বেঙ্গল মেডিকেল কলেজের একের পর এক ডাক্তারি ছাত্রছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটছে। ফরেনসিক সার্জন দীপশিখা ও পুলিশ আধিকারিক বরুণ মিলে মৃত্যু-মিছিলের কারণ নির্ণয় করতে পারছে না। সংবাদমাধ্যম ও সমাজমাধ্যম বলছে এগুলি সিরিয়াল কিলিং। রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও পারিবারিক চাপ অগ্রাহ্য করে দীপশিখা-বরুণ জুটি কীভাবে রহস্যের সমাধান করে? জানতে গেলে পড়তে হবে এই মেডিকেল থ্রিলার।
ইন্দ্রনীল সান্যালের জন্ম হাওড়ার বালিতে, ১৯৬৬ সালে। নীলরতন সরকার মেডিকেল কলেজ থেকে এম বি বি এস। প্যাথলজিতে এম ডি, পিজি হাসপাতাল থেকে।সরকারি চাকরির সূত্রে কাজ করেছেন সুন্দরবনের প্রত্যন্ত প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে মহাকরণের ডিসপেনসারিতে, লালবাজার সেন্ট্রাল লকআপ থেকে গঙ্গাসাগর মেলার হেল্থ ক্যাম্পে।বর্তমানে পূর্ব মেদিনীপুর জেলা হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত।প্রথম প্রকাশিত গল্প ২০০৪ সালে ‘উনিশকুড়ি’ পত্রিকায়।শখ: বই পড়া, ফেসবুকে ফার্মভিল এবং হ্যাপি অ্যাকোয়ারিয়াম খেলা, সুদোকু সমাধান।