Henry Bins has traveled 3000 miles. To see the sun. June 21st. Fairbanks, Alaska. Sunrise is 3:07 a.m. Thirteen minutes later. 800 people will be dead.
Nick Pirog is the bestselling author of the Thomas Prescott series, the 3:00 a.m. series, and The Speed of Souls. He lives in South Lake Tahoe with his other half, Stephy, and their pup, Potter.
লাস্টে এসে মেজাজটা ভালই খারাপ হইল। এতক্ষণ যা পড়লাম যা ভাবলাম যা অনুভব করলাম... তার বিন্দুমাত্র কোন অর্থ নেই! এই কাহিনিরই কোন মূল্য নেই। বজ্জাত লেখককে হাতের কাছে পাইলে একটা রাম থাপ্পড় মেরে তার ইয়ার্কি মারা সাঙ্গ করে দিতাম জন্মের মত। নতুন সম্ভাব্য পাঠকদের জন্য আগাম সতর্কতাঃ বইয়ের কেবল প্রথম অধ্যায় আর শেষ অধ্যায় পড়েন, আর কিছু পড়ার প্রয়োজন হবে না। বিলিভ মি। নইলে আমার মতই লেখককে ধোলাই দেয়ার জন্য দৌড়ানি দিবেন। অথচ আফসোসের ব্যাপার গল্পটা ভাল ছিল, আগের কাহিনিগুলো থেকে একেবারেই ভিন্ন, মূল চরিত্রদের প্রতি পছন্দনীয়তার কারণে তাদের সবরকম দুর্দশা দারুণভাবে অনুভব করা গেছে। লেখকের স্বভাবসুলভ ঝকঝকে বিস্তারিত বর্ণনা ও লেখনিতে একেবারে নিজের চোখ দিয়ে যেন দেখতে পারছিলাম আলাস্কার ধু ধু বন্যতা ও নিষ্ঠুর প্রকৃতি, আমাদের প্রিয় চরিত্ররা কীভাবে এইসব ভয়ঙ্কর প্রতিকুলতাকে অতিক্রম করে জয়ী হয় তার জন্য রুদ্ধশ্বাসে পড়ে যাচ্ছিলাম একটানা... কিন্তু তারপর এইডা কী হইল :/ সিরিয়াসলি, এটা রীতিমত প্রতারণা পাঠকের সাথে, আর তাতে প্রশংসনীয় কিছু নাই। লেখককে পাইলে আসলেই আমি পিটাইতাম!
উচিত ছিল ১ তারকা দেয়ার, শেষের ফাজলামিটার জন্য, তবে পুরোপুরি অর্থহীন হোক বা না, সবমিলিয়ে কাহিনিটা ভালই জমজমাট ছিল তার জন্য ২ তারকা দেয়া হল।
First off, let me say how much I have enjoyed the Henry Bins series. The previous books have both gotten 5 stars from me because each adventure was wonderful and the characters interesting. This book has the same wonderful characters with a few changes and a new Eskimo character I really liked.
Many fellow readers feel this book is either necessary or unnecessary; I can see, understand, and agree/argue both sides of this argument. Many people will see this book as filler because of how different the setting and events that occur on in this book are from its predecessors. For me I enjoyed these changes. As someone who wants to visit Alaska I liked learning and reading facts about this state, which the author researched before putting in this book. Love a factual author! Of course there is some creative licence about what an earthquake feels like. This book helped me know Henry better as a character and connect with him. He was the main focus for this book, and I was relieved when he, Lassie the cat, and Eskimo got out of tough situations. However, I do feel a bit cheated by the ending. It is the kind of book that makes you want to read the next book right away to see what happens because that was its purpose. This book is suppose to make you want to read the 4th installment. Many books do this but I still felt angry and cheated by the ending since it made me feel like I was lied to.
There was a surprise for those of us readers who have read from the beginning till the very end of the book. The author took the time in an author's note at the end of the book to address both of these kind of readers. I greatly appreciated this and made me more of a fan of his.
