দুর্যোধন মিত্র। পাহাড়ের মুকুটহীন বাদশা। অগাধ অর্থ ও একচ্ছত্র ক্ষমতা দীর্ঘদিন ভোগ করতে-করতে হঠাৎ উপলব্ধি করলেন, তিনি কত অসহায়! তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী কৃষ্ণাই বলবে শেষ কথা, তিনি নন। প্রথমপক্ষের একমাত্র পুত্র সুন্দর বিদেশে। মহিলাঘটিত কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়ে ফিরতে চাইছে দেশে।... কৃষ্ণা তাতে রাজি নন।...তারপর? সুন্দর ফিরে এল।...এদিকে দুর্যোধনের দ্বিতীয় সন্তানের সম্ভাবনা দেখা দিল কৃষ্ণার শরীরে।... তারপর? সুন্দর সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইছে। দুর্যোধনের হোটেলের সুন্দরী তরুণী লীলা তাকে চুম্বকের মতো টানছে।... সুন্দর ফিরছে গাড়ি চালিয়ে। পাহাড়ের বাঁকে এক টাটা সুমো এসে ধাক্কা মারল।...তারপর?... কে এই আততায়ী? কে চায় না সুন্দর ও লীলার নতুন সম্পর্ক? প্রেম ও প্রতিহিংসার গভীর রহস্যঘন থ্রিলার লীলাসুন্দর।
Samaresh Majumdar (Bangla: সমরেশ মজুমদার) was a well-known Bengali writer. He spent his childhood years in the tea gardens of Duars, Jalpaiguri, West Bengal, India. He was a student of the Jalpaiguri Zilla School, Jalpaiguri. He completed his bachelors in Bengali from Scottish Church College, Kolkata. His first story appeared in "Desh" in 1967. "Dour" was his first novel, which was published in "Desh" in 1976. Author of novels, short stories and travelogues, Samaresh received the Indian government's coveted Sahitya Akademi award for the second book of the Animesh series, 'Kalbela".
সমরেশ মজুমদার-এর জন্ম ১০ মার্চ ১৯৪৪। শৈশব কেটেছে ডুয়ার্সের চা-বাগানে। জলপাইগুড়ি জেলা স্কুলের ছাত্র। কলকাতায় আসেন ১৯৬০-এ। শিক্ষা: স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বাংলায় অনার্স, পরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের এম.এ। প্রথমে গ্রুপ থিয়েটার করতেন। তারপর নাটক লিখতে গিয়ে গল্প লেখা। প্রথম গল্প ‘দেশ’ পত্রিকায়, ১৯৬৭ সালে। প্রথম উপন্যাস ‘দৌড়’, ১৯৭৫-এ ‘দেশ’ পত্রিকায়। গ্রন্থ: দৌড়, এই আমি রেণু, উত্তরাধিকার, বন্দীনিবাস, বড় পাপ হে, উজান গঙ্গা, বাসভূমি, লক্ষ্মীর পাঁচালি, উনিশ বিশ, সওয়ার, কালবেলা, কালপুরুষ এবং আরও অনেক। সম্মান: ১৯৮২ সালের আনন্দ পুরস্কার তাঁর যোগ্যতার স্বীকৃতি। এ ছাড়া ‘দৌড়’ চলচ্চিত্রের কাহিনিকার হিসাবে বি এফ জে এ, দিশারী এবং চলচ্চিত্র প্রসার সমিতির পুরস্কার। ১৯৮৪ সালে ‘কালবেলা’ উপন্যাসের জন্য পেয়েছেন সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার।
থ্রিলার জনরার দাবি করা হলেও অর্ধেকের বেশি পড়েও থ্রিলিং কিছু পাইনি। উলটো মনে হচ্ছিলো বাজে ধরনের অনুবাদ বই পড়ছি। সংলাপ কেমন যান্ত্রিক, কোনো গভীরতা নেই। বেশ বিরক্তই হচ্ছিলাম বলা চলে। শেষের দিকে এসে কিছুটা থ্রিল পাওয়া যাচ্ছিলো এবং বিরক্তিও কিছুটা কেটেছে।
নামটা শুনে আন্দাজ করা যায় না বইটি আসলে কি নিয়ে লিখা, যদিও লেখক মেনশন করেছেন যে এইটা মূলত থ্রিলার। এই গল্পে মুল চরিত্রে আছেন বাবা-ছেলে,সৎ মা, ম্যানেজার, একজন এমপি এবং লীলা নামের একটি সুন্দরী মেয়ে। থ্রিলার হিসেবে বইটি যথেস্ট দূর্বল, অনেক ঘাটতি আছে।
"লীলাসুন্দর"নামটা শুনেও আন্দাজ করা যায় না বইটি আসলে কি নিয়ে লিখা। সমরেশ মজুমদারের অন্যতম সৃষ্টি এই উপন্যাস। এই গল্পে মুল চরিত্রে আছেন বাবা-ছেলে,সৎ মা, ম্যানেজার, একজন এমপি এবং লীলা নামের একটি সুন্দরী মেয়ে। বাবা বিশাল ব্যাবসায়ী, ছেলে আমেরিকায় থেকে পড়াশুনা করে।নারী কেলেংকারি করে জেলে গিয়েছে আমেরিকার। বহুদিন ছেলে বিদেশে থাকার পরেও ছেলেকে দেশে আসতে দেয় না বাবা। কিন্তু কেন? বই না পড়লে তো জানতে পারবেন না।
বাবা বিশাল টাকাপয়সা খরচা করে পাহাড়ের উপরে বানিয়েছেন পাচতারা হোটেল।যা রিতিমতো সারা ফেলে দেয় ভারতজুড়ে। সেই হোটেলেই এমপির রেফারেন্স এ চাকরি হয় লীলার। লীলার সৌন্দর্যতা মুগ্ধ করে সবাইকে।
এমন কি বাবাকেও আকর্ষণ করে লীলা। লীলা নেহায়েত চাকুরির আশায় এসেছে হোটেলের রিসিপসনিস্ট হয়ে। ছেলে গভীর প্রেমে পরে যায়, আটকে যায় লীলার সৌন্দর্যের মায়ায়। ছুটে যায় লীলার কাছে, ফিরে আসতেই ছেলে হয় খুন, খুন? নাকি রহস্য? এমন এই বাবা ছেলে সৎ মায়ের সম্পত্তির লোভ নিয়ে প্রেম এবং প্রতিহিংসার গভীর রহস্যঘন থ্রিলার।