বাংলার মধ্যযুগের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট জুড়ে একের পর এক রক্তাক্ত পালাবদল। সেই ইতিহাসে একইসঙ্গে মিশে আছে বীরত্ব, শৌর্য, বিশ্বাসঘাতকতা, ক্রুরতা, প্রেম এবং বিদ্রোহের কাহিনী। ‘রায়বাঘিনী’সেই উথালপাথাল সময়ের পটভূমিতে রচিত এক ঐতিহাসিক দলিল। এই কাহিনী বাংলার শুধু একজন বীরাঙ্গনা নারীর কথা নয়, এই বাংলার সমস্ত অদম্য মেয়েদের অপরাজেয় মনোবলের কথাও।
এই কাহিনী একজন মানবীর দেবীত্বে উত্তরণের গল্প! এই গল্প বাংলার দেবী বজ্রযোগিনী বিদ্যাধরীর গল্প! এই গল্প বাংলার সমস্ত অবাধ্য উড়নচণ্ডীদের গল্প! সর্বোপরি এই গল্প বাংলার সেই সব অদম্য মেয়েদের জিতে যাওয়ার গল্প, যারা জীবনের লড়াইয়ে কখনও হারতে শেখেনি।
অভীক সরকারের জন্ম পয়লা জুন, উনিশশো উনআশি সালে। বেড়ে ওঠা প্রাচীন শহর হাওড়ার অলিগলিতে। বাবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন, মা স্কুল শিক্ষিকা। রয়েছে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। পেশায় সেলসম্যান, কর্মসূত্রে ঘুরেছেন পূর্ব-ভারতের প্রায় সব শহর ও গ্রাম। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বাসা বেঁধেছেন হায়দ্রাবাদ, পাটনা, মুম্বাই ইত্যাদি বিভিন্ন শহরে। শখের বই ব্যবসায়ী ও প্রকাশক। লেখালেখির শুরু আন্তর্জালে ও বিভিন্ন ব্লগে। প্রকাশিত বইগুলো হল মার্কেট ভিজিট, তিতিরপাখি ও প্রিন্সেস (সহলেখক অনুষ্টুপ শেঠ), এবং ইনকুইজিশন, খোঁড়া ভৈরবীর মাঠ, চক্রসম্বরের পুঁথি, ইত্যাদি। বিবাহিত। কন্যা সন্তানের পিতা। ভালোবাসেন ইলিশ, ইস্টবেঙ্গল, ইয়ারবন্ধু এবং ইতিহাস।