Shankar's real name is Mani Shankar Mukherjee. Sankar is a very popular writer in the Bengali language. He grew up in Howrah district of West Bengal, India. Shankar's father died while Shankar was still a teenager, as a result of which Shankar became a clerk to the last British barrister of the Calcutta High Court, Noel Frederick Barwell. The experience of working under Mr. Barwell provided the material for his first book Koto Ojanare (কত অজানারে), translated as The Great Unknown. During 1962, Shankar conceived the idea of writing the novel Chowringhee on a rainy day at the waterlogged crossing of Central Avenue and Dalhousie - a busy business district in the heart of Kolkata. Many of Shankar's works have been made into films. Some notable ones are - Chowringhee, Jana Aranya (জন-অরণ্য, translated as The Middleman) and Seemabaddha (সীমাবদ্ধ, out of which the last two were directed by Satyajit Ray.
কিছু কিছু বই ইচ্ছা করেই শেলফে দিনের পর দিন ফেলে রাখি। পড়ে ফেললে যদি বইয়ের ম্যাজিক ফুরিয়ে যায় এই ভয়ে। প্রিয় লেখক শংকরের জন অরণ্য এরকমই একটা বই। এরমধ্যে হুট করেই পড়তে ইচ্ছা হল বইটা। পড়ে ফেললাম ক্লাসিকটা। সত্যজিৎ রায়ের কলকাতা ট্রিলজির একটা সিনেমা তৈরি হয়েছিল এই বই থেকে। জন-অরণ্য বলতে কলকাতা শহরটাকে বোঝানো হয়েছে, বোঝানো হয়েছে এই শহরের নিষ্ঠুরতা, যান্ত্রিকতা। গল্পটা একজন বেকারের, যে কিনা পরিবারের মধ্যে সবথেকে সাধারণ। চাকরির খোঁজে বন্ধু সুকুমারকে নিয়ে ছুটে বেড়ানো, পদে পদে হীনমন্যতার মুখোমুখি হওয়া, অতঃপর ব্যবসায় ভাগ্য পরীক্ষা করতে গিয়ে অন্ধকার সত্যির মুখোমুখি হওয়া। এসবই সরল গদ্যে দেখিয়েছেন লেখক। দেখিয়েছেন বেকারদের জন্য জগৎটা কতটা নির্মম। দ্রুতই বেকারত্বে পা রাখতে চলেছি, ফলে উপন্যাসের প্রত্যেকটা ব্যাপারই নার্ভে চাপ ফেলেছে। আরেকটা ব্যাপার না বললেই নয়, উপন্যাসের শেষেরদিকে সেকালের কলকাতার প্রস্টিটিউশনের রূপ তুলে ধরেছেন লেখক। ব্যাপারটা খুবই ডার্ক ও বিষণ্ন ছিল। সেইসাথে শেষেরদিকে পাঠককে নির্মম একটা ধাক্কাও উপহার দিয়েছেন লেখক। শংকরের লেখা সবসময়ই বাস্তবতাকে উপজীব্য করে হয় বলে সবসময়ই ভালো লাগে। জন অরণ্যও ব্যতিক্রম নয়। প্রধান চরিত্রের পাশাপাশি, সুকুমার চরিত্রটিকে ভালো লেগেছে। মনে দাগ কেটে থাকবে এই উপন্যাসটা।
সত্তরের দশকের কলকাতা। হাজার হাজার বেকার যুবক চাকরির সন্ধানে ঘুরছে। জন-অরণ্য উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সোমনাথ সেই দলেরই একজন। স্নাতকের পর একটা চাকরির খোঁজে তার অবিরাম সংগ্রাম এই কাহিনির প্রধান উপজীব্য। সমাজব্যবস্থার ঘুনে ধরা কাঠামোতে একের পর এক প্রতারণার শিকার হয়ে একসময় সোমনাথকে হাল ছেড়ে দিতে হয়। জীবনের টানাপোড়েনে একসময় সে বাধ্য হয় ব্যবসায়িক দালাল হিসেবে কাজ করতে। এই জন- অরণ্যে প্রতিনিয়ত নৈতিকতার সঙ্গে জীবনের বাস্তবতার সংঘাতে দিশেহারা হয়ে পড়ে।
জন অরণ্য নিছক কোন উপন্যাস নয়, বরং সময়ের দলিল; স্বাধীনোত্তর ভারতের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থার বাস্তব প্রতিচ্ছবি। বেকার সমস্যা এবং তার সাথে জড়িত সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং নৈতিক দ্বন্দ্বগুলো এই উপন্যাসের পাতায় এত প্রকট হয়ে ধরা দেয় যে পড়তে গিয়ে থমকে যেতে হয় বারবার। অনেক সময় মনে হয়, গল্প ফাঁদতে গিয়ে লেখক কিছুটা বাড়িয়ে বলছেন না তো?
But, Truth is stranger than fiction! বইয়ের শেষে লেখক জন-অরণ্যের নেপথ্যের কথা ব্যক্ত করেছেন, তুলে ধরেছেন নিজের অভিজ্ঞতার কথা। আপাতদৃষ্টিতে অবিশ্বাস্য ঘটনাগুলো বাস্তব জগত থেকে চিত্রিত, চরিত্রগুলো রক্ত-মাংসের মানুষ থেকে অনুপ্রাণিত- ভাবতেই দম আটকে আসে!
আর হ্যাঁ, সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত কলকাতা ট্রিলজির চলচ্চিত্র জন-অরণ্য নির্মিত হয়েছে মণিশঙ্করের এই গল্প অবলম্বনেই।
দ্বৈপায়ন ব্যানার্জির তিন পুত্র । বড় দুইজনের উপর ঈশ্বরের সুদৃষ্টি পড়লেও ছোটজনের উপর তা মোটেও পড়ে নি বলে সোমনাথের ধারণা । হ্যাঁ সোমনাথ । দ্বৈপায়ন ব্যানার্জির কনিষ্ঠ পুত্র সোমনাথ একাডেমিক পড়াশোনার পার্ট চুকিয়ে বেকার উপাধি নিয়ে ঘরে বসে আছে। হায় হায় কি লজ্জার কথা ! আসলে চাকুরীর চেষ্টা করতে করতে সোমনাথ বুঝে ফেলেছে চাকুরী তার কপালে নেই । কিন্তু তা মানতে রাজী নয় সোমনাথের পরিবারের সদস্যরা । বিশেষ করে বাবা আর বড় বউদি....। আর একজন তারই বেকার বন্ধু সুকুমার । সোমনাথের অবস্থা মোটামুটি ভালো হলেও সুকুমারের অবস্থা কিন্তু খুবই নিস্বা। তার ঘরে তিন বোন আছে যাদের প্রত্যেককেই বিয়ে দিতে হবে আর সুকুমারের বাবাও খুব শীঘ্রই রিটায়ার্ড করতে যাচ্ছেন, প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে তখন সংসারের পুরো দায়িত্ব সুকুমারের স্কন্ধেই পড়বে। সংসার চালানোর জন্য যাহোক একটা কর্মের যোগাড় করা চাই তাও বাবার অবসর প্রাপ্তির পূর্বে। কিন্তু কোথায় কী! কলকাতায় তখন বেকারের সংখ্যা পাঁচ কোটির মতো ... যেখানে দেখিবে অফিস ; এগিয়ে গেলেই নজরে পড়িবে , দেয়ালে ঝুলানো - কর্ম খালি নাই এর নোটিশ
I picked this book up without any expectation, but I found myself quickly engrossed. My reading of Indian literature in translation has been scant. But I am happy that of late I have been improving on that front.
