পরিবেশক : মাকতাবাতুল আযহারনবীজি (ﷺ)-এর জীবনী জানার জন্য প্রধান মাধ্যম হচ্ছে সীরাত গ্রন্থ। তবে সীরাত গ্রন্থগুলো বিভিন্ন ধাঁচের হয়। কিছু আছে ব্যাপক আবেগ-ঘন হয়। আবেগের ফুলঝুরি ছুটাতে গিয়ে লেখক শব্দের যে বাহার দেখায়, পুরো ব্যাপারটি স্যাঁতস্যাঁতে বানিয়ে ফেলে। আবার কিছু আছে আবেগ-ভালোবাসা-হীন শুষ্ক কাঠের মতো হয়ে থাকে। মনে হয় এর ভেতরে কোনো প্রাণ নেই, কোনো আকর্ষণ নেই। পাতার পর পাতা পড়ে যাচ্ছি, কিন্তু অন্তর নাড়া দিচ্ছে না। নবীজির জীবনী জানছি, কিন্তু নিজেকে যদি সেখানে বসাতে পারছি না। এমন শিক্ষাকে কি আদৌ শিক্ষা বলা যায়? অথচ নবীজি উসওয়াতুন হাসানাহ, সবার জন্য সেরা আদর্শ! . মাজিদা রিফা মুহতারামার রচিত এই গ্রন্থটি এই দিক থেকে অনন্য। সাহিত্য আর গল্পের মিশেলে একটি ভারসাম্যপূর্ণ সীরাত রচনা করেছেন তিনি। যেন পাঠককে নিয়ে চলেছেন নববী যুগে। হাত ধরে ঘুরিয়ে দেখাচ্ছেন মদিনার প্রতিটি অলিগলি, শোনাচ্ছে নবীজির দাওয়াত এবং ত্যাগের অমিয় বাণী। যে কোনো গল্পপ্রেমী পাঠকের মনে এই সীরাহ গ্রন্থটি জায়গা করে নেবে আমাদের বিশ্বাস।
আলেমা, সৃজনশীল ও শক্তিমান লেখিকা। পিতা : মাওলানা মুশতাক আহমাদ খান। মুহতামিম : জামেয়া আরাবিয়া ইসলামিয়া ধনকান্দি, শাহপরান, সিলেট। খতীব : কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, বন্দরবাজার, সিলেট শিক্ষা : দাওরায়ে হাদিস, ২০০৭ খ্রি.,মাদরাসাতুল বানাত, উপশহর, সিলেট পেশা : গৃহিণী, জননী, তালিবে ইলম লেখালেখি : লেখেন প্রবন্ধ, ফিচারসহ শিশুতোষ গল্প। অনলাইনে চমৎকার লেখার পসরা সাজিয়ে রাখেন তাঁর টাইমলাইনে। যুগোপযোগী লেখায় তাঁর হাত বড্ড পাকা। বেশ দরদ নিয়ে লিখেন, যেন তপ্তঅশ্রু বেয়ে বেয়ে ঝরে পড়ছে তাঁর কলম থেকে। বাংলা গদ্যে দক্ষতা অসাধারণ। তাঁর বাক্যের বুনন ও কারুকাজ পাঠককে সম্মোহনী শক্তির মতো টানে।
স্বপ্ন : প্রতিবেশী মুসলিম নারীদের সাথে নিয়ে সব ধরনের দ্বীনি ইলম অর্জন করা এবং এ চিন্তা ও কাজ ব্যাপকভাবে অন্যান্য মুসলিম নারীদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া। যাতে মায়েদের কোলে বেড়ে উঠতে থাকা ফুলশিশুরা হয় সভ্য পৃথিবীর পাহারাদার এবং যুগের অন্ধকারে দীপ্ত প্রদীপ।