আজমতপুর গ্রামের সবচেয়ে রহস্যময় মানুষ কানা ফকির, যে বটগাছের নিচে বসে থাকে, নির্জনভাবে আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকে, আর মাঝে মাঝে ভবিষ্যদ্বাণী করে—বিশেষ করে মৃত্যুর। কেউ জানে না সে কোথা থেকে এসেছে, তার আসল পরিচয় কী, কীভাবে তার এক চোখ হারাল? তবে তার কথাগুলো কখনোই অবিশ্বাস করা যায় না!
ছোট্ট একটা ভুতুড়ে গল্প অথচ কী চমৎকার! লেখনীটা আরো ভালো করা যেত অবশ্য তবে যেহেতু উপভোগ করেছি তাই রেটিং দিতে কিপ্টেমি করার কোন মানে হয় না! গল্পের শেষটা একেবারেই হঠাৎ করে হলেও দারুণ ছিলো। ছোট গল্প এমনই হওয়া উচিৎ!
আজমতপুর গ্রামে বাস করে এক কানা ফকির। তবে সে এই গ্রামের বাসিন্দা না। কোথা থেকে এসেছে তাও কেউ জানে না। শুধু বছরের পর বছর ধরে মানুষ দেখে যাচ্ছে সে এই গ্রামের বাস করে। বটগাছতলাই তার আবাস। বয়সের কোনো গাছ পাথর নেই। একাত্তরের কথা বলে আবার দ্বিতীয় বিশ্বযু দ্ধের কথাও অনর্গল বলে যায়। তার এক অদ্ভুত প্রতিভা কিংবা ক্ষমতা আছে। লোকের মৃ ত্যুর খবর সে জানিয়ে দেয় আগে। কী করে এই ক্ষমতা এলো তার? কীভাবেই বা সে অন্ধ হলো?
পাঠ প্রতিক্রিয়া:
❝কানা ফকির❞ মনোয়ারুল ইসলামের হরর ছোটগল্প। দুই পর্বের ছোটো গল্পের শুরুটা সুন্দর। ভালো লেগেছে। হরর পরিবেশ এবং কানা ফকিরের ইতিহাসের মূল অংশে অতিপ্রাকৃত অস্তিত্বের বেশ ভালো বর্ণনা দিয়েছেন লেখক। ঐ অংশটুকু পড়তে কেমন গা রি রি করেছে। শেষটা অনুমেয় ছিল না। ভালো লেগেছে। ছোটগল্পের সমাপ্তি এভাবেই হওয়া সুন্দর।