৩ঃ২১ এ. এম এত গুলো উৎসাহ নিয়ে শুরু করেছিলাম কিন্তু উপন্যাসের কাহিনী সব উৎসাহে পানি ঢেলে দিয়েছে।ভেবে ছিলাম এখানে হেনরির নতুন অভিযান দেখবো, তার মাকে ঘিরে কিন্তু কী থেকে কী!! হেনরি আলস্কায় যায় এবং একদিন ভূমিকম্পের খপ্পরে পরে।তারপরে সে, রবিনসন ক্রুসোর মত বিভিন্ন নদ-নদী,জংগলের মধ্যে দিয়ে অভিযান করতে করতে এগিয়ে চলে এবং তার সাথী হয় তার পোষা বিড়াল আর একজন ছোট্ট বালক।কিন্তু শেষ অবধি জানতে পারি এই সব কিছুই হেনরির দুঃস্বপ্ন!! কেমন লাগে তখন বলুন তো!!!! আসলে তার মা নাকি তাকে অপহরণ করেছেন এবং তার উপরে গিনিপিগের ন্যায় নতুন কিছু এক্সপেরিমেন্ট করছেন,আর সেটা হল কীভাবে দুঃস্বপ্ন দেখানো যায়। লেখক নিজেই বলেছেন রাগ করে বই ছেড়ার দরকার নাই, কেননা এই সিরিজের পরের বইয়ের কাহিনীর সাথে এই অসংলগ্ন কাহিনি সংযুক্ত তাই কী আর করার!!চলেন, ৩ এ.এম সিরিজের ৪ নম্বর টা পড়েই ফেলি!! #যদিও কিছুটা বিরক্ত হচ্ছিলাম থ্রিলার কেন অভিযানের পথে হাটছে!!কিন্তু পড়তে পড়তে একটু ভালোলাগা কাজ করতে লাগলো, আর সে খান থেকে আগ্রহ।মনে হচ্ছিলো আমি রবিনসন বা গ্যালিভারের অভিযান কাহিনী পড়ছি।তাই খুব একটা বিরক্তিকর লাগে নি তবে এই খানে হেনরি কে আগের বইগুলোর থেকে কম উদ্যোমী মনে হয়েছে। লেখক এইখানে হেনরির দায়িত্ববোধের দিকটি তুলে ধরেছেন, এবং ছোট বালকটির প্রতি তার যে মায়া,ভালবাসা তা হেনরি বিনসের ভিতরে যে নরম একটি মন আছে সেটা মনে করিয়ে দিবে পাঠককে।
I am very lliberal in rating. But this time, after finishing the 3rd book of Henry Bins Series, I can't resist myself from being so harsh. I am totally not impressed with 3:21 AM. The plot is too weak and never matched with the character of Henry Bins. When someone has got a disease of sleeping 23 hours a day, how can an author put him into such plot? I can't imagine. It's too hard to complete the book. 2 Star. Sorry for my harshness. But the Bengali Translation by Salman Haque is too good as usual. He should get a 4 Stars for his effort.
