What do you think?


তরফদার
কিসের এত অস্থিরতা? এত খু ন, র ক্তার ক্তি, অ গ্নিকাণ্ড?
কেন দেশের সব অপ রাধী পরিবারের মাথা একসাথে খারাপ হয়ে গেল?
আসলাম সরদারের কথাগুলো কি নিছকই গল্প? সত্যি কি অস্তিত্ব আছে বি২৮ থার্মো নিউক্লি য়ার বো মার?
উন্মা দিনীর মতোন হাসছে লীলাবতী। অথচ এত আ গুনের মধ্যেও ছোটন তরফদার বরফের মতো শীতল, দৃষ্টি স্থির, নিঃশ্বাস ধীরলয়...
বঙ্গোপসাগরের ওপর র ক্ত আর আগুনের হলকা বয়ে যাচ্ছে, শেষপর্যন্ত এই খেলায় জিতবে কারা?
কেন দেশের সব অপ রাধী পরিবারের মাথা একসাথে খারাপ হয়ে গেল?
আসলাম সরদারের কথাগুলো কি নিছকই গল্প? সত্যি কি অস্তিত্ব আছে বি২৮ থার্মো নিউক্লি য়ার বো মার?
উন্মা দিনীর মতোন হাসছে লীলাবতী। অথচ এত আ গুনের মধ্যেও ছোটন তরফদার বরফের মতো শীতল, দৃষ্টি স্থির, নিঃশ্বাস ধীরলয়...
বঙ্গোপসাগরের ওপর র ক্ত আর আগুনের হলকা বয়ে যাচ্ছে, শেষপর্যন্ত এই খেলায় জিতবে কারা?
- GenresThriller
160 pages, Hardcover
First published February 10, 2025
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 10 of 10 reviews
August 22, 2025
"অস্ফুট স্বরে তিনি বললেন - কাউকেই ছাড়বে না তরফদাররা, কাউকে ছাড়া হবে না, আগুন লেগেছে যখন, আগুন সবার গায়ে লাগবে।"
পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী আসলাম সরদার। বাংলাদেশের অন্যতম অপরাধী পরিবার তরফদারদের ডান হাত হিসেবে পরিচিত সে। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট অভ ইনভেস্টিগশন বা পিডিআই-এর ওসি এজাজ আহমেদ ও এসআই ইকবাল জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইলো আসলাম সরদারকে। কিন্তু পোড় খাওয়া এই গ্যাংস্টারের একটাই কথা - নির্দিষ্ট দু'জন মানুষের কেউ এলে তবেই মুখ খুলবে সে, অন্যথায় না। বাধ্য হয়ে তার বলা একজনকে হাজির করাও হলো। এরপর আসলাম সরদার তোতা পাখির মতো মুখ খুললো। আর মুখ খোলার পর সে এমন এক গল্প শোনালো, যেটা শোনার পর খোদ সরকারেরই যেন পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেলো।
বাংলাদেশের আন্ডারওয়ার্ল্ড অস্থির হয়ে উঠেছে। রীতিমতো একটা মহাযুদ্ধ বাধতে যাচ্ছে ক্রাইম সিন্ডিকেট গুলোর নিজের মধ্যেই। সিন্ডিকেট গুলোর সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা 'মহাশোল'-এর কোন কথাই এরা শুনতে রাজি না। জাহাজের কারবার নিয়ন্ত্রণ করা সুলতান পরিবার, একগাদা ক্যাসিনো ও বারের মালিক মির্জা পরিবার, সারা দেশের মাদক সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করা হক পরিবার, নারী অপরাধীদের গ্রুপ লীলাবতী আর দক্ষিণাঞ্চলের নদী-সমুদ্রের ত্রাশ তরফদার পরিবার 'হলরুম'-এর কোন নিয়মই আর মানতে চায় না। হঠাৎ করেই নিয়মনীতির মাঝে চলা এই ক্রাইম সিন্ডিকেটের মাথারা এমন লাগামছাড়া হয়ে উঠলো কেন?