‘The Middleman’ is a brilliant satire on society. It’s gripping, poetic, unsparing, and touching. I flinched at times because Sankar is so ruthless in portraying the society we have built up.
Poor Somnath Banerjee lives in Calcutta. He is jobless. And from that comes the source of his troubles. I have experimented with what I can call an unconventional lifestyle over the last four years. These haven’t been pretty years. There have been days I thought I was jobless too, scouring and begging clients for deals, scavenging my soul to keep them happy.
Society might think I am not a ‘success.’ I don’t know how much I will pay myself the next month! And what I pay myself these days is not remotely close to what I might get paid working for someone else. Success. Failure. The greys in between. The pressure to ‘make it.’ No one knows where this ‘make it’ ends. We just have to get there, don’t we?
Which is why Somnath feels all too human. Which is why I too broke my soul reading it.
জন-অরণ্য আমার এ বছর পড়া এখন পর্যন্ত সবচেয়ে পছন্দের বই। অবশ্যই পড়বেন। (এইটুকু বলেই শেষ করা যায়, তবে এটাতো কোনো লেখার পর্যায়ে পড়েনা।) আমাদের এই উপমহাদেশীয় জনমানূষের অরণ্যে সমাজব্যবস্থা যে কতটা করুণ, সেই চিন্তাটা গেঁথে গেছে মাথায়। সোমনাথ ব্যানার্জি আর সুকুমার দুই চাকরিপ্রার্থী বন্ধু দু বছর ধরে দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়াচ্ছে একটা চাকরির আশায়। চাকরি নেই কোথাও। হবার সম্ভাবনাও নেই। হাজার খানা এপ্লিকেশন জমা দিয়েছে তারা, কোন উপায় হয়নি। সোমনাথের দুই ভাই বড় চাকরি করে। বৃদ্ধ পিতা দ্বৈপায়ন সাহেবও মানি লোক। কিন্তু সোমনাথ? বেকার। সুকুমারের অবস্থা আরও করুণ। পিতা অবসরে যাচ্ছে। ঘরে ছোট বোন। ঘরে বসে অন্ন ধংস ছাড়া কিছুই করতে পারছেনা। এই সমাজে শিক্ষিত বেকার যুবকের চাইতে মানসিক পীড়ন বোধহয় আর কেউ সহ্য করেনা। যেই পীড়ন সহ্য করতে করতে মানসিক বিকৃতি জেঁকে বসে তার। এখানে একটা নিম্নমধ্যবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্ত শিক্ষিত যুবক বেকার থাকা মানেই সে সমাজের বোঝা। তার বেঁচে থাকা চলে করুণার উপর, স্বপ্ন চলে যায় কবরে, প্রেমিকা অন্য কোনো সাবলম্বীর ঘরে। তার মতামতের, স্বপ্নের কোনো মূল্য থাকতে পারেনা। বেকারত্বের এই দুঃখের গল্প আমাদের অনেক চেনা। কারণ এই গল্প সত্যি, এই দুঃখ বিরাট। কিন্তু, শংকরের মতো এত টু দি পয়েন্ট দুঃখ গুলোতে আঙুল তুলে কেউ দেখাতে পারবেনা এতটুকু নিশ্চিত আমি। বইয়ের শেষাংশের পরিনতি যখন পড়ি, আমার গা কাঁপছিলো৷ বেঁচে থাকার কি নির্মম চেষ্টা আমাদের। আমি অনুভব করতে পারছিলাম সোমনাথকে। (কারণ আমিও নব্য গ্র্যাজুয়েট যদিও আমি মাত্রই এলাম আর আমি প্রিভিলেজড শ্রেনীর মানুষ, অতটা দুঃখ এখনও আমাকে ছোঁয় নি। তবে আমি বুঝি আমার বাঁধা গুলো, লোকলজ্জ্বার ভয় গুলো।) ১৯৭৬ সালে লেখা বইটা নিয়ে আমার মতো শংকরের 'জন-অরণ্য' অনুধাবন করতে পেরেছিলেন স্বয়ং সত্যজিৎ রায়৷ দেশ পত্রিকায় ছাপা হতেই পরেরদিন সকালে শংকরের বাসায় ফোন করেন সত্যজিৎ। যেই গল্প সিনেমা অব্দি গড়িয়েছিলো।
আমার কলকাতার ভাষা নিয়ে একটা ভয় আছে। শংকর সেই ভয় উড়িয়ে দিলেন। অনেকদিন ভাবাবে আমাকে বইটা। আমার এখনও 'চৌরঙ্গী' পড়া হয়নি, অর্ডারে আছে। অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় আছি এখন। রেকমেন্ডেড! ❤️
শংকরের বই আগে কখনো পড়া হয়নি,"কত অজানারে"ট্টিওলজির লেখকের লেখনীর সুনাম বহু দিন থেকেই কর্ণগোচর হওয়া সত্ত্বেও কবিগুরুর ভাষায় দেখা হয়নি চক্ষু মেলিয়া জায়গায় পড়া হয়নি সময় করিয়া বলাটাই যখন এতদিনের গা বাঁচানোর এক মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে আসা আমার ঠিক সেই সময়ে "জন অরন্যের"রিভিউ চোখে পড়ল ,তারপর একে একে বন্ধুতালিকায় অনেকের ভূয়সী প্রশংসা দেখে ভাবলাম যাই শুভকাজটা এই বই খানা দিয়েই শুরু করি.
তবে বইখানা পড়ে যেমন আশাহত হইনি তেমনি স্তুতি বাক্যের ফুলঝুরি ছোটানোর মত মুগ্ধ ও হইনি.ইংরেজ শাসনের অবসানের ঠিক পরপরই কলকাতার জন অরনে্য সোমনাথের মত হাজারো বেকারের জীবনের এক ছোট্ট চিত্র জানার আগ্ৰহ থাকলে পড়ে ফেলতেই পারেন এই বই খানা
বইটার মাঝে অদ্ভূত একটা হাহাকার আছে। অনেক বার চেষ্টা করেছি নামিয়ে রাখতে কিন্তু পারিনি। শংকর যে প্রাঞ্জল্যের সাথে তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাকে বইয়ের দুই মলাটে পুরে দিয়েছেন, তা বিস্ময়কর! বইটি প্রকাশের পর এতটা সময় পেরিয়ে গেছে কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে এর relevance আজো আছে। একেই বোধহয় বলে কালজয়ী উপন্যাস!
A moving story by Sankar about a college graduate in Calcutta of 1970s, who is unable to find a job for a long time and eventually decides to get into business and a life of corruption.