হেনরি বিনস 'হেনরি বিনস' এ ভুগেন। তার নামটিই ব্যবহার করা হয় একটি বিরল রোগের সিন্ড্রোম নির্দেশনায়।
দিনের ২৩ ঘন্টা ঘুমানো এবং ১ ঘন্টা জেগে থাকা হলো 'হেনরি বিনস সিন্ড্রোম'। থ্রি এএম সিরিজের সাথে পরিচিতরা চট করে ধরে ফেলতে পারবেন কী নিয়ে কথা বলছি আমি।
হেনরির জীবনে ১ দিন মানে ১ ঘন্টা। এই এক ঘন্টায় আবার তাকে বিভিন্ন এসপিওনাজ সমস্যায় জড়িয়ে পড়তে হয়। মূল কারণ বিনসের রহস্যময় মা।
থ্রি এএম সিরিজের তৃতীয় পর্বে আমাদের প্রোটাগনিস্ট উড়ে গেছেন আলাস্কায়। সেখানে ফেয়ারব্যাঙ্কসে ২২ ঘন্টায় দিন। তাই জীবনে কখনো যে সুন্দর দৃশ্য দেখা হয় নি সেটিই দেখতে প্রেমিকা ইনগ্রিড এবং বেড়াল ল্যাসিকে নিয়ে তার যাত্রা। সুর্যোদয়ের দৃশ্য।
এবার হেনরি বিনস একদম অন্য ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন। ঠিক এ কারণেই থ্রি : টোয়েন্টিওয়ান ভালো লেগেছে। ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর প্যাট ক্যাট ল্যাসি এবং পরবর্তিতে এক এস্কিমো বালকসহ একদম 'ম্যান এগেইন্সট ওয়াইল্ড' এর মতো পরিস্থিতিতে পড়ে যান হেনরি।
প্রকৃতি সব সময় পক্ষে থাকে না। বিপক্ষ যখন প্রকৃতি তখন সেরাদেরও খবর হয়ে যায়। হেনরি বিনস মাত্র এক ঘন্টার জাগ্রত অবস্থার রোগ সাথে নিয়ে ল্যাসি এবং হারিয়ে যাওয়া এস্কিমো বালকসহ পড়তে থাকেন একের পর এক ভয়াবহ বিপদে।
খরস্রোতা নদী, ভাল্লুক, বল্গা হরিণ, নিজের অবস্থান থেকে শত মাইল দূরে ছিটকে পড়া হেনরি এক নির্মম সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে চলতে থাকেন। নিষ্ঠুর প্রকৃতির বর্ণনা, চরম খিদে নিয়ে নিজ জীবনের অভিজ্ঞতাপ্রসূত দিনের মাত্র এক ঘন্টার দক্ষতা নিয়ে যে কী নিদারুন বিপন্নতায় দিন কাটতে থাকে হেনরির তা থ্রিলারের মোড়কে লিখেছেন নিক পিরোগ।
সালমান হকের সুখপাঠ্য অনুবাদ ভালো লেগেছে।
এ পর্ব পড়তে গিয়ে অনেক জায়গায় মনটা খারাপ হয়ে গেছে।
থ্রি এএম সিরিজের অন্যরকম এক গল্প পড়া হলো এবার।
বই রিভিউ নাম: থ্রি : টোয়েন্টিওয়ান এএম মূল : নিক পিরোগ অনুবাদক : সালমান হক প্রচ্ছদ : ডিলান প্রথম প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০১৬ জনরা : থ্রিলার অনুবাদস্বত্ব : বাতিঘর প্রকাশনী রিভিউয়ার : ওয়াসিম হাসান মাহমুদ
আগের বইয়ের ক্লিফহ্যাঙ্গারের কারনে এটা শুরু করেছিলাম। কিন্তু এখানে দেখি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটা প্লট সাজিয়ে বসেছেন লেখক। শুরুর দিকে যদিও সার্ভাইভাল বই হিসাবে মন্দ লাগছিলো না। তবে ওপিক চরিত্রের আগমনের পর থেকে এই বইয়েরও লজিক এলোমেলো হয়ে গেল!! অদ্ভুত সব কান্ডকারখানা করালেন লেখক ৫ বছরের এক বাচ্চাকে দিয়ে। যদিও শেষে এসে একটা টুইস্ট দিয়েছেন এখানেও। তবে মোটাদাগে সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই মনে হয়নি। এখন দেখার বিষয় পরের বই কেমন লাগে৷ যে বিল্ডআপের জন্য এই গল্প ফাঁদলেন লেখক সেটা কেমন হয়!!
থ্রি টোয়েন্টি ওয়ান এ এমে লেখক পাঠককে বোকা বানিয়ে ছেড়েছেন! হোয়াট এ টুইস্ট! পরবর্তী বইয়ের জন্য আগ্রহ বাড়িয়ে দিয়েছে ১০০%।
থ্রি থার্টিফোর এএমে রূদ্ধশ্বাস এক কাহিনী!দম ফেলারও ফুরসত নেই।এক নিঃশ্বাসে পড়ে শেষ করা যায়।ল্যাসি ,ইনগ্রিড, হেনরি, রিচার্ড সব্বাই এককথায় চমৎকার! নিঃসন্দেহে দারুণ একটা বই। ভিন্নধর্মী একটা সিরিজ,টানটান উত্তেজনার বই!
