What do you think?


ধাত্রীদেবতা
224 pages, Hardcover
First published January 1, 1939
About the author
Tarashankar Bandyopadhyay
165 books311 followersTarashankar Bandyopadhyay (Bangla: তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়) was born at his ancestral home at Labhpur village in Birbhum district, Bengal Province, British India (now West Bengal, India). He wrote 65 novels, 53 story-books, 12 plays, 4 essay-books, 4 autobiographies and 2 travel stories. For his novel Arogyaniketan, he received the Rabindra Puraskar in 1955 and the Sahitya Akademi Award in 1956. In 1966, he received the Jnanpith Award for his novel গণদেবতা. He was honoured with the Padma Shri in 1962 and the Padma Bhushan in 1969.
Tarasankar is one of those writers of the third decades of the twentieth centuries who broke the poetic tradition in novels but took to writing prose with the world around them adding romance to human relationship breaking the indifference of the so called conservative people of the society who dare to call a spade a spade. Tarasankar’s novels, so to say, do not look back to the realism in rejection, but accepted it in a new way allowing the reader to breathe the truth of human relationship restricted so far by the conservative and hypocrisy of the then society.
He learned to see the world from various angles. He seldom rose above the matter soil and his Birbhum exists only in time and place. He had never been a worshipper of eternity. Tarasankar’s chief contribution to Bengal literature is that he dared writing unbiased. He wrote what he believed. He wrote what he observed.
His novels are rich in material and potentials. He preferred sensation to thought. He was ceaselessly productive and his novels are long, seemed unending and characters belonged to the various classes of people from zaminder down to pauper. Tarasankar experimented in his novels with the relationships, even so called illegal, of either sexes. He proved that sexual relation between man and women sometimes dominate to such an extent that it can take an upperhand over the prevailing laws and instructions of society. His novel ‘Radha’ can be set for an example in this context.
His historical novel ‘Ganna Begum’ is an attempt worth mentioning for its traditional values. Tarasankar ventured into all walks of Bengali life and it’s experience with the happenings of socio-political milieu. Tarasankar will be remembered for his potential to work with the vast panorama of life where life is observed with care and the judgment is offered to the reader. and long ones, then any other author. He is a region novelist, his country being the same Birbhum. He mainly flourished during the war years, having produced in that period a large number of novels and short stories.
Tarasankar is one of those writers of the third decades of the twentieth centuries who broke the poetic tradition in novels but took to writing prose with the world around them adding romance to human relationship breaking the indifference of the so called conservative people of the society who dare to call a spade a spade. Tarasankar’s novels, so to say, do not look back to the realism in rejection, but accepted it in a new way allowing the reader to breathe the truth of human relationship restricted so far by the conservative and hypocrisy of the then society.
He learned to see the world from various angles. He seldom rose above the matter soil and his Birbhum exists only in time and place. He had never been a worshipper of eternity. Tarasankar’s chief contribution to Bengal literature is that he dared writing unbiased. He wrote what he believed. He wrote what he observed.
His novels are rich in material and potentials. He preferred sensation to thought. He was ceaselessly productive and his novels are long, seemed unending and characters belonged to the various classes of people from zaminder down to pauper. Tarasankar experimented in his novels with the relationships, even so called illegal, of either sexes. He proved that sexual relation between man and women sometimes dominate to such an extent that it can take an upperhand over the prevailing laws and instructions of society. His novel ‘Radha’ can be set for an example in this context.
His historical novel ‘Ganna Begum’ is an attempt worth mentioning for its traditional values. Tarasankar ventured into all walks of Bengali life and it’s experience with the happenings of socio-political milieu. Tarasankar will be remembered for his potential to work with the vast panorama of life where life is observed with care and the judgment is offered to the reader. and long ones, then any other author. He is a region novelist, his country being the same Birbhum. He mainly flourished during the war years, having produced in that period a large number of novels and short stories.
Ratings & Reviews
Friends & Following
Create a free account to discover what your friends think of this book!