অনেকদিন আগে শংকরের চৌরঙ্গী অর্ধেকটা পড়েছিলাম। জন-অরণ্য পড়ার আগে এতটুকুই পরিচয় ছিল তার সাথে। এবার ভালো মতোই পরিচয় হলো। আকারে ছোট খাটো হলেও এই উপন্যাসের গল্পটা খুব শক্ত। বেকার যুবকদের হাহাকার তুলে ধরতে সফলই হয়েছেন বলা চলে। . সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান বেকার সোমনাথের জন-অরণ্যের নতুন বাস্তবতার সাথে পরিচয়ের গল্প বলে এই উপন্যাস। জন-অরণ্যের নেপথ্য কাহিনী থেকে জানলাম এর কিছুই মিথ্যে নয়। বাস্তবতা সত্যিই খুব নির্মম।
শংকর এর এই উপাখ্যানটির বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের অনেকখানি মিল,কালজয়ী উপন্যাস হিসেবে সার্থক। সেই একই বেকার যুবকদের সমস্যা,একই দুর্নীতিবাজ অফিসার এর ট্র্যাডিশন আজও চলছে। তবে সেখান থেকেই একটু আশার আলো হলো বাঙালির ব্যবসা সম্পর্কে শংকর কিন্তু পজিটিভ দিককেই দেখিয়েছেন। মোটের উপর পড়তে পড়তে ডিসএপয়েন্টেড হলেও কাহিনী মনের উপর একটা স্থায়ী দাগ কেটে যায়।
Although 'The Middleman' was written in 1970, it still holds its pronounced relevance to present day as well. Because we still continue to breed like rabbits and want those kittens to be shining graduates. We still allow any two dime businessman or wannabe politician to setup his own college to accommodate them and they continue not to give flying fuck about the student studying in their colleges. (Neither the students are for that matter). It’s a safest business one can think of, it’s not like you can ask for replacement if the toothpaste turns out to be lip balm. As a result, after a roundabout of an academic year, we have millions of unemployed graduates dispensed form the safety of college compounds to the world ready to piss all over you for your failure in finding the JOB.
Somanth is one such grain of sand in vast desert of unemployed graduates, who can’t find his footing, besides toiling hard day and night for a respectable job. Unlike his fellow seafarer Sukumar, Somanth is surrounded with his well to do brothers, and his optimistic sister-in-law , who ensures his prerequisites are taken care of. Yeah, for a graduate, his over reliance on his family for his living will come as tight slap to his dignity. But for Sukumar, who has to fend for his ailing mother and his three unmarried sisters its life and death. Bound by the self pity and despair, they both roam the streets of Calcutta like a “gentle shepherds caught in the human jungle.”
While the callous time, makes Sukumar go bizerk (in one of the most powerful scene in the book) offending total strangers with his general knowledge quiz, living in a world of make-believe of knowing it all, Somanth on the other hand tries his luck in being a Middleman, buying and supplying anything ranging ‘from pins for the office to elephants for the zoo’. But soon realizes that with the many incoherent skills necessary to survive in this highly competitive world, morality and rectitude unfortunately were not among them, while public relations (ass licking disguised) topped them all. In one such act of servicing, Somanth is confronted with task to prostitute a girl to an affluent buyer who promised big orders for purchase, and his ticket to be a successful entrepreneur.
Author Mani Shankar Mukherjee in his afterword at the end of the book, admits the story being inspired form his real life experience as sales representative. He also gives us a brief account of how he came about in bringing Somanth and other characters mentioned in this book (all based on flash of real life people). The simplistic nature and its nearness to the reality made this short book a poignant yet powerful read. Probably it might be the reason that lured the Great Satyajit Ray to make a feature film out of it, and not some rinky-dink Bollywood director. There are also elements where in author brings about true to life, confrontations that take place between, Somnath and other characters. Especially his sister-in-law Kamala, and his girlfriend Tapati.
Many complain about its pessimistic approach but to me its reality, we can note its extent in the incident explained by author, where in after the book was released two men confronted him seeking the address of one of the affluent characters son who resided in Canada.
Originally written in Bengali, the review is not complete without praising the beautiful translation to English by Arunava Sinha. Well I cannot check its authenticity with the original as I don’t know Bengali, but the choice of words and narration just about make me feel it’s sufficient enough to bring about the considerable degree of sentiment and fondness one is expected of it.
Moving and powerful book from a powerful writer, that leaves every reader with a difficult conundrum to brood over.
The movie version by Satyajit Ray is called ‘JanaAranya’
আমি পাশ করার পর মাস ছয়েক বেকার ছিলাম। অনেকটা স্বেচ্ছাতেই। নিজেকে কিছু সময় দেয়ার পাশাপাশি করোনাভীতিও পেয়ে বসেছিল। কিন্তু, ৬ মাস শেষ না হতেই আমার ভেতর থেকে কেমন যেন নিজের প্রতি ধিক্কার আসতে থাকল। মায়ের কাছ থেকে আর কত নেয়া যায়? যদিও দিতে মায়ের আপত্তি নেই, কিন্তু সবারই ওইটুকু আত্মসম্মানবোধ আসলে একটা ডিগ্রী অর্জনের পর দাঁড়িয়ে যায়।
চাকরির জন্য চেষ্টা করতে করতে দেখলাম ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা প্রায় সবাইই কোন না কোন কিছু করছে, নিদেনপক্ষে টিউশন। এতে করে হতাশাট��� আরো বাড়ল। চাকরি পরীক্ষা বা পোস্ট গ্র্যাজুয়েশন কোন পরীক্ষার পড়াই মাথায় ঢুকে না। মনে হচ্ছে, ডাক্তারি হোক বা যা হোক কিছু করে আমাকে কিছু না কিছু রোজগার করাই লাগবে। সেই সময়ের যে অভিজ্ঞতা সেটা স্বল্পস্থায়ী এবং অনেকটা আমার নিজের উপর নিজেরই আরোপিত হলেও সুখকর যে ছিল না হলপ করে বলতে পারি।
শংকরের লেখার সাথে আগেই পরিচিত থাকায় তাঁর লেখনশৈলী সম্পর্কে কোন দ্বিধাই ছিল না। বইয়ের সারাংশ হয়তো এক কথায়ই বলা দেয়া যায়। সত্তর এর দশকে কলকাতার প্রায় পাঁচ কোটি শিক্ষিত বেকারের একজনের ব্যক্তিগত স্ট্রাগল। কিন্তু, স্ট্রাগলটা যে কী ভয়���কর, যতই পরিবার সক্ষম হোক না কেন, একজন শিক্ষিত ছেলের বেকার থাকার যে কী গ্লানি সেটা একেবারে মর্মে মর্মে উপলব্ধি করিয়ে ছাড়ে এই বই।
সোমনাথ ব্যানার্জির দুই দাদা স্কলার, ভালো চাকরি করে। বাবাও সরকারি কর্মকর্তা ছিলেন। কিন্তু ছোট ছেলে সোমনাথ কীভাবে যেন গড়পড়তা রয়ে গেল এই ফ্যামিলিতে। কোন বদ নেশা না থাকলেও সে ছাত্র হিসেবে ছিল মধ্যম মানের। চাকরি খুঁজতে খুঁজতে হাজারটা দরখাস্ত করে দেয়া সোমনাথ এর জীবনে স্নিগ্ধ স্নেহের পরশ এনে দেন মায়ের মতো বড়বৌদি, কমলা। নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য উৎসাহিত করেন তাঁর আদরের খোকনকে।
সোমনাথের মধ্যে কবিসত্তা ছিল, ভালো কবিতা লিখত সে৷ তার কবিতা 'জন-অরণ্য' পড়ে মুগ্ধ হয়েছিল তপতী। সেই তপতী, যে সোমনাথের বর্তমান অবস্থা সব জেনেও তাকে একইভাবে ভালোবাসে। কিন্তু সোমনাথ কী করবে? মধ্যবিত্ত সমাজের গৎবাঁধা নিয়মে তাকে যে নিজের পায়ে দাঁড়াতেই হবে। সেটা চাকরি না হলে ব্যবসা করে হলেও। সেই ব্যবসায় নাম লেখাতে গিয়েই জগতের এক অন্যতম কদর্যতার সাথে পরিচিত হল সোমনাথ। চলল মনস্তাত্ত্বিক নানান ভাঙাগড়া।