হেনরি বিন্সকে যারা চেনে, তারা জানে সে সূর্যোদয় দেখেনি। ওকে যারা ভালবাসে, তারা চেয়েছিল কখনো এমন হোক। একটা ভোরের জন্মের সাক্ষী হোক হেনরি। আমি ২য় দলে। সিরিজের ১ম বই, থ্রিঃএএম পড়ে অবাক হয়েছি, এটা কেমন থ্রিলার ! এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়ার পর থ্রিঃটেন এএম পড়েছি। হেনরিকে ভালবাসি তখন থেকে। ২য় বইটা পড়বার সময় মায়া হয়েছিল ওর জন্যে, ঠিক এ কথাটাই ভেবে; কখনো সূর্যোদয় দেখবেনা হেনরি। অবশ্য হেনরিকে ভালবাসার জন্যে দায়ী হল... ভালবাসার কথা এত সহজে বলা যায়! দেখি, এত এত লোকের কাছে তার নাম প্রকাশ করার সাহস করতে পারি কি না।
হেনরি’র সূর্যোদয় দেখার অক্ষেপ ঘুঁচে গেল সিরিজের ৩য় বই “থিঃটোয়োন্টিওয়ান এএম” এ। হ্যাঁ সূর্যের মুখোমুখি দাঁড়ালো সে। প্রশ্ন আসতে পারে, “থ্রিঃএএম থেকে ফোরঃএএম যে লোকটা জেগে থাকে, সে সূর্যোদয় দেখবে কেমন করে! ওই সময়ে তো সূর্য ওঠেনা।” বিশ্বাস করেন, ওই সময়েই সে সূর্য দেখেছে। কিভাবে দেখেছে, সেটা জানতে হলে বইটা পড়তে হবে অথবা মাথা খাটাতে হবে একটু। না, এটাই আসল টুইস্ট না। তবে যে টুইস্ট এসছে গল্পের শেষে সেটার চান্স ফিফটি-ফিফটি। খুশি হতে পারেন আবার বেজায় চটে যেতে পারেন। আমার কি মনে হয়েছে? বলছি শেষ করে।
এই বইয়ের গল্পটা, সিরিজের অন্য সবগুলোর থেকে আলাদা। নতুন একটা মাত্রা যোগ হল সিরিজে। পাঠকের আস্থা অর্জন করেছে সিরিজ, লেখক, অনুবাদক, চরিত্র। এখন গল্প যে কোনদিকেই নেয়া যাক, পাঠক পড়বেই। এটাই করেছেন নিক পিরোগ এবং পাঠক তাতে আপত্তিও করেনি বিশেষ। যখন আপনার ভালবাসার চরিত্র আপনাকে নতুন ধরণের গল্পের সন্ধান দিচ্ছে, আপত্তি করবেন কেন!
তবে গল্পের শেষটা নিয়ে কথা আছে, বলছি শেষ করে। হেনরি, ল্যাসি আর ওপিকের জার্নিটা ভীষণ উপাদেয়; গল্প জুড়ে। “কেবিন” টা পেয়ে যাওয়াতে মনঃক্ষুণ্ন হয়েছিলাম কিন্তু সেই মনখারাপ স্থায়ী হলোনা, ভুল পথে আসার খবর পেয়ে :) যাক, সহজসাধ্য হলোনা ব্যাপারটা। হেনরিকে ভালবাসার মতো উপাদান ভরপুর ছিল আগের বইগুলোর মতো এখানেও এবং যার জন্যে হেনরিকে ভালবাসি... এই যে, আবার এলো প্রসঙ্গটা। এবার বোধহয় জানাতেই হবে তার নাম। হুম।