Community Reviews
Displaying 1 - 15 of 15 reviews
December 16, 2024
সোমবার, ১৬ ডিসেম্বর
বিকেল ৪:৫০।
শেষ করলাম তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের লেখা বই 'ধাত্রীদেবতা'। সব লেখকই হয়তো নিজের জীবন থেকে, নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই কাহিনী নির্মাণ করেন। কথাটা কেনো বললাম? আমি জানিনা আপনি এই ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টটা জানেন কি না। তবে, 'ধাত্রীদেবতা' উপন্যাসে তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় তাঁর নিজের জীবনকেই উপন্যাসের মূল উপকরণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তৎকালীন সময়কে তিনি তাঁর এই উপন্যাসের মাধ্যমেই তুলে ধরেছেন। তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের পিতা হরিদাস 'ধাত্রীদেবতা' উপন্যাসে এসেছেন কৃষ্ণদাস নামে, মা প্রভাবিত হয়েছেন জ্যোতির্ময়ী এবং স্ত্রী উমাকে দেখা গিয়েছে গৌরী রূপে। উপন্যাসের অন্যতম শক্তিশালী এবং বর্ণময় চরিত্র পিসিমা শৈলজা, স্বনামেই বিরাজ করছেন।
এই তথ্যগুলা পাবেন তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের 'আমার কালের কথা' অথবা 'আমার সাহিত্য জীবনে' নামক স্মৃতিকথাগুলোতে। আমি নিজেও এখনো এই স্মৃতিকথাগুলো পড়িনি। এই তথ্যগুলো জানতে পেরেছি 'নীতা মন্ডল' নামক একজনের ব্লগ থেকে।
যাইহোক, বইয়ে ফিরে আসি। 'ধাত্রীদেবতা' রাজনৈতিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ একটি উপন্যাস। উপন্যাসের নায়ক শিবনাথ এক ক্ষয়িষ্ণু জমিদারের পুত্র। তার জীবনকাল, উত্থান পতন, আদর্শিক ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ, রাজনৈতিক পটভূমি নিয়েই এই উপন্যাস রচিত।
যারা তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের লেখার সাথে পরিচিত তাদের এই গুণী লেখক সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার দরকার পড়বে না। তাঁর কাব্যিক সৃষ্টি অতুলনীয়। এই বইটিও ব্যতিক্রম নয়। তবে, উপন্যাসটির শেষটায় একটা অতৃপ্তি রয়েই গেলো।
সবমিলিয়ে, চমৎকার একটা উপন্যাস পড়লাম। আসলে, এইসব কালজয়ী বই নিয়ে কিছু লেখার দরকার পড়ে না। পড়ে ফেলুন। আশা করি ভালো লাগবে। টাটা!
বিকেল ৪:৫০।
শেষ করলাম তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের লেখা বই 'ধাত্রীদেবতা'। সব লেখকই হয়তো নিজের জীবন থেকে, নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই কাহিনী নির্মাণ করেন। কথাটা কেনো বললাম? আমি জানিনা আপনি এই ইন্টারেস্টিং ফ্যাক্টটা জানেন কি না। তবে, 'ধাত্রীদেবতা' উপন্যাসে তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায় তাঁর নিজের জীবনকেই উপন্যাসের মূল উপকরণ হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তৎকালীন সময়কে তিনি তাঁর এই উপন্যাসের মাধ্যমেই তুলে ধরেছেন। তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের পিতা হরিদাস 'ধাত্রীদেবতা' উপন্যাসে এসেছেন কৃষ্ণদাস নামে, মা প্রভাবিত হয়েছেন জ্যোতির্ময়ী এবং স্ত্রী উমাকে দেখা গিয়েছে গৌরী রূপে। উপন্যাসের অন্যতম শক্তিশালী এবং বর্ণময় চরিত্র পিসিমা শৈলজা, স্বনামেই বিরাজ করছেন।
এই তথ্যগুলা পাবেন তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের 'আমার কালের কথা' অথবা 'আমার সাহিত্য জীবনে' নামক স্মৃতিকথাগুলোতে। আমি নিজেও এখনো এই স্মৃতিকথাগুলো পড়িনি। এই তথ্যগুলো জানতে পেরেছি 'নীতা মন্ডল' নামক একজনের ব্লগ থেকে।
যাইহোক, বইয়ে ফিরে আসি। 'ধাত্রীদেবতা' রাজনৈতিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ একটি উপন্যাস। উপন্যাসের নায়ক শিবনাথ এক ক্ষয়িষ্ণু জমিদারের পুত্র। তার জীবনকাল, উত্থান পতন, আদর্শিক ও ব্যক্তিগত দ্বন্দ, রাজনৈতিক পটভূমি নিয়েই এই উপন্যাস রচিত।
যারা তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের লেখার সাথে পরিচিত তাদের এই গুণী লেখক সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার দরকার পড়বে না। তাঁর কাব্যিক সৃষ্টি অতুলনীয়। এই বইটিও ব্যতিক্রম নয়। তবে, উপন্যাসটির শেষটায় একটা অতৃপ্তি রয়েই গেলো।
সবমিলিয়ে, চমৎকার একটা উপন্যাস পড়লাম। আসলে, এইসব কালজয়ী বই নিয়ে কিছু লেখার দরকার পড়ে না। পড়ে ফেলুন। আশা করি ভালো লাগবে। টাটা!
