স্বনামধন্য অভিনেত্রী আত্রেয়ী সেনকে খুনের চেষ্টা। গ্রেপ্তার হল মিহির সরখেল। হঠাৎ লকআপ থেকে উধাও মিহির। শহরে আতঙ্ক। এক-এর পর এক নৃশংস খুন। প্রমাণ বলছে ছাপোষা মধ্যবিত্ত মিহিরই খুনি। তবু সে অধরা। ওসি সায়ন মল্লিকসহ গোটা পুলিশ ডিপার্টমেন্ট নাজেহাল। কারণ তদন্তে উঠে এসেছে ভয়ানক তথ্য। গা-ছমছমে সাদা দুটো চোখ! কার? সেই কি আসল হত্যাকারী? শিশুপুত্রকে নিয়ে মিহিরের স্ত্রী মৃন্ময়ীও দাঁড়িয়ে মৃত্যুর দোরগোড়ায়। সে কেন বারবার প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর নীলাম্বর ব্যানার্জির খোঁজ করছে? তাহলে কি মৃন্ময়ী লুকিয়ে যাচ্ছে কোনো গূঢ় সত্যি? লৌকিক-অলৌকিক রহস্যে ঘুমিয়ে আছে মৃত জ্যোৎস্নার রাত্রি।
মিডিয়া জগতের মানুষদের নিয়ে কমবেশি কানাঘুষা থাকেই–তারা দুশ্চরিত্র, অসৎ, বহুগামী ইত্যাদি। কানাঘুষা বলা ঠিক হয়নি, কারণ যা রটে তার কিছুটা তো ঘটেই.. তাই না?
আত্রেয়ী সেন–টালিউডের নাকউঁচু এই অভিনেত্রীকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে এক আততায়ী। সবার সাক্ষ্যতে জানা গেল, আততায়ী হলো সেই পরিচালক (মিহির) যার সাথে কয়েক ঘণ্টা আগেই ঝগড়া বেধেছিল। কিন্তু কেমন ধরনের ঝগড়া হলে একজন পরিচালক তার কাজের মূল নায়িকাকে মেরে ফেলার চেষ্টা করবেন? এ ছিল লৌকিক ব্যাপার–সাধারণ হত্যা চেষ্টা।
কিন্তু অলৌকিক সেই ছায়া আবারো মিহিরের পিছু পিছু ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাই মিহিরের ছদ্মবেশে নাকমুখ থেঁতলানো সেই দানো মানবশরীর ধ্বংস করে করে শক্তি সঞ্চয় করে যাচ্ছে। কে জানে কীসের নেশায় এই অতৃপ্ত আত্মা এখনও ধূলির ধরণীতে পড়ে আছে....
▪️▫️▪️
'তেরো নম্বর ফ্লোর'-এর সিক্যুয়াল এই বই। মোটাদাগে খারাপ না। ভূত-মানুষ মিলিয়ে অপরাধের সূত্রগুলো মেলানো সুন্দর। ঠিক কীভাবে যে গল্প শেষ হবে, আন্দাজ করার সুযোগ রাখেনি। খারাপ দিক হলো– মাঝে টে-নে বড় করা হয়েছে। মর্গের একটা দৃশ্য ছিল, সেই লেখাটুকু একেবারে ভালো লাগেনি। ভয়ের চেয়ে বিরক্ত লাগছিল বেশি।