What do you think?


অদ্ভুতুড়ে #50
এক আশ্চর্য ফেরিওয়ালা
সে ফেরি করে আশ্চর্য সব বস্তু। গন্ধের হুইসল, রশ্মি বিকিরক টর্চ, আরও অদ্ভুত সব জিনিস…। বিজ্ঞান গবেষক গজপতির কাছে তার আনাগোনা। সময়চারী সে, এক কাল থেকে অন্য কালে তার যাতায়াত। সেই আশ্চর্য মানুষকে নিয়েই শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের এই কাহিনি।
136 pages, Hardcover
First published January 1, 2025
About the author
Shirshendu Mukhopadhyay
412 books965 followersশীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
তিনি ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে (বর্তমানে বাংলাদেশের অংশ) জন্মগ্রহণ করেন—যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময় তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরিরত পিতার সঙ্গে তিনি অসম, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। তিনি কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত।
তাঁর প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে সেই একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে তাঁর প্রথম উপন্যাস ঘুণ পোকা প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তাঁর প্রথম উপন্যাসের নাম মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি।
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 12 of 12 reviews
August 30, 2022
৩.৫/৫
ইতিবাচক দিক- জমিদার বাড়ি, হারানো রাজপুত্র, গুপ্তধন বা পূর্বপুরুষের ভূত নেই এবারের অদ্ভুতুড়ে-তে।গল্প বলতে বলতে খেই হারিয়ে ফেলার ব্যাপারটাও অনুপস্থিত। পুরো গল্প বেশ গোছানো (এবং বেশ ডার্ক)।
নেতিবাচক দিক- হাস্যরসের পরিমাণ কম।শেষটুকু ভালো কিন্তু অতোটা উত্তেজনাপূর্ণ নয়।
সব মিলিয়ে পড়তে ভালো লাগলো। বিভিন্ন গ্রুপে সবাই এই অদ্ভুতুড়ে-কে পুরনো সেরা বইগুলোর সাথে তুলনা দিচ্ছে, সেরকম কিছু মনে হয়নি অবশ্য।
ইতিবাচক দিক- জমিদার বাড়ি, হারানো রাজপুত্র, গুপ্তধন বা পূর্বপুরুষের ভূত নেই এবারের অদ্ভুতুড়ে-তে।গল্প বলতে বলতে খেই হারিয়ে ফেলার ব্যাপারটাও অনুপস্থিত। পুরো গল্প বেশ গোছানো (এবং বেশ ডার্ক)।
নেতিবাচক দিক- হাস্যরসের পরিমাণ কম।শেষটুকু ভালো কিন্তু অতোটা উত্তেজনাপূর্ণ নয়।
সব মিলিয়ে পড়তে ভালো লাগলো। বিভিন্ন গ্রুপে সবাই এই অদ্ভুতুড়ে-কে পুরনো সেরা বইগুলোর সাথে তুলনা দিচ্ছে, সেরকম কিছু মনে হয়নি অবশ্য।
August 27, 2022
পড়ে ফেললাম এই বছরের 'অদ্ভুতুড়ে'।
দীর্ঘদিন ধরে অনুযোগ শীর্ষন্দুবাবুর 'অদ্ভুতুড়ে' আর নেই; সত্যিকারের অদ-ভূত হয়ে গিয়েছে। তাই পড়ে আরাম পাওয়া যাচ্ছিল না। এবার সেই খেদ খানিকটা পূরণ করলেন শীর্ষেন্দু মশাই।
টর্চলাইট অথচ বাতি জ্বলে না, বাঁশি কিন্তু বাজে না - এমনসব আজব জিনিস ফেরি করে ন্যালাখ্যাপা ধরনের কালীচরণ। আর, তার প্রায় স্থায়ী খদ্দের সাবেক বিজ্ঞানী আলাভোলা গজপতিবাবু। এদিকে বাবাকে বাঁচাতে শ্যাডো নিলো মানুষ হত্যার কাজ। সে কি পারবে খুন করতে?