October 2, 2024
এসব বই নিয়ে কিছু লেখা বা বলার দরকার পড়ে না।
June 7, 2026
মাস্টারপিস ❤️🌿📚
June 24, 2025
এ বছরে পড়া সেরা বইয়ের একটা হয়ে থাকবে ধাত্রী দেবতা। বইয়ের প্রেক্ষাপট শুরু হয় বিংশ শতাব্দির দ্বিতীয় দশক থেকে। একটা ক্ষয়িষ্ণু জমিদার বাড়ি ও দেশের জন্য একজন নিবেদিত প্রান, প্রজা হিতৈষী জমিদার তনয়ের বেড়ে উঠার গল্প। শিবুর বাড়ার সাথে সাথে বদলে যেতে থাকে দেশ সমাজ কাল। কখনো মহামারী, কখনো দুর্ভিক্ষ কখনোবা যুদ্ধ। আবার কখনো স্বরাজের জন্যে, দেশের মুক্তির জন্য রাজশক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো। ধাত্রীদেবতা মূলত বলে যায় দেশের কথা, ধরণীর কথা। তারাশঙ্করের মাস্টারপিস বললেও বোধহয় কম হয়ে যাবে।
হ্যাপি রিডিং
হ্যাপি রিডিং
March 25, 2020
আইসিএসই-র টেক্সটবই ছিল আমাদের তারাশঙ্করের ধাত্রীদেবতা, যদিও কিছু প্রাপ্তবয়স্ক অংশ বাদ দেওয়া হয়েছিল (তখন তো স্কুল কর্তৃপক্ষের নিয়ম ছিল টেবিলের পায়াকে প্যান্ট পরানোর).... তবু ধাত্রীদেবতা ছিল। এটাই ছিল আমার প্রথম অভিজ্ঞতা মহৎ বাংলা সাহিত্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়ার।
ফেলুদা-পড়া লোকেদের ধাত্রীদেবতা ধরিয়ে দিলে যা হয়, তাই হয়েছিল আমার—হাবুডুবু খাওয়া। বিশালের পায়ের কাছে চুপচাপ বসে থাকা। ওই আর কী।
আবার পড়লাম। আবারও স্তম্ভিত হলাম।
ফেলুদা-পড়া লোকেদের ধাত্রীদেবতা ধরিয়ে দিলে যা হয়, তাই হয়েছিল আমার—হাবুডুবু খাওয়া। বিশালের পায়ের কাছে চুপচাপ বসে থাকা। ওই আর কী।
আবার পড়লাম। আবারও স্তম্ভিত হলাম।
October 18, 2014
ধাত্রী দেবতা একটি জমিদার পরিবারের গল্প| জমিদারি প্রথার শেষ পর্যায়ে পরিবারের এক ছেলের জীবনকাল নিয়েই এই উপন্যাস|
"ধাত্রী দেবতা" প্রথমে "জমিদারের মেয়ে" নামে সজনীকান্ত দাসের "বঙ্গশ্রী" পত্রিকায় প্রকাশিত হয়| পরবর্তীকালে সজনীকান্ত দাসের "শনিবারের চিঠি" পত্রিকায় "ধাত্রী দেবতা" নামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়|
"ধাত্রী দেবতা" প্রথমে "জমিদারের মেয়ে" নামে সজনীকান্ত দাসের "বঙ্গশ্রী" পত্রিকায় প্রকাশিত হয়| পরবর্তীকালে সজনীকান্ত দাসের "শনিবারের চিঠি" পত্রিকায় "ধাত্রী দেবতা" নামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়|
February 4, 2022
বইঃ ধাত্রী দেবতা
লেখকঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
"সমস্ত জীবের যিনি ধাত্রী তিনিই ধরিত্রী। জাতির কাছে তিনিই দেশ, মানুষের কাছে তিনিই তো বাস্তু;"
জমিদার পুত্র শিবনাথের জীবনে আদর্শিক দ্বন্দ্ব, ব্যক্তিগত জীবনে দ্বন্দ্ব নিয়েই আবর্তিত হয় ধাত্রী দেবতা উপন্যাসের পটভূমি। তারাশঙ্করের উপন্যাস মানেই একটা সমাজকে, একটা সময়কে পরিভ্রমণ করা। এই উপন্যাসটিও তার ব্যতিক্রম নয়। ৪৩এর দুর্ভিক্ষ, স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তেজনা, জনসাধারণের চিন্তাভাবনা অনেক কিছুই উপন্যাসে উঠে এসেছে। তবে শিবনাথের দাম্পত্য জীবনের দ্বন্দ্বই বেশি এসেছে।