হেনরিকে আমি ভালবাসি, “ল্যাসি”র জন্যে। ল্যাসি আর হেনরি’র কথপোকথন আমাকে খুব, খুউব টানে। আগে যুক্তি খুঁজতাম, হেন কথা তেন কথা ল্যাসি বলতে পারেনা। এখন আর ধার ধারিনা ওসবের। ভাল লাগছে তো, সেটাই বড় কথা। এই ভাললাগা চলুক অবিরাম :) ল্যাসির নতুন বান্ধবীর রিলেশানশিপ স্ট্যাটাস কমপ্লিকেটেড থেকে সহজ-সরল হোক ;) সালমানের অনুবাদের মতোই সহজ-সরল।
সালমান হক পুরনো কেউ না। কি বয়সে, কি উপস্থিতিতে। খুব বেশিদিন তো হলোনা ওর প্রথম অনুবাদের! গত মেলাতেই বোধহয় থ্রিঃএএম এসছিল। কিন্তু ভাল অনুবাদের বেলায় বয়েস আর অভিজ্ঞতা যে সবার জন্যে অন্তরায় নয়; সালমান তার প্রমাণ। কি ভীষণ সাবলীল অনুবাদ করে সে! তাকে দেখে ঈর্ষা হয়। পিচ্চি এক ছেলে, কি দূর্দান্ত লেখনী তার। তোমার জন্যে অনেক অনেক শুভকামনা রইলো সালমান। অনুবাদের এই মানটাও যদি ধরে রাখো, তাতেই দেশের লোক পরিতৃপ্তির ঢেঁকুর তুলবে আরও অনেক দিন। জীবনে ঢেঁকুরের দরকার আছে।
স্ট্র্যাটেজির পেছনের স্ট্র্যাটেজি? --------------------- আই এ্যাম হেনরি বিন্স, আই হ্যাভ হেনরি বিন্স। হেনরি বিন্সের নামেই তার রোগটার নাম। দিনে ২৩ ঘন্টা ঘুমিয়ে থাকবে আর ১ ঘন্টা জেগে থাকবে হেনরি বিন্স রোগী। এমন অদ্ভূৎ রোগের চার্ম দিয়ে সিরিজ শুরু আর যখন রোগটার কারণের ইঙ্গিত থাকবে পরবর্তী বইয়ে; বইটা লুফে নেবে সিরিজ প্রেমীরা। ২য় বইতে ইঙ্গিতটা ছিল, ৩য় বইয়ে “হেনরি বিন্সের” কারণ জানা যাবে। ইঙ্গিতটা এখন ঠিক শুদ্ধ মনে হচ্ছেনা, খানিকটা প্রতারিতই মনে হল নিজেকে।
“ওটা পড়লেই এটার উদ্দেশ্য বুঝতে পারবেন” কথাটা সত্য। কিন্তু আমি বলতে চাই, “ওটা নিয়ে একটা আস্ত গপ্পো না ফেঁদে, এটাতে ওই গপ্পের মূল ব্যাপারটা জুড়ে দিতে পারতেন পিরোগ সাহেব”।
থ্রিঃটেন এএম এর পাঠ-প্রতিক্রিয়ায় প্রেডিক্ট করেছিলাম, ৩য় বইটার বিক্রি সবচাইতে বেশি হবে। প্রকাশনী আর পিরোগ সাহেবও তেমনই ভেবেছিলেন বোধহয় আর তাই ব্যাবসাটাকে ৩য় বইয়ের থেকে টেনে ৩য় এবং ৪র্থ বইয়ে নিয়ে গেলেন। নিজেকে একটু প্রতারিত মনে হয়েছে সেজন্যেই :(
তবে মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ভাই অর্থাৎ বাতিঘর প্রকাশনীকে কৃতজ্ঞতা জানাই। ৩য় বইটা যদি ৪র্থ বইয়ের সঙ্গে এক মলাটে না বেরতো; তাহলে প্রতারণার অনুভূতি আরও জোরালো হতো।
It was fun to be at a different place with different type of challenges. It was also fun to learn about some facts about Alaska(I don't care, but the author bragged about those at ending note).