দীর্ঘদিন ধরে অনুযোগ শীর্ষন্দুবাবুর 'অদ্ভুতুড়ে' আর নেই; সত্যিকারের অদ-ভূত হয়ে গিয়েছে। তাই পড়ে আরাম পাওয়া যাচ্ছিল না। এবার সেই খেদ খানিকটা পূরণ করলেন শীর্ষেন্দু মশাই।
টর্চলাইট অথচ বাতি জ্বলে না, বাঁশি কিন্তু বাজে না - এমনসব আজব জিনিস ফেরি করে ন্যালাখ্যাপা ধরনের কালীচরণ। আর, তার প্রায় স্থায়ী খদ্দের সাবেক বিজ্ঞানী আলাভোলা গজপতিবাবু। এদিকে বাবাকে বাঁচাতে শ্যাডো নিলো মানুষ হত্যার কাজ। সে কি পারবে খুন করতে?
July 5, 2023
আশ্চর্য এক অদ্ভুতুড়ে গল্প।
October 18, 2022
বইয়ের নাম দেখে বিশেষ ভরসা পাইনি, কিন্তু শীর্ষেন্দুর যে কোন লেখা পড়লে ঠকতে হয় না, হাতের গুণে ছালবাকলও ভাল রান্না হয়ে যায়।
November 29, 2022
নীল গেম্যানের 'আমেরিকান গডস'এর শ্যাডো'র মতন এখানেও এক শ্যাডো আছে - সে শ্যাডো'র মতন এই শ্যাডো সেনগুপ্ত'রও যাত্রা শুরু হয় পারিপার্শিক ঘটনাচক্রের ফাঁদে পড়ে। তারপর শীর্ষেন্দুসুলভ অনেক কিছুই আছে এখানে - আধপাগলা বিজ্ঞানীপ্রবর, রাগী গিন্নী, কিছু হেরো ভীতু লোক, চোর, অসাধু, নৃশংস কিছু খুনে। কিন্তু এ গল্প ঠিক অদ্ভুতুড়ে নয়। শহুরে মধ্যবিত্ত অ্যাংস্ট, জেন-Z 'র অস্থির, নিরাপত্তাহীন অসহায়তা - সব মিলিয়ে এ এক প্রাপ্তবয়স্ক লেখা।
ভালো লেখা। টপ ১০ অদ্ভুতুড়েতেও চলে আসতে পারে হয়তো ............... নাহঃ, recency bias. অতটা ভালো নয়। কিন্তু ভালো।
কিন্তু সে গল্প আজ থাক । আজকে অন্য কিছু একটা শুনুন।
আমার বাবা এসেছে ব্যাঙ্গালোরে। মা চলে যাওয়ার পর থেকে প্রতি বছরেই মাসতিনেকের জন্যে আসে বাবা। আমাদের বসার ঘরে একটা প্রকান্ড ইজিচেয়ার রয়েছে, আমরা বলি 'সিংহাসন' , বাবা সেখানেই বসে থাকে বেশিরভাগ সময়- সকালবেলায় দিয়েগোকে বাসস্টপে ছেড়ে আসা, পাশের পার্কে বারদুয়েক চক্কর, আর টুকিটাকি বাজার করে আনা ছাড়া। একটু আধটু বিশ্বকাপও চলছে।
কথা কম'ই হয় আমার, বাবার সঙ্গে। শান্ত, চুপচাপ মানুষ আমার বাবা, মা চলে যাওয়ার পরে যেন আরও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে। রাশীর সঙ্গে যদিও অনেক কথা হয়। আমার বোনের সঙ্গেও - প্রতি দিন'ই সকালে শুনি বোন ফোন করেছে আমেরিকা থেকে - ' কী রে বিটিয়া , কেমন হলো অফিস?' প্রতিদিন'ই শুনতে পাই। বোধহয় আমার সঙ্গেই কথা কম হয়, আগেও তাই হতো।
