'আশা’ গ্রুপের প্রোমটার নবীন প্রামাণিক। কোটিপতি। অর্থের আঁতিপাঁতি নেই যার। লোকে বলে উত্তর কলকাতার কাউন্সিলর ও এম পি সমরেশ মিত্রর সন্তানসম সে। তার সদ্য বিবাহিতা স্ত্রী সুকন্যাও শিল্পপতি সমরেন্দ্র দত্তর একমাত্র সন্তান। ১লা মে অর্থাৎ শ্রমদিবসে রাজারহাটের ফ্ল্যাটের কাজের অগ্রগতি দেখতে অফিসে যায় নবীন। ফিরে এসে মোবাইলে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে মেসেজ চেক করেতে গিয়েই বিস্ময়ে হতবাক সে। সুকন্যার মেসেজ। জানিয়েছে – সুকন্যা তার পছন্দের ছেলের সাথেই নবীনের ঘর ছেড়ে চিরদিনের মতো বিদায় নিচ্ছে। সুকন্যা তার বাবাকেও একই মেসেজ জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে। কাল পর্যন্ত যে মেয়েটা সহজ সরল স্বাভাবিক ছিল, হঠাৎ করেই সে নবীনকে ছেড়ে গেল কেন? এ কী সত্যিই কোনো পরকীয়াজনিত কেস? নাকি কেউ বা কারা অপহরণ করে নিয়ে গেছে সুকন্যাকে? এমন তো নয় যে নবীনই কোনো বিশেষ কারণে সুকন্যাকে অপহরণ করেছে বা করিয়েছে? সুকন্যা আদৌ বেঁচে আছে তো? এটা কোনো অনার কিলিং এর কেস নয় তো? নাকি পেছনে আছে কোনো গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র? ‘সুকন্যা অপহরণ’ কেস সল্ভ করার ভার পড়েছে সি আই ডিতে। এ সি পি অনুপম গাঙ্গুলী এই কেস সল্ভ করতে ভার দিয়েছেন তাঁর ডিপার্টমেন্টের সবচেয়ে দুঁদে ডিটেকটিভ সাব ইন্সপেক্টর সত্যেন দত্তকে - লোকে যাকে ‘শয়তান’ বলে ডাকে। মানুষ হিসেবে লোকটা ভালো না খারাপ তা ঠিকমতো বুঝে উঠতে পারেনি কেউ ঠিকঠাক। ‘শয়তান’ কি পারবে এইরকম কমপ্লিকেটেড কেস সল্ভ করতে?