ধাত্রী দেবতা লেখকের বাড়ির নাম। বইটাও খানিকটা লেখকের আত্মজৈবনিক ধাঁচের বলা যায়। লেখকও জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিরভূমের পরতি জমিদার বংশে। জমিদার পুত্র হয়েও আন্দোলনে জড়িয়েও জেল খেটেছিলেন তিনি। অনেকটাই সামঞ্জস্যতা রয়েছে উপন্যাসের কাহিনীতে।
৩৬৪ পৃষ্ঠার বিস্তৃত বই। কিন্তু তবুও যেনো কিছু অপূর্ণতা রয়ে গেলো। হাসুলী বাঁকের উপকথা বা কবি উপন্যাসের মতো তৃপ্তিটা এলো না। বেশ একটা টান ছিলো পড়ার সময়ে ঠিকই। পড়ার গতি হারায় নি। শেষের দিকে শিবনাথের দাম্পত্য জটিলতা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এতে মনে হয়েছে উপন্যাসের প্রথম বা মাঝের দিকের যে সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছিলো তা এখানে এসে অনেকটাই হারিয়ে গেছে।
যারা উপন্যাসের মাধ্যমে অতীতকে অনুভব করতে পছন্দ করেন তাদের কাছে বইটি ভালো লাগবে আশা করি।
লেখকঃ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
"সমস্ত জীবের যিনি ধাত্রী তিনিই ধরিত্রী। জাতির কাছে তিনিই দেশ, মানুষের কাছে তিনিই তো বাস্তু;"
জমিদার পুত্র শিবনাথের জীবনে আদর্শিক দ্বন্দ্ব, ব্যক্তিগত জীবনে দ্বন্দ্ব নিয়েই আবর্তিত হয় ধাত্রী দেবতা উপন্যাসের পটভূমি। তারাশঙ্করের উপন্যাস মানেই একটা সমাজকে, একটা সময়কে পরিভ্রমণ করা। এই উপন্যাসটিও তার ব্যতিক্রম নয়। ৪৩এর দুর্ভিক্ষ, স্বাধীনতা আন্দোলনের উত্তেজনা, জনসাধারণের চিন্তাভাবনা অনেক কিছুই উপন্যাসে উঠে এসেছে। তবে শিবনাথের দাম্পত্য জীবনের দ্বন্দ্বই বেশি এসেছে।
ধাত্রী দেবতা লেখকের বাড়ির নাম। বইটাও খানিকটা লেখকের আত্মজৈবনিক ধাঁচের বলা যায়। লেখকও জন্মগ্রহণ করেছিলেন বিরভূমের পরতি জমিদার বংশে। জমিদার পুত্র হয়েও আন্দোলনে জড়িয়েও জেল খেটেছিলেন তিনি। অনেকটাই সামঞ্জস্যতা রয়েছে উপন্যাসের কাহিনীতে।
৩৬৪ পৃষ্ঠার বিস্তৃত বই। কিন্তু তবুও যেনো কিছু অপূর্ণতা রয়ে গেলো। হাসুলী বাঁকের উপকথা বা কবি উপন্যাসের মতো তৃপ্তিটা এলো না। বেশ একটা টান ছিলো পড়ার সময়ে ঠিকই। পড়ার গতি হারায় নি। শেষের দিকে শিবনাথের দাম্পত্য জটিলতা বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। এতে মনে হয়েছে উপন্যাসের প্রথম বা মাঝের দিকের যে সমাজের চিত্র ফুটে উঠেছিলো তা এখানে এসে অনেকটাই হারিয়ে গেছে।
যারা উপন্যাসের মাধ্যমে অতীতকে অনুভব করতে পছন্দ করেন তাদের কাছে বইটি ভালো লাগবে আশা করি।
July 19, 2026
তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখালেখির সাথে যাদের পরিচয় আছে, তারা জানেন রাঢ় অঞ্চলের মাটি আর মানুষের সুখ-দুঃখকে তিনি কতটা জীবন্ত করে তুলতে পারেন। 'ধাত্রীদেবতা' উপন্যাসটি পড়ার সময়ও ঠিক সেই চেনা জাদুটার মুখোমুখি হলাম।