আন্ডারওয়ার্ল্ডের অস্থিরতার আঁচ এসে লাগলো দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গায়েও। পিডিআই-এর অফিসার এজাজ আহমেদ আর তার শ্বশুর আর্মির রিটায়ার্ড ব্রিগেডিয়ার মোবাশ্বের সাহেব না চাইতেও জড়িয়ে পড়লেন এক বিশাল ঘটনাচক্রের মাঝে। সবকিছুই যেন নিয়ন্ত্রণ করছে তরফদার পরিবারের মাথা সেলিম তরফদার। শিক্ষিত ও স্মার্ট এই লোকটা যেন সবার থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকে সবসময়। অন্যদিকে তার ছোট ভাই ছোটন তরফদার হয়ে উঠেছে ধ্বংসাত্মক আর একগুঁয়ে। জীবনের একটাই লক্ষ্য তার। সেটা হলো ইন্ডিয়াকে জাস্ট উড়িয়ে দেয়া। এদিকে লীলাবতীদের কর্মকাণ্ডও কেমন ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। সুলতান, হক আর মির্জাদের সুসংগঠিত দলের বিপক্ষে তরফদাররা কি সুবিধা করতে পারবে? আর পিডিআই-এর ওসি এজাজ আহমেদ কি পারবে এই গ্যাং ওয়ার থামাতে?
ধীরে ধীরে একটা ছোট্ট আগুনের শিখা যেন বৃহৎ এক দাবানলে রূপ নিতে লাগলো। একদিকে সুলতান, হক আর মির্জা পরিবার। অন্যদিকে তরফদাররা। মুখোমুখি সংঘর্ষ অনিবার্য। এটা কি নিছকই ক্ষমতা দখলের লড়াই, নাকি এর পেছনে আছে আরো বড় কোন স্বার্থ? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, সত্যিই কি অস্তিত্ব আছে থার্মো-নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বি২৮-এর?
অনেকদিন পর মৌলিক কোন ক্রাইম থ্রিলার পড়লাম। 'তরফদার'-এর প্রতি আমি আগ্রহী হয়েছিলাম গুডরিডসে এর বেশ কিছু পজিটিভ রিভিউ দেখে। এটা লেখক মাইনুল হাসান শিমুলের প্রথম উপন্যাস। পেশায় নেভাল ইঞ্জিনিয়ার এই লেখকের লেখার হাত অসাধারণ। প্রথম উপন্যাস হিসেবে তিনি যথেষ্ট ভালো লিখেছেন। গল্পের বুনন বেশ শৈল্পিক। কাহিনিতে দম আছে। আর পুরো উপন্যাসটা তিনি লিখেছেন একদম নির্মেদ ভাবে। কোথাও বাহুল্য চোখে পড়েনি। মাইনুল হাসান শিমুলের গল্প বলার ধরণ বেশ চিত্তাকর্ষক। শুরু থেকে যে আগ্রহ নিয়ে বইটা পড়া শুরু করেছিলাম, সেটা শেষদিকে এসেও ফিকে হয়নি। ক্রাইম থ্রিলার হিসেবে তো বটেই, লেখকের প্রথম উপন্যাস হিসেবেও 'তরফদার' বেশ ভালোভাবেই উৎরে গেছে আমার মতে।
নাম দেখে তো বুঝতেই পারছেন উপন্যাসটাতে 'তরফদার' পরিবারের ওপর ফোকাস করা হয়েছে বেশি। দুই তরফদার ভাই সেলিম তরফদার ও ছোটন তরফদারের ব্যাকস্টোরি লেখক এমনভাবে বর্ণনা করেছেন, মনে হচ্ছিলো চোখের সামনে ঘটছে সব। ভালো লেগেছে সেলিম তরফদারের স্থিতধী চালচলন আর স্মার্টনেস। রহস্যময়ী লীলাবতীদের প্রধান লীলাবতীর সাথে সেলিম তরফদারের রসায়নটাও উপভোগ্য লেগেছে। তবে তরফদারদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখানো আনোয়ার মির্জা, সুলতান আর হক সাহেবদেরকে তুলনামূলক বেশি দুর্বল মনে হয়েছে আমার কাছে। তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডটা আরেকটু বিস্তারিত ভাবে দেখানো যেতো।তাতে অবশ্য কলেবরে বইটা আরেকটু বাড়তো। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট অভ ইনভেস্টিগেশন (পিডিআই)-এর কর্মকাণ্ডও অনেক জায়গায় ফ্ল্যাট মনে হয়েছে। এই জায়গাগুলোতে লেখকের কাঁচা হাতের ছাপ ছিলো কিছুটা। কিছু জায়গায় খেয়াল করেছি মাইনুল হাসান শিমুল সিকোয়েন্স থেকে সিকোয়েন্সে হঠাৎ করেই জাম্প করেছেন। এই ব্যাপারগুলো হয়তো সময়ের সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে।
