গভীর রাতে উষ্ণিক স্বপ্নে এক জ্যোর্তিময় পৌরাণিক পুরুষকে দেখতে পায়। সেই পুরুষ যেন কিসের ইঙ্গিত করেন। কী বলতে চান তিনি? এই স্বপ্নের টানে উষ্ণিক চলে যায় তুষারাচ্ছাদিত হিমালয়ের বুকে। পথে ঘটতে থাকে আশ্চর্য ঘটনা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোন বিপুল বিস্ময়ের সামনে এসে দাঁড়ায় উষ্ণিক? বেদব্যাস লিখিত মহাভারতের সঙ্গে তার কিসের যোগ?
একই স্বপ্ন বারবার দেখছে একটা প্রেসের মালিক উষ্ণিক। স্বপ্নে সে বদ্রিনাথের মন্দির, ঝর্ণার ধারে এক সন্ন্যাসীর ডাক শুনতে পায়। অবশেষে সে সিদ্ধান্ত নেয় বদ্রিনাথের মন্দিরে গিয়ে রহস্য ভেদ করবে। যাত্রাপথে তার সাথে ট্রেনে দেখা হয় পঞ্চানন মজুমদার নামের এক রহস্যময় ব্যক্তির।এই লোক তাকে নানাবিধ অলৌকিক বিপদ থেকে বাঁচিয়ে মহাভারতের পাণ্ডবদের মহাপ্রস্থানের মানাগ্রামে পৌঁছে দেন। এখানে সে পেয়ে যায় স্বপ্নে দেখা সেই সন্ন্যাসীকে। সন্ন্যাসী তাকে জানান উষ্ণিক এই পৃথিবীর মানুষ নন।সে অতীত মহাভারত যুগের একজন ব্যবসায়ী,যার কাজ মহাভারত লেখার প্রয়োজনীয় ভূর্জপত্র সরবরাহ করা।এই কাজে খুশি হয়ে ব্যাসদেব তাকে মহাভারতের একটি সংস্করণ উপহার দেন।বিপদ এই মহাভারত নিয়ে ,যা তার অতীত থেকে বর্তমানে তাড়া করছে। সিদ্ধান্ত নিতে হবে উষ্ণিককে , কিভাবে বিপদ থেকে নিজেকে বাঁচাবে সে।
মিথলজিক্যাল থ্রিলার হলেও নেই কোনো টানটান উত্তেজনা,নেই মিথের ব্যবহার।