তবে বাবা এসেছে। বাইরের ঘরে বসে থাকে বাবা - অফিসে যাওয়ার সময় 'আসছি বাবা ' , কখনো কখনো 'বাবা, শ দুয়েক টাকা দাও তো, চেঞ্জ নেই'; আবার কখনো কখনো বাবার 'অ্যাই, বাইরে এতো ঠান্ডা, জ্যাকেট পরে বেরো আজ'।
বাবা বসে আছে বাইরের ঘরে। বাবা এসেছে ব্যাঙ্গালোরে। বাবা আছে।
ভালো লেখা। টপ ১০ অদ্ভুতুড়েতেও চলে আসতে পারে হয়তো ............... নাহঃ, recency bias. অতটা ভালো নয়। কিন্তু ভালো।
কিন্তু সে গল্প আজ থাক । আজকে অন্য কিছু একটা শুনুন।
আমার বাবা এসেছে ব্যাঙ্গালোরে। মা চলে যাওয়ার পর থেকে প্রতি বছরেই মাসতিনেকের জন্যে আসে বাবা। আমাদের বসার ঘরে একটা প্রকান্ড ইজিচেয়ার রয়েছে, আমরা বলি 'সিংহাসন' , বাবা সেখানেই বসে থাকে বেশিরভাগ সময়- সকালবেলায় দিয়েগোকে বাসস্টপে ছেড়ে আসা, পাশের পার্কে বারদুয়েক চক্কর, আর টুকিটাকি বাজার করে আনা ছাড়া। একটু আধটু বিশ্বকাপও চলছে।
কথা কম'ই হয় আমার, বাবার সঙ্গে। শান্ত, চুপচাপ মানুষ আমার বাবা, মা চলে যাওয়ার পরে যেন আরও নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে। রাশীর সঙ্গে যদিও অনেক কথা হয়। আমার বোনের সঙ্গেও - প্রতি দিন'ই সকালে শুনি বোন ফোন করেছে আমেরিকা থেকে - ' কী রে বিটিয়া , কেমন হলো অফিস?' প্রতিদিন'ই শুনতে পাই। বোধহয় আমার সঙ্গেই কথা কম হয়, আগেও তাই হতো।
তবে বাবা এসেছে। বাইরের ঘরে বসে থাকে বাবা - অফিসে যাওয়ার সময় 'আসছি বাবা ' , কখনো কখনো 'বাবা, শ দুয়েক টাকা দাও তো, চেঞ্জ নেই'; আবার কখনো কখনো বাবার 'অ্যাই, বাইরে এতো ঠান্ডা, জ্যাকেট পরে বেরো আজ'।
বাবা বসে আছে বাইরের ঘরে। বাবা এসেছে ব্যাঙ্গালোরে। বাবা আছে।
আর রাতে উপরের বার্থে কম্বল চাপা দিয়ে ঘুমিয়ে সে স্বপ্ন দেখছিল, ছোট্ট শ্যাডো , অর্থাৎ সে, তার বাবার হাত ধরে গুটগুট করে হেঁটে যাচ্ছে।
কে যেন জিজ্ঞেস করল, ‘‘কোথায় যাচ্ছ শ্যাডো ?’’
