মহারাজাধিরাজ সমুদ্রগুপ্তের পর গুপ্তসাম্রাজ্যের শাসনভারের দায়িত্ব অর্পণ করা হবে তাঁর সুযোগ্য মধ্যমপুত্র কুমার চন্দ্রগুপ্তকে, এমনই ঠিক ছিল। চন্দ্রগুপ্ত তখন মালবদেশে, কর্তব্য পালনে ব্যাপৃত। প্রয়াত হলেন সমুদ্রগুপ্ত। মাথা তুলে দাঁড়াল রাজপ্রাসাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি আর ষড়যন্ত্র। গুপ্তসাম্রাজ্যেরই এক বিশ্বাসঘাতক রাজপুরুষের হাত ধরে শকাধিপতি রুদ্রসিংহ ভয়ংকর নৃশংসতার জাল বুনতে শুরু করলেন। সিংহাসনে বসলেন শারীরিকভাবে অক্ষম, মদ্যপ জ্যেষ্ঠপুত্র রামগুপ্ত। গুপ্তসাম্রাজ্যের মহাদেবী হয়ে এলেন। মালবরাজকুমারী ধ্রুবা। ক্রবা চন্দ্রগুপ্তের প্রেয়সী!... শকরাজ রুদ্রসিংহ। তাঁর লোলুপ দৃষ্টি অসামান্যা সুন্দরী ধ্রুবার দিকে।... ষড়যন্ত্রকারীদের ফাঁদে পা দিলেন রামগুপ্ত। সপরিবার অবরুদ্ধ হলেন পার্বত্য দুর্গ অঞ্চলে। রুদ্রসিংহর একটিই শর্ত, রানি ধ্রুবাকে তাঁর চাইই চাই। কী ঘটল তারপর...? ধ্রুবা কি নারীত্বের চরম অবমাননা থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারলেন? চন্দ্রগুপ্ত কি তাঁর রাজ্য এবং রাজলক্ষ্মীকে বাহুবলে পুনরুদ্ধার করতে সফল হলেন? ইতিহাস সুরভিত 'মহাদেবী' এক ভাগ্যবিড়ম্বিতা নারীর কাহিনি শুধু নয়...সুগন্ধি প্রেম, ক্রুরতা, আত্মত্যাগ এবং দুর্জয় বীরত্বের মহৎ উপন্যাস।
অভীক সরকারের জন্ম পয়লা জুন, উনিশশো উনআশি সালে। বেড়ে ওঠা প্রাচীন শহর হাওড়ার অলিগলিতে। বাবা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ছিলেন, মা স্কুল শিক্ষিকা। রয়েছে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। পেশায় সেলসম্যান, কর্মসূত্রে ঘুরেছেন পূর্ব-ভারতের প্রায় সব শহর ও গ্রাম। জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বাসা বেঁধেছেন হায়দ্রাবাদ, পাটনা, মুম্বাই ইত্যাদি বিভিন্ন শহরে। শখের বই ব্যবসায়ী ও প্রকাশক। লেখালেখির শুরু আন্তর্জালে ও বিভিন্ন ব্লগে। প্রকাশিত বইগুলো হল মার্কেট ভিজিট, তিতিরপাখি ও প্রিন্সেস (সহলেখক অনুষ্টুপ শেঠ), এবং ইনকুইজিশন, খোঁড়া ভৈরবীর মাঠ, চক্রসম্বরের পুঁথি, ইত্যাদি। বিবাহিত। কন্যা সন্তানের পিতা। ভালোবাসেন ইলিশ, ইস্টবেঙ্গল, ইয়ারবন্ধু এবং ইতিহাস।
বিশাখাদত্ত রচিত দেবীচন্দ্রগুপ্ত নাটকের প্রাপ্ত শ্লোকগুলোকেই রং চং মেরে দুই মলাটের মাঝখানে লেখক ঝেড়ে দিয়েছেন। যার কোন ঐতিহাসিক সত্যতা নেই। ধ্রুবদেবীকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে তা সমুদ্রগুপ্তের স্ত্রীর চরিত্র হিসেবে শুধু বেমানানই নয় অসম্ভব ও বটে।
I had high hopes for Mahadevi when I picked it up, especially after reading Avik Sarkar’s Patamanjari, which remains one of my all-time favourites. Unfortunately, this one fell short of my expectations.
The plot felt rushed, as if the author was racing against a deadline. Characters lacked proper development, and the arcs that did exist didn’t feel fully earned. Take Dhruva, for example: she’s introduced as a skilled warrior princess, but throughout the story, she seems to wait for Chandragupta to act on her behalf. Her passivity felt jarring and inconsistent with the image the book tries to establish.
Chandragupta’s character also felt underwhelming and thinly drawn. The emotional weight and complexity I expected never quite materialised.
That said, the characters of Kachgupta and Kali were the highlights for me. Their presence brought some intrigue, and I genuinely wish the story had explored their dynamic further — perhaps even given them a subplot of their own.
Overall, Mahadevi had the potential to be something bold and unforgettable, but the execution just didn’t live up to the promise.