'তরফদার' শেষ করে আমি পুরোপুরি সন্তুষ্ট না। কারণ, একটা ক্লিফহ্যাঙারে ঝুলিয়ে মাইনুল হাসান শিমুল ইতি টেনেছেন। হয়তো ভবিষ্যতে এটাকে একটা সিরিজ হিসেবে লেখার পরিকল্পনা আছে তাঁর। যদি এমনটা হয়, তাহলে আমি খুশি। আগ্রহ থাকবে 'তরফদার'-এর পরবর্তী খণ্ড পড়ার। লেখকের লেখার ধরণ যেহেতু চমৎকার, আমার সাজেশন থাকবে লেখালেখিটা নিয়মিত কন্টিনিউ করার। নতুন লেখকদের মাঝে তাঁকে বেশ প্রমিসিং বলে মনে হয়েছে আমার কাছে।
বইটার প্রচ্ছদ ভালো লেগেছে। প্রোডাকশনও ভালো ছিলো। কিন্তু প্রাইসটা ওভারপ্রাইসড লেগেছে আমার কাছে। আগ্রহীরা চাইলে পড়ে দেখতে পারেন বইটা।
ব্যক্তিগত রেটিং: ৩.৭৫/৫
বই: তরফদার
লেখক: মাইনুল হাসান শিমুল
প্রকাশক: ভূমিপ্রকাশ
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ঘরানা: ক্রাইম থ্রিলার
প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী
পৃষ্ঠা: ১৬০
মুদ্রিত মূল্য: ৪২০ টাকা
ফরম্যাট: হার্ডকভার
(২২ আগস্ট, ২০২৫; নাটোর)
পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী আসলাম সরদার। বাংলাদেশের অন্যতম অপরাধী পরিবার তরফদারদের ডান হাত হিসেবে পরিচিত সে। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট অভ ইনভেস্টিগশন বা পিডিআই-এর ওসি এজাজ আহমেদ ও এসআই ইকবাল জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইলো আসলাম সরদারকে। কিন্তু পোড় খাওয়া এই গ্যাংস্টারের একটাই কথা - নির্দিষ্ট দু'জন মানুষের কেউ এলে তবেই মুখ খুলবে সে, অন্যথায় না। বাধ্য হয়ে তার বলা একজনকে হাজির করাও হলো। এরপর আসলাম সরদার তোতা পাখির মতো মুখ খুললো। আর মুখ খোলার পর সে এমন এক গল্প শোনালো, যেটা শোনার পর খোদ সরকারেরই যেন পায়ের তলা থেকে মাটি সরে গেলো।
বাংলাদেশের আন্ডারওয়ার্ল্ড অস্থির হয়ে উঠেছে। রীতিমতো একটা মহাযুদ্ধ বাধতে যাচ্ছে ক্রাইম সিন্ডিকেট গুলোর নিজের মধ্যেই। সিন্ডিকেট গুলোর সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা 'মহাশোল'-এর কোন কথাই এরা শুনতে রাজি না। জাহাজের কারবার নিয়ন্ত্রণ করা সুলতান পরিবার, একগাদা ক্যাসিনো ও বারের মালিক মির্জা পরিবার, সারা দেশের মাদক সাম্রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করা হক পরিবার, নারী অপরাধীদের গ্রুপ লীলাবতী আর দক্ষিণাঞ্চলের নদী-সমুদ্রের ত্রাশ তরফদার পরিবার 'হলরুম'-এর কোন নিয়মই আর মানতে চায় না। হঠাৎ করেই নিয়মনীতির মাঝে চলা এই ক্রাইম সিন্ডিকেটের মাথারা এমন লাগামছাড়া হয়ে উঠলো কেন?