শ্যাডো খুব অহঙ্কারের সঙ্গে বলল, ‘‘রথের মেলায়। আমার বাবার সঙ্গে।’’
July 7, 2025
পুরোনো সেই অদ্ভুতুড়ের অমৃতসম স্বাদ ফিরে পেলুম।
August 30, 2022
৮৬ বছর বয়সে এমন দুর্দান্ত কিশোর উপন্যাস। মন; সে যে কল্প ডানায় চিরতরুণ, চিরসবুজ। শীর্ষেন্দু প্রমাণ দিলেন। শীর্ষেন্দু বলেই সম্ভব।
July 24, 2024
দেশের অস্থিরতার মধ্যে আরেকটা কিশোর উপন্যাস পড়লাম।মুগ্ধ হলাম এর প্লটের জন্য,লেখকের লেখনীর জন্য এবং লাস্টের টুইস্টের জন্য। অন্যরকম সুন্দর একটা উপন্যাস
Read
December 7, 2024অদ্ভূতুড়ে সিরিজের কাণ্ডকারখানা বারবার পড়ি। ভদ্র চোর, মজাদার ডাকাত, গুপ্তধনের হাতছানি,পাগল বৈজ্ঞানিক, ভীরু ভূত, কবি-গোয়েন্দা-রাজা-জমিদার : জমজমাট সাড়ে বত্রিশ ভাজা। হরিদাসের বুলবুল ভাজার মতোই মুখরোচক, কিন্তু পুষ্টিহীন।
বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথ থেকে হাল ফ্যাশনের বাঙালি লেখক কেউই "পরদ্রব্য লোষ্ট্রবৎ" ত্যাগ করতে পারলেন না !!!
বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথ থেকে হাল ফ্যাশনের বাঙালি লেখক কেউই "পরদ্রব্য লোষ্ট্রবৎ" ত্যাগ করতে পারলেন না !!!
July 12, 2025
চমৎকার!
August 30, 2026
কালুদা'র উদ্দেশ্য পরিষ্কার না। মনে হল শ্যাডোর বাবাকে বাঁচানোর জন্যই সম্পূর্ণ গল্পটি তৈরি করা হয়েছে। যা হোক সময় কাটানোর জন্য বেশ ভালই বলতে হবে।
March 15, 2025
অনেক, অনেক দিন বাদে বেশ একটা নতুন আঙ্গিকে শীর্ষেন্দুর অদ্ভুতুড়ে সাইফাই উপন্যাস পেলাম! গল্পের একটা অংশ চিরচারিত অদ্ভুতুড়ে সেটাপের মতন, চিরন্তন বাংলার গ্রাম-গঞ্জ এলাকা, আত্মভোলা পাগলাটে বিজ্ঞানী, কিম্ভুত প্রায়-অলৌকিক ক্ষমতাসম্পন্ন কিছু আপাত-সাধারণ বস্তু, একজন রহস্যময় ফেরিওয়ালা, আধিভৌতিকের আড়ালে সময় পরিভ্রমণের মতো জটিল সাইফাই ব্যাপারস্যাপার। তবে গল্পের আরেকটা অংশ যেন পুরোদস্তুর রগরগে মার্ডার থ্রিলার: মূল চরিত্র বেকার যুবক শ্যাডো দাশগুপ্ত তার অসুস্থ বাবার অপারেশনের টাকা জোগাড় করতে কিছু ধোঁয়াটে মন্দলোকের পাল্লায় পড়ে একজন অপরিচিত মানুষকে খুন করতে রাজি হয়, আর যেন শীর্ষেন্দুর কোনো বড়দের থ্রিলার কাহিনির সুপারসিরিয়াস আধুনিক কলকাতার জগৎ থেকে রাতারাতি উঠে এসে আবির্ভূত হয় সেই হালকামেজাজের হাস্যরসাত্মক অদ্ভুতুড়ে গল্পের সময় থেমে থাকা গ্রামীণ মফস্বল এলাকায়!
