৩.৫/৫
"উজানযাত্রা"য় কালোদিঘি ছিলো পার্শ্বচরিত্র। এখানে সেই দিঘিই মূল ক্রীড়নক, কেন্দ্রীয় ঘটনাস্থল। দুই উপন্যাসে দিঘি সূত্রধর হলেও কাহিনি আলাদা। লেখার কিছু জায়গায় শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের ছাপ পাওয়া যায়। এখানে ঘটনার ঘনঘটা না থাকলেও বেশ দ্রুত এগিয়েছে গল্প। রাখাল, হরিপদ,মালতী, স্যমন্তক, সমীরণ, জীবন ঘোষাল, স্মৃতিকণা, নবমিতাকে নিয়ে রচিত আখ্যানে ঘুরেফিরে আসে কালোদিঘি। পলায়নপরতা, নিঃসঙ্গতা, যাপিত জীবনের গ্লানি বহন করতে করতে আবার বেঁচে থাকার সুতীব্র বাসনা লেখক ফুটিয়ে তুলেছেন চরিত্রগুলোর কার্যক্রমের মাধ্যমে। আমাদের আশেপাশেই লুকিয়ে আছে ম্যাজিক, শুধু সেটা দেখার চোখ থাকতে হবে - এ তত্ত্ব সবসময় মানতে না পারলেও ভাবতে ভালো লাগে যে ম্যাজিক আছে। সেই ম্যাজিকে ঘরে ফেরার রাস্তার গন্ধ পাবো আবার।আবার শান্তিতে ঘুম দিতে পারবো।