রেস্টুরেন্ট এর মেনুকার্ডে খাবারের ক্যাটাগরির মাঝে অ্যাপিটাইজার(Appetizer) নামে একটা ক্যাটাগরি আছে।এই Appetizer এর কাজ কি জানেন?ফুড এন্ড বেভারেজ এর ভাষায়-অ্যাপিটাইজার হল সে সমস্ত হালকা খাবার যা ক্ষুধার উদ্রেক করে Main Food গ্রহনে ব্যক্তিকে আগ্রহী করে তোলে।
বই রিভিউয়ে খাবারের প্রসঙ্গ আনলাম কেন? কারন নিক পিরোগের লেখা হেনরি বিনস সিরিজের ৩য় এই বইটি আমার কাছে অ্যাপিটাইজারের মত মনে হয়েছে!
বইয়ের শুরুতেই প্রিয়তমা ইনগ্রিড আর প্রিয় বিড়াল ল্যাসিকে নিয়ে জীবনে প্রথমবারের মত সূর্য দেখতে আলেক্সান্দ্রিয়া থেকে ৩০০ মাইল দূরে,আলাস্কার ফেয়ারব্যাংকসে যায় ���মাদের গল্পের নায়ক হেনরি বিনস।জীবনে সেখানে জীবনে প্রথমবারের মত সূর্য দেখে দিনে ২৩ ঘন্টা ঘুমানো হেনরি বিনস।অনুভব করে সুর্যরশ্মি!সেখানেই জানতে পারে তার প্রেমিকা ইনগ্রিড মা হতে চলেছে,আর সে বাবা!
কিন্তু,প্রতিদিন যে কিনা মাত্র ১ ঘন্টা জেগে থাকে সে কিভাবে বাচ্চার দেখাশুনা আর ভরনপোষন করবে?তাই এটা নিয়ে ইনগ্রিডের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে রাগ করে প্রিয় বিড়াল ল্যাসিকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ে হেনরি।
হঠাৎ একসময় ভূমিকম্পে কেপে উঠলো আলাস্কা।ভূমিকম্পের কবলে পড়ে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের সাথে সে নিজেও আক্রান্ত হয়ে নৌকায় ভাসতে ভাসতে ঘুমিয়ে থাকার ২৩ ঘন্টায় ১০০ মাইলেরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করে সে।পৌছে যায় জনবসতি শূন্য কোন এক জায়গায়,শুরু হয় প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সংগ্রাম।এই অংশটুকু পড়ার সময় মনে হচ্ছিল ডিসকভারিতে Man vs Wild দেখছি!পড়তে পড়তে একঘেয়েমি আর বিরক্তও লাগছিল।তবে পুরো বইয়ের চমকটা শেষের দিকে!
আর এটাই আপনাকে এ সিরিজের ৪র্থ বই 3 : 34 am পড়তে আপনার ক্ষুধা বাড়িয়ে দিবে বহুগুন!আর এজন্যই 3:21am অংশটুকুকে অ্যাপিটাইজারের সাথে তুলনা করেছিলাম!
This book was both funny and disappointing. It is the 3rd in the Henry Bins series. Henry Bins has Henry Bins disease...he is only awake 1 hour out of every 24, that hour being 3:00 to 4:00 a.m. Yet he has made himself a life and has a girlfriend. They and Lassie (the cat) decide to travel to Alaska because on a certain day, the sun will rise at 3:07 and Henry can see it for the first time in his life. While in Alaska, Henry has a fight with his girlfriend and he and the cat go for a walk. While on a bridge, an earthquake strikes, Henry and the cat fall into the water and are washed 100 miles from Fairbanks. The rest of the book is of their adventures trying to get back, and of a little Eskimo boy they meet. Or so you think...here comes the disappointing part. It's all a dream! Just like when Bobby Ewing stepped out of the shower, that's how you feel. At that point there are 2 pages left in the book, in which you discover he's been kidnapped by his mother and the CIA and they have been torturing him to find out where a flash drive that they think the president gave him is. I want to finish the story, but at this point don't know if I trust the author enough to buy the next book.
This entire review has been hidden because of spoilers.
Ok, if you don't want any SPOILERS stop reading now. This book was very disappointing for me. The Henry Bins stories are all kind of short but with this one I really didn't feel like it was worth my time or money. Nothing really happens in this book. The entire thing is a dream Henry has while being tortured. He wakes up in a CIA facility only to find out that he never went to Alaska. Not what I was expecting and poor place to end the book. Probably won't waste my money on the next book.
