কাবলার জঙ্গল খুব যে ঘন তা নয়। এর ভেতর দিয়ে পায়ে চলা একটা রাস্তা রয়েছে। জঙ্গলে অদ্ভুত একটা গাছ আছে। গাছটার অনেক পাতা। পাতাগুলো গোল, পাথরকুচি গাছের পাতার মতো পুরুষ্ট। বড়ো লম্বা লম্বা ডাল। ইউক্যালিপটাস গাছের ডালের মতো তাদের রং ঘন ধূসর, মধ্যে ছোপ ছোপ সাদা। সেই গাছের কোনাতেই সবুজ খুঁজে পেয়েছে সোনার মোহর।
সোনার মোহর আর গুপ্তধনের সন্ধানে দুঃসাহসিক অভিযানে গিয়ে নাম না জানা অদ্ভুত এক বৃক্ষের রহস্যময় সব ঘটনা দেখতে পায় উর্মি ও তার বন্ধুরা। সেই সঙ্গে এই নিস্তরঙ্গ কাবলার খালে গনু করাতির মৃত্যু হওয়ায় অনেকে ধারণা করে সেই অদ্ভুত গাছের ডালের বাড়ি খেয়েই মরেছে সে। ঘটনা এতদূর গড়ায় যে এই সংবাদ চলে যায় ঢাকায়, তারপর পৃথিবীর বড়ো বড়ো দেশেও এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। কিন্তু অবিশ্বাস্য ঘটনাগুলি নিজের চোখে দেখেছে শুধু এই কয়জন ছেলে মেয়ে। তাদের কথা কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। রহস্য শুধু গভীর হতে থাকে, যা উদ্ঘাটন করতে জীবন বাজি রেখে ছুটে যায় ছয়টি অসম্ভব কৌতূহলী দুঃসাহসী ছেলে মেয়ে। পাতাখালী গিয়ে তারা সঙ্গে পায় আরও দুজনকে। বাঁকে বাঁকে চমকে ওঠা আর এক নিঃশ্বাসে পড়ার মতো এ এক অভাবনীয় কিশোর উপন্যাস।