পিউ হারিয়ে গেছে। তাকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব নিয়েছে শৈবাল। ভয়ংকর সাইবার ষড়যন্ত্রের শিকার পিউ। অন্যদিকে শৈবালের মনের মানুষ সায়নী পথ-দুর্ঘটনায় অচৈতন্য প্রায় ছ’মাস ধরে। শৈবাল অপেক্ষায় থাকে সায়নীর জেগে ওঠার। তার বিশ্বাস সঞ্চারিত হয় মহুয়ার মধ্যেও। কোমায় অচৈতন্য সন্তানের পাশে লড়ে চলে মহুয়া। পিউয়ের বাবা নিরুপম সারাটা জীবন ধরে হারিয়েছেন তাঁর সব ভালবাসার মানুষদের। পিউকে কি খুঁজে বের করতে পারবে শৈবাল? সম্পর্কের টানাপোড়েনে কে কতটুকু হারে, জেতেই বা কতটা? মনের গহনে যে গোপন কুঠুরি, সেই ঘরেরই সন্ধান করে চলে ‘ঘরের ভিতর ঘর’ উপন্যাসের কুশীলবরা।
সোমজা দাসের জন্ম উত্তরবঙ্গের জেলাশহর কোচবিহারে। সেখানেই বেড়ে ওঠা। বাংলা সাহিত্যের প্রতি ভালোবাসা সেই শৈশব থেকে। জলপাইগুড়ি গভর্নমেন্ট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন এবং কলকাতায় একটি বহুজাতিক তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কর্মজীবন শুরু করেন। লেখকের এখন অবধি প্রকাশিত একক বইগুলি হল ‘এক কুড়ি পাঁচ গল্প’, ‘টাপুরদির গোয়েন্দাগিরি’, ‘কৃষ্ণগহ্বর’ ও ‘নিকষিত হেম’, ‘কাল-কূট’ ও ‘মৃতেরা কোথাও নেই’। আনন্দবাজার এছাড়াও পত্রিকা, আনন্দমেলা, কিশোর ভারতী, বর্তমান পত্রিকা, সাপ্তাহিক বর্তমান, সুখী গৃহকোণ, উত্তরবঙ্গ সংবাদ, গৃহশোভা ও আরও অনেক পত্রপত্রিকা ও গল্প সংকলনে লিখেছেন এবং লিখছেন। লেখালেখি ছাড়াও প্রচুর পড়তে ভালোবাসেন তিনি। নিজেকে তিনি লেখকের চাইতে মগ্ন পাঠক হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।