Have thoroughly enjoyed this ridiculously different installment of Henry series. Having finished reading it, I didn't feel like I should throw away my tab or nook against the wall ( as assumed by the author !!) because I was warned of this disastrous ending earlier. :-) Actually this one is supposed to make you want to go through the next installment and so, after reading it, you might be left disappointed with a feeling of being cheated but you can't resist yourself from reading the 4th installment. That's what I'm exactly going to do now. :-) :-D
হেনরি বিনস সিরিজের তৃতীয় বই। আগের গুলোর তুলনায় অন্য রকম। প্লট টা অন্য রকম। কিন্তু শেষে এসে এন্ডিং টা ঝাঁকি দিয়ে গেল। তৈরী হতে বলল চার নম্বর বই এর জন্য।
হেনরি বিন সারাদিনে ২৩ ঘন্টা ঘুমায়। শুধু জেগে থাকে ভোর ৩ টা থেকে ৪টা। এই অসুখের কোন কুলকিনারা নেই। সারা জীবনে সে কোনদিন ও সূর্যোদয় দেখেনি। তাই বহু কাঠখড় পুড়িয়ে সে তৈরী হল আলাস্কায় যাবে বলে। আলাস্কায় সূর্য ওঠে সবার আগে। প্লেনে নিজে নিজেই উঠে পড়ল। সাথে থাকা ইনগ্রিড আর বিড়াল লেসি নিয়ে এল আলাস্কায় কেবিনে। ভোর ৩.০৮ এ সে প্রথমবারের মত দেখল নুতন রবির আলো। আর তার তের মিনিট পর একসাথে মরে আলাস্কার ৮০০ মানুষ।
If you're looking for that unusual, captivating read then try Nick Pirog's books. This latest in the Henry Bins series doesn't disappoint - the story carries on from the earlier books (3:00 a.m and 3:10 a.m) and it would probably make more sense to have read these first - but Mr Pirog knows how to tell a good story which manages to be well researched and well written aswell as being both absorbing and entertaining.
এটা ৪র্থ গল্পের প্রিকুয়াল... কোন সাসপেন্স নেই তবুও গল্পের শেষে মারাত্মক ধাক্কা খেয়েছি। লেখকের হিউমার গুলো খুব ভালো লেগেছে। অন্য গল্প গুলো থেকে আলাদা। আমার মতে লেখক আলাদা বই না করে একসাথেই লিখতে পারত দুটা বই এক করে। অবশ্য তখন আর এটা নভেলা থাকত না উপন্যাস হয়ে যেত, সেক্ষেত্রে বাতিঘর আর সালমান হককে ধন্যবাদ দুটা গল্প এক সাথে এক মলাটে বের করার জন্য, না হলে খুবই মুশকিলে পরে যেতাম। :/
Having just finished the 3:53 AM book, I can say this book is somewhat redeemed. When I’d finished reading 3:21 AM, I felt like I’d wasted my time. (Anyone who watched Dallas in the 80s can relate) Otherwise, I did enjoyed the rest of the series. Henry has gotten time management down to a science, and I could certainly take some lessons from him.
There were times that I thought 3:21 AM was so far fetched that I’d have to put it down for a while. I think it could have been better as a few chapters instead of an entire book. The 3:53 book did address this book though, and tied up a lot of loose ends. If you didn’t like this book, I’d say continue on because it is a very good series with well developed characters, lots of plot twists, and some political intrigue thrown in as well.
Another good installment in the Henry Bins series. Maybe not quite as strong as the first two. I felt like the whole lost in Alaska/earthquake survivor/crazy dream thing went on a little too long. I was questioning everything - the author kept me on my toes - as Henry's narrative felt very real but then I'd read the time stamps and think something was off. But then Henry and his trek would distract me. Basic gist: Mommy dearest is evil. Period. I thought that before with the revelations in 3:10, but now there isn't even a sliver of doubt. But of course I'm going to read part 4...and hope that Henry's dad didn't know a whole lot about what his wife did.