উপন্যাসের মূল চরিত্র শিবনাথের জমিদার বংশের ঐতিহ্য, গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার টানাপোড়েন এবং পরবর্তীতে তার নিজের জীবনের বিবর্তন—সব মিলিয়ে গল্পটা দারুণভাবে টেনে রাখে। বিশেষ করে শিবনাথের পিসিমা চরিত্রের কঠোরতা ও ভেতরের স্নেহশীল রূপটি এবং মায়ের দেশের প্রতি মমত্ববোধের যে জায়গাগুলো তারাশঙ্কর ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
তবে গল্পের কিছু কিছু জায়গায় রাজনৈতিক ও আদর্শিক দর্শনের বিস্তার কিছুটা ধীরগতির মনে হতে পারে, যা সাধারণ পাঠকের কাছে কিছুটা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে, তৎকালীন সমাজচিত্র, মানুষের মানসিকতা এবং দেশপ্রেমের যে নিখুঁত ক্যানভাস লেখক এঁকেছেন, তা এক কথায় অসাধারণ।
বাঙালি জীবন ও সাহিত্যের ক্লাসিক স্বাদ পেতে চাইলে এই বইটি অবশ্যই পড়ার তালিকায় রাখা উচিত। আমার পক্ষ থেকে ৪/৫ রেটিং।
উপন্যাসের মূল চরিত্র শিবনাথের জমিদার বংশের ঐতিহ্য, গ্রামীণ সমাজব্যবস্থার টানাপোড়েন এবং পরবর্তীতে তার নিজের জীবনের বিবর্তন—সব মিলিয়ে গল্পটা দারুণভাবে টেনে রাখে। বিশেষ করে শিবনাথের পিসিমা চরিত্রের কঠোরতা ও ভেতরের স্নেহশীল রূপটি এবং মায়ের দেশের প্রতি মমত্ববোধের যে জায়গাগুলো তারাশঙ্কর ফুটিয়ে তুলেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
তবে গল্পের কিছু কিছু জায়গায় রাজনৈতিক ও আদর্শিক দর্শনের বিস্তার কিছুটা ধীরগতির মনে হতে পারে, যা সাধারণ পাঠকের কাছে কিছুটা দীর্ঘসূত্রতা তৈরি করতে পারে। কিন্তু সামগ্রিকভাবে, তৎকালীন সমাজচিত্র, মানুষের মানসিকতা এবং দেশপ্রেমের যে নিখুঁত ক্যানভাস লেখক এঁকেছেন, তা এক কথায় অসাধারণ।
বাঙালি জীবন ও সাহিত্যের ক্লাসিক স্বাদ পেতে চাইলে এই বইটি অবশ্যই পড়ার তালিকায় রাখা উচিত। আমার পক্ষ থেকে ৪/৫ রেটিং।
July 28, 2024
স্বাধীনতার পূর্বে এক নাবালকের জমিদারপ্রাপ্তির সূত্রে রচিত উপন্যাস ।পিসীমা এবং মা- এই দুই বিধবার কর্তৃত্বে বেড়ে ওঠা জমিদারির পরিচালনার পরিপূর্ণ কাহিনী। এক কিশোরের যুবক হয়ে ওঠা। এর মধ্যে মহামারীর সময় মানুষের সেবায় নিয়োজিত শিবনাথের জীবনের চড়াই উতরোই , বিবাহিত জীবন এবং সাংসারিক জীবনে প্রবেশ । সেই দোটানায় পড়ে অতীষ্ঠ হয়ে শহরে চলে আসা এবং বৈপ্লবিক কাজে জড়িয়ে পড়া তারপর নতুন দর্শনের ছোঁয়ায় জীবনের বিবর্তন ।
ফের বাড়ি ফিরে আসা আর মায়ের মৃত্যুবার্তা এবং পিসীমার কাশীগমন । উথাল-পাতাল জীবনের এক পর্যায়ে স্ত্রীর বোধদয়। পিসিমার হাতে সন্তান এবং স্ত্রীর দায়িত্ব সঁপে দিয়ে নির্বাসনের পথে অগ্রসর ।
ফের বাড়ি ফিরে আসা আর মায়ের মৃত্যুবার্তা এবং পিসীমার কাশীগমন । উথাল-পাতাল জীবনের এক পর্যায়ে স্ত্রীর বোধদয়। পিসিমার হাতে সন্তান এবং স্ত্রীর দায়িত্ব সঁপে দিয়ে নির্বাসনের পথে অগ্রসর ।
This entire review has been hidden because of spoilers.
