পৃথিবীর নানান আশ্চর্য অচেনা জায়গায় ছুটে যায় অনিলিখা। আর তার জন্য যেন অপেক্ষা করে থাকে ভয়ংকর সব ঘটনা! ঘটনার স্রোত কখনও ভারত ছেড়ে আমেরিকায়, কখনও বা সুমাত্রায়। আর সেই বিজ্ঞান-কল্পনা আর অ্যাডভেঞ্চারের সামনে পাঠক অসহায়। তাকে অভিজ্ঞান রায়চৌধুরীর দুরন্ত কলম ছুটিয়ে নিয়ে চলে কাহিনির শেষ পর্যন্ত।
‘রহস্য যখন রক্তে’ আর ‘মাঝে মাত্র চব্বিশ দিন’ এমনই দু-দুটো দুরন্ত কাহিনি।
এই বই-এর দুটি নভেল্লা-র সঙ্গেই আমার পরিচয়-তথা-ভালোবাসা হয়েছিলো শারদীয়া কিশোর ভারতী-র মাধ্যমে| বই আকারে প্রকাশের সময়, পৃষ্ঠার কঠিন বাঁধন থেকে মুক্তি পেয়ে, লেখক দুটি লেখাতেই সেই বিশেষ উপাদানটিকে আরও নিপুণভাবে প্রকাশ করতে পেরেছেন যা ওনার কল্পবিজ্ঞান সাহিত্যকে অনেক বেশি গভীরতা দেয়: মানবিক মূল্যবোধ| এই নভেল্লা-দুটিকে শুধুমাত্র কল্পবিজ্ঞান বা বিজ্ঞান-সুবাসিত রহস্য কাহিনি হিসেবে না দেখে জীবন সমুদ্রের তুফানি ঢেউয়ের সঙ্গে কিছু মানুষের লড়াই আর তার ফলাফল-এর অসামান্য এক টানটান চিত্রায়ণ হিসেবেই আমি দেখেছি| এর প্রথম নভেল্লাটি (“রহস্য যখন রক্তে”) এই লেখকেরই লেখা ‘নতুন মানুষ’ গল্পকে অনেক বেশি করে প্রসারিত করেছে| কিন্তু এর দ্বিতীয় নভেল্লাটি (“মাঝে মাত্র চব্বিশ দিন”) অনিলিখার একটি (আমার মতে এখনো পর্যন্ত শ্রেষ্ঠ) এডভেঞ্চার, যার বিশাল ব্যাপ্তি যেমন মুগ্ধ করে, তেমনই ভাবায়| যদি এখনও এই বইটি না পড়ে থাকেন, তবে আর দেরি করবেন না|
অভিজ্ঞান রায়চৌধুরীর লেখা অসাধারণ একটি গল্প "রহস্য যখন রক্তে", যা পাঠককে একাধারে মুগ্ধ করে ও আশ্চর্য করে। এটি একটি কল্পবিজ্ঞানের উপন্যাস। সেখানে এমন সময়ের গল্প তুলে ধরা হয়েছে যখন আমাদের পরিবেশ রোবট দ্বারা পরিচালিত,যুগ তখন অনেক অনেক পাল্টে গিয়েছে। এছাড়াও রয়েছে আরও এক চমক যা ওই অত্যাধুনিক যুগ শুরুর আগেই কেউ আবিষ্কার করতে পেরেছে। মাঝে মাত্র চব্বিশ দিন - অনিলিখার এক অভিযানের কাহিনী আছে। তবে এই গল্পটা আমার মোটামুটি লেগেছে।
The first story was nice, but the second story was just simply utter nonsense. It felt like the writer was lost in the middle what he was actually wanted to do with the story and just finished it somehow. I really don't understand how this kind of story even get published, that to by a well reputed publisher. A total disaster.