খুব আগ্রহোদ্দীপক ঘটনাক্রম, সন্দেহ নেই। আমি তো শুরুর দিকে পুরো কনফিউজড হয়ে রীতিমত সন্দিহান হয়ে পড়ছিলাম দুইটা আলাদা উপন্যাস ভুলক্রমে একত্রে চলে এলো কি না! যাইহোক, শ্যাডোর মতো একজন নভিসকে কাকে বা কেন খুন করতে পাঠানো হলো আর পাগলাটে বিজ্ঞানী গজপতিবাবু, তার সংগ্রহ করা অদ্ভুত ক্ষমতাসম্পন্ন জিনিসগুলি বা হতদরিদ্র ফেরিওয়ালা কালীচরণের সাথেই বা তার কী সম্পর্ক সেটাই গল্পের প্রধান জটিলতা। বরাবরের মতোই টানটান গল্পকথন, জমজমাট ঘটনাপ্রবাহ, মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে একটানে পড়ে ফেলা। সমাপ্তিটাও খানিকটা গুছিয়েই রয়েসয়ে দেয়া, ঠাস করে আচমকা শেষ করে দেয়া হয়নি।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এই ৮৮-৯০ বছর বয়সেও অভিনব ধারার কিছুটা অন্যরকম অদ্ভুতুড়ে থ্রিলার উপন্যাস পাঠকদের উপহার দিচ্ছেন, সেটাও তাঁর আদি অকৃত্রিম সম্মোহনী সুলিখনির সুখপাঠ্য গল্পকথনের, ভাবতেও অবিশ্বাস্য লাগে। মন ভালো হয়ে গেলো।
বি:দ্র: এক তারা কাটা হলো এযাত্রায় অদ্ভুতুড়ে সিরিজের ট্রেডমার্ক বিমলানন্দ হাস্যরসটুকু পরিমাণে বেশ কম পড়ায়। আর গজপতিবাবুর বেকায়দা অবস্থার বিন্দুমাত্র কোন পরিবর্তন ঘটলো না, বিশেষত হাড়বজ্জাত গোপালও শেষে কোনোভাবে শায়েস্তাই হলো না দেখে আরো হাফ তারা মাইনাস। ভেবেছিলাম গজপতিবাবু শেষমেষ একটা উচিত শিক্ষা দিবেন, কিসের কি!
খুব আগ্রহোদ্দীপক ঘটনাক্রম, সন্দেহ নেই। আমি তো শুরুর দিকে পুরো কনফিউজড হয়ে রীতিমত সন্দিহান হয়ে পড়ছিলাম দুইটা আলাদা উপন্যাস ভুলক্রমে একত্রে চলে এলো কি না! যাইহোক, শ্যাডোর মতো একজন নভিসকে কাকে বা কেন খুন করতে পাঠানো হলো আর পাগলাটে বিজ্ঞানী গজপতিবাবু, তার সংগ্রহ করা অদ্ভুত ক্ষমতাসম্পন্ন জিনিসগুলি বা হতদরিদ্র ফেরিওয়ালা কালীচরণের সাথেই বা তার কী সম্পর্ক সেটাই গল্পের প্রধান জটিলতা। বরাবরের মতোই টানটান গল্পকথন, জমজমাট ঘটনাপ্রবাহ, মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে একটানে পড়ে ফেলা। সমাপ্তিটাও খানিকটা গুছিয়েই রয়েসয়ে দেয়া, ঠাস করে আচমকা শেষ করে দেয়া হয়নি।
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় এই ৮৮-৯০ বছর বয়সেও অভিনব ধারার কিছুটা অন্যরকম অদ্ভুতুড়ে থ্রিলার উপন্যাস পাঠকদের উপহার দিচ্ছেন, সেটাও তাঁর আদি অকৃত্রিম সম্মোহনী সুলিখনির সুখপাঠ্য গল্পকথনের, ভাবতেও অবিশ্বাস্য লাগে। মন ভালো হয়ে গেলো।
বি:দ্র: এক তারা কাটা হলো এযাত্রায় অদ্ভুতুড়ে সিরিজের ট্রেডমার্ক বিমলানন্দ হাস্যরসটুকু পরিমাণে বেশ কম পড়ায়। আর গজপতিবাবুর বেকায়দা অবস্থার বিন্দুমাত্র কোন পরিবর্তন ঘটলো না, বিশেষত হাড়বজ্জাত গোপালও শেষে কোনোভাবে শায়েস্তাই হলো না দেখে আরো হাফ তারা মাইনাস। ভেবেছিলাম গজপতিবাবু শেষমেষ একটা উচিত শিক্ষা দিবেন, কিসের কি!
Displaying 1 - 12 of 12 reviews