উপন্যাসে আরো রয়েছে সোমনাথের বন্ধু সুকুমার, যার জীবনের দুঃখজনক পরিণতি আমাদের ভাবায়। আছে নটবর মিত্রের মতো এক আশ্চর্য চরিত্র। একহাঁটু পাঁকের মধ্যে সে পদ্মফুল তা বলব না, কিন্তু গল্পের নায়কের প্রতি পাঠকেরা থাকে স্বভাবতই সহানুভূতিশীল। তাই যেসব চরিত্র সেই নায়কের প্রতি মায়া দেখায়, আমাদের ও তাদের ভালো লাগে।
পুরো উপন্যাসের গতি একরৈখিক। তৎকালীন বিশেষ এই সামাজিক সমস্যাটা খুব ভালোভাবে তুলে ধরেছেন লেখক। তুলে ধরেছেন মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব। এঁকেছেন নানান মাত্রার বেশ কিছু চরিত্র, যাদের কেউই সাদা চোখে ভিলেন নয়। কিন্তু শেষটা নিয়ে আসে এক মর্মান্তিক টুইস্ট। অল্প স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে যখন পাঠক ভাববেন যে এইবার বোধহয় সূর্যকিরণ এর দেখা পাওয়া গেল, তখনই এগিয়ে আসে এমন এক রাহু, গ্রাস করে আমাদের সমস্ত ভাবনাকে, যা থেকে আমরা এখনো মুক্তি পাইনি।
'আজ পয়লা আষাঢ়। কলকাতার চিৎপুর রোড ও সিআইটি রোডের মোড়ে একটা বিবর্ণ হতশ্রী ল্যাম্পপোস্টের খুব কাছে দাঁড়িয়ে রয়েছে সোমনাথ। পুরো নাম - সোমনাথ ব্যানার্জি।'
সত্তরের দশকের কলকাতা। সমগ্র ভারতে প্রায় পাঁচ কোটি শিক্ষিত বেকার। তবে তাদের মধ্যে শিক্ষা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে সোমনাথের। পরিবারের তৃতীয় সন্তান সোমনাথ বড় দুই ভাইয়ের মত স্ট্যান্ড করতে পারেনি, যার ফলে বড় কোনো চাকরিও বাগিয়ে নিতে পারেনি। কোনোমতে পাস কোর্সে বিএ পাশ করে গত আড়াই বছর ধরে চাকরির পেছনে ছুটে চলছে। বিসিএস দিয়ে চাকরি পাওয়া বাবার সন্তান সোমনাথ নিজেকে খুব একটা বাবার সামনে দাঁড় করান না। তবে তার সকল কাজের ক্ষেত্রে বৌদি কমলার প্রশ্রয় এবং উৎসাহ রয়েছে।
সোমনাথের বন্ধু সুকুমার। কলেজে একসাথে পড়লেও তেমন কথা হয়নি। একদিন চাকরি খুঁজতে গিয়ে ফের পরিচয় এবং দুইজন একই নৌকার মাঝি হওয়াতে বন্ধুত্ব গাঢ় হয়ে যায়। সুকুমারের বাবা সামনেই রিটায়ার্ড করবেন। তারপর পুরো সংসারের ভার এসে পড়বে সুকুমারের ঘাড়ে। তাই এমুহূর্তে তার একটি চাকরির খুব দরকার।
সোমনাথের একটি প্রেমিকাও আছে। তপতী নাম। কলেজ জীবনে পরিচয়। কবি সোমনাথের সাথে ইংলিশ মিডিয়ামে পড়া তপতীর পরিচয় এবং তারপর মন দেয়া-নেয়া। এদিকে যখন সোমনাথ চাকরির পেছনে ঘুরে জুতোর তলা খুইয়ে চলেছে, ওদিকে তপতী বরাবর ভালো ফলাফল করে রিসার্স স্কলারশিপ বাগিয়ে নিয়েছে। বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত না হতে পারে তপতীর থেকেও মুখ লুকিয়ে বেড়ায় সোমনাথ। যা নিয়ে বেজায় অভিমান মেয়েটির।
বইটির মূল থিম অনেকটা নীরস। তবে লেখকের কলমের জাদুতে হয়ে উঠেছে অসাধারণ। বেকারত্ব অনেকের কাছে অভিশাপ স্বরূপ। লেখাপড়া শেষ করে সবাইই একটি স্থায়ী জীবন চায় যেখানে আর্থিক নিশ্চয়তা রয়েছে। সোমনাথ কিংবা সুকুমারও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু ভারতবর্ষের মত তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশে চাকরি পাওয়া যেন সোনার হরিণ। যেখানে দশটি পদের জন্য দশ লক্ষাধিক আবেদন পড়ে সেখানে চাকরির আশা করা নিতান্তই সময় ও শ্রম নষ্ট। তবুও মানুষ আশায় বেঁচে থাকে। কেউ চায় পরিবারের হাল ধরতে আবার কেউ চায় পরিবারের বাকি সবার মতই কিছু একটা করতে অথবা প্রেমিকাকে আর্থিক নির্ভরতার নিশ্চয়তা দিতে। নৈতিকতার সাথে উচ্চাকাঙ্ক্ষার চিরকালীন দ্বন্দ্ব এবং বেকার তরুণদের হতাশা ও দুর্দশার এই প্রতিচ্ছবি বর্তমান সময়ে এসেও অতিমাত্রায় প্রাসঙ্গিক। 'সোমনাথ' তাই আর বইয়ের কোনো চরিত্র রূপে সীমাবদ্ধ হয়ে থাকে না, বরং সে হয়ে ওঠে আমাদের সকলের প্রতিনিধি।
বইটির প্রকাশকাল ১৯৭৩ সাল। ১৯৭৬ সালে সত্যজিৎ রায় এই বই অবলম্বনে একই নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। বইটি যেমন পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছিল, চলচ্চিত্রটিও একাধিক পুরস্কার লাভ করে। হ্যাপি রিডিং।
Having gathered the material, element by element, I finally wrote The Middleman. I doubted if everyone would enjoy this disagreeable tale of contemporary reality. But I had a clear objective: to leave, through a novel, a reliable document for future generations of Bengalis depicting the extreme humiliation and abuse that was heaped on the helpless unemployed young men and women of our times. I wanted, too, to remind our youth and their parents that without emergency measures to tackle the employment problem, the very foundations of our social and personal lives would crumble. While I cannot claim to have succeeded completely, many people said they were disturbed by the novel. Some of them accused me of depicting only pessimism, without offering the slightest ray of hope. 'How will this novel help anyone?' they asked. My humble response: the novel was written to wake us up from our long, deep slumber, and that the light of hope can only emerge from the impenetrable darkness of pessimism, I cannot say whether the novel will help anyone or not, but presenting the truth cannot possibly do anyone any harm. - Afterword : The Middleman by Sankar . . Somnath is that sheltered boy who is so mediocre that he would’ve blamed the world whenever luck is not on his side. He was being comforted left and right whenever he couldn’t get a job, he was still loved by his girlfriend (Tapati) despite being a loser and his sister in law (Kamala) will always try to nudge and encourage him whenever he was feeling down. I have to be honest that i was annoyed by him. He is the epitome of Asian Family mommy’s boy or youngest son that could do no wrong in whatsoever circumstances comes his way. I was more invested with Sukumar more - at least i can see that he was struggling to get a job, bearing the pressure of his family, and he ended up paying the price of that pressure causing him to have a meltdown and eventually went crazy because of it. They were friends with each other except Somnath has a safety net - he was fine even without a job as his family could support him. Sukumar on the other hands have many people expected him to be successful as he has to support them. The setting of this story took us to see what it’s like to live among the middle class family in the urban area of India, Calcutta to be specific. Somnath eventually decided not to wait anymore and planned to become a businessman. This is where he decided to hustle, learned few things from people that he met while networking and trying to seal the deal. When i read the synopsis, i thought Somnath is already corrupt and sleazy scumbag who’s just want to get money quickly but it went differently than what i have assumed. He wanted to become an honest business owner before fate pushed him to do the unthinkable thing. I know this is a translated literature and in no capacity that i can check whether it’s genuine translation or not, but I read it without any difficulty. The cultural nuances was captured well and now i wanted to watch the adaptation movie of this novel directed by Satyajit Ray. Overall, 200 pages didn’t feel like 200 pages if that makes sense to you. I was invested from the beginning - the unemployment impact towards the youth, the ‘I scratch your back, you scratch my back’ in the business world but adding the racial and ethnic lines into the mixed as we have seen our main characters curried the favours here and there and ultimately, the rampant corruption that bled through Indian society. Despite this was written and published in 1973, i believe many Indians will agree with me that some of the context in the novel is still relevant. Overall, a highly recommended book.