হেনরি এক জায়গায় ঘুরতে যায়। তারপর হোটেলের পাশে এক ব্রিজে ভুমিকম্পে ব্রিজ ভেঙে যায়। হেনরি এক পর্যায় ব্রিজ থেকে নদীতে লাফ দেয়। নদীর মধ্যে একটা ছোট নৌকা পেয়ে, নৌকা দিয়ে সামনে এগিয়ে যায়। একপর্যায়ে নৌকা দিয়ে নদীর তীরে আসে। নদীর তীর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে দেখায় হয় ৫ বছরের এক বালকের সাথে। বলকটি তাকে খাবার যোগার করতে সাহায্য করত। একসময় ছোট বালকটি গুরুতর আহত হয় কিন্তু হেনরি তাকে সুস্থ করাতে না পেরে তাকে নিয়ে নদীর তীরে হতাশ হয়ে বসে থাকে। "হঠাৎ হেনরির ঘুম ভেঙে যায়"।
আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে বালকের সাথে হেনরির নদীর তীর দিয়ে এগিয়ে চলার সময়টা। ৩টা সিরিজের মধ্যে এই সিরিজটা আমার কাছে সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে।
I listened to this on audio. Two stars for the sensational ending ONLY. The book was a waste of my time. However I will read the rest of the series as am emotionally invested in the characters. So there's that.
"না না না" এইটা ভালো লাগানোর অনেক চেষ্টা করেছি। আগের গল্পের কন্টিনিউএশন আমি সহ সব পাঠকই এক্সপেক্ট করছিলেন নিশ্চয়। কিন্তু ইহা আমাদের নেকেড এন্ড এফ্রেইড এ নিয়ে যায়। তাও ভালো লাগছিলো, এক বসাতেই পড়ে যাচ্ছিলাম, কিন্তু শেষের টুইস্ট আমার পড়ার মুডের বারোটা বাজায় দিলো। হা ভালো টুইস্ট ছিলো শিকার করছি, কিন্তু সেটা আমাকে অবাক করার বদলে করেছে বিরক্ত।
সিরিজভিত্তিক বই সাধারণ আমি কম পড়ি। আমি একটু অস্থিরচিত্তের পাঠক(মানুষ) কিনা। হিমু বা মিসির আলি ছাড়া কোন সিরিজের সবগুলো বই এখনো পড়ি নি। বহু মাস্টারপিস বই সিরিজ ভিত্তিক হওয়ার কারণে এখনো শুরু করি নি। তবে হেনরি বিনসের কথা একদম আলাদা। কোন চরিত্রকে আমি কখনো এতটা হিংসা করি নি। আমার খুব প্রিয় চরিত্র হিমুর রুপাকেও না। ঘুমকাতুরে হিসেবে আমার বদনাম আছে। এই মধুরতম অভ্যাস কখনো হতাশা কিংবা উদ্বেগের কারণও হয়েছে। তবে আমি কিংবা যে যতবড় ঘুমকাতুরে থাক না কেন কেউ নিশ্চয় হেনরি বিনসকে ছাড়িয়ে যাবো না। হেনরি বিনস দিনে মাত্র এক ঘন্টা জাগে, বাকি তেইশ ঘন্টা ঘুমায়। এই এক ঘন্টাতেই সে কত কিছু করে, কত স্বাবলম্বী একটা জীবনে থাকে। এমনকি তার একটা প্রেমিকাও আছে।
.
বইটা শেষ করে মনে হলো এটা কি হলো, নিক পিরোগ এটা কি করলো। বইয়ের শেষে লেখক সেটা নিজেই স্বীকার করেছেন। অনুবাদ সালমান হকের অন্যসব বইয়ের মতই দুর্দান্ত।
.
স্পয়লার এ্যালার্ট : কাহিনীতে হেনরি বিনস অনাগত সন্তানের খবর পায়। প্রথমবারের মত সূর্য দেখে।
.
ব্যক্তিগত অভিমত : যারা সময়ের কাজ সময়ে করতে মোটিভেশন খোজে আমার মনে হয় তাদের হেনরি বিনস সিরিজ পড়ে দেখা উচিত। এটা সিরিজের তৃতীয় বই।