March 5, 2020
ধাত্রীদেবতা বড় সুন্দর একটি উপন্যাস। কিন্তু গণদেবতা আগে পড়ে ফেলার দরুণ ধাত্রীদেবতার মধ্যে আমি বহু ক্ষেত্রে গণদেবতার ছায়া দেখতে পেয়েছি। ধাত্রীদেবতা শিবু যেন গণদেবতার দেবুরই আরেকটা রূপ। তবে, তারাশঙ্করের বাকি উপন্যাসগুলোর মতো এই উপন্যাসও রাঢ়ভূমির রূপ-রস-গন্ধে জারিত, বাংলার স্নিগ্ধ সনাতন রঙে চিত্রিত। নায়ক শিবুর দাম্পত্যকলহ উপন্যাসের অন্যতম প্রধান উপজীব্য। গণদেবতা যত না ব্যক্তি মানুষের, তার থেকে বেশি করে সমাজের। কিন্তু, এখানে সমাজের চেয়ে ব্যক্তিমানুষ কোনো অংশে কম উপস্থিত নয়।
August 12, 2023
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত, সামন্তপ্রথার অন্তিম সময় এবং আসন্ন পুনর্জাগরণের ক্রান্তিলগ্ন– এরই সংঘাত-কালে পল্লীর ইতিহাস-বর্ণিত এক কাহিনী।
বলা হয়ে থাকে, লেখক তাঁর বাস্তব জীবনের প্রথমদিককার গল্পই এখানে তুলে ধরেছেন। সে কারণেই পিসি শৈলজাদেবীর (মধ্যযুগীয়) মতো শক্তিশালী চরিত্রের 'দাপ', শিবনাথের 'প্রপারটি ইজ থেফট'-কে মূলমন্ত্র হিসেবে নেওয়া, স্ত্রী গৌরীর সাথে দ্বন্দ্ব– সবই পাঠকের উপলব্ধিতে বাস্তব হয়ে ধরা দেয়।
পাশাপাশি প্রজাদের চিন্তাধারা, গ্ৰামীণ অবস্থার পরিবর্তন, কালের বিবর্তন কিছুটা উত্তেজিত করে তোলে। কিন্তু উপন্যাসের শেষে লেখক এই উত্তেজনার সুন্দর সমাপ্তি দেওয়ার মাধ্যমে পাঠককে তৃপ্ত করেন।
বলা হয়ে থাকে, লেখক তাঁর বাস্তব জীবনের প্রথমদিককার গল্পই এখানে তুলে ধরেছেন। সে কারণেই পিসি শৈলজাদেবীর (মধ্যযুগীয়) মতো শক্তিশালী চরিত্রের 'দাপ', শিবনাথের 'প্রপারটি ইজ থেফট'-কে মূলমন্ত্র হিসেবে নেওয়া, স্ত্রী গৌরীর সাথে দ্বন্দ্ব– সবই পাঠকের উপলব্ধিতে বাস্তব হয়ে ধরা দেয়।
পাশাপাশি প্রজাদের চিন্তাধারা, গ্ৰামীণ অবস্থার পরিবর্তন, কালের বিবর্তন কিছুটা উত্তেজিত করে তোলে। কিন্তু উপন্যাসের শেষে লেখক এই উত্তেজনার সুন্দর সমাপ্তি দেওয়ার মাধ্যমে পাঠককে তৃপ্ত করেন।
May 15, 2017
what the fuck?
November 11, 2019
"ধাত্রীদেবতা" উপন্যাস তারাশঙ্করের প্রথম সারির সৃষ্টিকর্মগুলির মধ্যে অন্যতম।
April 17, 2020
মহৎ উপন্যাস ।
March 4, 2021
এক শব্দে - অসাধারণ।
Displaying 1 - 15 of 15 reviews