সকালে উঠে ঢুলু ঢুলু চোখে ক্যান্টিনের দশ টাকার চা খাওয়ার পরে গিয়ে মনে হয়, এবার বুঝি বা ঘুম ভাঙলো। অথবা, ৭০২ নং ওয়ার্ডে দাঁড়িয়ে চোখের সামনে কোনো পেশেন্টের ইসিজি লাইন ফ্ল্যাট হওয়ার পর মনে হয়, খুব সহজ হারিয়ে ফেলা, হারিয়ে যাওয়া। কিংবা, ফার্মা ভাইভার দিন সকালে একদৃষ্টে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে পালিয়ে যাওয়ার যে আকাঙ্খা, আর আফসোস উড়তে পারার মতো ডানা বা পরীক্ষা উৎরাতে পারার মতো সাহস নেই বলে।
এরকম মিশ্র অনুভূতি হচ্ছিলো, বইটি শেষ করে। যুগের ধর্ম কি না জানি না, তবে চারদিকে এত মানুষ, তবু সবাই সমানে জপছে 'একা বাঁচতে শেখো প্রিয়'। জন অরণ্যে একাকী ছায়া মানবের মতো বেঁচে থাকতে গিয়ে আমাদের Me time আর loneliness এর সীমানারেখা ঝাপসা হয়ে গেছে। Afterall, It's hard to play the role of a kid, who never gets invited.
আমার জনৈক অপ্রিয় (😛) বন্ধু জীবনে "delulu is the only solulu" নীতির কট্টরপন্থী। But, not everyone is allowed to dream, let alone dream big, সুকুমারের কথাই ধরা যাক। সুখস্বপ্নের দেয়াল দিয়ে বাস্তবকে আড়াল করে রাখা যায়না সব সময়, জেগে একদিন উঠতেই হবে। দেখতে না চাইলেও চোখে আঙুল দিয়ে "চার্নক সাহেবের জারজ সন্তান" কোলকাতার আসল চেহারা দেখতেই হবে এ বইতে।
আসলে Mediocre মানুষ গুলোর সংখ্যাই বেশি, তাই অনেক পাঠকেরই মনে হবে সোমনাথ তো আসলে তাকে নিয়েই লেখা।অসহায়ত্ব, অপারগতা, হতাশা আর দীর্ঘশ্বাসের মতো শব্দ গুলো বারবার নেমে আসে এদের জীবনে।
পরিশেষে বলবো, সবার জীবনে একজন কমলা বউদি থাকুক, বড্ড প্রয়োজন তার মতো আশ্রয় আজকের সময়ে।
I have read and loved Chowringhee so I decided to give this a go. I finished it in two days the story was so engrossing and close to the heart. The story made me wonder the book is still so relevant and is timeless. Unemployment still is the toughest challenge our society is facing and the pandemic made it worse.
Blatant and stark depiction of the societal facade of reality, unemployment and youth, human greed, Bengali culture and family, and dwindling away of relationships with changing times. Suffice it to say, the novel portrays the Metropolitan Culture Built-up on dreams. Our protagonist Somnath comes from a typical middle-class Bengali family, both his brothers are working in good companies and are settled. The father and the main patriarch often worry about Somanth and his unemployed situation.
Desperate Somanth starts his own business, learns the ropes in this cesspool, and loses his innocence in this world of cruelty and dishonesty. In this pretentious cultural society, we see how businesses actually run. Sankar doesn't shy away from talking about things as how they are. He doesn't sugarcoat or take a stand supporting anyone.
A very practical book way beyond its time, it felt like the Indian version of 1984 by Orwell.
This book really has tense moments, some pungent ones. A few scenes that movingly highlighted Somnath’s innocence and some brilliant passages, especially in the last 90 or so pages that engraved the dark, rotten, and somewhat uncompromising, get extremely bendable and lustful side of the city.
I highly recommend this book, it's an easy yet deep read.
সত্যজিতের মুভিটা ডাউনলোড করার পরই মনে হলো ‘আরেহ, বইটা তো আছে!’। তাই আগে বইটাই পড়ার সিদ্ধান্ত নিলাম।
গল্পটা কলকাতাকে নিয়ে। সাথে আছে বেকার যুবক সোমনাথ, সুকুমার আর মিসেস গাঙ্গুলি, মিসেস বিশ্বাস নামের কিছু নারী। সবার একটাই উদ্দেশ্য : কলকাতায় সম্মানের সাথে বেঁচে থাকা। কিন্তু কলকাতা তো আর ‘মানুষ' এর শহর নেই, অনেক আগেই তা রূপ নিয়েছে অরণ্যে। তাই এখানে আর মানুষের নিয়ম চলে না, অরণ্যের নিয়ম রাজত্ব করে সর্বত্র। কিন্তু আজীবন বইপত্রে নিয়ম, নীতি, বিশ্বাস, শ্রদ্ধা, ভালোবাসা শেখা মানুষের পক্ষে কি এতই সহজ এই নিয়মের সাথে মানিয়ে নেওয়া? কিন্তু না মানলেও যে চলে না কেননা অরণ্যের প্রথম নিয়মটাই যে ‘ হয় খাও আর নাহয় অন্যের খাদ্য হও!’
রীতিমতো মুগ্ধ আমি বইটা পড়ে। শংকরের লেখা আগে থেকেই ভালো লাগে কিন্তু এই বইটাতে তিনি যেভাবে কলকাতাকে তুলে ধরেছেন তা অনবদ্য। বইয়ের শেষদিকে নিজের বক্তব্যে তিিন যেমনটা বলেছেন যে ভবিষ্যতের মানুষদের জন্য আজকের ( গত শতাব্দীর আশির দশক) কলকাতাকে এঁকে যাচ্ছি তা একদম যথার্থ। যেভাবে তিনি কলকাতার বদলে যাওয়া, দুই বেকার যুবক সোমনাথ আর সুকমারের মাধ্যমে বেকার জীবনের দুঃখ-দুর্দশা আর সংগ্রাম, মিসেস গাঙ্গুলিদের মাধ্যমে নগর সমাজের ব্যবসায়িক চুক্তির পিছনের গল্প তুলে ধরেছেন তাতে মুগ্ধ না হয়ে পারা যায় না। এছাড়া তপতী, নটবর মিত্র, দ্বৈপায়ন ব্যানার্জি, কমলা বৌদি – প্রতিটা চরিত্রই একদম বাস্তব দুনিয়া থেকে যেন বইয়ের পাতায় স্থান নিয়েছে। আর হবে নাই বা কেন, গল্পটা তো বানানো না, বেশিরভাগ চরিত্র আর পরিস্থিতি যে লেখকের নিজের জীবনের ঘটনা থেকে নেওয়া!
