শেষ করতে বাধ্য হয়েছি!

🔚 চূড়ান্ত মন্তব্য ও ক্লাইম্যাক্স:
গল্পের ক্লাইম্যাক্স ছিল অতুলনীয় — আবেগ, উত্তেজনা আর আশ্চর্যের দারুণ মিশেল। শেষ পর্যন্ত এসে গল্পটি এক গভীর প্রভাব ফেলে যায়।

✅ কাদের জন্য এই বই?
যারা কল্পকাহিনি, থ্রিলার, মিথোলজি এবং সংস্কৃতির মিশ্রণ ভালোবাসেন — তাদের জন্য "তৃতীয়া ডুয়োলজি" একদম পারফেক্ট। বিশেষ করে যারা মিথোলজিকে আধুনিক সেটিংয়ে কল্পনা করতে ভালোবাসেন, এই বইটি তাদের পড়তেই হবে।


⭐ রেটিং: ★★★★★ (৫/৫)
Profile Image for Abul Hossain Moon.
220 reviews
February 20, 2026
পুরা বই শুধু হাইপ আর বিল্ড আপ দিতে দিতে শেষ করলো। সাথে রাইটার সাহেব নিজের ভাবাদর্শকে প্রোপাগাণ্ডার মত করে এতবার এত জায়গায় বলেছেন যে বইটা পড়তে মেজাজ বিগড়ে যায়।এই লোক নিজের আদর্শ আর বিশ্বাসের গরিমা নিয়ে চিল্লাতে ভালোবাসেন মে বি। যে কোন বই ট্রিলোজী বা ডুয়োলজির অংশ হলেও তার একটা শেষ থাকে যেখানে কিছু উত্তর পাওয়া যায়। এই বই শেষ হয় এমনভাবে যেন জাস্ট বইয়ের আরেকটা অধ্যায় শেষ হলো। টাকার লোভে লেখক আর প্রকাশক মে বি একটা বইকে অযথা ভেঙ্গে দুইটা বইয়ে রুপ দিয়েছেন।
ইসলাম পুরাণ আর মিশর পুরাণ একই সাথে একই সময়ে সত্য হতে পারে নাহ। একই সময়ে যে কোন একটা সত্য কিন্তু লেখক দুটাকেই এক সাথে জোর করে এক করেছেন। মিশর পুরাণের ফ্যান্টাসিতে আল্লাহ আর মুসা আ ঢুকে গেছেন যার কোন যুক্তি নাই ও কাহিনীর সাথে এটা সাংঘর্ষিক। আর লেখক যে এটা ধর্মকে প্রচন্ড ঘেণ্ণা করেন তা তো বোঝাই যায় যেখানে একজন রাইটারের কাছ থেকে অন্তত কিছু সাটলটি আশা করেছিলাম।

আর একটা ১২৮ পৃষ্ঠার বইয়ের এর এত দাম কেমনে?
আশা করি সেকেন্ড বইটা এই সময় আর পয়সা নষ্টের কিছু অংশ উসুল করে দেবে।
Profile Image for Sadid Sadid.
6 reviews
September 2, 2025
তামজীদ রহমানের তৃতীয়া সত্যিই এক ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা। প্রথম খণ্ডটি ধীর গতিতে শুরু হলেও চরিত্র নির্মাণ, পরিবেশ বর্ণনা এবং রহস্যময় আবহ পাঠককে গভীরভাবে গল্পের ভেতরে টেনে নেয়। প্রাচীন মিশরের অশুভ শক্তি আর আধুনিক বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের মেলবন্ধন চমৎকারভাবে ফুটে উঠেছে। চরিত্রগুলো বহুমাত্রিক এবং তাদের সিদ্ধান্তগুলো একেবারেই বাস্তব মনে হয়। লেখকের ভাষাশৈলী সহজ হলেও কাব্যিক ছোঁয়া আছে, যা পাঠে বাড়তি সৌন্দর্য যোগ করে। এই খণ্ড মূলত পটভূমি তৈরি করে—এবং শেষ দিকে এসে যে সাসপেন্স তৈরি হয়, তা দ্বিতীয় খণ্ড পড়ার জন্য একরকম বাধ্য করে। কল্পবিজ্ঞান ও থ্রিলারের ভক্তদের জন্য এটি এক অসাধারণ সূচনা।
Profile Image for Alfred.
2 reviews
April 10, 2025
চমৎকার একটি বই। দুই খণ্ডের বই মিলিয়েই গল্পটা এগিয়েছে। প্রথম খণ্ডটি কিছুটা ধীর গতির। কিন্তু দ্বিতীয় খণ্ডটি একদম টানটান থ্রিলার আর ফাস্ট পেস। দ্বিতীয় খণ্ডের আবার শেষের অর্ধাংশকে এক কথায় বলা যায় 'অ্যাবসোলিউট সিনেমা' । আসলেই মনে হচ্ছিল কোনো মুভি দেখছি। গল্পের নাটকীয়তা, অনাকাঙ্ক্ষিত মোড় এবং সবশেষে সমাপ্তি—সব মিলিয়ে বেশ ভালো লেগেছে। অনেক দিন পর আনপ্রেডিক্টেবল গল্পের একটা বই পড়লাম। Highly recommended!
Profile Image for Sumaiya.
292 reviews4 followers
June 4, 2025
২.৫/৫ ⭐️
সিরিয়াল কিলিং নিয়ে সাসপেন্স টা সন্তোষজনক!
রেজা অমিত ইকবাল আব্বাস এদের রোল গুলো ভালোই ছিলো।
কাহিনী যেহেতু এখানে অসমাপ্ত, তো যাই দ্বিতীয় পার্ট এ ডুব দিয়ে আসি 😅
Displaying 1 - 9 of 9 reviews

Can't find what you're looking for?

Get help and learn more about the design.