আন্ডারওয়ার্ল্ডের অস্থিরতার আঁচ এসে লাগলো দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গায়েও। পিডিআই-এর অফিসার এজাজ আহমেদ আর তার শ্বশুর আর্মির রিটায়ার্ড ব্রিগেডিয়ার মোবাশ্বের সাহেব না চাইতেও জড়িয়ে পড়লেন এক বিশাল ঘটনাচক্রের মাঝে। সবকিছুই যেন নিয়ন্ত্রণ করছে তরফদার পরিবারের মাথা সেলিম তরফদার। শিক্ষিত ও স্মার্ট এই লোকটা যেন সবার থেকে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকে সবসময়। অন্যদিকে তার ছোট ভাই ছোটন তরফদার হয়ে উঠেছে ধ্বংসাত্মক আর একগুঁয়ে। জীবনের একটাই লক্ষ্য তার। সেটা হলো ইন্ডিয়াকে জাস্ট উড়িয়ে দেয়া। এদিকে লীলাবতীদের কর্মকাণ্ডও কেমন ধোঁয়াশাচ্ছন্ন। সুলতান, হক আর মির্জাদের সুসংগঠিত দলের বিপক্ষে তরফদাররা কি সুবিধা করতে পারবে? আর পিডিআই-এর ওসি এজাজ আহমেদ কি পারবে এই গ্যাং ওয়ার থামাতে?
ধীরে ধীরে একটা ছোট্ট আগুনের শিখা যেন বৃহৎ এক দাবানলে রূপ নিতে লাগলো। একদিকে সুলতান, হক আর মির্জা পরিবার। অন্যদিকে তরফদাররা। মুখোমুখি সংঘর্ষ অনিবার্য। এটা কি নিছকই ক্ষমতা দখলের লড়াই, নাকি এর পেছনে আছে আরো বড় কোন স্বার্থ? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, সত্যিই কি অস্তিত্ব আছে থার্মো-নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বি২৮-এর?
অনেকদিন পর মৌলিক কোন ক্রাইম থ্রিলার পড়লাম। 'তরফদার'-এর প্রতি আমি আগ্রহী হয়েছিলাম গুডরিডসে এর বেশ কিছু পজিটিভ রিভিউ দেখে। এটা লেখক মাইনুল হাসান শিমুলের প্রথম উপন্যাস। পেশায় নেভাল ইঞ্জিনিয়ার এই লেখকের লেখার হাত অসাধারণ। প্রথম উপন্যাস হিসেবে তিনি যথেষ্ট ভালো লিখেছেন। গল্পের বুনন বেশ শৈল্পিক। কাহিনিতে দম আছে। আর পুরো উপন্যাসটা তিনি লিখেছেন একদম নির্মেদ ভাবে। কোথাও বাহুল্য চোখে পড়েনি। মাইনুল হাসান শিমুলের গল্প বলার ধরণ বেশ চিত্তাকর্ষক। শুরু থেকে যে আগ্রহ নিয়ে বইটা পড়া শুরু করেছিলাম, সেটা শেষদিকে এসেও ফিকে হয়নি। ক্রাইম থ্রিলার হিসেবে তো বটেই, লেখকের প্রথম উপন্যাস হিসেবেও 'তরফদার' বেশ ভালোভাবেই উৎরে গেছে আমার মতে।
নাম দেখে তো বুঝতেই পারছেন উপন্যাসটাতে 'তরফদার' পরিবারের ওপর ফোকাস করা হয়েছে বেশি। দুই তরফদার ভাই সেলিম তরফদার ও ছোটন তরফদারের ব্যাকস্টোরি লেখক এমনভাবে বর্ণনা করেছেন, মনে হচ্ছিলো চোখের সামনে ঘটছে সব। ভালো লেগেছে সেলিম তরফদারের স্থিতধী চালচলন আর স্মার্টনেস। রহস্যময়ী লীলাবতীদের প্রধান লীলাবতীর সাথে সেলিম তরফদারের রসায়নটাও উপভোগ্য লেগেছে। তবে তরফদারদের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখানো আনোয়ার মির্জা, সুলতান আর হক সাহেবদেরকে তুলনামূলক বেশি দুর্বল মনে হয়েছে আমার কাছে। তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডটা আরেকটু বিস্তারিত ভাবে দেখানো যেতো।তাতে অবশ্য কলেবরে বইটা আরেকটু বাড়তো। পুলিশ ডিপার্টমেন্ট অভ ইনভেস্টিগেশন (পিডিআই)-এর কর্মকাণ্ডও অনেক জায়গায় ফ্ল্যাট মনে হয়েছে। এই জায়গাগুলোতে লেখকের কাঁচা হাতের ছাপ ছিলো কিছুটা। কিছু জায়গায় খেয়াল করেছি মাইনুল হাসান শিমুল সিকোয়েন্স থেকে সিকোয়েন্সে হঠাৎ করেই জাম্প করেছেন। এই ব্যাপারগুলো হয়তো সময়ের সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে।