শুধু কি আমিই মুগ্ধ হয়েছি আর ভীষণভাবে কানেক্ট করতে পেরেছি? উঁহু, স্বয়ং সত্যজিৎ রায় প্রথম পাঠক হিসেবে বইটা পড়ে বই প্রকাশের দিনই মুভি বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন, পরদিন লেখকের বাড়িতে বেকার যুবকরা যায় গল্পের চরিত্রের সাহায্য নিয়ে বেকারত্ব ঘোচানোর আশা নিয়ে! তো কলকাতাকে জানতে, এক বেকার যুবকের সংগ্রামকে জানতে, কলকাতার অন্ধকার দিকগুলোর সাথে পরিচিত হয়ে বইটা পড়তেই হবে।
হ্যাঁ আমি সিনেমাটার কথা জানি। জেনেছি কীভাবে ? জেনেছি একটা ফেসবুক ভিডীও ক্লিপ থেকে। সেখানে সোমনাথ নামের এক বেকার এক ব্যবসায়ীর কাছে চাকুরী চাইছে, আর ব্যবসায়ি আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে- আমরা বাংগালিরা চাকুরী চাকুরী করে নিজেদের অথর্ব বানিয়ে ফেলছি, নিজেদের যুবকদের অক্ষম, খোঁড়া করে দিচ্ছি। খুবই উপভোগ্য ছিল ব্যাপারটা। আর যখন জানলাম, সেটা সত্যজিৎ রায় বানিয়েছে -_-
যাকগে বইটা গতকাল আমি আর বন্ধু সাক্ষর দাশ অপি মিলে কিনেছি রাবির ইউপিএল এর বইয়ের আয়োজন থেকে। দুম করে কেনা আরকি, আর অফারও ভাল চলছিল।
বইটা সোমনাথ নামের এক বেকার যুবক কে নিয়ে। সেকেন্ড ক্লাস নিয়ে সে বেরিয়েছে। তার বাকি দুজন দাদা খুব প্রতিষ্ঠিত, ট্যালেন্ডেড। সেই বলা চলে ব্ল্যাক শিপ। মা বেঁচে নেই, বড় বৌদিই তাকে মায়ের কষ্টটা ভুলিয়েছে। আর বাবা আগে আদালতের জজ ছিলেন। আজকাল রিটায়ারের পর তার কাজ চাকরির বিজ্ঞপ্তির পেপার কাটিং জোগাড় করে সোমনাথ কে দেয়া। প্রচন্ড আত্মমর্যাদাসম্পন্ন হওয়ায় তিনি কারো কাছে তদবির করতে পাঠাননি। ছেলে নিজেই যা করার করুক। অথচ হিপোক্রেটিক ভাবে দিনে দুবেলা করে তাকে ইনসাল্ট করেন। ( এই জায়গাটাতে অনেকে হয়ত ভিন্ন বলতে পারেন, কিন্তু মশাই বইটা পড়ে আপনি তা টের না পেলে আপনারই ব্যর্থতা। হ্যাঁ, অন্যদের মত এতটা না, তাও ছেলেকে বিয়ের নামে বিক্রি করে চাকরির প্ল্যানও তার ছিল )। অথচ এমন না যে, তাদের সংসার খুব কষ্টে আছে। কষ্ট, হ্যাঁ কষ্টে ছিল সোমনাথের বন্ধু সুকুমার। দুজনেই সেইম রেজাল্ট নিয়ে বেরিয়ে বাস্তব দুনিয়ায় পা রেখে আজ দিশেহারা।সাতাশটা পদের জন্য সাতাইশ হাজার আবেদন পড়ে, ভাইভাতে, লিখিততে জেনারেল নলেজের নামে নাকাল করে দুজনকেই। এই জেনারেল নলেজের জন্য সুকুমার পাগল হয়ে যায়। কষ্টের সংসারে সে একটা ঝাড়ুর থেকেও কম মূল্যবান। বাসাতে সে মুখ দেখাতে পারেনা। এই বিশাল জন-অরণ্যে সোমনাথ নিজেকে খুব একলা মনে করে। কলকাতার বিশাল ইঞ্জিন যেন গিলে খাচ্ছে তাদের মত বেকার যুবকদের ধুকপুকে জীবন। আর ভালবাসা ? তাও যে মূল্যহীন হয়ে পড়ে সোনার হ��িণ চাকরির জন্য । :)
কি হল সোমনাথের ? কি, মিল পাচ্ছেন / পাবেন ? পড়তে চাইলে পড়ে ফেলুন বইখানা।
জন অরণ্য কথাটার সাথে পরিচয় হয়েছে সত্যজিতের সিনেমা থেকে।কলেজের মাঝামাঝি সময়ে এটা দেখেছিলাম,যদিও সেসময় এর গভীরতা বুঝতে পারার মতো জ্ঞান ছিলো না।সিনেমা দেখলাম,খারাপ লাগলো সোমনাথের জন্য। এই যা। সারাবছর সত্যজিৎ জ্বর থাকলেও মাঝেমধ্যে সেটা তীব্র হয় আর তার সব সিনেমা, বই নিয়ে সারাদিন বসে থাকতে মন চায়।এই জ্বরের জেরে আবার দেখলাম বছর দুয়েক আগে। গুমোট সুন্দর যদি কোনো কথা থেকে থাকলে, এটার দেখার পর অনুভূতি তেমনই ছিলো। শংকরের নাম তখন দেখলেও এতো পাত্তা দেয়া হয়নি। শংকরের সাথে পরিচয় চৌর���্গী থেকে। তারপর রামিসা আপুর রিভিউ পড়লাম 'নিবেদিতা রিসার্চ ল্যাবরেটরি' নিয়ে। ওটা পড়লাম(আবার পড়লাম)।একে একে 'কত অজানারে, ঘরের মধ্যে ঘর, আশা আকাঙ্খা ' পড়ে জন অরণ্য বইটা হাতে নিলাম। কয়েকপাতা পড়ে মনে হলো গল্পটা চেনা,google থেকে দেখি সত্যজিতের সেই সিনেমাখানা এটা নিয়েই বানানো। যাই হোক,শংকরের লেখা আমার বরাবরই ভালো লাগে। খুব সাধারণ একটা বিষয় নিয়ে লিখেন, নিজেদের চারপাশের ঘটনা মনে হয়। এই বইটাও তেমন। সোমনাথ,তিন ভাইয়ের ছোটজন। অন্য দুজনের গতি হয়ে গেলেও, চাকরির বাজার এখনও সোমনাথের প্রতি সদয় হয়নি।সোমনাথ অনেক ঠেলাঠেলি করছে বটে-কিছুটা বেকারত্বের লজ্জাতে,বাকিটা বাবা আর বড় বৌদির মুখ চেয়ে। তার বন্ধু সুকুমারেরও সেই অবস্থা। তবে পরিবারের দিক থেকে তার অবস্থা একটু বেশিই খারাপ। পরিবারের দায়িত্ব নিতে হবে, বাবার অবসর, তিন বোনের বিয়ে এই সবের চিন্তাতে তার মাথা খারাপ। কিন্তু সোমের আবার সে গতিও নেই। চাকরি ছুঁতে না পেরে শেষমেশ ব্যবসাতে নামলো। এও যেনো সমুদ্রের মতো। যে কূলের ঠিকানা জানে সে-ই যেনো পকেটের গতি করতে পারে। তার বাবা একদিকে আদর্শের কথা বলে অন্যদিকে দোকান আছে এমন একজনের মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চাচ্ছেন। কিনা,এই-ই তার শেষ ভরসা। সব মিলিয়ে সোমের জীবন কোন গলিতে যাবে সেটা জানতে বই হাতে নিতে হবে। ১৯৭৩ সালের বই,অথচ কাহিনী যেনো এসময়ের সাথে খাপ খেয়ে যায়। গল্পের হাহাকার সবাইকে ছুয়ে যাবে,এটা নিশ্চিত।
A powerful take on unemployment and the collective frustration of an entire generation of the 60s and 70s. Set in Kolkata, this gem from Sankar is about the vicissitudes of Somnath Banerjee who, after a couple of years of struggling to find a job, decides to become a middleman matching 'demand and supply' for stationery items. But the elation of finding a foothold in life soon slides to despair when he realizes that at times there is more to sealing a deal than just a transparent negotiation. The yearning to somehow fight and emerge as a winner leads him to whorehouses to 'procure' a girl for a customer. How the tale culminates is left for you to find.
While the plot is relatively straightforward the epilogue, wherein Sankar confesses that the story is partly autobiographical and mostly inspired from real life events, made it a poignant piece of writing. A scene where Somnath's friend Sukumar loses his sanity while cramming his head with all possible trivia in the name of building his General Knowledge for the exams will remain with me for a long long time. And yeah, I must say that I felt grateful for being employed!
সোমনাথ ভদ্র ঘরের ততধিক ভদ্র ছেলে। বাবা রিটায়ার্ড অফিসার, মা-হারা সোমনাথই ছোট, অগ্রজ দুই ভাই বেশ উচ্চপদের চাকরিতে আছে। সে যখন পড়াশোনা শেষ করে একটা চাকুরির খোঁজে নেমেছে সময়টা বড় ঝঞ্ঝাটময়। দুশো’বছর শুষে নিয়ে বৃটিশরা এ ভারতবর্ষের ছোবড়া ফেলে রেখে গিয়েছে। সেই ছোবড়াকে আকড়ে ধরে বেঁচে থাকতে হচ্ছে শতকোটি মানুষকে। লক্ষ লক্ষ বেকার, সবাই ছুটছে সোনার হরিণের পেছনে। ঠিক সেইসময়ে সোমনাথও ছুটছে। পারিবারিক শিক্ষা, মার্জিত রুচি, প্রবল ব্যক্তিত্ব অথবা বিশাল মন, কিছুই কাজে আসছে না সে অসম, অসুস্থ প্রতিযোগিতার সামনে আগানোর বেলায়। সোমের ভাগ্য তবুও কিছুটা ভালো, মধ্যবিত্ত ঘরের ছেলে, বড় দু-ভাই চাকরি করে, মা না থাকলেও মাথার উপরে আছেন বড় ভাইয়ের জীবনসঙ্গীনি কমলা বউদির মত মমতাময়ী কেউ একজন। কিন্তু তার বন্ধু সুকুমার? বাড়িতে অসুস্থ শয্যাশায়ী মা, তার নিচে ছোট দু-তিনটে বোন, আর আগামী দুই মাসের মাথায় চাকরি থেকে অবসরে যেতে থাকা বৃদ্ধ বাবা। একটা চাকরি না হলে যে সে বাড়িতে দুমাস পর দুটো চালও ফুটবে না! জীবনের রুঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সদা হাস্যোজ্জ্বল সুকুমার হন্যে হয়ে খুঁজছে একটা চাকরি, কেরানি কিংবা টাইপরাইটার কোন ব্যাপার না, তার যে একটা চাকরি চাইই-চাই! বইয়ের প্রথমাংশ মোটামুটি এই দুই চরিত্রের একটা চাকুরির জন্যে প্রাণান্তকর চেষ্টা আর হাহাকার নিয়েই কেটে যায়।
মাঝের দিকে আবির্ভাব ঘটে তপতীর। সুদর্শনা, সুভাষী এবং স্বমহিমায় উদ্ভাসিত তপতীর আরেকটি পরিচয়, ব্যক্তিত্ববান সোমনাথকে সে ভালোবাসে, সেই কলেজের সময় থেকেই। নিজের ক্যারিয়ারেও সে যথেষ্ট স্টেবল, পড়ালেখা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, স্কলারশিপ পাচ্ছে, গবেষণার দিকে ঝুঁকছে, তার জীবনে সবই হচ্ছে, শুধু পাওয়া হচ্ছে না সোমকে। ঐ যে সোমের ব্যক্তিত্ব, প্রচন্ড মায়া বোধ করলেও তপতীর বাড়িয়ে দেয়া হাত ধরে সে মায়াজালে বাঁধা পড়ার পথে অন্তরায় হয়ে উঠছে সেই ব্যক্তিত্ব। এ সমাজ যে এখনো মেনে নিতে পারে না কোন সংসার চলবে স্ত্রীর আয়ে, শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এখানকার ছেলেরা ভরণপোষণ করে আসছে মেয়েদের। এ স্রোতের বিপরীতে যাবার মত কোন বলই যে নেই সোমের, এ সমাজ যে বেকারদের জন্যে নয়… এই অংশে এসে মাত্র কয়েক পাতার মধ্যে হন্যে হয়ে দুবন্ধুর চাকরি খোঁজার কাহিনী যেন নিমিষেই হয়ে উঠে প্রেমকাহিনী। অথচ একটিবারের জন্যেও তা খাপছাড়া মনে হয় না। তবে বইয়ের সবচেয়ে শক্তিমান অংশ আমার মতে এরপর থেকে শেষঅব্দি।
কাহিনী শেষ হবার পর দু-তিন পাতাজুড়ে শংকর এই উপন্যাসের পেছনের তার অনুপ্রেরণার গল্প লিখেছেন। বেশিরভাগই নিজের জীবন থেকে নেয়া, অল্প বয়সে বাবাকে হারিয়েছিলেন, বেকারত্বের রাহুর গ্রাস তাকে ঘিরে ছিল বহুদিন, বেশিরভাগ চরিত্রাঙ্কনেই তাই নিতে হয়নি খুব বেশি কল্পনার আশ্রয়। একটা জায়গায় তিনি লিখেছেন, এই গল্পে তিনি কোন সুগারকোটিং করতে চাননি, বরং সে সময়ের প্রতিটা বেকার যুবকের ভেতরের হতাশা, দূর্দশা, মানবেতর দিন কাটানো, সামাজিক মানসিক অকল্পনীয় চাপ এসবকিছুই একটা দলিল হিসেবে রাখতে চেয়েছেন। এবং আমার মতে তাতে লেখক শতভাগ সফল। প্রথম দিকে চলতে থাকা এক চমৎকার গল্প যে শেষদিকে এসে আমার নার্ভের উপর এমন প্রেসার ফেলবে, ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করতে পারিনি।
ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেকে প্রচন্ড ভাগ্যবান মনে করি সবসময়। তারই একটা প্রমাণ হয়ত এই যে, আমাকে আজঅব্দি একটা দিনও বেকার থাকতে হয় নি। ২০১৭ সালের ৩০ জুলাই ছিল আমার ভার্সিটি জীবনের শেষ পরীক্ষা, তার ঠিক আগেরদিন, ২৯ জুলাই আমার একটা (সে যেরকমই হোক) চাকরি নিশ্চিত হয়। আবার ২০২০ এর জানুয়ারিতে যখন শিরদাড়া সোজা রাখতে গিয়ে হুট করেই চাকরি ছেড়ে দিলাম, অফার আসলো পার্ট টাইম থাকবার, একই সাথে কীভাবে কীভাবে যেন প্রজেক্ট মিষ্টান্ন নিয়েও মেতে থাকলাম। ভবিষ্যতে কী লেখা আছে জানিনা কিন্তু পাশ করার পড়ে তো বটেই, মাত্র বছর পাঁচেকের চাকুরি জীবনেও আমাকে কখনো বেকার থাকতে হয় নি। তাই বহুল ব্যবহারে ক্লিশে হয়ে যাওয়া “বেকারত্বের অভিশাপ” যে কী ভয়ংকর একটা অনুভূতি, তা আমি পাইনি। শংকর শক্তিমান লেখক, তার লেখা একই সাথে প্রাঞ্জল এবং ঘোরলাগা। জন-অরণ্যে তিনি নিশ্চিতভাবেই আমাকে সেই অনুভূতির খুব কাছে ঠেলে দিয়েছেন। খুব করে ভাবতে বাধ্য করেছেন, যে জীবনে এখন আছি তা ঠিক করে উপভোগ করছি কই? হুট করে যে জীবনের মধ্যে যেকোন দিন পড়তে পারি, তা এড়াতে ঠিকমতো প্রস্তুতি নিচ্ছি কি?