'তরফদার' শেষ করে আমি পুরোপুরি সন্তুষ্ট না। কারণ, একটা ক্লিফহ্যাঙারে ঝুলিয়ে মাইনুল হাসান শিমুল ইতি টেনেছেন। হয়তো ভবিষ্যতে এটাকে একটা সিরিজ হিসেবে লেখার পরিকল্পনা আছে তাঁর। যদি এমনটা হয়, তাহলে আমি খুশি। আগ্রহ থাকবে 'তরফদার'-এর পরবর্তী খণ্ড পড়ার। লেখকের লেখার ধরণ যেহেতু চমৎকার, আমার সাজেশন থাকবে লেখালেখিটা নিয়মিত কন্টিনিউ করার। নতুন লেখকদের মাঝে তাঁকে বেশ প্রমিসিং বলে মনে হয়েছে আমার কাছে।
বইটার প্রচ্ছদ ভালো লেগেছে। প্রোডাকশনও ভালো ছিলো। কিন্তু প্রাইসটা ওভারপ্রাইসড লেগেছে আমার কাছে। আগ্রহীরা চাইলে পড়ে দেখতে পারেন বইটা।
ব্যক্তিগত রেটিং: ৩.৭৫/৫
বই: তরফদার
লেখক: মাইনুল হাসান শিমুল
প্রকাশক: ভূমিপ্রকাশ
প্রকাশকাল: ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
ঘরানা: ক্রাইম থ্রিলার
প্রচ্ছদ: সজল চৌধুরী
পৃষ্ঠা: ১৬০
মুদ্রিত মূল্য: ৪২০ টাকা
ফরম্যাট: হার্ডকভার
(২২ আগস্ট, ২০২৫; নাটোর)
March 13, 2026
আপাতত চার তারা দিলুম। মোটামুটি বিস্তারিত একটা রিভিউ লেখার ইচ্ছা আছে। বাংলাদেশী আন্ডারওয়ার্ল্ড-গ্যাংওয়ার টপিকে অন্যতম সেরা থ্রিলার উপন্যাস হয়েই থাকবে।
September 20, 2026
বাংলাদেশের আন্ডারওয়ার্ল্ড, গ্যাং নিয়ে প্লট। পারস্পরিক গল্পগুলোর মেলবন্ধন একটু ভালো হলে আরো ভালো কিছু হতে পারতো। অবাস্তব ব্যাপার স্যাপার একটু কম হলে আরেকটু ভালো হতো। ভাষার ব্যাবহার আরেকটু নিবিড় হইতে পারতো। চরিত্রের ডিটেইলিং আরো ভালো হওয়া উচিত ছিলো। সব মিলিয়ে স্মুথ রিডিং না, এক ধরণের এক্সপেরিমেন্টাল রাইটিং। প্লট অনেকটা আজগুবি হলেও আরো যত্ন নিয়ে লিখলে আরো ভালো কিছু হতে পারতো।
March 5, 2025
গতানুগতিক ক্রাইম থ্রিলারের মতো খুন,তদন্তের বাহিরে গিয়ে লেখক একটু ডিফরেন্ট ভাইব দেবার ট্রাই করেছেন।সেক্ষেত্রে আমি বলবো লেখক সফল হয়েছেন।
August 17, 2025
Fantastic thriller. Well furnished and good explanation indeed. The twists are incredible. Maybe first book for author. he had done a great job. Best wishes
August 29, 2025
মোটামুটি ভালো লেগেছে!
March 8, 2025
The storytelling was so immersive that I felt like I had stepped into the book itself. Every character was vividly real, with emotions and actions that resonated deeply. The suspense kept me hooked till the very last page, making it impossible to put down. The author’s writing style was gripping, creating a thrilling and unforgettable experience. A must-read for anyone who loves a well-crafted mystery!
May 29, 2025
This book based on gangstar criminal activities. The main protagonist Selim torofder is superb. Story telling perfect, concised, full of humour. The best part of this novel is story.
Very well writing by Mainul Hasan Simul.
I am looking forward to read more..
Very well writing by Mainul Hasan Simul.
I am looking forward to read more..
March 5, 2025
A really thriling book. Loved it
March 7, 2025
As a new author, tried to maintain enough thrill in the book.
Displaying 1 - 10 of 10 reviews