আমার হৃদয়ের খুব কাছের একজন একবার বলেছিল, অন্য বই পড়ে আমার মাথায় যখন গিট্টু লেগে যায়, শংকরের লেখা পড়ে তখন আমি সেই গিট্টু ছুটাই। ফেব্রুয়ারির শেষদিকে বইমেলায় গিয়েছিলাম পণ করে, এইবারে কিছু কিনবো না। জন-অরণ্য সেবারই ইউপিএল-এর স্টল থেকে কেনা! যখন কোন না কোনভাবে মাথায় গিট্টু লাগতে নিয়েছে, জন-অরণ্যে আশ্রয় নিয়েছি। তাড়াহুড়ো করে একেবারে সবটুকু শেষ না করে একটু একটু করে স্বাদ আস্বাদন করেছি। টপ-ক্লাস লেখার শক্তিই বোধহয় এমন, যে বই একমাসেরও বেশি সময় লাগিয়ে শেষ করেছি, চাইলে এক বসায় শেষ করা যায় তাকে!
The Middleman - Sankar Translator - Arunav Sinha Rating 3.75/5
I am glad that I read this book only after I had read Chowringhee. I say so because, I found this book a little disappointing. Sankar had set a very high standard with Chowringhee. Chorwinghee infact, I felt, was unputdownable! It was that good in terms of its unpredictability. But this book 'The Middleman' fails to re-live the standards which its predecessor - 'Chorwinghee' had set.
There are many reasons why I say so.
The plot is very predictable. Population explosion, job market, poverty all these topics, areas of social issues have been depicted, handled, explained in myriad of places, be it books, theatre, movies or real life experiences. So there is nothing new in the plot which we can expect.
It is very stereotypical what unemployed population end up doing. They get a job, run a business, emigrate, indulge in crime etc or as in this case, end up as a tout - The Middleman. There are many spoilers in and around the book that make the plot extremely exposed. The surprise element in the book is bare minimum.
The first 40-60 pages of the book can be classified as Dwaipayan's cribbing. A retired professional having three sons two of whom are employed and married, the third one looking for a job since two years - (who has to deal with the social stigma of sitting at home plus constant reminders of employment exchange). This section of the book could have been more concise as it adds very little value. It might highlight one or two social issues of immigration to another country, but I felt it a bit long than what was really necessary. In other words, it was not to the point.
Though the book is famous, movies have been made on this, read widely, it is really sad to know, nothing much has changed since then. Neither the job market, nor population, nor people's greed. The only thing which has changed or increased exponentially is - the looting of natural resources. The book might have created sufficient awareness, but I suppose, it isn't sufficient to bring about a change. May be I am expecting to much!
The book though, highlights many social issues - which are subtle and implicit. Too much parental pressure for getting a job or study can turn a person into lunatic. Losing ethics in order to survive. Indulging in non law abiding activities!
There is no mention of Dwaipayan's grandkids. He is very worried about his son's future, but he isn't that concerned about grandkids about whom there is absolute no mention of!
The book is significantly aged and it felt more of a okayish read for me!
যোধপুর পার্কে জলের ট্যাঙ্কের কাছে লাল রংয়ের ছোট্ট দোতলা বাড়িটা দ্বৈপায়ন ব্যানার্জির। দ্বৈপায়ন ও প্রতিভার তিন ছেলে। বড় দুই ছেলে ভালো রেজাল্ট করে খুব ভালো চাকরি নিয়ে দিনাতিপাত করলেও ছোট ছেলে হয়েছে এর থেকে দলছুট। রেজাল্ট একটু খারাপ হওয়ার কারনে চাকরি পরীক্ষা দিয়েও কোথাও আজও একটা চাকরির ব্যবস্থা হলো না। এই গল্পটা এই বেকার ছোট ছেলে সোমনাথ ব্যানার্জিকে নিয়েই। স্বচ্ছল পরিবারে বাবা দাদাদের পয়সাতে থেকে খেয়েও নিজের না পাওয়া চাকরিটার জন্য যখন আত্মবিশ্বাস টা হারিয়ে যেতে বসেছে তখনই সে সিদ্ধান্ত নেয় ব্যবসা করার।
খুব সহজ মনে করে চাকরির আশাটা বাদ দিয়ে ব্যবসায় কয়েকবার হোঁচট খেতে খেতে নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে হয়ে উঠলেন সফল ব্যবসায়ি।
লেখক শংকর এর বিখ্যাত বই " জন-অরণ্য"। বইটা ইংরেজিতে ও অনূদিত হয়েছে। সমাজ বাস্তবতার এক অমোঘ সত্য, মধ্যবৃত্তের বাস্তবতা লেখকের কলমে উঠে এসেছে। নীতি নৈতিকতা তুচ্ছ প্রয়োজনের কাছে।
Having watched Satyajit Ray's movie based on the book first, I knew what a gem this was supposed to be. I just hadn't fathomed that this would be the most distressing and yet beautiful book I've read in a long time. Sankar has been often praised for writing about the common people in the brutally honest ways, and it is only now that I see a different side of Calcutta which I had not seen before. I only wish I had read this in Bengali, I am told I would've succeeded in crying my heart out.
খুবই সাধারণভাবে শুরু, কিন্তু কিভাবে যেন বই শেষ করে একটা অসাধারণ অনুভূতি হচ্ছে। বেকারত্বের মতন একটা মোটামুটি ক্লান্তিকর বিষয় নিয়েও যে এত সুন্দর লেখা যায়। এটাই আমার প্রথম শংকর পড়া। ভালো লেগেছে উনার স্বকীয়তাকে। যদিও এটি উপন্যাস কিন্তু অনেকটা ছোট গল্পের অনুভূতি দেয়। আর আমার মনে হয় জন-অরণ্য বইটাকে বড় একটা উপন্যাসে রূপ দেয়া যেতে পারতো যেহেতু সব কিছুই ছিল যেগুলোকে আরো বেশি জানতে কৌতুহল হচ্ছিল। আবার এটাও হতে পারে যে লেখক মানুষের মধ্যে এই আগ্রহটাকেই উস্কে দিতে চেয়েছিলেন।